|

এসএসসি বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা সাজেশন ২০২৬

এসএসসি বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা সাজেশন ২০২৬। ইতিহাস ৪র্থ অধ্যায় জ্ঞানমূলক, MCQ, সৃজনশীল এর জন্য। ধারাবাহিকভাবে সকল অধ্যায়ের জ্ঞানমূলক, MCQ, সৃজনশীল দেওয়া হবে। ১০০% কমন পড়বে ইনশাআল্লাহ্‌। এই অধ্যায়ের নাম- প্রাচীন বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস

তোমাদের বোর্ড বইয়ের  প্রতিটি লাইন থেকে প্রশ্ন দেওয়া হয়েছে যেগুলো নিয়মিত অধ্যয়ন করলে এমসিকিউসহ সকল প্রশ্নের উত্তর করতে পারবে ইনশাআল্লাহ্‌। চলো, এবার আলোচনা করা যাক।

পোস্ট সূচিপত্র

প্রাচীন বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস

প্রশ্ন ১: গুপ্ত সাম্রাজ্যের শেষের দিকে বাংলায় কী ধরনের পরিবর্তন ঘটে?
উত্তর: গুপ্ত সাম্রাজ্যের শেষ দিকে রাজাদের দুর্বলতার সুযোগে বাংলায় অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাজ্যের উত্থান ঘটে।

প্রশ্ন ২: বাংলার প্রথম শক্তিশালী স্বাধীন শাসক কে ছিলেন?
উত্তর: বাংলার প্রথম শক্তিশালী স্বাধীন শাসক ছিলেন গৌড়ের রাজা শশাঙ্ক।

প্রশ্ন ৩: শশাঙ্কের মৃত্যুর পর বাংলার অবস্থা কী ছিল?
উত্তর: শশাঙ্কের মৃত্যুর পর প্রায় একশো বছর বাংলায় অরাজকতা বিরাজ করে।

প্রশ্ন ৪: বাংলায় পাল রাজারা কত বছর শাসন করেন?
উত্তর: পাল রাজারা প্রায় চারশো বছর বাংলায় শাসন করেন।

প্রশ্ন ৫: কোন ঘটনার মাধ্যমে বাংলার প্রাচীন যুগের সমাপ্তি ঘটে?
উত্তর: ১২০৪ খ্রিষ্টাব্দে মুসলিম শক্তির কাছে সেন শাসনের পতনের মাধ্যমে বাংলার প্রাচীন যুগের সমাপ্তি ঘটে।

আরও পড়ুনঃ ইতিহাস ২য় অধ্যায় সাজেশনঃ বিশ্বসভ্যতা (মিশর, সিন্ধু, গ্রিক, রোম)

মৌর্য ও গুপ্ত যুগে বাংলা

প্রশ্ন ১: গুপ্ত যুগের পূর্বে বাংলার ধারাবাহিক ইতিহাস কেন পাওয়া যায় না?
উত্তর: কারণ তখনকার মানুষ ইতিহাস লেখায় অভ্যস্ত ছিল না।

প্রশ্ন ২: গুপ্ত যুগের পূর্বে বাংলার ইতিহাস সম্পর্কে আমরা কীভাবে তথ্য পাই?
উত্তর: ভারতীয় ও বিদেশি সাহিত্যের বিক্ষিপ্ত উক্তি থেকে।

প্রশ্ন ৩: কোন সময় থেকে বাংলার প্রকৃত ইতিহাস পাওয়া যায়?
উত্তর: ৩২৭-২৬ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে আলেকজান্ডারের ভারত আক্রমণের সময় থেকে।

প্রশ্ন ৪: গ্রিক লেখকদের মতে, আলেকজান্ডারের সময়ে বাংলায় কোন শক্তিশালী রাজ্য ছিল?
উত্তর: গঙ্গারিডই রাজ্য।

প্রশ্ন ৫: গঙ্গারিডই জাতির বাসস্থান কোন অঞ্চলে ছিল?
উত্তর: ভাগীরথী ও পদ্মা নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চল।

প্রশ্ন ৬: গ্রিক লেখকরা গঙ্গারিডই ছাড়াও আর কোন জাতির উল্লেখ করেছেন?
উত্তর: প্রাসিঅয় জাতি।

প্রশ্ন ৭: প্রাসিঅয় জাতির রাজধানীর নাম কী ছিল?
উত্তর: পালিবোথ্রা (পাটলিপুত্র)।

প্রশ্ন ৮: আলেকজান্ডারের বিরুদ্ধে কোন দুই জাতি একসাথে অস্ত্র ধারণ করেছিল বলে অনুমান করা হয়?
উত্তর: গঙ্গারিডই ও প্রাসিঅয়।

প্রশ্ন ৯: আলেকজান্ডারের আক্রমণের সময় বাংলার রাজা কোন রাজ্য জয় করেছিলেন?
উত্তর: মগধাদি দেশ জয় করে পাঞ্জাব পর্যন্ত রাজ্য বিস্তার করেছিলেন।

প্রশ্ন ১০: আলেকজান্ডারের সময়ে বাংলার শক্তিশালী রাজা কোন বংশের ছিলেন?
উত্তর: পাটলিপুত্রের নন্দবংশীয়।

প্রশ্ন ১১: মৌর্য সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
উত্তর: ৩২১ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে।

প্রশ্ন ১২: মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কে?
উত্তর: চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য।

প্রশ্ন ১৩: উত্তর বাংলায় মৌর্য শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় কার রাজত্বকালে?
উত্তর: সম্রাট অশোকের (২৬৯-২৩২ খ্রিষ্টপূর্ব) রাজত্বকালে।

প্রশ্ন ১৪: মৌর্য শাসনকালে বাংলার রাজধানী কোন শহর ছিল?
উত্তর: পুণ্ড্রনগর (মহাস্থানগড়)।

প্রশ্ন ১৫: মৌর্য শাসন বাংলার কোন কোন অঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
উত্তর: উত্তর বঙ্গ, কর্ণসুবর্ণ, তাম্রলিপ্ত ও সমতট।

প্রশ্ন ১৬: মৌর্য সাম্রাজ্যের পতনের পর কোন বংশ আবির্ভূত হয়?
উত্তর: শুঙ্গ বংশ।

প্রশ্ন ১৭: শুঙ্গ বংশের পর কোন বংশের আবির্ভাব ঘটে?
উত্তর: কম্ব বংশ।

প্রশ্ন ১৮: মৌর্য পতনের পর কোন কোন বিদেশি শক্তি ভারত আক্রমণ করে?
উত্তর: গ্রিক, শক, পহ্লব, কুষাণ।

প্রশ্ন ১৯: বিদেশি শক্তিগুলো বাংলা পর্যন্ত এসেছিল কি না—এটি কী অবস্থায় আছে?
উত্তর: এটি নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।

প্রশ্ন ২০: ভারতে গুপ্ত সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
উত্তর: ৩২০ খ্রিষ্টাব্দে।

প্রশ্ন ২১: গুপ্ত সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
উত্তর: প্রথম চন্দ্রগুপ্ত।

প্রশ্ন ২২: গুপ্ত যুগে বাংলায় কোন কোন স্বাধীন রাজ্যের উত্থান ঘটে?
উত্তর: সমতট রাজ্য ও পুষ্করণ রাজ্য।

প্রশ্ন ২৩: প্রথম চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালে বাংলার কোন অংশ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধীনে আসে?
উত্তর: উত্তর বঙ্গের কিছু অংশ।

প্রশ্ন ২৪: সমুদ্রগুপ্তের রাজত্বকালে বাংলার কী অবস্থা হয়?
উত্তর: সমগ্র বাংলা গুপ্ত সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়।

প্রশ্ন ২৫: সমুদ্রগুপ্তের সময়ে সমতট রাজ্যের মর্যাদা কী ছিল?
উত্তর: করদ রাজ্য।

প্রশ্ন ২৬: সমুদ্রগুপ্ত থেকে ছয় শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত উত্তর বঙ্গ কী হিসেবে বিবেচিত হত?
উত্তর: গুপ্ত সাম্রাজ্যের একটি প্রদেশ বা ভুক্তি।

প্রশ্ন ২৭: গুপ্তদের শাসনামলে বাংলার রাজধানী কোথায় ছিল?
উত্তর: মহাস্থানগড়ের পুণ্ড্রনগর।

প্রশ্ন ২৮: মৌর্য শাসনের সময় প্রাচীন বাংলার প্রদেশ রাজধানী কোনটি ছিল?
উত্তর: পুণ্ড্রনগর।

প্রশ্ন ২৯: কর্ণসুবর্ণ বর্তমান কোন অঞ্চলে অবস্থিত ছিল?
উত্তর: মুর্শিদাবাদে।

প্রশ্ন ৩০: তাম্রলিপ্ত বর্তমান কোন অঞ্চলে ছিল?
উত্তর: হুগলীতে।

প্রশ্ন ৩১: সমতট অঞ্চল বর্তমান বাংলাদেশের কোন অংশে অবস্থিত ছিল?
উত্তর: দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে।

প্রশ্ন ৩২: গঙ্গারিডই নামক রাজ্যটির নাম কোন নদীর সাথে সম্পর্কিত?
উত্তর: গঙ্গা নদীর সাথে।

প্রশ্ন ৩৩: আলেকজান্ডারের ভারত আক্রমণের সময় বাংলার রাজারা কেমন ছিলেন?
উত্তর: তারা ছিলেন শক্তিশালী ও স্বাধীন।

প্রশ্ন ৩৪: প্রাচীন বাংলার ইতিহাসের প্রথম লিখিত প্রমাণ কারা দিয়েছেন?
উত্তর: গ্রিক লেখকগণ।

প্রশ্ন ৩৫: গুপ্ত ও মৌর্য উভয় শাসনামলে বাংলার রাজধানী হিসেবে কোন শহর গুরুত্বপূর্ণ ছিল?
উত্তর: পুণ্ড্রনগর (মহাস্থানগড়)।

আরও পড়ুনঃ এসএসসি আইসিটি সাজেশন ২০২৬ ২য় অধ্যায় MCQ ১ম অংশ 

গুপ্ত পরবর্তী বাংলা

প্রশ্ন ১: গুপ্ত শাসনের পতনের প্রধান দুটি কারণ কী ছিল?
উত্তর: পঞ্চম শতকে হুনদের আক্রমণ এবং ষষ্ঠ শতকে মালবের যশোবর্মণের আক্রমণ।

প্রশ্ন ২: গুপ্ত শাসনের পতন ঘটে কোন শতকের প্রথমার্ধে?
উত্তর: ষষ্ঠ শতকের প্রথমার্ধে।

প্রশ্ন ৩: গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতনের পর উত্তর ভারতে কী ধরনের অবস্থা সৃষ্টি হয়?
উত্তর: ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্বাধীন রাজবংশের উদ্ভব ঘটে।

প্রশ্ন ৪: গুপ্ত পতনের ফলে উত্তর ভারতে কী দেখা দেয়?
উত্তর: রাজনৈতিক অস্থিরতা।

প্রশ্ন ৫: রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগে বাংলায় কতটি স্বাধীন রাজ্য গড়ে ওঠে?
উত্তর: দুটি।

প্রশ্ন ৬: গুপ্ত পতনের পর বাংলায় প্রথম স্বাধীন রাজ্যের নাম কী ছিল?
উত্তর: বঙ্গ।

প্রশ্ন ৭: বঙ্গ রাজ্যের অবস্থান কোথায় ছিল?
উত্তর: দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা ও পশ্চিম বাংলার দক্ষিণাঞ্চলে।

প্রশ্ন ৮: বাংলায় দ্বিতীয় স্বাধীন রাজ্যের নাম কী ছিল?
উত্তর: গৌড়।

প্রশ্ন ৯: গৌড় রাজ্যের অবস্থান কোথায় ছিল?
উত্তর: বাংলার পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলে।

প্রশ্ন ১০: গুপ্ত পতনের পর সমগ্র উত্তর ভারতে কী ধরনের রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
উত্তর: ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্বাধীন রাজ্য।

স্বাধীন বঙ্গ রাজ্য

প্রশ্ন ১: কোন সময়ে বঙ্গ জনপদে একটি স্বাধীন রাজ্যের উদ্ভব ঘটে?
উত্তর: গুপ্ত সাম্রাজ্যের দুর্বলতার সুযোগে।

প্রশ্ন ২: স্বাধীন বঙ্গ রাজ্যের ইতিহাস আমরা কী থেকে জানতে পারি?
উত্তর: তাম্র শাসন থেকে।

প্রশ্ন ৩: তাম্র শাসন কী?
উত্তর: তামার পাতে খোদাই করা রাজার বিভিন্ন ঘোষণা বা নির্দেশ।

প্রশ্ন ৪: স্বাধীন বঙ্গ রাজ্যের তিনজন রাজা কারা ছিলেন?
উত্তর: গোচন্দ্র, ধর্মাদিত্য ও সমাচারদেব।

প্রশ্ন ৫: স্বাধীন বঙ্গ রাজ্যের রাজারা কোন উপাধি গ্রহণ করেছিলেন?
উত্তর: মহারাজাধিরাজ।

প্রশ্ন ৬: স্বাধীন বঙ্গ রাজ্যের রাজত্বকাল কত সালে ছিল?
উত্তর: ৫২৫ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ৬০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত।

প্রশ্ন ৭: স্বাধীন বঙ্গ রাজ্যের পতন কখন ও কীভাবে ঘটেছিল—এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যায় কি?
উত্তর: না, সঠিকভাবে জানা যায় না।

প্রশ্ন ৮: স্বাধীন বঙ্গ রাজ্যের পতন কার হাতে ঘটেছিল বলে ধারণা করা হয়?
উত্তর: দাক্ষিণাত্যের চালুক্য বংশের রাজা কীর্তি বর্মণের হাতে।

প্রশ্ন ৯: অন্য এক মতানুযায়ী বঙ্গ রাজ্যের পতনের কারণ কী?
উত্তর: স্বাধীন গৌড় রাজ্যের উত্থান।

প্রশ্ন ১০: আরও একটি মতে বঙ্গ রাজ্যের পতনের পেছনে কারা দায়ী ছিলেন?
উত্তর: কিছু সামন্ত রাজাদের উত্থান।

প্রশ্ন ১১: সপ্তম শতকের পূর্বেই দক্ষিণ বাংলার কোন অঞ্চলে সামন্ত রাজাদের উত্থান ঘটে?
উত্তর: সমতট অঞ্চলে।

প্রশ্ন ১২: সমতট অঞ্চলে কোন কোন বংশের সামন্ত রাজাদের উত্থান ঘটে?
উত্তর: ভদ্র, খড়গ ও রাঢ় বংশ।

প্রশ্ন ১৩: স্বাধীন বঙ্গ রাজ্যের পতনের সম্ভাব্য তিনটি কারণ কী?
উত্তর: (ক) চালুক্য রাজা কীর্তি বর্মণ, (খ) স্বাধীন গৌড় রাজ্যের উত্থান, (গ) সামন্ত রাজাদের উত্থান।

প্রশ্ন ১৪: স্বাধীন বঙ্গ রাজ্যের পতন সম্পর্কে ঐতিহাসিকদের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন?
উত্তর: ঐতিহাসিকদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে।

প্রশ্ন ১৫: স্বাধীন বঙ্গ রাজ্যের স্থায়িত্বকাল আনুমানিক কত বছর ছিল?
উত্তর: প্রায় ৭৫ বছর (৫২৫ খ্রিঃ – ৬০০ খ্রিঃ)।

স্বাধীন গৌড় রাজ্য

প্রশ্ন ১: গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতনের পর উত্তর বাংলায় কারা ক্ষমতা বিস্তার করেছিল?
উত্তর: ‘পরবর্তী গুপ্ত বংশ’ নামে পরিচিত গুপ্ত উপাধিধারী রাজারা।

প্রশ্ন ২: পরবর্তী গুপ্তবংশীয় রাজারা কোন কোন অঞ্চলে ক্ষমতা বিস্তার করেছিলেন?
উত্তর: উত্তর বাংলা, পশ্চিম বাংলার উত্তরাংশ ও মগধ।

প্রশ্ন ৩: ষষ্ঠ শতকের মাঝামাঝি সময়ে এ অঞ্চল কী নামে পরিচিতি পায়?
উত্তর: গৌড় জনপদ।

প্রশ্ন ৪: মৌখরি ও পরবর্তী গুপ্তদের মধ্যে কত বছর সংঘর্ষ চলে?
উত্তর: প্রায় ৫০ বছর।

প্রশ্ন ৫: কোন দুটি দিক থেকে ক্রমাগত আক্রমণ হয়েছিল?
উত্তর: উত্তর থেকে তিব্বতীয় ও দক্ষিণ থেকে চালুক্যরাজগণের আক্রমণ।

প্রশ্ন ৬: গুপ্তবংশীয় রাজাদের দুর্বলতার সুযোগে কে ক্ষমতা দখল করেন?
উত্তর: সামন্তরাজা শশাঙ্ক।

প্রশ্ন ৭: শশাঙ্ক কবে স্বাধীন গৌড় রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন?
উত্তর: ৫৯৪ খ্রিস্টাব্দে।

প্রশ্ন ৮: শশাঙ্কের পরিচয় সম্পর্কে কী বলা হয়?
উত্তর: স্পষ্ট নয়, পণ্ডিতদের মধ্যে মতভেদ আছে।

প্রশ্ন ৯: গুপ্ত রাজাদের অধীনে বড় কোনো অঞ্চলের শাসককে কী বলা হতো?
উত্তর: মহাসামন্ত।

প্রশ্ন ১০: ধারণা করা হয়, শশাঙ্ক কার সামন্ত ছিলেন?
উত্তর: গুপ্ত রাজা মহাসেনগুপ্তের।

প্রশ্ন ১১: শশাঙ্ক মহাসেনগুপ্তের কী ছিলেন বলে ধারণা করা হয়?
উত্তর: পুত্র অথবা ভ্রাতুষ্পুত্র।

প্রশ্ন ১২: শশাঙ্কের রাজধানী কোথায় ছিল?
উত্তর: কর্ণসুবর্ণ।

প্রশ্ন ১৩: শশাঙ্ক গৌড়ে অধিকার স্থাপন করে কোথায় রাজ্য বিস্তার শুরু করেন?
উত্তর: প্রতিবেশী অঞ্চলে।

প্রশ্ন ১৪: শশাঙ্ক দণ্ডভুক্তি কোথায় দখল করেছিলেন?
উত্তর: মেদিনীপুরে।

প্রশ্ন ১৫: উৎকল কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: উত্তর উড়িষ্যা।

প্রশ্ন ১৬: কঙ্গোদ কোন অঞ্চলে ছিল?
উত্তর: দক্ষিণ উড়িষ্যা।

প্রশ্ন ১৭: শশাঙ্ক বিহারের কোন অঞ্চল দখল করেছিলেন?
উত্তর: মগধ।

প্রশ্ন ১৮: শশাঙ্কের রাজ্যসীমা পশ্চিমে কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল?
উত্তর: বারাণসী পর্যন্ত।

প্রশ্ন ১৯: কামরূপ রাজা কার কাছে পরাজিত হন?
উত্তর: শশাঙ্কের কাছে।

প্রশ্ন ২০: শশাঙ্ক এরপর কোন অঞ্চলের দিকে মনোযোগ দেন?
উত্তর: উত্তর ভারত।

প্রশ্ন ২১: উত্তর ভারতে তখন কোন দুটি শক্তিশালী রাজ্য ছিল?
উত্তর: থানেশ্বর ও কান্যকুব্জ।

প্রশ্ন ২২: থানেশ্বর কোন বংশের অধীনে ছিল?
উত্তর: পুষ্যভূতি বংশ।

প্রশ্ন ২৩: কান্যকুব্জ কোন বংশের অধীনে ছিল?
উত্তর: মৌখরি বংশ।

প্রশ্ন ২৪: মৌখরীরাজ গ্রহবর্মা কাকে বিয়ে করেছিলেন?
উত্তর: পুষ্যভূতিরাজ প্রভাকরবর্ধনের কন্যা রাজশ্রীকে।

প্রশ্ন ২৫: রাজশ্রীর দুই ভাইয়ের নাম কী?
উত্তর: রাজ্যবর্ধন ও হর্ষবর্ধন।

প্রশ্ন ২৬: শশাঙ্ক কাদের উৎখাতের সংকল্প নেন?
উত্তর: মৌখরীদের।

প্রশ্ন ২৭: শশাঙ্ক কার সাথে মৈত্রী চুক্তি করেন?
উত্তর: মালবরাজ দেবগুপ্তের সাথে।

প্রশ্ন ২৮: গ্রহবর্মণকে কে হত্যা করেন?
উত্তর: দেবগুপ্ত।

প্রশ্ন ২৯: গ্রহবর্মণের স্ত্রী রাজশ্রীকে কে বন্দী করেন?
উত্তর: দেবগুপ্ত।

প্রশ্ন ৩০: দেবগুপ্ত এরপর কোথায় অগ্রসর হন?
উত্তর: থানেশ্বরের দিকে।

প্রশ্ন ৩১: তখন থানেশ্বরের রাজা কে ছিলেন?
উত্তর: রাজ্যবর্ধন।

প্রশ্ন ৩২: রাজ্যবর্ধন ও দেবগুপ্তের মধ্যে কী ঘটে?
উত্তর: যুদ্ধে দেবগুপ্ত নিহত হন।

প্রশ্ন ৩৩: এরপর রাজ্যবর্ধন কোথায় অগ্রসর হন?
উত্তর: কনৌজের দিকে।

প্রশ্ন ৩৪: পথে রাজ্যবর্ধন কার মুখোমুখি হন?
উত্তর: শশাঙ্কের।

প্রশ্ন ৩৫: রাজ্যবর্ধনের কী পরিণতি হয়?
উত্তর: তিনি বন্দী হয়ে নিহত হন।

প্রশ্ন ৩৬: রাজ্যবর্ধনের মৃত্যুর পর কে কনৌজ ও থানেশ্বরের অধিপতি হন?
উত্তর: হর্ষবর্ধন।

প্রশ্ন ৩৭: হর্ষবর্ধন প্রতিশোধ নিতে কার সাথে মিত্রতা করেন?
উত্তর: কামরূপের রাজা ভাস্করবর্মণের সাথে।

প্রশ্ন ৩৮: শশাঙ্ক ও হর্ষবর্ধনের সংঘর্ষের ফলাফল সম্পর্কে কী জানা যায়?
উত্তর: সঠিকভাবে জানা যায় না।

প্রশ্ন ৩৯: শশাঙ্ক কবে মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তর: ৬৩৭ খ্রিষ্টাব্দের কিছু আগে।

প্রশ্ন ৪০: শশাঙ্ক কোন ধর্মের উপাসক ছিলেন?
উত্তর: শৈব ধর্মের।

প্রশ্ন ৪১: হিউয়েন সাঙ শশাঙ্ককে কী আখ্যায়িত করেছেন?
উত্তর: বৌদ্ধধর্ম বিদ্বেষী।

প্রশ্ন ৪২: শশাঙ্ক সত্যিই বৌদ্ধবিরোধী ছিলেন কি না—এ বিষয়ে প্রমাণ আছে কি?
উত্তর: জোরালো প্রমাণ নেই।

প্রশ্ন ৪৩: সপ্তম শতকে বাংলার ইতিহাসে কোন রাজা বিশিষ্ট নাম?
উত্তর: শশাঙ্ক।

প্রশ্ন ৪৪: বাংলার ইতিহাসে প্রথম গুরুত্বপূর্ণ সার্বভৌম শাসক কে?
উত্তর: শশাঙ্ক।

প্রশ্ন ৪৫: শশাঙ্কের রাজধানী কোন অঞ্চলে অবস্থিত ছিল?
উত্তর: কর্ণসুবর্ণ, বর্তমান মুর্শিদাবাদে।

প্রশ্ন ৪৬: শশাঙ্ক কোন অঞ্চলে বিজয়ী হয়ে সাম্রাজ্য বিস্তার করেছিলেন?
উত্তর: উড়িষ্যা, মগধ, কামরূপ ও বারাণসী পর্যন্ত।

প্রশ্ন ৪৭: শশাঙ্ক কাদের হাতে বন্দী হয়েছিলেন বলে উল্লেখ আছে?
উত্তর: রাজ্যবর্ধনকে বন্দী করেছিলেন শশাঙ্ক।

প্রশ্ন ৪৮: রাজশ্রী কে ছিলেন?
উত্তর: মৌখরীরাজ গ্রহবর্মণের স্ত্রী ও হর্ষবর্ধনের বোন।

প্রশ্ন ৪৯: শশাঙ্ক কোন বংশের অধীনে প্রথমে সামন্তরাজা ছিলেন?
উত্তর: গুপ্ত বংশের অধীনে।

প্রশ্ন ৫০: স্বাধীন গৌড় রাজ্য প্রতিষ্ঠার বছর কোনটি?
উত্তর: ৫৯৪ খ্রিষ্টাব্দ।

আরও পড়ুনঃ এসএসসি আইসিটি সাজেশন ২০২৬: ict mcq ২য় অংশ

মাৎস্যন্যায় যুগ ও পাল বংশ

  1. শশাংকের মৃত্যুর পর বাংলায় কী শুরু হয়?
    অরাজকতা ও অন্ধকার যুগের সূচনা হয়।
  2. কে গৌড় রাজ্য ছিন্নভিন্ন করে?
    হর্ষবর্ধন ও ভাস্করবর্মণ।
  3. মাৎস্যন্যায় বলতে কী বোঝায়?
    বড় মাছ ছোট মাছকে খেয়ে ফেলার মতো অরাজক অবস্থা।
  4. মাৎস্যন্যায় যুগ কতদিন স্থায়ী ছিল?
    প্রায় একশ বছর।
  5. মাৎস্যন্যায় শব্দটি কোথায় উল্লেখ আছে?
    ধর্মপালের খালিমপুর তাম্রশাসনে।
  6. কে প্রথম পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা?
    গোপাল।
  7. গোপাল কীভাবে রাজা নির্বাচিত হন?
    জনসাধারণ ও প্রবীণ নেতৃবৃন্দের নির্বাচনের মাধ্যমে।
  8. গোপালের পিতার নাম কী?
    বপ্যট।
  9. গোপালের পিতামহের নাম কী?
    দয়িতবিষ্ণু।
  10. গোপালের রাজত্বকাল কত?
    ৭৫০–৭৮১ খ্রিষ্টাব্দ।
  11. গোপালের পর কে সিংহাসনে বসেন?
    ধর্মপাল।
  12. ধর্মপালের রাজত্বকাল কত?
    ৭৮১–৮২১ খ্রিষ্টাব্দ।
  13. ধর্মপাল কাকে শ্রেষ্ঠ পাল সম্রাট বলা হয়?
    ধর্মপালকে।
  14. ত্রি-শক্তির সংঘর্ষ কারা কারা মধ্যে হয়েছিল?
    পাল, প্রতিহার, রাষ্ট্রকূট।
  15. ত্রি-শক্তির সংঘর্ষে প্রথম ধর্মপাল কার কাছে হেরে যান?
    বৎসরাজার কাছে।
  16. ধর্মপাল কোন অঞ্চল জয় করেছিলেন?
    বারাণসী ও প্রয়াগ।
  17. ধর্মপালের রাজধানী কোথায় ছিল?
    গৌড়।
  18. ধর্মপাল কোন উপাধি ধারণ করেছিলেন?
    পরমেশ্বর, পরমভট্টারক মহারাজাধিরাজ।
  19. বিক্রমশীল বিহার কার কীর্তি?
    ধর্মপালের।
  20. সোমপুর বিহার কোথায় অবস্থিত?
    নওগাঁর পাহাড়পুরে।
  21. সোমপুর বিহার কিসের স্বীকৃতি পেয়েছে?
    ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের নিদর্শন।
  22. ওদন্তপুর বিহার কে নির্মাণ করেছিলেন?
    সম্ভবত ধর্মপাল।
  23. ধর্মপাল কতটি শিক্ষাকেন্দ্র স্থাপন করেছিলেন?
    ৫০টি।
  24. ধর্মপাল কোন ধর্মের অনুসারী ছিলেন?
    বৌদ্ধ ধর্ম।
  25. ধর্মপাল কোন হিন্দু মন্দিরের জন্য ভূমি দান করেন?
    নারায়ণের মন্দির।
  26. ধর্মপালের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
    ব্রাহ্মণ গর্গ।
  27. ধর্মপালের মৃত্যুর পর কে সিংহাসনে বসেন?
    দেবপাল।
  28. দেবপালের রাজত্বকাল কত?
    ৮২১–৮৬১ খ্রিষ্টাব্দ।
  29. দেবপালের সময়ে পাল সাম্রাজ্যের কী অবস্থা ছিল?
    সবচেয়ে বিস্তৃত হয়।
  30. দেবপাল কার বিরুদ্ধে সফল অভিযান চালান?
    প্রতিহার ও রাষ্ট্রকূটদের বিরুদ্ধে।
  31. দেবপাল কোন অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তার করেন?
    উড়িষ্যা ও কামরূপে।
  32. দেবপাল বৌদ্ধ মঠগুলো কোথায় সংস্কার করেন?
    মগধে।
  33. দেবপাল কোন বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়কে পৃষ্ঠপোষকতা করেন?
    নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়।
  34. দেবপাল কোন নতুন রাজধানী স্থাপন করেন?
    মুঙ্গেরে।
  35. দেবপালের আমলে কারা নালন্দায় মঠ স্থাপন করেছিলেন?
    শৈলেন্দ্র বংশের বালপুত্রদেব।
  36. বালপুত্রদেবকে দেবপাল কী দান করেন?
    ৫টি গ্রাম।
  37. দেবপালের আমলে কোন বিদেশি সম্পর্ক সুদৃঢ় হয়?
    দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাথে।
  38. দেবপালের রাজসভায় কোন ধরনের পণ্ডিতরা ছিলেন?
    বৌদ্ধ পণ্ডিত।
  39. দেবপাল কোন ব্রাহ্মণকে নালন্দার আচার্য করেন?
    ইন্দ্রগুপ্ত।
  40. দেবপালের পর পাল রাজ্যের পতন কেন শুরু হয়?
    দুর্বল শাসকদের কারণে।
  41. প্রথম নিগ্রহপাল কার পুত্র ছিলেন?
    দেবপালের।
  42. নারায়ণপাল কতদিন রাজত্ব করেন?
    দীর্ঘকাল (৮৬৬–৯২০ খ্রিষ্টাব্দ আনুমানিক)।
  43. দ্বিতীয় বিগ্রহপালের সময়ে পাল রাজ্য কোথায় সীমাবদ্ধ ছিল?
    গৌড় ও আশেপাশে।
  44. পাল দুর্বল হওয়ার সুযোগে কোন বংশের উত্থান ঘটে?
    কম্বোজ রাজবংশ।
  45. প্রথম মহীপালের রাজত্বকাল কত?
    ৯৯৫–১০৪৩ খ্রিষ্টাব্দ।
  46. প্রথম মহীপালের প্রধান কীর্তি কী?
    কম্বোজ বিতাড়ন ও পাল সাম্রাজ্যের পুনঃপ্রতিষ্ঠা।
  47. মহীপালের সাম্রাজ্য কোন কোন এলাকায় বিস্তৃত ছিল?
    পূর্ববঙ্গ থেকে বারাণসী ও মিথিলা পর্যন্ত।
  48. প্রথম মহীপাল কোন ধর্মের অনুসারী ছিলেন?
    বৌদ্ধ ধর্ম।
  49. মহীপাল কোন স্থানে বিশাল মন্দির নির্মাণ করেন?
    নালন্দায়।
  50. মহীপালের নামানুসারে কোন কোন শহর প্রতিষ্ঠিত হয়?
    মাহীগঞ্জ, মহীপুর, মাহীসন্তোষ, মহীপাল নগরী।
  51. মহীপাল কোন দীঘি খনন করেছিলেন?
    মহীপাল দীঘি, মহীপালের সাগর দীঘি।
  52. মহীপালের রাজত্বকাল কত বছর?
    ৫০ বছর।
  53. মহীপালকে কেন স্মরণীয় বলা হয়?
    পাল সাম্রাজ্যের পুনর্জাগরণ ঘটিয়েছিলেন।
  54. মহীপালের পর কে সিংহাসনে বসেন?
    ন্যায়পাল।
  55. ন্যায়পালের রাজত্বকাল কত?
    ১০৪৩–১০৫৮ খ্রিষ্টাব্দ।
  56. ন্যায়পালের পর কে সিংহাসনে বসেন?
    তৃতীয় বিগ্রহপাল।
  57. তৃতীয় বিগ্রহপালের রাজত্বকাল কত?
    ১০৫৮–১০৭৫ খ্রিষ্টাব্দ।
  58. দ্বিতীয় মহীপালের সময় কী বিদ্রোহ ঘটে?
    কৈবর্ত বিদ্রোহ।
  59. কৈবর্ত বিদ্রোহের নেতা কে ছিলেন?
    দিব্য।
  60. দ্বিতীয় মহীপাল কীভাবে মারা যান?
    দিব্যের হাতে নিহত হন।
  61. দ্বিতীয় মহীপালের পর কে সিংহাসনে বসেন?
    দ্বিতীয় শূরপাল।
  62. দ্বিতীয় শূরপালের রাজত্বকাল কত?
    ১০৮০–১০৮২ খ্রিষ্টাব্দ।
  63. দ্বিতীয় শূরপালের পর কে সিংহাসনে বসেন?
    রামপাল।
  64. রামপালের রাজত্বকাল কত?
    ১০৮২–১১২৪ খ্রিষ্টাব্দ।
  65. কোন গ্রন্থ থেকে রামপালের জীবন জানা যায়?
    ‘রামচরিত’।
  66. রামপালের রাজধানীর নাম কী?
    রামাবতী।
  67. রামপাল কাকে পরাজিত করেন?
    কৈবর্তরাজ ভীমকে।
  68. রামপাল কোন কোন অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তার করেন?
    মগধ, উড়িষ্যা, কামরূপ।
  69. রামপালের পর কে রাজা হন?
    কুমারপাল।
  70. কুমারপালের রাজত্বকাল কত?
    ১১২৪–১১২৯ খ্রিষ্টাব্দ।
  71. কুমারপালের পর কে সিংহাসনে বসেন?
    তৃতীয় গোপাল।
  72. তৃতীয় গোপালের রাজত্বকাল কত?
    ১১২৯–১১৪৩ খ্রিষ্টাব্দ।
  73. তৃতীয় গোপালের পর কে সিংহাসনে বসেন?
    মদনপাল।
  74. মদনপালের রাজত্বকাল কত?
    ১১৪৩–১১৬১ খ্রিষ্টাব্দ।
  75. মদনপালের সময়ে পাল বংশের কী অবস্থা ছিল?
    দুর্বল হয়ে যায়।
  76. পাল বংশের পতন কবে ঘটে?
    ১১৬১ খ্রিষ্টাব্দের পর।
  77. পাল বংশের পতনের পর কে শাসন প্রতিষ্ঠা করেন?
    সেন বংশের বিজয় সেন।
  78. পাল বংশ কত বছর শাসন করেছিল?
    প্রায় ৪০০ বছর।
  79. পাল রাজাদের প্রধান ধর্ম কী ছিল?
    বৌদ্ধ ধর্ম।
  80. পাল রাজাদের আরেকটি বৈশিষ্ট্য কী?
    সব ধর্মের প্রতি সহনশীলতা।
  81. পাল যুগে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খ্যাতি পায়?
    নালন্দা ও বিক্রমশীল।
  82. সোমপুর বিহার বর্তমানে কোথায়?
    বাংলাদেশের নওগাঁয়।
  83. পাল যুগের কোন বিহার ইউনেস্কো স্বীকৃতি পেয়েছে?
    সোমপুর বিহার।
  84. পাল যুগের কোন রাজা বিদেশি আক্রমণ প্রতিহত করেছিলেন?
    প্রথম মহীপাল।
  85. পাল যুগে কোন কোন বিদেশি জাতি আক্রমণ করেছিল?
    চোল ও চেদীরাজ।
  86. প্রথম মহীপালের নামানুসারে কোন দীঘি বিখ্যাত?
    দিনাজপুরের মহীপাল দীঘি।
  87. রামচরিত রচয়িতা কে?
    সন্ধ্যাকর নন্দী।
  88. রামচরিত গ্রন্থে কাকে বীর হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে?
    রামপালকে।
  89. ধর্মপাল কোন নদীর তীরে বিহার নির্মাণ করেন?
    গঙ্গার কাছে ভাগলপুরে বিক্রমশীল।
  90. কোন পাল রাজা শৈলেন্দ্র বংশকে সাহায্য করেছিলেন?
    দেবপাল।
  91. কোন পাল রাজা নালন্দায় বড় মন্দির নির্মাণ করেছিলেন?
    প্রথম মহীপাল।
  92. পাল যুগে সবচেয়ে জনপ্রিয় বিশ্ববিদ্যালয় কোনটি?
    নালন্দা।
  93. দেবপালের দেওয়া ভূমি কতটি গ্রাম ছিল?
    ৫টি।
  94. পাল সাম্রাজ্য কোন অঞ্চলে শুরু হয়েছিল?
    বাংলায়।
  95. পাল যুগে কে সর্বশেষ সফল সম্রাট ছিলেন?
    রামপাল।
  96. কৈবর্ত বিদ্রোহ কিসের প্রতীক ছিল?
    সামন্তশক্তির উত্থান।
  97. রামাবতী কোথায় অবস্থিত ছিল?
    বর্তমান মালদহ অঞ্চলে।
  98. মাৎস্যন্যায় যুগ কেন সৃষ্টি হয়েছিল?
    কেন্দ্রীয় শাসকের অভাবে।
  99. পাল রাজারা কোন উপাধি ধারণ করতেন?
    মহারাজাধিরাজ।
  100. ধর্মপাল কত বছর রাজত্ব করেন?
    ৪০ বছর।
  101. দেবপাল কত বছর রাজত্ব করেন?
    ৪০ বছর (৮২১–৮৬১ খ্রি.)।
  102. প্রথম মহীপাল কাকে বিতাড়ন করেন?
    কম্বোজদের।
  103. কৈবর্ত নায়ক দিব্যোক কে ছিলেন?
    দ্বিতীয় মহীপালকে হত্যা করা বিদ্রোহী।
  104. দ্বিতীয় মহীপালের ভাই কে ছিলেন?
    দ্বিতীয় শূরপাল।
  105. রামপাল কত বছর রাজত্ব করেন?
    ৪২ বছর (১০৮২–১১২৪ খ্রি.)।
  106. কোন পাল রাজা কামরূপ জয় করেছিলেন?
    ধর্মপাল ও দেবপাল।
  107. দেবপালের সময়ে কোন দ্বীপপুঞ্জের সাথে সম্পর্ক তৈরি হয়?
    জাভা, সুমাত্রা, মালয়।
  108. প্রথম মহীপাল কোন নগরী প্রতিষ্ঠা করেন?
    মাহীগঞ্জ।
  109. মদনপালের সময় কোন বংশ পাল রাজ্য দখল করে?
    সেন বংশ।
  110. গোপালের নির্বাচনের কাহিনি কোন শিলালিপিতে পাওয়া যায়?
    খালিমপুর তাম্রশাসনে।
  111. ধর্মপাল কাকে আত্মসমর্পণ করেছিলেন?
    রাষ্ট্রকূট রাজ তৃতীয় গোবিন্দকে।
  112. ধর্মপাল প্রয়াগ ও বারাণসী জয়ের পর কোন শহর অধিকার করেন?
    কনৌজ।
  113. প্রথম মহীপালের নামানুসারে কোন জেলায় মহীপুর গ্রাম আছে?
    বগুড়া জেলায়।
  114. ধর্মপালের সময় বৌদ্ধ শিক্ষার সবচেয়ে বড় কেন্দ্র কোথায় ছিল?
    বিক্রমশীল।
  115. রামপালের পর কে রাজা হন?
    কুমারপাল।
  116. তৃতীয় গোপালের শাসনকাল কত?
    ১১২৯–১১৪৩ খ্রি.।
  117. মদনপালের রাজত্ব কবে শেষ হয়?
    ১১৬১ খ্রিষ্টাব্দে।
  118. সেন বংশের কে পাল বংশকে শেষ করেন?
    বিজয় সেন।
  119. পাল বংশ কত শতাব্দী শাসন করে?
    চার শতাব্দী।
  120. পাল যুগের বৈশিষ্ট্য কী ছিল?
    বৌদ্ধ ধর্মের পৃষ্ঠপোষকতা ও শিক্ষাকেন্দ্রের প্রসার।

আরও পড়ুনঃ এসএসসি আইসিটি সাজেশন ২০২৬ ২য় অধ্যায় MCQ

দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার স্বাধীন রাজ্য

সাধারণ পরিচিতি

  1. পাল যুগের অধিকাংশ সময় দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা কেমন ছিল?
    স্বাধীন ছিল।
  2. দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
    বঙ্গ জনপদের।
  3. অষ্টম শতকের মাঝামাঝি থেকে কোন প্রবণতা দেখা যায়?
    রাজারা কখনো স্বাধীন থাকতেন, কখনো পাল রাজাদের অধীনতা স্বীকার করতেন।

খড়গ বংশ

  1. খড়গ বংশ কোন সময়ে স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে?
    সপ্তম শতকের দ্বিতীয়ার্ধে।
  2. খড়গ বংশ কোন অঞ্চলে রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে?
    দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায়।
  3. খড়গ বংশের রাজধানীর নাম কী?
    কর্মান্ত-বাসক।
  4. কর্মান্ত-বাসক কোথায় ছিল?
    কুমিল্লার বড় কামতায়।
  5. খড়গদের অধিকার কোন অঞ্চলে বিস্তৃত ছিল?
    ত্রিপুরা ও নোয়াখালী।
  6. খড়গ বংশের শাসনকালীন সময় কোন বংশ মগধ ও গৌড়ে শাসন করত?
    পরবর্তী গুপ্তবংশীয় রাজারা।

দেব বংশ

  1. দেব বংশের উত্থান কবে ঘটে?
    অষ্টম শতকের শুরুতে।
  2. দেব বংশ কোথায় শাসন করত?
    দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায়।
  3. দেব বংশের কয়জন রাজার নাম জানা যায়?
    চারজন।
  4. দেব বংশের রাজাদের নাম কী কী?
    শান্তিদেব, বীরদেব, আনন্দদেব, ভবদেব।
  5. দেব রাজাদের রাজধানী কোথায় ছিল?
    দেবপর্বতে।
  6. দেবপর্বত কোথায় অবস্থিত ছিল?
    কুমিল্লার ময়নামতির কাছে।
  7. দেব রাজাদের রাজত্ব বিস্তৃত ছিল কোথায়?
    সমতট অঞ্চলে।
  8. দেব রাজাদের রাজত্বকাল কত?
    আনু. ৭৪০–৮০০ খ্রিষ্টাব্দ।
  9. দেব রাজারা কোন ধর্মাবলম্বী ছিলেন?
    বৌদ্ধ।
  10. দেব রাজারা কী ধরনের উপাধি ব্যবহার করতেন?
    পরম সৌগত, মহারাজাধিরাজ ইত্যাদি।
  11. দেব বংশ কোন বংশের মতো শক্তিশালী ছিল?
    পাল বংশের মতো।

কান্তিদেবের রাজ্য

  1. কান্তিদেব কোন জনপদে রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন?
    হরিকেল।
  2. কান্তিদেব কোন শতকে রাজত্ব করেন?
    নবম শতকে।
  3. কান্তিদেবের রাজধানীর নাম কী?
    বর্ধমানপুর।
  4. কান্তিদেবের পিতার নাম কী?
    ধনদত্ত।
  5. কান্তিদেবের পিতামহের নাম কী?
    ভদ্রদত্ত।
  6. বর্তমান কোন এলাকা কান্তিদেবের রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
    সিলেট।
  7. কান্তিদেবের রাজ্যের পতন কার হাতে ঘটে?
    চন্দ্র বংশের।
  8. কান্তিদেব কোন বংশের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিলেন কি না জানা যায়?
    দেব বংশের সাথে সম্পর্ক অনিশ্চিত।
  9. বর্ধমানপুর বর্তমানে কোথায়?
    অবস্থান জানা যায় না।
  10. কান্তিদেব কোন উপাধি ব্যবহার করতেন?
    স্পষ্টভাবে উল্লেখ নেই।

চন্দ্র বংশ

  1. দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার সবচেয়ে শক্তিশালী স্বাধীন বংশ কোনটি?
    চন্দ্র বংশ।
  2. চন্দ্র বংশ কত বছর শাসন করে?
    প্রায় দেড়শ বছর।
  3. চন্দ্র বংশ কোন শতক থেকে কোন শতক পর্যন্ত টিকে ছিল?
    দশম শতকের শুরু থেকে একাদশ শতকের মধ্যভাগ।
  4. চন্দ্র বংশের প্রথম রাজা কে?
    পূর্ণচন্দ্র।
  5. পূর্ণচন্দ্রের পুত্র কে ছিলেন?
    সুবর্ণচন্দ্র।
  6. চন্দ্র বংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা কে?
    ত্রৈলোক্যচন্দ্র।
  7. ত্রৈলোক্যচন্দ্র কত বছর রাজত্ব করেন?
    প্রায় ৩০ বছর (৯০০–৯৩০ খ্রিঃ)।
  8. ত্রৈলোক্যচন্দ্র কোন উপাধি গ্রহণ করেন?
    মহারাজাধিরাজ।
  9. চন্দ্র বংশের মূল কেন্দ্র কোথায় ছিল?
    লালমাই পাহাড় (রোহিতগিরি)।
  10. ত্রৈলোক্যচন্দ্র কোন কোন অঞ্চল শাসন করেন?
    হরিকেল, চন্দ্রদ্বীপ, বঙ্গ ও সমতট।
  11. শ্রীচন্দ্র কে ছিলেন?
    ত্রৈলোক্যচন্দ্রের পুত্র।
  12. শ্রীচন্দ্র কত বছর রাজত্ব করেন?
    প্রায় ৪৫ বছর (৯৩০–৯৭৫ খ্রিঃ)।
  13. শ্রীচন্দ্রের রাজধানী কোথায় ছিল?
    বিক্রমপুর।
  14. শ্রীচন্দ্র কোন উপাধি ব্যবহার করতেন?
    পরমেশ্বর, পরম ভট্টারক, মহারাজাধিরাজ।
  15. শ্রীচন্দ্রের সময় চন্দ্র বংশের প্রতিপত্তি কোথায় বিস্তৃত হয়েছিল?
    কামরূপ থেকে গৌড় পর্যন্ত।
  16. শ্রীচন্দ্র কোন ধর্মাবলম্বী ছিলেন?
    বৌদ্ধ।
  17. শ্রীচন্দ্রের উত্তরাধিকারী কে ছিলেন?
    কল্যাণচন্দ্র।
  18. কল্যাণচন্দ্রের রাজত্বকাল কত?
    ৯৭৫–১০০০ খ্রিঃ।
  19. কল্যাণচন্দ্রের পুত্রের নাম কী?
    লডহচন্দ্র।
  20. লডহচন্দ্র কত বছর রাজত্ব করেন?
    ১০০০–১০২০ খ্রিঃ।
  21. লডহচন্দ্রের পুত্র কে ছিলেন?
    গোবিন্দচন্দ্র।
  22. গোবিন্দচন্দ্র ছিলেন কোন বংশের শেষ রাজা?
    চন্দ্র বংশের।
  23. গোবিন্দচন্দ্রের আমলে কোন বিদেশি আক্রমণ ঘটে?
    চোলরাজ রাজেন্দ্র চোল ও কলচুরিরাজ কর্ণের।
  24. এই আক্রমণের ফলে কী ঘটে?
    চন্দ্র বংশের পতন।

বর্ম বংশ

  1. বর্ম বংশ কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
    এগারো শতকের শেষভাগে।
  2. বর্ম বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
    জাতবর্মা।
  3. জাতবর্মার পিতার নাম কী?
    বজ্রবর্মা।
  4. বর্ম বংশ কোন রাজ্যের সামন্তরাজ হিসেবে এসেছিল?
    কলচুরি রাজাদের।
  5. জাতবর্মা প্রথমে কাদের সামন্ত ছিলেন?
    কলচুরিরাজ গাঙ্গেয়দেব ও কর্ণের।
  6. জাতবর্মা কাদের সাহায্যে স্বাধীন হন?
    কলচুরিরাজ কর্ণের সাহায্যে।
  7. বর্ম বংশের রাজধানী কোথায় ছিল?
    বিক্রমপুর।
  8. জাতবর্মার পর কে সিংহাসনে বসেন?
    হরিবর্মা।
  9. হরিবর্মা কত বছর রাজত্ব করেন?
    ৪৬ বছর।
  10. হরিবর্মা কাদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতেন?
    পাল রাজাদের সাথে।

অতিরিক্ত প্রশ্ন

  1. খড়গ বংশের রাজধানী কর্মান্ত-বাসকের প্রাচীন নাম কী?
    বড় কামতা।
  2. দেব বংশ কোন অঞ্চলে প্রভাব বিস্তার করে?
    সমতট।
  3. শ্রীচন্দ্র কোন জেলায় রাজধানী গড়েন?
    মুন্সীগঞ্জ (বিক্রমপুর)।
  4. চন্দ্র রাজাদের মূল কেন্দ্র কোন পাহাড়ে ছিল?
    লালমাই পাহাড়ে।
  5. চন্দ্র বংশ কত প্রজন্ম রাজত্ব করে?
    ৫ প্রজন্ম।
  6. বর্ম বংশ কোন বিদ্রোহের সময় ক্ষমতা দখল করে?
    কৈবর্ত বিদ্রোহের সময়।
  7. জাতবর্মা কার জামাতা ছিলেন?
    কলচুরিরাজ কর্ণের।
  8. বর্ম বংশের উত্থান কিসের প্রতীক ছিল?
    দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার স্বাধীনতার পুনঃপ্রতিষ্ঠা।
  9. চন্দ্র বংশের সুবর্ণচন্দ্র কী উপাধি পান?
    ভূস্বামী।
  10. চন্দ্রদ্বীপ বর্তমানে কোথায়?
    বরিশাল অঞ্চল।
  11. কান্তিদেবের পতন ঘটায় কে?
    চন্দ্র বংশ।
  12. দেব বংশ ও কান্তিদেব কোন ধর্মাবলম্বী ছিলেন?
    বৌদ্ধ।
  13. হরিবর্মার শাসনকাল কত বছর স্থায়ী ছিল?
    ৪৬ বছর।
  14. চন্দ্র বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা কে ছিলেন?
    শ্রীচন্দ্র।
  15. চন্দ্র বংশ কত শতকে সর্বশক্তিশালী হয়?
    দশম শতকে।
  16. লডহচন্দ্রের আমলে চন্দ্র বংশ কেমন ছিল?
    গৌরব অক্ষুণ্ণ রেখেছিল।
  17. চন্দ্র বংশের পতনের মূল কারণ কী ছিল?
    বিদেশি আক্রমণ।
  18. বর্ম বংশ কোন জেলায় রাজধানী স্থাপন করে?
    মুন্সীগঞ্জ।
  19. জাতবর্মা কোন সময় স্বাধীন রাজ্য গঠন করেন?
    কৈবর্ত বিদ্রোহের সময়।
  20. চন্দ্র বংশ কার হাতে পতিত হয়?
    চোল ও কলচুরিদের আক্রমণে।
  21. ত্রৈলোক্যচন্দ্র কোন অঞ্চলে ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করেন?
    হরিকেল, চন্দ্রদ্বীপ, বঙ্গ, সমতট।
  22. দেব বংশ কত বছর শাসন করেছিল?
    প্রায় ৬০ বছর।
  23. দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার সবচেয়ে দীর্ঘকালীন রাজবংশ কোনটি?
    চন্দ্র বংশ।
  24. বর্ম বংশ কোন যুগে প্রতিষ্ঠিত হয়?
    এগারো শতকের শেষভাগে।
  25. জাতবর্মা কাদের সমর্থনে রাজা হন?
    কলচুরিরাজ কর্ণের।
  26. হরিবর্মার সময় দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা কেমন ছিল?
    স্থিতিশীল।
  27. শ্রীচন্দ্র কত বছর রাজত্ব করেছিলেন?
    ৪৫ বছর।
  28. কান্তিদেবের রাজধানীর নাম কী ছিল?
    বর্ধমানপুর।
  29. চন্দ্র বংশ কত প্রজন্ম ধরে রাজত্ব করে?
    প্রায় ৫ প্রজন্ম।
  30. ত্রৈলোক্যচন্দ্র কোন উপাধি ধারণ করেছিলেন?
    মহারাজাধিরাজ।
  31. চন্দ্র বংশের পতনের সময় কোন বিদেশি আক্রমণ হয়?
    চোল ও কলচুরির।
  32. জাতবর্মা কার পুত্র ছিলেন?
    বজ্রবর্মার।
  33. দেব বংশের শাসনকালে রাজধানী কোথায় ছিল?
    ময়নামতির কাছে দেবপর্বতে।
  34. খড়গ বংশ কোন কোন অঞ্চল শাসন করেছিল?
    ত্রিপুরা ও নোয়াখালী।
  35. শ্রীচন্দ্রের রাজধানী কোন অঞ্চলে ছিল?
    বিক্রমপুর।

আরও পড়ুনঃ এসএসসি ২০২৬ আইসিটি ৫ম অধ্যায়

সেন বংশ

প্রতিষ্ঠা ও উৎপত্তি

  1. প্রশ্ন: বাংলায় সেন বংশ কবে সূচনা হয়?
    উত্তর: ১২শ শতকের দ্বিতীয় ভাগে।

  2. প্রশ্ন: সেন বংশ বহিরাগত বলে কেন ধারণা করা হয়?
    উত্তর: তাদের আদি নিবাস ছিল দক্ষিণাত্যের কর্ণাটে।

  3. প্রশ্ন: সেন বংশ কোন বর্ণের অন্তর্গত ছিলেন?
    উত্তর: ব্রহ্মক্ষত্রিয়।

  4. প্রশ্ন: ব্রহ্মক্ষত্রিয় কাকে বলে?
    উত্তর: যারা প্রথমে ব্রাহ্মণ ছিলেন কিন্তু পরে ক্ষত্রিয় পেশা গ্রহণ করেন।

  5. প্রশ্ন: বাংলায় সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
    উত্তর: সামন্ত সেন।

  6. প্রশ্ন: সামন্ত সেন কোথায় বসতি স্থাপন করেছিলেন?
    উত্তর: রাঢ় অঞ্চলে গঙ্গা নদীর তীরে।

  7. প্রশ্ন: সেন বংশের প্রথম রাজা হিসেবে কাকে ধরা হয়?
    উত্তর: হেমন্ত সেন।

  8. প্রশ্ন: হেমন্ত সেন কোন রাজার অধীনে সামন্ত ছিলেন?
    উত্তর: পাল রাজা রামপালের অধীনে।

বিজয় সেন (১০৯৮–১১৬০ খ্রি.)

  1. প্রশ্ন: সেন বংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা কে?
    উত্তর: বিজয় সেন।

  2. প্রশ্ন: বিজয় সেন কবে রাজত্ব করেন?
    উত্তর: ১০৯৮–১১৬০ খ্রিষ্টাব্দ।

  3. প্রশ্ন: বিজয় সেন কৈবর্ত বিদ্রোহের সময় কাকে সাহায্য করেছিলেন?
    উত্তর: রামপালকে।

  4. প্রশ্ন: বিজয় সেন কাকে বিয়ে করেছিলেন?
    উত্তর: দক্ষিণ রাঢ়ের শূর বংশের রাজকন্যা বিলাসদেবীকে।

  5. প্রশ্ন: বিজয় সেন কোন অঞ্চলে প্রথম রাজধানী স্থাপন করেন?
    উত্তর: হুগলী জেলার ত্রিবেণীতে বিজয়পুরে।

  6. প্রশ্ন: বিজয় সেনের দ্বিতীয় রাজধানী কোথায় ছিল?
    উত্তর: বিক্রমপুর (মুন্সীগঞ্জ)।

  7. প্রশ্ন: বিজয় সেন কোন উপাধি গ্রহণ করেছিলেন?
    উত্তর: পরম মাহেশ্বর, মহারাজাধিরাজ প্রভৃতি।

  8. প্রশ্ন: ধর্মীয় দিক থেকে বিজয় সেন কী ছিলেন?
    উত্তর: শৈব।

  9. প্রশ্ন: বাংলার ইতিহাসে প্রথম একক রাজার অধীনে সমগ্র বাংলা কার সময়ে ছিল?
    উত্তর: বিজয় সেনের সময়ে।

  10. প্রশ্ন: বিজয় সেন মদনপালকে কোথা থেকে পরাজিত করেন?
    উত্তর: উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম বাংলা থেকে।

বল্লাল সেন (১১৬০–১১৭৮ খ্রি.)

  1. প্রশ্ন: বিজয় সেনের উত্তরসূরি কে ছিলেন?
    উত্তর: বল্লাল সেন।

  2. প্রশ্ন: বল্লাল সেন কবে রাজত্ব করেন?
    উত্তর: ১১৬০–১১৭৮ খ্রিষ্টাব্দ।

  3. প্রশ্ন: বল্লাল সেন কোন রাজকন্যাকে বিয়ে করেন?
    উত্তর: চালুক্য রাজকন্যা রমা দেবীকে।

  4. প্রশ্ন: বল্লাল সেন কোন নতুন প্রথা প্রবর্তন করেন বলে ধারণা করা হয়?
    উত্তর: কৌলীন্য প্রথা।

  5. প্রশ্ন: বল্লাল সেন কোন কোন গ্রন্থ রচনা করেন?
    উত্তর: দানসাগর ও অদ্ভুতসাগর।

  6. প্রশ্ন: অদ্ভুতসাগরের অসমাপ্ত অংশ কে সম্পূর্ণ করেন?
    উত্তর: লক্ষণ সেন।

  7. প্রশ্ন: বল্লাল সেন কোন ধর্মের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন?
    উত্তর: তন্ত্র হিন্দুধর্ম।

  8. প্রশ্ন: তাঁর সময়ে কোন ধর্ম দুর্বল হয়ে পড়ে?
    উত্তর: বৌদ্ধ ধর্ম।

  9. প্রশ্ন: বল্লাল সেন কোন উপাধি গ্রহণ করেন?
    উত্তর: অরিরাজ নিঃশঙ্ক শঙ্কর।

  10. প্রশ্ন: বল্লাল সেন বৃদ্ধ বয়সে কোথায় বানপ্রস্থ গ্রহণ করেন?
    উত্তর: ত্রিবেণীর নিকট গঙ্গাতীরে।

আরও পড়ুন: SSC 2026 অর্থনীতি ২য় অধ্যায় MCQ

লক্ষণ সেন (১১৭৮–১২০৪ খ্রি.)

  1. প্রশ্ন: বল্লাল সেনের উত্তরসূরি কে?
    উত্তর: লক্ষণ সেন।

  2. প্রশ্ন: লক্ষণ সেন কত সালে রাজত্ব শুরু করেন?
    উত্তর: ১১৭৮ খ্রিষ্টাব্দে।

  3. প্রশ্ন: লক্ষণ সেন কত বছর বয়সে সিংহাসনে বসেন?
    উত্তর: প্রায় ৬০ বছর বয়সে।

  4. প্রশ্ন: লক্ষণ সেন কোন ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন?
    উত্তর: বৈষ্ণব ধর্ম।

  5. প্রশ্ন: তিনি কোন উপাধি গ্রহণ করেছিলেন?
    উত্তর: পরম বৈষ্ণব।

  6. প্রশ্ন: লক্ষণ সেন কোথায় দ্বিতীয় রাজধানী স্থাপন করেছিলেন?
    উত্তর: নবদ্বীপে।

  7. প্রশ্ন: লক্ষণ সেন কোন গ্রন্থ সম্পূর্ণ করেন?
    উত্তর: অদ্ভুতসাগর।

  8. প্রশ্ন: তাঁর রাজসভায় কী ধরনের ব্যক্তিরা সমবেত হতেন?
    উত্তর: বহু পণ্ডিত ও জ্ঞানী ব্যক্তি।

  9. প্রশ্ন: কোন ঐতিহাসিক তাঁর দানশীলতার প্রশংসা করেছেন?
    উত্তর: মিনহাজ।

  10. প্রশ্ন: ১১৯৬ খ্রিষ্টাব্দে কে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন?
    উত্তর: ডোম্মন পাল।

  11. প্রশ্ন: লক্ষণ সেনের সময়ে মুসলিম আক্রমণকারী কে ছিলেন?
    উত্তর: বখতিয়ার খলজি।

  12. প্রশ্ন: বখতিয়ার খলজি কোথায় আক্রমণ করেন?
    উত্তর: নদীয়া।

  13. প্রশ্ন: আক্রমণের পর লক্ষণ সেন কোথায় আশ্রয় নেন?
    উত্তর: বিক্রমপুরে।

  14. প্রশ্ন: লক্ষণ সেন কবে মৃত্যুবরণ করেন?
    উত্তর: আনুমানিক ১২০৬ খ্রিষ্টাব্দে।

সেন বংশের পতন

  1. প্রশ্ন: লক্ষণ সেনের মৃত্যুর পর কে পূর্ব বাংলা শাসন করেন?
    উত্তর: তাঁর দুই পুত্র বিশ্বরূপ সেন ও কেশব সেন।

  2. প্রশ্ন: সেন শাসনের অবসান কবে ঘটে?
    উত্তর: ১২০৩ খ্রিষ্টাব্দে।

  3. প্রশ্ন: বাংলায় মুসলিম সাম্রাজ্যের সূচনা কার সময়ে হয়?
    উত্তর: লক্ষণ সেনের পতনের পর।

  4. প্রশ্ন: মুসলিম শাসন বাংলায় কোথা থেকে শুরু হয়?
    উত্তর: লক্ষণাবতী (গৌড়) থেকে।

বিদ্যা, সাহিত্য ও ধর্মীয় অবদান

  1. প্রশ্ন: বল্লাল সেন কোন শাস্ত্র অধ্যয়ন করেছিলেন?
    উত্তর: বেদ, স্মৃতি, পুরাণ প্রভৃতি।

  2. প্রশ্ন: কোন সেন রাজা কবি ও সাহিত্যিক হিসেবে খ্যাত?
    উত্তর: বল্লাল সেন।

  3. প্রশ্ন: লক্ষণ সেনের সময় কোন ধর্মের প্রসার ঘটে?
    উত্তর: বৈষ্ণব ধর্ম।

সামন্ত সেন ও হেমন্ত সেন

  1. প্রশ্ন: সেন বংশের আদি নিবাস কোথায় ছিল?
    উত্তর: দক্ষিণাত্যের কর্ণাট।

  2. প্রশ্ন: সামন্ত সেন যৌবনে কোথায় বীরত্ব প্রদর্শন করেন?
    উত্তর: কর্ণাটে।

  3. প্রশ্ন: সামন্ত সেন বৃদ্ধ বয়সে কোথায় বসতি স্থাপন করেন?
    উত্তর: রাঢ় অঞ্চলে গঙ্গা নদীর তীরে।

  4. প্রশ্ন: হেমন্ত সেন কার পুত্র ছিলেন?
    উত্তর: সামন্ত সেনের।

  5. প্রশ্ন: সেন বংশের প্রথম রাজা হিসেবে কেন হেমন্ত সেনকে ধরা হয়?
    উত্তর: কারণ সামন্ত সেন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে পারেননি।

  6. প্রশ্ন: হেমন্ত সেন কোন যুগে সক্রিয় ছিলেন?
    উত্তর: রামপালের সময়ে।

বিজয় সেন (অতিরিক্ত তথ্য)

  1. প্রশ্ন: বিজয় সেন কোন বংশকে পরাজিত করে দক্ষিণ বাংলা অধিকার করেন?
    উত্তর: বর্ম বংশকে।

  2. প্রশ্ন: বিজয় সেন কোন পাল রাজাকে পরাজিত করেন?
    উত্তর: মদনপালকে।

  3. প্রশ্ন: বিজয় সেন কোন কোন অঞ্চল আক্রমণ করেন?
    উত্তর: কামরূপ, কলিঙ্গ ও মিথিলা।

  4. প্রশ্ন: বিজয় সেন কোন প্রধান বিদ্রোহে অংশগ্রহণ করেছিলেন?
    উত্তর: কৈবর্ত বিদ্রোহে।

  5. প্রশ্ন: বিজয় সেন কোন যুগে শাসন করতেন?
    উত্তর: ১১শ শতকের শেষ থেকে ১২শ শতকের মধ্যভাগে।

  6. প্রশ্ন: বিজয় সেনের সময়ে বাংলার রাজনৈতিক অবস্থা কেমন ছিল?
    উত্তর: একক রাজার অধীনে ঐক্যবদ্ধ।

  7. প্রশ্ন: বিজয় সেনের প্রথম রাজধানীর নাম কী?
    উত্তর: বিজয়পুর।

  8. প্রশ্ন: বিজয় সেন কাকে বিবাহের মাধ্যমে দক্ষিণ রাঢ় অধিকার করেন?
    উত্তর: শূর বংশের বিলাসদেবীকে।

  9. প্রশ্ন: বিজয় সেন কোন উপাধি গ্রহণ করেন?
    উত্তর: অরিরাজ-বৃষভ-শঙ্কর প্রভৃতি।

বল্লাল সেন (অতিরিক্ত তথ্য)

  1. প্রশ্ন: বল্লাল সেন কবে রাজ্যভার পুত্রকে অর্পণ করেন?
    উত্তর: বৃদ্ধ বয়সে।

  2. প্রশ্ন: বল্লাল সেনের স্ত্রী রমা দেবী কোন বংশীয় ছিলেন?
    উত্তর: চালুক্য বংশীয়।

  3. প্রশ্ন: বল্লাল সেন কোথায় নতুন রাজধানী স্থাপন করেন?
    উত্তর: রামপালে।

  4. প্রশ্ন: বল্লাল সেনের সময় কোন ধর্মের প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পায়?
    উত্তর: ব্রাহ্মণ্য ধর্ম।

  5. প্রশ্ন: বল্লাল সেনের সময়ে কোন ধর্ম দুর্বল হয়?
    উত্তর: বৌদ্ধ ধর্ম।

  6. প্রশ্ন: কৌলীন্য প্রথা সমাজে কী প্রভাব ফেলে?
    উত্তর: বিবাহ ও সামাজিক আচার-অনুষ্ঠানে কুলীন শ্রেণির প্রাধান্য সৃষ্টি করে।

  7. প্রশ্ন: বল্লাল সেন কিসে সুপণ্ডিত ছিলেন?
    উত্তর: বেদ, স্মৃতি ও পুরাণে।

  8. প্রশ্ন: বল্লাল সেনের রচিত গ্রন্থসমূহ ইতিহাসের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?
    উত্তর: সমসাময়িক সমাজ, সংস্কৃতি ও ধর্মচর্চার তথ্য দেয়।

লক্ষণ সেন (অতিরিক্ত তথ্য)

  1. প্রশ্ন: লক্ষণ সেন কার পুত্র ছিলেন?
    উত্তর: বল্লাল সেনের।

  2. প্রশ্ন: লক্ষণ সেন প্রায় কত বছর শাসন করেছিলেন?
    উত্তর: প্রায় ২৬ বছর (১১৭৮–১২০৪ খ্রি.)।

  3. প্রশ্ন: লক্ষণ সেন কোন ধর্ম ত্যাগ করেছিলেন?
    উত্তর: শৈব ধর্ম।

  4. প্রশ্ন: লক্ষণ সেন কোন ধর্ম গ্রহণ করেন?
    উত্তর: বৈষ্ণব ধর্ম।

  5. প্রশ্ন: লক্ষণ সেন কোন উপাধি ধারণ করেছিলেন?
    উত্তর: পরম বৈষ্ণব।

  6. প্রশ্ন: নবদ্বীপ কোথায় অবস্থিত?
    উত্তর: বর্তমান নদীয়া জেলায়।

  7. প্রশ্ন: নবদ্বীপকে কেন দ্বিতীয় রাজধানী করা হয়েছিল?
    উত্তর: বার্ধক্যে গৌড়ের অন্তর্বিরোধ এড়িয়ে থাকার জন্য।

  8. প্রশ্ন: ১১৯৬ খ্রিষ্টাব্দে কে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন?
    উত্তর: ডোম্মন পাল।

  9. প্রশ্ন: ডোম্মন পাল কোথায় রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন?
    উত্তর: সুন্দরবন অঞ্চলে।

  10. প্রশ্ন: লক্ষণ সেন কত বছর বিক্রমপুরে শাসন চালান মুসলিম আক্রমণের পর?
    উত্তর: প্রায় ২/৩ বছর।

  11. প্রশ্ন: লক্ষণ সেনকে আক্রমণ করেন কোন মুসলিম সেনাপতি?
    উত্তর: বখতিয়ার খলজি।

  12. প্রশ্ন: বখতিয়ার খলজি বাংলায় মুসলিম শাসন কোথায় শুরু করেন?
    উত্তর: লক্ষণাবতী (গৌড়)।

সেন বংশের পতন

  1. প্রশ্ন: বাংলায় সেন বংশের পতন কোন ঘটনার মাধ্যমে হয়?
    উত্তর: বখতিয়ার খলজির আক্রমণে।

  2. প্রশ্ন: সেন বংশের পতনের বছর কত?
    উত্তর: আনুমানিক ১২০৩ খ্রিষ্টাব্দ।

  3. প্রশ্ন: লক্ষণ সেনের মৃত্যুর পর পূর্ব বাংলায় কে শাসন করেন?
    উত্তর: বিশ্বরূপ সেন ও কেশব সেন।

  4. প্রশ্ন: বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা কোন সেন রাজার পতনের পর?
    উত্তর: লক্ষণ সেনের পর।

  5. প্রশ্ন: মুসলিম শাসন বাংলায় কোন শতাব্দীতে শুরু হয়?
    উত্তর: ১৩শ শতাব্দীর শুরুতে।

সাহিত্য, সংস্কৃতি ও শিক্ষা

  1. প্রশ্ন: বল্লাল সেন কোন ভাষায় সাহিত্য রচনা করেন?
    উত্তর: সংস্কৃত ভাষায়।

  2. প্রশ্ন: দানসাগর গ্রন্থের বিষয়বস্তু কী?
    উত্তর: দাননীতি ও ধর্মীয় আচার।

  3. প্রশ্ন: অদ্ভুতসাগর গ্রন্থে কী বিষয় আলোচনা করা হয়েছে?
    উত্তর: ধর্ম ও সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান।

  4. প্রশ্ন: অদ্ভুতসাগর অসমাপ্ত অবস্থায় কে রেখে যান?
    উত্তর: বল্লাল সেন।

  5. প্রশ্ন: কে অদ্ভুতসাগর সম্পূর্ণ করেন?
    উত্তর: লক্ষণ সেন।

  6. প্রশ্ন: লক্ষণ সেনের রাজসভায় কাদের সমাবেশ ঘটত?
    উত্তর: পণ্ডিত ও বিদ্বানদের।

  7. প্রশ্ন: সেন যুগে বাংলার প্রধান ধর্মীয় রূপান্তর কী ছিল?
    উত্তর: বৌদ্ধ ধর্ম থেকে হিন্দু ধর্মে প্রবণতা।

  8. প্রশ্ন: কোন সেন রাজা বৈষ্ণব ধর্ম গ্রহণ করেন?
    উত্তর: লক্ষণ সেন।

  9. প্রশ্ন: সেন যুগের ধর্মীয় চর্চায় কোন ধর্ম দুর্বল হয়ে পড়ে?
    উত্তর: বৌদ্ধ ধর্ম।

  10. প্রশ্ন: বাংলার ইতিহাসে সেন বংশের বিশেষ অবদান কী?
    উত্তর: সমগ্র বাংলা প্রথম একক রাজবংশের অধীনে ঐক্যবদ্ধ করা।

আরও পড়ুন: SSC 2026 অর্থনীতি ৪র্থ অধ্যায় MCQ সাজেশন

প্রাচীন বাংলার শাসন-ব্যবস্থা

কৌমতন্ত্র ও রাজতন্ত্র

  1. প্রশ্ন: গুপ্ত শাসনের পূর্বে বাংলায় রাজা ছিলেন কি?
    উত্তর: না, তখন রাজা ছিল না।

  2. প্রশ্ন: গুপ্ত শাসনের পূর্বে বাংলায় মানুষের বসবাস কেমন ছিল?
    উত্তর: একসাথে বসবাস করত।

  3. প্রশ্ন: কৌমদের মধ্যে নেতৃত্ব কাদের মাধ্যমে দিত?
    উত্তর: পঞ্চায়েত দ্বারা নির্বাচিত দলনেতার মাধ্যমে।

  4. প্রশ্ন: কৌমতন্ত্র কখন ভেঙে যায়?
    উত্তর: খ্রিষ্টপূর্ব চতুর্থ শতকের পূর্বে।

  5. প্রশ্ন: কৌমতন্ত্র ভেঙে কী বিকাশ ঘটে?
    উত্তর: রাজতন্ত্রের পূর্ণ বিকাশ ঘটে।

মৌর্য ও গুপ্ত শাসন

  1. প্রশ্ন: মৌর্য শাসনের সময় বাংলার কেন্দ্র কোথায় ছিল?
    উত্তর: মহাস্থানগড়ে (বর্তমান বগুড়া)।

  2. প্রশ্ন: মৌর্য শাসনের সময় বাংলায় শাসন কার্য পরিচালনা কে করতেন?
    উত্তর: ‘মহামাত্র’ নামে একজন রাজ প্রতিনিধি।

  3. প্রশ্ন: বাংলার কোন অংশ গুপ্ত সম্রাটদের সরাসরি শাসনে ছিল না?
    উত্তর: যে অংশ মহারাজা উপাধিধারী মহাসামন্তগণ শাসন করতেন।

  4. প্রশ্ন: গুপ্ত সম্রাটদের অধীনে যে সামন্তরা ছিল, তারা কি করতেন?
    উত্তর: প্রায় স্বাধীনভাবে শাসন করতেন।

  5. প্রশ্ন: সামন্তরা কি সব সময় সম্রাটের কর্তৃত্ব মেনে চলতেন?
    উত্তর: হ্যাঁ।

প্রশাসনিক বিভাগ

  1. প্রশ্ন: গুপ্ত শাসনের সবচেয়ে বড় প্রশাসনিক বিভাগের নাম কী ছিল?
    উত্তর: ভুক্তি।

  2. প্রশ্ন: ভুক্তি আরও কোন বিভাগে বিভক্ত ছিল?
    উত্তর: বিষয়, মণ্ডল, বীথি ও গ্রামে।

  3. প্রশ্ন: সবচেয়ে ছোট শাসন বিভাগ কোনটি ছিল?
    উত্তর: গ্রাম।

  4. প্রশ্ন: ভুক্তির শাসনকর্তাকে কী বলা হতো?
    উত্তর: উপরিক।

  5. প্রশ্ন: গুপ্ত যুগে ‘উপরিক মহারাজ’ কোন কাজ করতেন?
    উত্তর: বিষয়গুলোর শাসনকর্তা নিযুক্ত করা।

  6. প্রশ্ন: শাসক নিজে কখন এই নিয়োগ করতেন?
    উত্তর: কোনো কোনো সময়।

পাল যুগ

  1. প্রশ্ন: ষষ্ঠ শতকে উত্তর-পশ্চিম বাংলায় গুপ্ত শাসন শেষ হয়ে কেমন রাষ্ট্র গড়ে ওঠে?
    উত্তর: স্বাধীন ও আলাদা রাষ্ট্র।

  2. প্রশ্ন: পাল যুগের শাসন-ব্যবস্থা কী ধরনের ছিল?
    উত্তর: রাজতন্ত্র এবং সামন্তনির্ভর।

  3. প্রশ্ন: পাল যুগে শাসকের সর্বোচ্চ পদ কী ছিল?
    উত্তর: রাজা।

  4. প্রশ্ন: পাল যুগে প্রথম প্রধান সচিবের নাম কী?
    উত্তর: সর্বপ্রধান রাজকর্মচারী।

  5. প্রশ্ন: রাজ্যের শাসন বিভাগের প্রধান কে হতেন?
    উত্তর: একজন অধ্যক্ষ।

  6. প্রশ্ন: যুবরাজের ভূমিকায় কী ছিল?
    উত্তর: শাসনকার্য পরিচালনা।

আয় ও রাজস্ব

  1. প্রশ্ন: পাল যুগে প্রধান আয়ের উৎস কী ছিল?
    উত্তর: কর।

  2. প্রশ্ন: শস্যের ওপর কোন কর ধার্য হতো?
    উত্তর: ভাগ, ভোগ, হিরণ্য, উপরি কর।

  3. প্রশ্ন: কতকগুলো উৎপন্ন দ্রব্যের কত অংশ রাজস্ব হিসেবে নেওয়া হতো?
    উত্তর: এক ষষ্ঠমাংশ।

  4. প্রশ্ন: দস্যু ও তস্কর থেকে রক্ষা পেতে কী কর আদায় হতো?
    উত্তর: দেয় কর।

  5. প্রশ্ন: বানিজ্য থেকে সরকার কী আদায় করত?
    উত্তর: ব্যবসায়-বাণিজ্য শুল্ক।

  6. প্রশ্ন: খেয়াঘাট থেকে কী আদায় হতো?
    উত্তর: মাশুল।

  7. প্রশ্ন: বনজঙ্গল কী ধরনের সম্পদ ছিল?
    উত্তর: রাষ্ট্রীয় আয়ের উৎস।

  8. প্রশ্ন: জমি রাজস্ব নির্ধারণের জন্য কী করা হতো?
    উত্তর: জমি জরিপ।

  9. প্রশ্ন: রাজস্ব আদায় কোন পদ্ধতিতে হতো?
    উত্তর: মুদ্রা ও শস্য আকারে।

বিচার ও পুলিশ

  1. প্রশ্ন: পাল যুগে শান্তি রক্ষার জন্য কী ব্যবস্থা ছিল?
    উত্তর: সুন্দর বিচার ও পুলিশ বিভাগ।

  2. প্রশ্ন: গুপ্তচর বাহিনী কী কাজে ব্যবহার হতো?
    উত্তর: গোপন সংবাদ সংগ্রহ।

সামরিক ব্যবস্থা

  1. প্রশ্ন: পাল যুগের সামরিক বাহিনী কীভাবে বিভক্ত ছিল?
    উত্তর: পদাতিক, অশ্বারোহী, হস্তী ও রণতরী।

  2. প্রশ্ন: সামন্ত রাজাদের উপাধি কী ছিল?
    উত্তর: নানা ধরনের উপাধি।

  3. প্রশ্ন: কেন্দ্রীয় শক্তি দুর্বল হলে সামন্তরা কী করত?
    উত্তর: স্বাধীনতা ঘোষণা।

  4. প্রশ্ন: পাল রাজাদের শক্তি কিসের ওপর নির্ভর করত?
    উত্তর: সামন্তরাজদের সাহায্য ও সহযোগিতার ওপর।

সামাজিক ও রাজকীয় ব্যবস্থা

  1. প্রশ্ন: রানিকে কী মর্যাদা দেওয়া হতো?
    উত্তর: রাজকীয় মর্যাদা।

  2. প্রশ্ন: যুবরাজদের কী ভূমিকা ছিল?
    উত্তর: শাসনে প্রভাব রাখা।

  3. প্রশ্ন: জ্যেষ্ঠ রাজকুমার কী পদে থাকত?
    উত্তর: যুবরাজ।

  4. প্রশ্ন: শাসন পদ্ধতি অন্যান্য ভারতের অঞ্চলের তুলনায় কেমন ছিল?
    উত্তর: মোটেই পিছিয়ে ছিল না।

কেন্দ্রীয় শাসন ও মন্ত্রীসভা

  1. প্রশ্ন: কেন্দ্রীয় শাসনে কারা সাহায্য করত?
    উত্তর: মন্ত্রী ও অমাত্যগণ।

  2. প্রশ্ন: কেন্দ্রীয় সরকারের শীর্ষ পদধারী কে ছিলেন?
    উত্তর: রাজা।

  3. প্রশ্ন: রাজপরিবারের সদস্যরা কি ভূমিকা পালন করত?
    উত্তর: সিংহাসন নিয়ে সংঘর্ষ বা সহায়তা।

  4. প্রশ্ন: প্রধান সচিবের নাম কী ছিল?
    উত্তর: সর্বপ্রধান রাজকর্মচারী।

সামন্ত তন্ত্র

  1. প্রশ্ন: গুপ্ত যুগে সামন্ত রাজাদের ভূমিকা কী ছিল?
    উত্তর: আংশিক স্বাধীন শাসন।

  2. প্রশ্ন: সামন্তরা কীভাবে কেন্দ্রের শাসনকে মেনে চলত?
    উত্তর: আনুগত্য ও শলাগ্রহণের মাধ্যমে।

  3. প্রশ্ন: সামন্তরাজদের অধীনে কি কর্মচারী থাকত?
    উত্তর: হ্যাঁ, নানা শ্রেণির।

  4. প্রশ্ন: পাল যুগেও সামন্ত রাজাদের উল্লেখ পাওয়া যায় কি?
    উত্তর: হ্যাঁ।

  5. প্রশ্ন: প্রাচীন বাংলার শাসন-পদ্ধতির মূল কথা কী ছিল?
    উত্তর: রাজতন্ত্র।

আরও পড়ুন: SSC 2026 অর্থনীতি ৬ষ্ঠ অধ্যায় MCQ সাজেশন

FAQ – প্রাচীন বাংলার ইতিহাস (গুপ্ত যুগের পূর্ব ও গুপ্ত যুগ)

  1. প্রশ্ন: গুপ্ত যুগের পূর্বে বাংলার ধারাবাহিক ইতিহাস কেন পাওয়া যায়নি?
    উত্তর: তখনকার মানুষ ইতিহাস লেখায় অভ্যস্ত ছিল না, তাই সন-তারিখসহ ধারাবাহিক ইতিহাস রচনা সম্ভব হয়নি।
  2. প্রশ্ন: গ্রিক বীর আলেকজান্ডারের ভারত আক্রমণের সময় বাংলায় কোন শক্তিশালী রাজ্যের কথা লেখা আছে?
    উত্তর: গঙ্গারিডই।
  3. প্রশ্ন: গঙ্গারিডই রাজ্যের রাজধানীর নাম কী ছিল?
    উত্তর: পালিবোথরা (পাটলিপুত্র)।
  4. প্রশ্ন: আলেকজান্ডারের আক্রমণের সময় বাংলার রাজা কোন বংশের রাজা ছিলেন বলে অনুমান করা হয়?
    উত্তর: নন্দবংশের।
  5. প্রশ্ন: আলেকজান্ডারের ভারত ত্যাগের দুই বছর পর কে ভারতের প্রভুত্ব স্থাপন করেন?
    উত্তর: মৌর্য সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য।
  6. প্রশ্ন: সম্রাট অশোকের সময় বাংলায় মৌর্য শাসনের রাজধানী কোনটি ছিল?
    উত্তর: প্রাচীন পুণ্ড্রনগর।
  7. প্রশ্ন: মৌর্য সাম্রাজ্যের পরে কোন বংশের আবির্ভাব ঘটে?
    উত্তর: শুঙ্গ ও কম্ব বংশের।
  8. প্রশ্ন: গুপ্ত সাম্রাজ্য কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
    উত্তর: ৩২০ খ্রিষ্টাব্দে।
  9. প্রশ্ন: সমুদ্রগুপ্তের রাজত্বকালে বাংলার কোন অংশ সম্রাজ্যের অধীনে আসে?
    উত্তর: সমগ্র উত্তর বঙ্গ, তবে সমতট একটি করদ রাজ্য হিসেবে থাকে।
  10. প্রশ্ন: গুপ্তদের বাংলার রাজধানী কোনটি ছিল?
    উত্তর: মহাস্থানগড়ের পুণ্ড্রনগর।

উপসংহার

পরিশেষে বলতে চাই যে, উপরের সকল প্রশ্নের উত্তরগুলো নিয়মিত চর্চা করলে SSC পরীক্ষা 2026 এ ভালো করতে পারবে ইনশাআল্লাহ্‌। তবে আরো ভালো ফলাফল করতে তোমার পাঠ্যবই নিয়মিত অধ্যয়ন করবে। ধারাবাহিকভাবে অন্যান্য সকল অধ্যায়ের সাজেশন দেওয়া হবে। বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের সাজেশন পেতে শিক্ষা টেক ২৪ ওয়েবসাইটটি সাবস্ক্রাইব করবে। পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গে তোমার ইমেইলে নটিফিকেশন যাবে। নিজে পড়বে এবং ফেইসবুক সহ অন্যান্য মাধমে বন্ধুদের কাছে শেয়ার করবে। কোন বিষয়ের সাজেশন চাও তা জানাতে কমেন্ট করবে। 

আরও পড়ুনঃ

১. মাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশন

২. এসএসসি ২০২৬ ইতিহাস সাজেশন

৩. ইতিহাস সাজেশন 

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *