এসএসসি জীববিজ্ঞান ১ম অধ্যায় MCQ সাজেশন ২০২৬ | ssc biology mcq suggestion 2026
এসএসসি জীববিজ্ঞান ১ম অধ্যায় MCQ সাজেশন ২০২৬। তোমরা জেনে খুশি হবে সরকারের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। এই সাজেশন নিয়মিত চর্চা করলে MCQ, জ্ঞানমূলক ও সৃজনশীলসহ সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে। ১০০% কমন পড়বে ইনশাআল্লাহ্। এই অধ্যায়ের নাম-জীবন পাঠ।
তোমাদের বোর্ড বইয়ের প্রতিটি লাইন থেকে প্রশ্ন দেওয়া হয়েছে যেগুলো নিয়মিত অধ্যয়ন করলে এমসিকিউ সকল প্রশ্নের উত্তর করতে পারবে ইনশাআল্লাহ্। চলো, এবার আলোচনা করা যাক।
জীববিজ্ঞানের ধারণা (Concept of Biology)
১. প্রশ্ন: জীব কাকে বলে?
উত্তর: যাদের জীবন আছে ও জীবন ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাদের জীব বলে।
২. প্রশ্ন: জড় কাকে বলে?
উত্তর: যাদের জীবন নেই ও জীবন ক্রিয়া ঘটে না, তাদের জড় বলে।
৩. প্রশ্ন: জীববিজ্ঞান কী?
উত্তর: জীব ও জীবনের বিভিন্ন প্রক্রিয়া নিয়ে যে বিজ্ঞান আলোচনা করে, তাকে জীববিজ্ঞান বলে।
৪. প্রশ্ন: জীববিজ্ঞান শব্দটি কোথা থেকে এসেছে?
উত্তর: গ্রিক শব্দ bios (জীবন) ও logos (জ্ঞান) থেকে।
৫. প্রশ্ন: জীববিজ্ঞানের ইংরেজি নাম কী?
উত্তর: Biology।
৬. প্রশ্ন: জীববিজ্ঞানের মূল উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: জীব ও জীবনের বিভিন্ন ক্রিয়া-প্রক্রিয়া বোঝা।
৭. প্রশ্ন: জীবজগৎ বুঝতে হলে কোন দুই বিজ্ঞানের জ্ঞান জরুরি?
উত্তর: পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের জ্ঞান।
৮. প্রশ্ন: জীবন ও জড় জগতের মাঝে পার্থক্য করা কেন কঠিন?
উত্তর: কারণ জীবনের ভিত্তিমূলেও পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের একই নিয়ম কাজ করে।
৯. প্রশ্ন: জড় পদার্থের সংযোগে নতুন গুণের উদাহরণ কী?
উত্তর: হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের সংযোগে পানি তৈরি হওয়া।
১০. প্রশ্ন: জীবকে কীভাবে বোঝা যেতে পারে?
উত্তর: অনেকগুলো জড়ের জটিল সমাবেশ হিসেবে।
আরও পড়ুন: এসএসসি জীববিজ্ঞান ২য় অধ্যায় MCQ সাজেশন ২০২৬ | Shikkhatech24
১১. প্রশ্ন: জীববিজ্ঞান কেন প্রাচীন বিজ্ঞান?
উত্তর: কারণ প্রাচীন সভ্যতাগুলোতে চিকিৎসা ও কৃষিতে জীববিজ্ঞানের ব্যবহার ছিল।
১২. প্রশ্ন: প্রাচীন কোন কোন অঞ্চলে জীববিজ্ঞানের চর্চা ছিল?
উত্তর: গ্রিস, মিশর, মধ্যপ্রাচ্য, ভারত ও চীনে।
১৩. প্রশ্ন: প্রাচীন জীববিজ্ঞানের চর্চা কি আধুনিক বৈজ্ঞানিক ছিল?
উত্তর: না, তবে তা জীববিজ্ঞানের বিকাশে সহায়ক ছিল।
১৪. প্রশ্ন: জীবনকে কেন জড়ের জটিল সমাবেশ বলা হয়?
উত্তর: কারণ জীবের গঠন জড় পদার্থের সুনির্দিষ্ট সংযোজনে তৈরি।
১৫. প্রশ্ন: জীবের মধ্যে নতুন গুণের উদ্ভব কিভাবে ঘটে?
উত্তর: জড় উপাদানগুলোর জটিল সংমিশ্রণের ফলে নতুন গুণের উদ্ভব হয়।
১৬. প্রশ্ন: “bios” শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: জীবন।
১৭. প্রশ্ন: “logos” শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: জ্ঞান বা অধ্যয়ন।
১৮. প্রশ্ন: জীব ও জড়কে একত্রে কী বলা হয়?
উত্তর: বিশ্বের সব পদার্থ বা বস্তু।
১৯. প্রশ্ন: জীববিজ্ঞানের কোন দুটি প্রধান ক্ষেত্র প্রাচীনকাল থেকে গুরুত্বপূর্ণ ছিল?
উত্তর: চিকিৎসা ও কৃষি।
২০. প্রশ্ন: জীববিজ্ঞানের বিকাশে প্রাচীন জ্ঞানের ভূমিকা কী?
উত্তর: আধুনিক জীববিজ্ঞানের ভিত্তি গঠনে প্রাচীন জ্ঞান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
জীববিজ্ঞানের শাখা
১. প্রশ্ন: জীববিজ্ঞানের দুটি প্রধান শাখা কী?
উত্তর: উদ্ভিদবিজ্ঞান ও প্রাণিবিজ্ঞান।
২. প্রশ্ন: জীববিজ্ঞানকে কেন দুটি শাখায় ভাগ করা হয়েছিল?
উত্তর: পাঠের সুবিধার জন্য উদ্ভিদ ও প্রাণীভিত্তিক ভাগ করা হয়েছিল।
৩. প্রশ্ন: এখন জীববিজ্ঞানের কতগুলো শাখা রয়েছে?
উত্তর: বর্তমানে জীববিজ্ঞান বহু শাখায় বিভক্ত হয়েছে।
৪. প্রশ্ন: ভৌত শাখা কী বোঝায়?
উত্তর: যেখানে তাত্ত্বিক ভিত্তি অনুসন্ধানকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।
৫. প্রশ্ন: ফলিত শাখা কী?
উত্তর: যেখানে জীববিজ্ঞানের ব্যবহারিক প্রয়োগকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
৬. প্রশ্ন: জীবাশ্মবিজ্ঞান কী?
উত্তর: প্রাগৈতিহাসিক জীব ও জীবাশ্ম সম্পর্কিত বিজ্ঞান।
৭. প্রশ্ন: জীবপরিসংখ্যানবিদ্যা কী?
উত্তর: জীববিজ্ঞানে পরিসংখ্যানের প্রয়োগ বিষয়ক বিজ্ঞান।
৮. প্রশ্ন: পরজীবীবিদ্যা কী নিয়ে কাজ করে?
উত্তর: পরজীবী জীবের জীবনপ্রণালি ও রোগ সম্পর্কিত গবেষণা করে।
৯. প্রশ্ন: মৎস্যবিজ্ঞান কী?
উত্তর: মাছ, মাছ উৎপাদন ও সংরক্ষণ সম্পর্কিত বিজ্ঞান।
১০. প্রশ্ন: কীটতত্ত্ব কী?
উত্তর: কীটপতঙ্গের জীবন ও দমনপদ্ধতি বিষয়ক বিজ্ঞান।
আরও পড়ুন: এসএসসি বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ২য় অধ্যায় MCQ ও সৃজনশীল সাজেশন ২০২৬
১১. প্রশ্ন: অণুজীববিজ্ঞান কোন জীব নিয়ে কাজ করে?
উত্তর: ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাকসহ অণুজীব।
১২. প্রশ্ন: কৃষিবিজ্ঞান কী?
উত্তর: কৃষি উৎপাদন ও প্রযুক্তি সম্পর্কিত বিজ্ঞান।
১৩. প্রশ্ন: চিকিৎসাবিজ্ঞান কী বিষয় নিয়ে কাজ করে?
উত্তর: মানবদেহ, রোগ ও চিকিৎসা।
১৪. প্রশ্ন: জিনপ্রযুক্তি কী?
উত্তর: জীবের জিন পরিবর্তন ও ব্যবহার সম্পর্কিত বিজ্ঞান।
১৫. প্রশ্ন: প্রাণরসায়ন কী নিয়ে কাজ করে?
উত্তর: জীবের রাসায়নিক প্রক্রিয়া ও ক্রিয়াবিধি নিয়ে।
১৬. প্রশ্ন: পরিবেশবিজ্ঞান কী?
উত্তর: পরিবেশ ও জীবের পারস্পরিক সম্পর্কের বিজ্ঞান।
১৭. প্রশ্ন: সামুদ্রিক জীববিজ্ঞান কী?
উত্তর: সমুদ্রের জীব ও পরিবেশ সম্পর্কিত বিজ্ঞান।
১৮. প্রশ্ন: বনবিজ্ঞান কী?
উত্তর: বন সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণ বিষয়ক বিজ্ঞান।
১৯. প্রশ্ন: জীবপ্রযুক্তি কী?
উত্তর: মানুষের কল্যাণে জীব ও প্রযুক্তির সম্মিলিত ব্যবহার।
২০. প্রশ্ন: ফার্মেসি কী?
উত্তর: ওষুধ প্রস্তুত ও শিল্প প্রযুক্তিবিষয়ক বিজ্ঞান।
২১. প্রশ্ন: বন্যপ্রাণিবিদ্যা কী?
উত্তর: বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত বিজ্ঞান।
২২. প্রশ্ন: বায়োইনফরমেটিকস কী?
উত্তর: কম্পিউটার প্রযুক্তিনির্ভর জীববৈজ্ঞানিক তথ্য বিশ্লেষণ বিষয়ক বিজ্ঞান।
২৩. প্রশ্ন: কোন শাখায় ক্যান্সার বিশ্লেষণ করা হয়?
উত্তর: বায়োইনফরমেটিকসে।
২৪. প্রশ্ন: জীববিজ্ঞানের শাখাগুলোকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়?
উত্তর: ভৌত ও ফলিত—এই দুই ভাগে।
২৫. প্রশ্ন: ব্যাকটেরিয়া কোন শাখায় অধ্যয়ন করা হয়?
উত্তর: অণুজীববিজ্ঞানে।
২৬. প্রশ্ন: কৃষির উন্নতির জন্য কোন শাখা জরুরি?
উত্তর: কৃষিবিজ্ঞান।
২৭. প্রশ্ন: জীববিজ্ঞানের ফলিত শাখার মূল লক্ষ্য কী?
উত্তর: জীববিজ্ঞানের ব্যবহারিক প্রয়োগে মানুষের কল্যাণ সাধন।
২৮. প্রশ্ন: বন ও পরিবেশ সংরক্ষণের সাথে কোন দুটি শাখা যুক্ত?
উত্তর: বনবিজ্ঞান ও পরিবেশবিজ্ঞান।
২৯. প্রশ্ন: উদ্ভিদ বা প্রাণী নয় এমন জীবের উদাহরণ কী?
উত্তর: ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক।
৩০. প্রশ্ন: জীববিজ্ঞানের কোন শাখা ঔষধ উদ্ভাবনে সহায়তা করে?
উত্তর: ফার্মেসি ও জীবপ্রযুক্তি।
জীবের শ্রেণিবিন্যাস
১. প্রশ্ন: জীববিজ্ঞানের কোন শাখায় জীবের শ্রেণিবিন্যাস করা হয়?
উত্তর: ট্যাক্সোনমি বা শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যায়।
২. প্রশ্ন: জীবাশ্মবিদ্যা (Taxonomy)-এর প্রধান উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: জীবজগৎকে সুশৃঙ্খলভাবে জানা ও শনাক্ত করা।
৩. প্রশ্ন: পৃথিবীতে প্রায় কত প্রজাতির উদ্ভিদের নামকরণ হয়েছে?
উত্তর: প্রায় চার লক্ষ প্রজাতির।
৪. প্রশ্ন: প্রাণীর নামকরণ হয়েছে প্রায় কত প্রজাতির?
উত্তর: প্রায় তের লক্ষ প্রজাতির।
৫. প্রশ্ন: ভবিষ্যতে সব জীবের প্রজাতি সংখ্যা আনুমানিক কত হতে পারে?
উত্তর: প্রায় এক কোটি।
৬. প্রশ্ন: শ্রেণিবিন্যাসের লক্ষ্য কী?
উত্তর: জীবজগৎকে সহজভাবে ও অল্প পরিশ্রমে সঠিকভাবে জানা।
৭. প্রশ্ন: শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যার জনক কে?
উত্তর: ক্যারোলাস লিনিয়াস।
৮. প্রশ্ন: ক্যারোলাস লিনিয়াস কোন দেশের বিজ্ঞানী ছিলেন?
উত্তর: সুইডেনের।
৯. প্রশ্ন: লিনিয়াস কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি লাভ করেছিলেন?
উত্তর: আপসালা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
১০. প্রশ্ন: লিনিয়াস জীবজগৎকে কয়টি রাজ্যে ভাগ করেছিলেন?
উত্তর: দুটি — উদ্ভিদজগৎ ও প্রাণিজগৎ।
১১. প্রশ্ন: শ্রেণিবিন্যাসের উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে একটি কী?
উত্তর: প্রতিটি জীবের দল ও উপদল সম্পর্কে জ্ঞান আহরণ।
১২. প্রশ্ন: শ্রেণিবিন্যাসের মাধ্যমে আমরা কী সংরক্ষণ করি?
উত্তর: জীবজগতের ভিন্নতা সম্পর্কিত জ্ঞান।
১৩. প্রশ্ন: আর. এইচ. হুইটেকার জীবজগৎকে কয় রাজ্যে ভাগ করেন?
উত্তর: পাঁচটি রাজ্যে।
১৪. প্রশ্ন: হুইটেকার জীবজগৎকে কত সালে ভাগ করেন?
উত্তর: ১৯৬৯ সালে।
১৫. প্রশ্ন: হুইটেকারের শ্রেণিবিন্যাসকে বিস্তারিত করেন কে?
উত্তর: মারগুলিস (Margulis)।
১৬. প্রশ্ন: মারগুলিস শ্রেণিবিন্যাস প্রস্তাব করেন কত সালে?
উত্তর: ১৯৭৪ সালে।
১৭. প্রশ্ন: মারগুলিস জীবজগৎকে কয়টি সুপার কিংডমে ভাগ করেন?
উত্তর: দুটি — প্রোক্যারিওটা ও ইউক্যারিওটা।
১৮. প্রশ্ন: প্রোক্যারিওটা কী ধরনের কোষবিশিষ্ট?
উত্তর: আদিকোষ বা অপরিণত নিউক্লিয়াসযুক্ত এককোষী জীব।
১৯. প্রশ্ন: ইউক্যারিওটা কী ধরনের কোষবিশিষ্ট?
উত্তর: প্রকৃত নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট কোষ।
২০. প্রশ্ন: প্রোক্যারিওটার অধীনে কোন রাজ্যটি আছে?
উত্তর: মনেরা (Monera)।
আরও পড়ুন: এসএসসি আইসিটি সাজেশন ২০২৬: SSC ICT MCQ
২১. প্রশ্ন: মনেরা রাজ্যের জীব কেমন?
উত্তর: এককোষী বা কলোনিয়াল ও ফিলামেন্টাস।
২২. প্রশ্ন: মনেরা রাজ্যের জীবের নিউক্লিয়াস কেমন?
উত্তর: সুগঠিত নয়, নিউক্লিয়ার পর্দা নেই।
২৩. প্রশ্ন: মনেরা রাজ্যে প্লাস্টিড বা মাইটোকন্ড্রিয়া আছে কি?
উত্তর: না, নেই।
২৪. প্রশ্ন: মনেরা রাজ্যের উদাহরণ কী?
উত্তর: নীলাভ সবুজ শৈবাল ও ব্যাকটেরিয়া।
২৫. প্রশ্ন: প্রোটিস্টা রাজ্যের জীব কেমন?
উত্তর: এককোষী বা বহুকোষী, নিউক্লিয়াস সুগঠিত।
২৬. প্রশ্ন: প্রোটিস্টা রাজ্যের উদাহরণ দাও।
উত্তর: অ্যামিবা, প্যারামেসিয়াম, শৈবাল।
২৭. প্রশ্ন: ফানজাই রাজ্যের জীব কেমন?
উত্তর: মৃতজীবী বা পরজীবী, এককোষী বা মাইসেলিয়াম গঠিত।
২৮. প্রশ্ন: ফানজাইয়ের কোষপ্রাচীর কী দিয়ে গঠিত?
উত্তর: কাইটিন দ্বারা।
২৯. প্রশ্ন: ফানজাই রাজ্যের উদাহরণ দাও।
উত্তর: ইস্ট, পেনিসিলিয়াম, মাশরুম।
৩০. প্রশ্ন: প্লানটি রাজ্যের জীব কেমন?
উত্তর: সালোকসংশ্লেষণকারী প্রকৃত নিউক্লিয়াসযুক্ত উদ্ভিদ।
৩১. প্রশ্ন: প্লানটি রাজ্যের উদাহরণ কী?
উত্তর: সবুজ উদ্ভিদ।
৩২. প্রশ্ন: অ্যানিমেলিয়া রাজ্যের জীব কেমন?
উত্তর: বহুকোষী, পরভোজী ও কোষপ্রাচীরহীন প্রাণী।
৩৩. প্রশ্ন: অ্যানিমেলিয়া রাজ্যে যৌন জনন কীভাবে হয়?
উত্তর: পুরুষ ও স্ত্রী গ্যামেটের মিলনে।
৩৪. প্রশ্ন: অ্যানিমেলিয়া রাজ্যের উদাহরণ কী?
উত্তর: প্রোটোজোয়া ব্যতীত সব প্রাণী।
৩৫. প্রশ্ন: টমাস কেভলিয়ার-স্মিথ জীবজগৎকে কয় রাজ্যে ভাগ করেন?
উত্তর: ছয়টি রাজ্যে।
৩৬. প্রশ্ন: কেভলিয়ার-স্মিথ প্রোটিস্টাকে কয় ভাগে ভাগ করেন?
উত্তর: দুটি — প্রোটোজোয়া ও ক্রোমিস্টা।
৩৭. প্রশ্ন: মনেরাকে কে ব্যাকটেরিয়া রাজ্য হিসেবে পুনঃনামকরণ করেন?
উত্তর: টমাস কেভলিয়ার-স্মিথ।
৩৮. প্রশ্ন: কেভলিয়ার-স্মিথ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী ছিলেন?
উত্তর: অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের।
৩৯. প্রশ্ন: ফটোসিনথেসিস বা সালোকসংশ্লেষণ কী রাজ্যে ঘটে?
উত্তর: মনেরা ও প্লানটি রাজ্যে।
৪০. প্রশ্ন: ফানজাই রাজ্যে কোন অঙ্গাণু অনুপস্থিত?
উত্তর: ক্লোরোপ্লাস্ট।
শ্রেণিবিন্যাসের বিভিন্ন ধাপ
১. প্রশ্ন: শ্রেণিবিন্যাসের প্রতিটি ধাপে কী যোগ হয়?
উত্তর: আগের ধাপের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে নতুন কিছু বৈশিষ্ট্য যোগ হয়।
২. প্রশ্ন: যত উপরের ধাপ, তত কী বাড়ে?
উত্তর: অন্তর্ভুক্ত জীবের সংখ্যা বাড়ে।
৩. প্রশ্ন: যত নিচের ধাপ, তত কী বাড়ে?
উত্তর: জীবের বৈশিষ্ট্যের সংখ্যা বাড়ে।
৪. প্রশ্ন: শ্রেণিবিন্যাসের মোট কয়টি আন্তর্জাতিক ধাপ আছে?
উত্তর: সাতটি ধাপ।
৫. প্রশ্ন: শ্রেণিবিন্যাসের প্রথম ধাপ কোনটি?
উত্তর: রাজ্য (Kingdom)।
৬. প্রশ্ন: শ্রেণিবিন্যাসের শেষ ধাপ কোনটি?
উত্তর: প্রজাতি (Species)।
৭. প্রশ্ন: শ্রেণিবিন্যাসের সাতটি ধাপ কী কী?
উত্তর: রাজ্য, পর্ব/বিভাগ, শ্রেণি, বর্গ, গোত্র, গণ, প্রজাতি।
৮. প্রশ্ন: উদ্ভিদের ক্ষেত্রে “পর্ব” এর পরিবর্তে কোন শব্দ ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: বিভাগ (Division)।
৯. প্রশ্ন: নেস্টেড হায়ারার্কি বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: প্রতিটি ধাপ তার আগের ধাপের উপসেট -এই বিন্যাস পদ্ধতিকে নেস্টেড হায়ারার্কি বলে।
১০. প্রশ্ন: শ্রেণিবিন্যাসে আগের ধাপের বৈশিষ্ট্য পরের ধাপে কেন উহ্য রাখা হয়?
উত্তর: পুনরাবৃত্তি এড়ানোর জন্য।
আরও পড়ুন: এসএসসি ২০২৬ আইসিটি ৬ষ্ঠ অধ্যায়
১১. প্রশ্ন: মানুষ কোন রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত?
উত্তর: অ্যানিমেলিয়া (Animalia)।
১২. প্রশ্ন: মানুষকে অ্যানিমেলিয়া রাজ্যে কেন রাখা হয়েছে?
উত্তর: কারণ মানুষ বহুকোষী, পরভোজী ও জটিল টিস্যুতন্ত্রবিশিষ্ট।
১৩. প্রশ্ন: মানুষ কোন পর্বের অন্তর্ভুক্ত?
উত্তর: কর্ডাটা (Chordata)।
১৪. প্রশ্ন: কর্ডাটা পর্বে রাখার কারণ কী?
উত্তর: জীবনের কোনো এক পর্যায়ে নটোকর্ড থাকে।
১৫. প্রশ্ন: মানুষ কোন শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত?
উত্তর: ম্যামেলিয়া (Mammalia)।
১৬. প্রশ্ন: ম্যামেলিয়া শ্রেণিতে রাখার কারণ কী?
উত্তর: বুকের দুধ খাওয়ায় ও দেহে লোম বা চুল আছে।
১৭. প্রশ্ন: মানুষ কোন বর্গের অন্তর্ভুক্ত?
উত্তর: প্রাইমেট (Primate)।
১৮. প্রশ্ন: প্রাইমেট বর্গে রাখার কারণ কী?
উত্তর: আঁকড়ে ধরার হাত ও উন্নত দৃষ্টিশক্তি রয়েছে।
১৯. প্রশ্ন: মানুষ কোন গোত্রের অন্তর্ভুক্ত?
উত্তর: হোমিনিডি (Hominidae)।
২০. প্রশ্ন: হোমিনিডি গোত্রে রাখার কারণ কী?
উত্তর: শিম্পাঞ্জি, গরিলা, ওরাংওটাং-এর সঙ্গে সাদৃশ্য আছে।
২১. প্রশ্ন: মানুষ কোন গণের অন্তর্ভুক্ত?
উত্তর: হোমো (Homo)।
২২. প্রশ্ন: হোমো গণে রাখার কারণ কী?
উত্তর: দুই পায়ে খাড়া হয়ে হাঁটে ও মস্তিষ্ক তুলনামূলক বড়।
২৩. প্রশ্ন: মানুষের প্রজাতির নাম কী?
উত্তর: হোমো সেপিয়েন্স (Homo sapiens)।
২৪. প্রশ্ন: Homo sapiens-এর বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: চওড়া কপাল, পাতলা খুলির হাড় ও উন্নত বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতা।
২৫. প্রশ্ন: শ্রেণিবিন্যাসে রাজ্যের উপসেট কী?
উত্তর: পর্ব বা বিভাগ।
২৬. প্রশ্ন: পর্বের উপসেট কী?
উত্তর: শ্রেণি (Class)।
27. প্রশ্ন: শ্রেণির উপসেট কী?
উত্তর: বর্গ (Order)।
28. প্রশ্ন: বর্গের উপসেট কী?
উত্তর: গোত্র (Family)।
29. প্রশ্ন: গোত্রের উপসেট কী?
উত্তর: গণ (Genus)।
30. প্রশ্ন: গণের উপসেট কী?
উত্তর: প্রজাতি (Species)।
31. প্রশ্ন: কোনো জীবের শ্রেণিবিন্যাসে কয়টি নাম উল্লেখ করা হয়?
উত্তর: দুটি — গণ ও প্রজাতি।
32. প্রশ্ন: দুই নাম বিশিষ্ট নামকরণ পদ্ধতিকে কী বলে?
উত্তর: দ্বিনাম পদ্ধতি (Binomial Nomenclature)।
33. প্রশ্ন: Homo sapiens-এ কোনটি গণের নাম?
উত্তর: Homo।
34. প্রশ্ন: Homo sapiens-এ কোনটি প্রজাতির নাম?
উত্তর: sapiens।
35. প্রশ্ন: Homo sapiens-এর বাংলা অর্থ কী?
উত্তর: জ্ঞানী মানুষ বা বুদ্ধিমান মানুষ।
36. প্রশ্ন: শ্রেণিবিন্যাসের কোন ধাপে সবচেয়ে বেশি জীব অন্তর্ভুক্ত হয়?
উত্তর: রাজ্য ধাপে।
37. প্রশ্ন: শ্রেণিবিন্যাসের কোন ধাপে সবচেয়ে কম জীব অন্তর্ভুক্ত হয়?
উত্তর: প্রজাতি ধাপে।
38. প্রশ্ন: শ্রেণিবিন্যাসের সবচেয়ে মৌলিক একক কোনটি?
উত্তর: প্রজাতি (Species)।
39. প্রশ্ন: শ্রেণিবিন্যাসের পদ্ধতিতে বৈজ্ঞানিক নাম কেন দেওয়া হয়?
উত্তর: আন্তর্জাতিকভাবে একভাবে জীবকে শনাক্ত করার জন্য।
40. প্রশ্ন: “মানুষের শ্রেণিবিন্যাস লেখার প্রচলিত রীতি” কী?
উত্তর: প্রতিটি ধাপ ক্রমানুসারে রাজ্য থেকে প্রজাতি পর্যন্ত লেখা।
আরও পড়ুন: এসএসসি ২০২৬ আইসিটি ৫ম অধ্যায়
দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি
১. প্রশ্ন: দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি কী?
উত্তর: এটি একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুটি অংশে দেওয়ার পদ্ধতি।
২. প্রশ্ন: দ্বিপদ নামের প্রথম অংশ কী বোঝায়?
উত্তর: গণের নাম।
৩. প্রশ্ন: দ্বিপদ নামের দ্বিতীয় অংশ কী বোঝায়?
উত্তর: প্রজাতির নাম।
৪. প্রশ্ন: উদাহরণ হিসেবে গোল আলুর বৈজ্ঞানিক নাম কী?
উত্তর: Solanum tuberosum।
৫. প্রশ্ন: Solanum tuberosum-এ Solanum কী?
উত্তর: গণের নাম।
৬. প্রশ্ন: Solanum tuberosum-এ tuberosum কী?
উত্তর: প্রজাতির নাম।
৭. প্রশ্ন: দ্বিপদ নামকরণের লক্ষ্য কী?
উত্তর: প্রতিটি জীবকে আলাদা ও সঠিকভাবে নাম দেওয়া।
৮. প্রশ্ন: উদ্ভিদের নামকরণের জন্য কোন কোড ব্যবহার হয়?
উত্তর: International Code of Botanical Nomenclature (ICBN)।
৯. প্রশ্ন: প্রাণীর নামকরণের জন্য কোন কোড ব্যবহার হয়?
উত্তর: International Code of Zoological Nomenclature (ICZN)।
১০. প্রশ্ন: বৈজ্ঞানিক নাম সাধারণত কোন ভাষায় লেখা হয়?
উত্তর: ল্যাটিন বা ল্যাটিনের মতো ভাষা।
আরও পড়ুন: এসএসসি আইসিটি সাজেশন ২০২৬ ২য় অধ্যায় MCQ
১১. প্রশ্ন: কে প্রথম দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি প্রবর্তন করেন?
উত্তর: ক্যারোলাস লিনিয়াস।
১২. প্রশ্ন: লিনিয়াস কোন বইতে দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি শুরু করেন?
উত্তর: Species Plantarum।
১৩. প্রশ্ন: বৈজ্ঞানিক নামের প্রথম অক্ষর কেমন হবে?
উত্তর: বড় অক্ষর।
১৪. প্রশ্ন: বৈজ্ঞানিক নামের দ্বিতীয় অংশের অক্ষর কেমন হবে?
উত্তর: ছোট অক্ষর।
১৫. প্রশ্ন: বৈজ্ঞানিক নাম মুদ্রণে কীভাবে লেখা হবে?
উত্তর: ইটালিক অক্ষরে।
১৬. প্রশ্ন: হাতে লিখতে গেলে কী করতে হবে?
উত্তর: গণ ও প্রজাতির নামের নিচে আলাদা দাগ দিতে হবে।
১৭. প্রশ্ন: যদি একাধিক বিজ্ঞানী একই জীবকে নাম দেন, কোনটি গ্রহণযোগ্য?
উত্তর: প্রথম বিজ্ঞানীর প্রদত্ত নাম গ্রহণযোগ্য।
১৮. প্রশ্ন: বৈজ্ঞানিক নামের শেষে সংক্ষেপে কেন বিজ্ঞানীর নাম লেখা হয়?
উত্তর: যিনি প্রথম নাম দিয়েছেন, তার সম্মান জানাতে।
১৯. প্রশ্ন: উদাহরণ হিসেবে ধানের বৈজ্ঞানিক নাম কী?
উত্তর: Oryza sativa।
২০. প্রশ্ন: Oryza sativa-তে Oryza কী?
উত্তর: গণের নাম।
২১. প্রশ্ন: Oryza sativa-তে sativa কী?
উত্তর: প্রজাতির নাম।
২২. প্রশ্ন: রুই মাছের বৈজ্ঞানিক নাম কী?
উত্তর: Labeo rohita।
২৩. প্রশ্ন: Labeo rohita-তে Labeo কী?
উত্তর: গণ।
২৪. প্রশ্ন: Labeo rohita-তে rohita কী?
উত্তর: প্রজাতি।
২৫. প্রশ্ন: মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম কী?
উত্তর: Homo sapiens।
২৬. প্রশ্ন: Homo sapiens-এ Homo কী?
উত্তর: গণ।
২৭. প্রশ্ন: Homo sapiens-এ sapiens কী?
উত্তর: প্রজাতি।
২৮. প্রশ্ন: বিয়ার, বিড়াল বা কুকুরের নামও দ্বিপদ পদ্ধতিতে লেখা হয় কেন?
উত্তর: আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও ইউনিক নাম রাখার জন্য।
২৯. প্রশ্ন: কাতল মাছের বৈজ্ঞানিক নাম কী?
উত্তর: Catla catla।
৩০. প্রশ্ন: Apis indica কী জীবের বৈজ্ঞানিক নাম?
উত্তর: মৌমাছি।
৩১. প্রশ্ন: Vibrio cholerae কী জীবের বৈজ্ঞানিক নাম?
উত্তর: কলেরা জীবাণু।
৩২. প্রশ্ন: Plasmodium vivax কী জীবের নাম?
উত্তর: ম্যালেরিয়া জীবাণু।
৩৩. প্রশ্ন: Periplaneta americana কী জীবের নাম?
উত্তর: আরশোলা।
৩৪. প্রশ্ন: Panthera tigris কী প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নাম?
উত্তর: রয়েল বেঙ্গল টাইগার।
৩৫. প্রশ্ন: Zakerana dhaka কী জীবের নাম?
উত্তর: ঢাকা শহরে পাওয়া নতুন ব্যাঙ।
আরও পড়ুন: এসএসসি আইসিটি সাজেশন ২০২৬: ict mcq
৩৬. প্রশ্ন: বৈজ্ঞানিক নাম অনন্য কেন হতে হবে?
উত্তর: একই নাম দুইটি জীবের জন্য ব্যবহার করা যাবে না।
৩৭. প্রশ্ন: বৈজ্ঞানিক নাম কেন ল্যাটিনে লেখা হয়?
উত্তর: কারণ সারা বিশ্বে একইভাবে বোঝা যায়।
৩৮. প্রশ্ন: কুনো ব্যাঙের বৈজ্ঞানিক নাম কী?
উত্তর: Duttaphrynus melanostictus।
৩৯. প্রশ্ন: বিজ্ঞানী লিনিয়াস কোন সালেই Oryza sativa নাম দেন?
উত্তর: 1753।
৪০. প্রশ্ন: বৈজ্ঞানিক নামের নিয়ম কেন আন্তর্জাতিকভাবে মান্য?
উত্তর: জীবকে সঠিকভাবে শনাক্ত ও সংরক্ষণ করার জন্য।
দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি – FAQ
১. প্রশ্ন: দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি কী?
উত্তর: এটি একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুটি অংশে দেওয়ার পদ্ধতি। প্রথম অংশটি হলো গণের নাম, দ্বিতীয় অংশটি হলো প্রজাতির নাম।
২. প্রশ্ন: দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতির মূল লক্ষ্য কী?
উত্তর: প্রতিটি জীবকে আলাদা ও বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিকভাবে নাম দেওয়া।
৩. প্রশ্ন: উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নামের জন্য কোন কোড ব্যবহার হয়?
উত্তর: International Code of Botanical Nomenclature (ICBN)।
৪. প্রশ্ন: প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নামের জন্য কোন কোড ব্যবহার হয়?
উত্তর: International Code of Zoological Nomenclature (ICZN)।
৫. প্রশ্ন: বৈজ্ঞানিক নাম কিসের ভাষায় লেখা হয় এবং কেন?
উত্তর: ল্যাটিন বা ল্যাটিনের মতো ভাষায়, যাতে নাম সারা বিশ্বে একইভাবে বোঝা যায়।
৬. প্রশ্ন: বৈজ্ঞানিক নাম মুদ্রণের সময় কীভাবে লেখা হবে?
উত্তর: ইটালিক অক্ষরে।
৭. প্রশ্ন: হাতে বৈজ্ঞানিক নাম লেখার সময় কী করতে হবে?
উত্তর: গণ ও প্রজাতির নামের নিচে আলাদা আলাদা দাগ দিতে হবে।
৮. প্রশ্ন: বৈজ্ঞানিক নামের প্রথম অংশের অক্ষর কেমন হবে?
উত্তর: প্রথম অক্ষর বড়, বাকি অক্ষর ছোট।
৯. প্রশ্ন: একই জীবকে একাধিক বিজ্ঞানী নাম দিলে কোন নাম গ্রহণযোগ্য?
উত্তর: প্রথম বিজ্ঞানীর প্রদত্ত নামই গ্রহণযোগ্য।
১০. প্রশ্ন: উদাহরণস্বরূপ মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম কী?
উত্তর: Homo sapiens।
শেষকথা
পরিশেষে বলতে চাই যে, উপরের সকল প্রশ্নের উত্তরগুলো নিয়মিত চর্চা করলে SSC পরীক্ষা 2026 এ ভালো করতে পারবে ইনশাআল্লাহ্। তবে আরো ভালো ফলাফল করতে তোমার পাঠ্যবই নিয়মিত অধ্যয়ন করবে। ধারাবাহিকভাবে অন্যান্য সকল অধ্যায়ের সাজেশন দেওয়া হবে। বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের সাজেশন পেতে শিক্ষা টেক ২৪ ওয়েবসাইটটি সাবস্ক্রাইব করবে। পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গে তোমার ইমেইলে নটিফিকেশন যাবে। নিজে পড়বে এবং ফেইসবুক সহ অন্যান্য মাধমে বন্ধুদের কাছে শেয়ার করবে। কোন বিষয়ের সাজেশন চাও তা জানাতে কমেন্ট করবে।
আরও পড়ুন:
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আমি মোঃ আনোয়ার হোসেন, পেশায় একজন শিক্ষক এবং অনলাইন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর। নিত্য নতুন কন্টেন্ট পেতে shikkhatech24.com ওয়েবসাইটটি সাবস্ক্রাইব এবং ফেইসবুকে শেয়ার করুন।
