এসএসসি ২০২৬ পদার্থবিজ্ঞান সাজেশন
এসএসসি ২০২৬ পদার্থবিজ্ঞান সাজেশন ১ম অধ্যায়। পদার্থবিজ্ঞান ১ম অধ্যায় জ্ঞানমূলক, MCQ, সৃজনশীল এর জন্য। ধারাবাহিকভাবে সকল অধ্যায়ের জ্ঞানমূলক, MCQ, সৃজনশীল দেওয়া হবে। ১০০% কমন পড়বে ইনশাআল্লাহ্। এই অধ্যায়ের নাম- ভৌত রাশি এবং তার পরিমাপ সংক্রান্ত
তোমাদের বোর্ড বইয়ের প্রতিটি লাইন থেকে প্রশ্ন দেওয়া হয়েছে যেগুলো নিয়মিত অধ্যয়ন করলে এমসিকিউসহ সকল প্রশ্নের উত্তর করতে পারবে ইনশাআল্লাহ্। চলো, এবার আলোচনা করা যাক।
পদার্থবিজ্ঞান (Physics)
প্রশ্ন ১: পদার্থবিজ্ঞান কী?
উত্তর: পদার্থ ও শক্তি এবং এদের পারস্পরিক ক্রিয়া অধ্যয়নের বিজ্ঞানকেই পদার্থবিজ্ঞান বলে।
প্রশ্ন ২: পদার্থবিজ্ঞানকে কেন বিজ্ঞানের মৌলিক শাখা বলা হয়?
উত্তর: কারণ রসায়ন, জীববিজ্ঞানসহ অন্যান্য বিজ্ঞানের ভিত্তি পদার্থবিজ্ঞানের ওপর দাঁড়িয়ে আছে।
প্রশ্ন ৩: পদার্থবিজ্ঞানের প্রাচীনতম শাখা কোনটি?
উত্তর: জ্যোতির্বিদ্যা হলো পদার্থবিজ্ঞানের প্রাচীনতম শাখা।
প্রশ্ন ৪: পদার্থ বলতে এখানে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: পদার্থ বলতে শুধু দৃশ্যমান বস্তু নয়, বরং অণু, পরমাণু, ইলেকট্রন, প্রোটন, নিউট্রন ইত্যাদিকেও বোঝানো হয়েছে।
প্রশ্ন ৫: শক্তির উদাহরণ হিসেবে কোন কোন শক্তির কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: স্থিতিশক্তি, গতিশক্তি, মাধ্যাকর্ষণ, বিদ্যুৎচৌম্বকীয় শক্তি, সবল ও দুর্বল নিউক্লিয়ার শক্তির কথা বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: এসএসসি বাংলা ২য় পত্র সাজেশন ২০২৬
পদার্থবিজ্ঞানের পরিসর (Scope of Physics)
প্রশ্ন ১: পদার্থবিজ্ঞানের পরিসর কেমন?
উত্তর: পদার্থবিজ্ঞানের পরিসর অনেক বড় ও গভীর, কারণ এটি বিজ্ঞানের অন্যান্য শাখার ভিত্তি।
প্রশ্ন ২: পদার্থবিজ্ঞানের সূত্র ব্যবহার করে কী তৈরি হয়েছে?
উত্তর: পদার্থবিজ্ঞানের সূত্র ব্যবহার করে নানা ধরনের প্রযুক্তি তৈরি হয়েছে।
প্রশ্ন ৩: বর্তমান সভ্যতার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান কার?
উত্তর: বর্তমান সভ্যতার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান ইলেকট্রনিকসের।
প্রশ্ন ৪: ইলেকট্রনিকস প্রযুক্তি গঠনের পেছনে কোন বিজ্ঞানের অবদান সবচেয়ে বেশি?
উত্তর: পদার্থবিজ্ঞানের অবদান সবচেয়ে বেশি।
প্রশ্ন ৫: পদার্থবিজ্ঞানের ব্যবহার কোন কোন ক্ষেত্রে রয়েছে?
উত্তর: দৈনন্দিন জীবন, যুদ্ধ, মহাকাশ অভিযানসহ প্রায় সব ক্ষেত্রেই এর ব্যবহার রয়েছে।
প্রশ্ন ৬: Astronomy ও Physics মিলে কোন নতুন শাখা তৈরি হয়েছে?
উত্তর: Astronomy ও Physics মিলে Astrophysics তৈরি হয়েছে।
প্রশ্ন ৭: জীববিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞান মিলে কোন শাখা তৈরি হয়েছে?
উত্তর: জীববিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞান মিলে Biophysics তৈরি হয়েছে।
প্রশ্ন ৮: রসায়ন ও পদার্থবিজ্ঞান মিলে কোন শাখা গঠিত হয়েছে?
উত্তর: Chemical Physics শাখা গঠিত হয়েছে।
প্রশ্ন ৯: ভূতত্ত্বে পদার্থবিজ্ঞানের প্রয়োগে কোন শাখা তৈরি হয়েছে?
উত্তর: Geophysics তৈরি হয়েছে।
প্রশ্ন ১০: চিকিৎসাবিজ্ঞানে পদার্থবিজ্ঞানের প্রয়োগে কোন শাখা তৈরি হয়েছে?
উত্তর: Medical Physics শাখা তৈরি হয়েছে।
প্রশ্ন ১১: পদার্থবিজ্ঞানের দুটি মূল ভাগ কী কী?
উত্তর: ক্লাসিক্যাল পদার্থবিজ্ঞান ও আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান।
প্রশ্ন ১২: ক্লাসিক্যাল পদার্থবিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত শাখাগুলি কী?
উত্তর: বলবিজ্ঞান, শব্দবিজ্ঞান, তাপ ও তাপগতিবিজ্ঞান, বিদ্যুৎ ও চৌম্বক বিজ্ঞান, আলোকবিজ্ঞান।
প্রশ্ন ১৩: আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত শাখাগুলি কী?
উত্তর: আণবিক ও পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞান, নিউক্লিয়ার পদার্থবিজ্ঞান, কঠিন অবস্থার পদার্থবিজ্ঞান
প্রশ্ন ১৪: পদার্থবিজ্ঞানের মাধ্যমে কীভাবে মানবজীবনে প্রভাব পড়েছে?
উত্তর: প্রযুক্তি তৈরি করে মানবজীবনকে সহজ করেছে, আবার কিছু ক্ষেত্রে ক্ষতিও ডেকে এনেছে।
প্রশ্ন ১৫: পদার্থবিজ্ঞান কীভাবে বিকশিত হয়েছে?
উত্তর: শত শত বছরে গবেষণা ও পরীক্ষার মাধ্যমে ধীরে ধীরে পদার্থবিজ্ঞান বিকশিত হয়েছে।
আরও পড়ুন: এসএসসি বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ২য় অধ্যায় MCQ ও সৃজনশীল সাজেশন ২০২৬
পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবিকাশ (Development of Physics)
প্রশ্ন ১: আধুনিক সভ্যতার মূল ভিত্তি কী?
উত্তর: আধুনিক সভ্যতার মূল ভিত্তি হলো বিজ্ঞান।
প্রশ্ন ২: বিজ্ঞানের অগ্রগতি কি এক দিনে হয়েছে?
উত্তর: না, এটি শত শত বছর ধরে বিজ্ঞানীদের প্রচেষ্টায় হয়েছে।
প্রশ্ন ৩: প্রাচীনকালে তথ্যের আদান-প্রদান কেন কঠিন ছিল?
উত্তর: কারণ তখন হাতে লিখে বই তৈরি করতে হতো এবং বইয়ের সংখ্যা ছিল খুব কম।
প্রশ্ন ৪: বিজ্ঞানের ইতিহাসে বিজ্ঞানীরা কী ধরনের বাধার সম্মুখীন হতেন?
উত্তর: অনেক বিজ্ঞানীকে বন্দী করা বা পুড়িয়ে মারা হতো।
প্রশ্ন ৫: পদার্থবিজ্ঞানের প্রাথমিক সূচনা কোন কোন শাখার সমন্বয়ে হয়েছিল?
উত্তর: জ্যোতির্বিদ্যা, আলোকবিজ্ঞান, গতিবিদ্যা ও জ্যামিতির সমন্বয়ে।
প্রশ্ন ৬: প্রথম গ্রিক বিজ্ঞানী হিসেবে কাকে উল্লেখ করা হয়?
উত্তর: থেলিসকে প্রথম গ্রিক বিজ্ঞানী হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
প্রশ্ন ৭: থেলিস কী ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন?
উত্তর: তিনি সূর্যগ্রহণের ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন।
প্রশ্ন ৮: লোডস্টোনের কোন ধর্ম সম্পর্কে থেলিস জানতেন?
উত্তর: তিনি এর চৌম্বক ধর্ম সম্পর্কে জানতেন।
প্রশ্ন ৯: পিথাগোরাসের অবদান কী ছিল?
উত্তর: জ্যামিতি ও কম্পমান তারের ওপর তাঁর মৌলিক কাজ ছিল।
প্রশ্ন ১০: ডেমোক্রিটাস কী ধারণা দেন?
উত্তর: তিনি পদার্থের অবিভাজ্য একক ‘অণু’ বা ‘এটম’-এর ধারণা দেন।
প্রশ্ন ১১: এরিস্টটল কী বিশ্বাস করতেন?
উত্তর: তিনি মনে করতেন মাটি, পানি, বাতাস ও আগুন দিয়ে সবকিছু গঠিত।
প্রশ্ন ১২: সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের ধারণা কে দেন?
উত্তর: আরিস্তারাস প্রথম সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের ধারণা দেন।
প্রশ্ন ১৩: আরিস্তারাসের অনুসারী সেলেউকাস কী করেছিলেন?
উত্তর: তিনি যুক্তিতর্কের মাধ্যমে সূর্যকেন্দ্রিক তত্ত্ব প্রমাণ করার চেষ্টা করেন।
প্রশ্ন ১৪: আর্কিমিডিস কোন বিষয়ে বিখ্যাত?
উত্তর: তিনি তরল পদার্থে ঊর্ধ্বমুখী বলের সূত্র আবিষ্কার করেন।
প্রশ্ন ১৫: পৃথিবীর ব্যাসার্ধ প্রথম নির্ণয় করেন কে?
উত্তর: গ্রিক বিজ্ঞানী ইরাতোস্থিনিস পৃথিবীর ব্যাসার্ধ প্রথম নির্ণয় করেন।
আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা
প্রশ্ন ১: কখন থেকে প্রচলিত পদার্থবিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা দেখা দিতে শুরু করে?
উত্তর: ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরু থেকেই।
প্রশ্ন ২: কে পারমাণবিক তত্ত্ব প্রদান করেন এবং কবে?
উত্তর: ১৮০৩ সালে জন ডাল্টন পারমাণবিক তত্ত্ব প্রদান করেন।
প্রশ্ন ৩: ইলেকট্রন কে আবিষ্কার করেন?
উত্তর: ১৮৯৭ সালে জে. জে. থমসন ইলেকট্রন আবিষ্কার করেন।
প্রশ্ন ৪: রাদারফোর্ডের প্রধান আবিষ্কার কী ছিল?
উত্তর: তিনি দেখান যে পরমাণুর কেন্দ্রে ক্ষুদ্র নিউক্লিয়াসে ধনাত্মক চার্জ থাকে।
প্রশ্ন ৫: ইলেকট্রনের স্থিতিশীলতা ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয় কোন তত্ত্বের মাধ্যমে?
উত্তর: ম্যাক্স প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্বের মাধ্যমে।
প্রশ্ন ৬: “বোজন” নামটি কার অবদানের স্বীকৃতিতে দেওয়া হয়েছে?
উত্তর: প্রফেসর সত্যেন্দ্রনাথ বসুর অবদানের স্বীকৃতিতে।
প্রশ্ন ৭: ইথারের অস্তিত্ব না থাকার প্রমাণ কে দেন?
উত্তর: ১৮৮৭ সালে মাইকেলসন ও মোরলি।
প্রশ্ন ৮: “E = mc²” সূত্রটি কে প্রণয়ন করেন?
উত্তর: ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন তাঁর আপেক্ষিকতার তত্ত্বে এই সূত্রটি প্রণয়ন করেন।
প্রশ্ন ৯: প্রতি-পদার্থের (Anti-particle) অস্তিত্বের ধারণা কে দেন?
উত্তর: ১৯৩১ সালে ডিরাক প্রতি-পদার্থের অস্তিত্ব ঘোষণা করেন।
প্রশ্ন ১০: এক্স-রে কে ও কবে আবিষ্কার করেন?
উত্তর: ১৮৯৫ সালে রন্টজেন এক্স-রে আবিষ্কার করেন।
আরও পড়ুন: SSC বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সাজেশন ২০২৬ | ssc 2026 bgs suggestion
সাম্প্রতিক পদার্থবিজ্ঞান (Recent Physics)
প্রশ্ন ১: শক্তিশালী এক্সেলারেটর তৈরির ফলে কী সম্ভব হয়েছে?
উত্তর: নতুন নতুন কণা আবিষ্কার করা সম্ভব হয়েছে।
প্রশ্ন ২: এই নতুন কণাগুলোকে কোন মডেল দ্বারা সুবিন্যস্ত করা হয়েছে?
উত্তর: Standard Model দ্বারা।
প্রশ্ন ৩: হিগস বোজন কণার অস্তিত্ব কেন ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছিল?
উত্তর: কারণ Standard Model দিয়ে কণার ভর ব্যাখ্যা করা সম্ভব হচ্ছিল না।
প্রশ্ন ৪: হিগস বোজন কবে পরীক্ষাগারে শনাক্ত হয়?
উত্তর: ২০১৩ সালে।
প্রশ্ন ৫: বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের প্রসারণ প্রথম কে দেখিয়েছিলেন?
উত্তর: ১৯২৪ সালে এডউইন হাবল।
প্রশ্ন ৬: বিগ ব্যাং তত্ত্ব অনুযায়ী বিশ্বব্রহ্মাণ্ড কীভাবে সৃষ্টি হয়েছিল?
উত্তর: প্রায় ১৪ বিলিয়ন বছর আগে এক মহাবিস্ফোরণের মাধ্যমে।
প্রশ্ন ৭: বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের প্রসারণ সম্পর্কে কী বলেছেন?
উত্তর: তারা বলেছেন, এই প্রসারণ কখনোই থামবে না।
প্রশ্ন ৮: দৃশ্যমান গ্রহ-নক্ষত্র গ্যালাক্সি মিলিয়ে বিজ্ঞানীরা কত শতাংশ বিশ্বব্রহ্মাণ্ড ব্যাখ্যা করতে পারেন?
উত্তর: মাত্র ৪ শতাংশ।
প্রশ্ন ৯: বাকি অংশ ব্যাখ্যা করতে কোন ধারণা গ্রহণ করতে হয়েছে?
উত্তর: ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জির ধারণা।
প্রশ্ন ১০: অর্ধপরিবাহী পদার্থের আবিষ্কার কী এনে দিয়েছে?
উত্তর: আধুনিক ইলেকট্রনিকস প্রযুক্তি ও বর্তমান সভ্যতার ভিত্তি গড়ে তুলেছে।
আরও পড়ুন: এসএসসি আইসিটি সাজেশন ২০২৬: SSC ICT MCQ
পদার্থবিজ্ঞানের উদ্দেশ্য (Objectives of Physics)
১. প্রশ্ন: পদার্থবিজ্ঞান কী ব্যাখ্যা করে?
উত্তর: পদার্থবিজ্ঞান শক্তি ও বলের উপস্থিতিতে বস্তুর অবস্থান পরিবর্তন ব্যাখ্যা করে।
২. প্রশ্ন: পদার্থবিজ্ঞানের মূল উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: প্রকৃতির রহস্য উদ্ঘাটন, প্রকৃতির নিয়ম জানা এবং সেই নিয়ম ব্যবহার করে প্রযুক্তির বিকাশ ঘটানো।
৩. প্রশ্ন: প্রাচীনকালে চীন দেশে কোন পদার্থের চৌম্বক ধর্ম আবিষ্কৃত হয়েছিল?
উত্তর: লোড স্টোন নামের এক ধরনের পাথরের চৌম্বক ধর্ম আবিষ্কৃত হয়েছিল।
৪. প্রশ্ন: প্রাচীন গ্রিসে কোন পদার্থের মাধ্যমে বিদ্যুৎ শক্তি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছিল?
উত্তর: আম্বর নামের পদার্থকে পশম দিয়ে ঘষলে বিদ্যুৎ শক্তি দেখা যায়।
৫. প্রশ্ন: বিদ্যুৎ ও চৌম্বকীয় বলকে একত্রে কী বলা হয়?
উত্তর: বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বলকে বলা হয় ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ফোর্স (Electromagnetic Force)।
৬. প্রশ্ন: ইলেকট্রো উইক ফোর্স কী?
উত্তর: বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল ও দুর্বল নিউক্লিয়ার বল একত্রে ইলেকট্রো উইক ফোর্স নামে পরিচিত।
৭. প্রশ্ন: পদার্থবিজ্ঞানীরা ভবিষ্যতে কোন দুটি বলকে একত্র করার চেষ্টা করছেন?
উত্তর: মহাকর্ষ বল ও নিউক্লিয়ার বলকে একত্র করার চেষ্টা চলছে।
৮. প্রশ্ন: অণু কী দিয়ে গঠিত?
উত্তর: অণু মৌলগুলোর পরমাণু দিয়ে গঠিত।
৯. প্রশ্ন: নিউক্লিয়াস কী দিয়ে তৈরি?
উত্তর: নিউক্লিয়াস প্রোটন ও নিউট্রন দিয়ে তৈরি।
১০. প্রশ্ন: প্রোটন ও নিউট্রন কী দিয়ে তৈরি?
উত্তর: প্রোটন ও নিউট্রন কোয়ার্ক নামে মৌলিক কণা দিয়ে তৈরি।
১১. প্রশ্ন: স্ট্রিং থিওরি কী বোঝাতে চায়?
উত্তর: ইলেকট্রন ও কোয়ার্ক আসলে স্ট্রিং দিয়ে তৈরি হতে পারে—এই ধারণাকেই স্ট্রিং থিওরি বলে।
১২. প্রশ্ন: প্রকৃতির নিয়ম জানার একটি উদাহরণ কী?
উত্তর: নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র প্রকৃতির একটি নিয়ম ব্যাখ্যা করে।
১৩. প্রশ্ন: মাধ্যাকর্ষণ বল কীভাবে প্রমাণিত হয়েছে?
উত্তর: নিউটন গাণিতিকভাবে প্রমাণ করেন যে দুই ভর পরস্পরকে দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক বল দিয়ে আকর্ষণ করে।
১৪. প্রশ্ন: পদার্থবিজ্ঞানে গবেষণার দুটি ধারা কী?
উত্তর: তাত্ত্বিক গবেষণা ও পরীক্ষামূলক গবেষণা।
১৫. প্রশ্ন: আইনস্টাইনের বিখ্যাত সূত্রটি কী?
উত্তর: E = mc², অর্থাৎ ভরকে শক্তিতে রূপান্তর করা যায়।
১৬. প্রশ্ন: কোন পরীক্ষায় প্রথম ভর থেকে শক্তি উৎপাদনের প্রমাণ মেলে?
উত্তর: 1938 সালে অটোহান ও স্ট্রেসম্যানের নিউক্লিয়াস ভাঙার পরীক্ষায়।
১৭. প্রশ্ন: আইনস্টাইনের সূত্রের একটি নেতিবাচক ব্যবহার কী?
উত্তর: নিউক্লিয়ার বোমা তৈরি করে হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে নিক্ষেপ করা।
১৮. প্রশ্ন: আইনস্টাইনের সূত্রের একটি ইতিবাচক ব্যবহার কী?
উত্তর: নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে শক্তি উৎপাদন।
১৯. প্রশ্ন: অর্ধপরিবাহী (Semiconductor) পদার্থের গবেষণার ফল কী?
উত্তর: অর্ধপরিবাহীর সাহায্যে ট্রানজিস্টর তৈরি হয় এবং ইলেকট্রনিকসে বিপ্লব ঘটে।
২০. প্রশ্ন: প্রযুক্তির কোন ক্ষেত্রগুলোতে পদার্থবিজ্ঞানের অবদান রয়েছে?
উত্তর: বিদ্যুৎ, যোগাযোগ, চিকিৎসা, ইলেকট্রনিকস ও শক্তি উৎপাদনে পদার্থবিজ্ঞানের অবদান রয়েছে।
আরও পড়ুন: এসএসসি ২০২৬ আইসিটি ৬ষ্ঠ অধ্যায়
ভৌত রাশি এবং তার পরিমাপ
১. প্রশ্ন: বিজ্ঞান কেন পরিমাপের ওপর নির্ভর করে?
উত্তর: কারণ প্রকৃত বিজ্ঞান করতে হলে সবকিছুকে নির্দিষ্টভাবে পরিমাপ করতে হয়।
২. প্রশ্ন: ভৌত রাশি কী?
উত্তর: যে কোনো পরিমাণ যা আমরা পরিমাপ করতে পারি তাকে ভৌত রাশি বলে।
৩. প্রশ্ন: মৌলিক রাশি কাকে বলে?
উত্তর: যেসব রাশি দিয়ে অন্য সব রাশি প্রকাশ করা যায়, তাদের মৌলিক রাশি বলে।
৪. প্রশ্ন: লব্ধ রাশি কী?
উত্তর: মৌলিক রাশি থেকে নির্ণীত রাশিকে লব্ধ রাশি বলে।
৫. প্রশ্ন: SI একক কী বোঝায়?
উত্তর: আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একক পদ্ধতি, যার পূর্ণরূপ Systeme International d’Unites।
৬. প্রশ্ন: SI পদ্ধতিতে মৌলিক রাশি কয়টি?
উত্তর: সাতটি।
৭. প্রশ্ন: দৈর্ঘ্যের একক কী?
উত্তর: মিটার (meter), প্রতীক m।
৮. প্রশ্ন: ভরের একক কী?
উত্তর: কিলোগ্রাম (kilogram), প্রতীক kg।
৯. প্রশ্ন: সময়ের একক কী?
উত্তর: সেকেন্ড (second), প্রতীক s।
১০. প্রশ্ন: বৈদ্যুতিক প্রবাহের একক কী?
উত্তর: অ্যাম্পিয়ার (ampere), প্রতীক A।
১১. প্রশ্ন: তাপমাত্রার একক কী?
উত্তর: কেলভিন (kelvin), প্রতীক K।
১২. প্রশ্ন: পদার্থের পরিমাণের একক কী?
উত্তর: মোল (mole), প্রতীক mol।
১৩. প্রশ্ন: দীপন তীব্রতার একক কী?
উত্তর: ক্যান্ডেলা (candela), প্রতীক cd।
১৪. প্রশ্ন: মৌলিক রাশির সংখ্যা কত?
উত্তর: সাতটি মৌলিক রাশি আছে।
১৫. প্রশ্ন: SI পদ্ধতিতে কোন ভাষা থেকে নামটি এসেছে?
উত্তর: ফরাসি ভাষা থেকে।
১৬. প্রশ্ন: এক মিটার কীভাবে সংজ্ঞায়িত?
উত্তর: শূন্য মাধ্যমে আলো এক সেকেন্ডের 299,792,458 ভাগের এক ভাগ সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে, সেটি এক মিটার।
১৭. প্রশ্ন: এক সেকেন্ড কীভাবে নির্ধারিত?
উত্তর: সিজিয়াম-133 পরমাণুর 9,192,631,770 টি স্পন্দনের সময় হলো এক সেকেন্ড।
১৮. প্রশ্ন: এক কিলোগ্রাম কীভাবে নির্ধারিত?
উত্তর: প্লাঙ্ক ধ্রুবের নির্দিষ্ট মান দিয়ে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
১৯. প্রশ্ন: এক অ্যাম্পিয়ার কীভাবে সংজ্ঞায়িত?
উত্তর: প্রতি সেকেন্ডে 1/1.602176634×10⁻¹⁹ সংখ্যক ইলেকট্রনের চার্জ প্রবাহিত হলে সেটি এক অ্যাম্পিয়ার।
২০. প্রশ্ন: এক মোল কীভাবে সংজ্ঞায়িত?
উত্তর: যে পরিমাণ পদার্থে 6.02214076×10²³ কণা থাকে, সেটি এক মোল।
আরও পড়ুন: এসএসসি ২০২৬ আইসিটি ৫ম অধ্যায়
২১. প্রশ্ন: এক কেলভিন কী বোঝায়?
উত্তর: তাপশক্তির 1.380649×10⁻²³ জুল পরিবর্তনের সমান তাপমাত্রা পরিবর্তন হলো এক কেলভিন।
২২. প্রশ্ন: এক ক্যান্ডেলা কীভাবে সংজ্ঞায়িত?
উত্তর: নির্দিষ্ট ঘনকোণে 683 lm/W তীব্রতার আলোক বিকিরণ ঘটালে সেটি এক ক্যান্ডেলা।
২৩. প্রশ্ন: আলোর বেগের মান কত?
উত্তর: 299,792,458 মিটার/সেকেন্ড।
২৪. প্রশ্ন: প্লাঙ্কের ধ্রুবের মান কত?
উত্তর: 6.62607015×10⁻³⁴ জুল·সেকেন্ড।
২৫. প্রশ্ন: ইলেকট্রনের চার্জ কত?
উত্তর: 1.602176634×10⁻¹⁹ কুলম্ব।
২৬. প্রশ্ন: বোল্টজম্যান ধ্রুবের মান কত?
উত্তর: 1.380649×10⁻²³ জুল/কেলভিন।
২৭. প্রশ্ন: এভোগাড্রোর ধ্রুবের মান কত?
উত্তর: 6.02214076×10²³ কণা/মোল।
২৮. প্রশ্ন: বিকিরণ তীব্রতার ধ্রুবের মান কত?
উত্তর: 683 লুমেন/ওয়াট।
২৯. প্রশ্ন: দৈর্ঘ্যের একটি বাস্তব উদাহরণ দাও।
উত্তর: স্বাভাবিক উচ্চতার মানুষের পেট পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় এক মিটার।
৩০. প্রশ্ন: এক কেজি ভরের উদাহরণ দাও।
উত্তর: এক লিটার পানির ভর প্রায় এক কেজি।
৩১. প্রশ্ন: এক সেকেন্ডের অনুভূত উদাহরণ কী?
উত্তর: “এক হাজার এক” বলতে যে সময় লাগে, তা প্রায় এক সেকেন্ড।
৩২. প্রশ্ন: এক অ্যাম্পিয়ার প্রবাহের বাস্তব উদাহরণ কী?
উত্তর: একসাথে তিনটি মোবাইল চার্জ করলে প্রায় এক অ্যাম্পিয়ার কারেন্ট লাগে।
৩৩. প্রশ্ন: এক কেলভিন তাপমাত্রা বৃদ্ধির বাস্তব অনুভূতি কী?
উত্তর: হাত দিয়ে জ্বর অনুভব করলে প্রায় এক কেলভিন তাপমাত্রা বেড়ে যায়।
৩৪. প্রশ্ন: এক মোল পানির অণু কত থাকে?
উত্তর: 6.022×10²³ সংখ্যক পানির অণু থাকে।
৩৫. প্রশ্ন: এক চামচ পানিতে প্রায় কত মোল অণু থাকে?
উত্তর: প্রায় এক মোল পানির অণু।
আরও পড়ুন: এসএসসি আইসিটি সাজেশন ২০২৬ ২য় অধ্যায় MCQ
৩৬. প্রশ্ন: এক কাপ পানিতে কত মোল থাকে?
উত্তর: প্রায় দশ মোল পানির অণু থাকে।
৩৭. প্রশ্ন: এক ক্যান্ডেলার উদাহরণ দাও।
উত্তর: একটি মোমবাতির আলোক তীব্রতা প্রায় এক ক্যান্ডেলা।
৩৮. প্রশ্ন: “মাত্রাজ্ঞান” বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: কোনো রাশির পরিমাণ সম্পর্কে বাস্তব ধারণা থাকা ।
৩৯. প্রশ্ন: SI পদ্ধতিতে এককের সংখ্যা কত?
উত্তর: সাতটি মৌলিক একক।
৪০. প্রশ্ন: কেন সাতটি মৌলিক এককই যথেষ্ট?
উত্তর: কারণ এই সাতটি একক ব্যবহার করে সব ভৌত রাশি প্রকাশ করা যায়।
উপসর্গ বা গুণিতক (Prefix)
১. প্রশ্ন: উপসর্গ বা গুণিতক (Prefix) কী?
উত্তর: বড় বা ছোট সংখ্যা সহজভাবে প্রকাশ করার জন্য ব্যবহৃত শব্দ বা চিহ্নকে উপসর্গ বা গুণিতক বলে।
২. প্রশ্ন: উপসর্গ কেন ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: খুব বড় বা খুব ছোট পরিমাণ সহজভাবে লেখার জন্য উপসর্গ ব্যবহার করা হয়।
৩. প্রশ্ন: SI পদ্ধতিতে উপসর্গ কার জন্য ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: পরিমাপের এককের মান বড় বা ছোট বোঝাতে।
৪. প্রশ্ন: ১ কিলোমিটার মানে কত মিটার?
উত্তর: ১ কিলোমিটার = ১০³ মিটার = ১০০০ মিটার।
৫. প্রশ্ন: ‘মেগা’ উপসর্গের মান কত?
উত্তর: মেগা (M) = ১০⁶।
৬. প্রশ্ন: ‘গিগা’ উপসর্গের মান কত?
উত্তর: গিগা (G) = ১০⁹।
৭. প্রশ্ন: ‘টেরা’ উপসর্গের মান কত?
উত্তর: টেরা (T) = ১০¹²।
৮. প্রশ্ন: ‘পেটা’ উপসর্গের মান কত?
উত্তর: পেটা (P) = ১০¹⁵।
৯. প্রশ্ন: ‘এক্সা’ উপসর্গের মান কত?
উত্তর: এক্সা (E) = ১০¹⁸।
১০. প্রশ্ন: ‘ডেকা’ উপসর্গের মান কত?
উত্তর: ডেকা (da) = ১০¹।
১১. প্রশ্ন: ‘হেক্টা’ উপসর্গের মান কত?
উত্তর: হেক্টা (h) = ১০²।
১২. প্রশ্ন: ‘ডেসি’ উপসর্গের মান কত?
উত্তর: ডেসি (d) = ১০⁻¹।
১৩. প্রশ্ন: ‘সেন্টি’ উপসর্গের মান কত?
উত্তর: সেন্টি (c) = ১০⁻²।
১৪. প্রশ্ন: ‘মিলি’ উপসর্গের মান কত?
উত্তর: মিলি (m) = ১০⁻³।
১৫. প্রশ্ন: ‘মাইক্রো’ উপসর্গের মান কত?
উত্তর: মাইক্রো (μ) = ১০⁻⁶।
১৬. প্রশ্ন: ‘ন্যানো’ উপসর্গের মান কত?
উত্তর: ন্যানো (n) = ১০⁻⁹।
১৭. প্রশ্ন: ‘পিকো’ উপসর্গের মান কত?
উত্তর: পিকো (p) = ১০⁻¹²।
১৮. প্রশ্ন: ‘ফেমটো’ উপসর্গের মান কত?
উত্তর: ফেমটো (f) = ১০⁻¹⁵।
১৯. প্রশ্ন: ‘এটো’ উপসর্গের মান কত?
উত্তর: এটো (a) = ১০⁻¹⁸।
আরও পড়ুন: এসএসসি আইসিটি সাজেশন ২০২৬: ict mcq
২০. প্রশ্ন: দৈনন্দিন জীবনে উপসর্গ কোথায় ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: যেমন ১ কিলোমিটার রাস্তা, ১ মেগাবাইট ছবি, ১ মিলিমিটার তার ইত্যাদিতে।
মাত্রা (Dimension)
১. প্রশ্ন: মাত্রা (Dimension) কী?
উত্তর: কোনো ভৌত রাশি কোন কোন মৌলিক রাশি ও তাদের সূচক দিয়ে প্রকাশিত হয়, সেটাই তার মাত্রা।
২. প্রশ্ন: মৌলিক রাশি কয়টি?
উত্তর: মোট সাতটি মৌলিক রাশি আছে।
৩. প্রশ্ন: মাত্রা বোঝাতে কোন চিহ্ন ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: মাত্রা বোঝাতে রাশিকে বন্ধনী বা তৃতীয় ব্র্যাকেটের মধ্যে লেখা হয়, যেমন [F]।
৪. প্রশ্ন: দৈর্ঘ্যের প্রতীক কী?
উত্তর: দৈর্ঘ্যের প্রতীক L।
৫. প্রশ্ন: সময়ের প্রতীক কী?
উত্তর: সময়ের প্রতীক T।
৬. প্রশ্ন: ভরের প্রতীক কী?
উত্তর: ভরের প্রতীক M।
৭. প্রশ্ন: বেগের মাত্রা কী?
উত্তর: বেগের মাত্রা [v] = L T⁻¹।
আরও পড়ুন: SSC – পদার্থবিজ্ঞান
৮. প্রশ্ন: ত্বরণের মাত্রা কী?
উত্তর: ত্বরণের মাত্রা [a] = L T⁻²।
৯. প্রশ্ন: বলের মাত্রা কী?
উত্তর: বলের মাত্রা [F] = M L T⁻²।
১০. প্রশ্ন: মাত্রা জানলে কী উপকার হয়?
উত্তর: মাত্রা জানলে রাশিটির গঠন, একক ও সম্পর্ক সহজে বোঝা যায়।
বৈজ্ঞানিক প্রতীক ও সংকেত (Scientific Symbols and Notations)
১. প্রশ্ন: রাশির মান প্রকাশ করার সময় সংখ্যার পরে কী দিতে হয়?
উত্তর: একটি ফাঁকা জায়গা (space) দিয়ে এককের সংকেত লিখতে হয়।
২. প্রশ্ন: ডিগ্রি (°), মিনিট (′) ও সেকেন্ড (″) লেখার সময় কি ফাঁকা জায়গা দিতে হয়?
উত্তর: না, এসব চিহ্নের আগে কোনো ফাঁকা জায়গা দেওয়া হয় না।
৩. প্রশ্ন: দুটি এককের গুণফল দেখাতে কীভাবে লেখা হয়?
উত্তর: দুটি এককের মাঝে একটি ফাঁকা জায়গা (space) দেওয়া হয়, যেমন: 2.35 N m।
৪. প্রশ্ন: ভাগফল একক কীভাবে প্রকাশ করা হয়?
উত্তর: ‘/’ বা ঋণাত্মক সূচক দিয়ে, যেমন m/s বা m s⁻¹।
৫. প্রশ্ন: এককের সংকেত লেখার সময় কি পূর্ণচ্ছেদ (.) ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: না, কখনোই পূর্ণচ্ছেদ বা যতিচিহ্ন ব্যবহার হয় না।
৬. প্রশ্ন: এককের সংকেত কীভাবে লেখা হয়?
উত্তর: সোজা অক্ষরে লেখা হয়, যেমন m, s, N।
৭. প্রশ্ন: রাশির প্রতীক কীভাবে লেখা হয়?
উত্তর: রাশির প্রতীক italic বা বাঁকা অক্ষরে লেখা হয়, যেমন m (mass), v (velocity)।
৮. প্রশ্ন: বিজ্ঞানীর নাম থেকে নেওয়া এককের অক্ষর কেমন হবে?
উত্তর: প্রথম অক্ষর বড় হাতের হবে, যেমন N (Newton), Pa (Pascal)।
৯. প্রশ্ন: এককের উপসর্গ ও এককের মাঝে ফাঁক দেওয়া হয় কি?
উত্তর: না, কখনো ফাঁক দেওয়া হয় না, যেমন km, MHz।
১০. প্রশ্ন: এককের সংকেত কি বহুবচন হয়?
উত্তর: না, এককের সংকেত সবসময় একবচন থাকে, যেমন 25 kg (না যে 25 kgs)।
আরও পড়ুন: SSC – পদার্থবিজ্ঞান
পরিমাপের যন্ত্রপাতি (Measuring Instruments)
১. প্রশ্ন: দৈর্ঘ্য মাপার জন্য সাধারণত কোন যন্ত্র ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: মিটার স্কেল (Meter Scale)।
২. প্রশ্ন: মিটার স্কেল সাধারণত কত ভাগে ভাগ করা থাকে?
উত্তর: মিলিমিটার পর্যন্ত।
৩. প্রশ্ন: মিটার স্কেল ব্যবহার করে সবচেয়ে সূক্ষ্ম কোন দৈর্ঘ্য পর্যন্ত মাপা সম্ভব?
উত্তর: মিলিমিটার পর্যন্ত।
৪. প্রশ্ন: অত্যন্ত সূক্ষ্ম দৈর্ঘ্য মাপার জন্য কোন স্কেল ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: ভার্নিয়ার স্কেল (Vernier Scale)।
৫. প্রশ্ন: ভার্নিয়ার স্কেলের মূল উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: মিলিমিটার থেকে ছোট ভগ্নাংশ পর্যন্ত দৈর্ঘ্য মাপা।
৬. প্রশ্ন: ভার্নিয়ার স্কেলের ভাগ এবং মূল স্কেলের ভাগের পার্থক্যকে কী বলা হয়?
উত্তর: ভার্নিয়ার ধ্রুবক (Vernier Constant, VC)।
৭. প্রশ্ন: ভার্নিয়ার স্কেলের উদাহরণে VC কত?
উত্তর: 0.1 mm = 0.0001 m।
৮. প্রশ্ন: ভার্নিয়ার স্কেলের সাহায্যে 1.03 cm কিভাবে মাপা হয়?
উত্তর: মূল স্কেলের মাপের সাথে ভার্নিয়ার স্কেলের মিল খুঁজে যোগ করে।
৯. প্রশ্ন: স্ক্রু গেজার (Screw Gauge) দিয়ে দৈর্ঘ্য মাপার সুবিধা কী?
উত্তর: খুব সূক্ষ্মভাবে মাপা যায়, যেমন 0.01 mm পর্যন্ত।
১০. প্রশ্ন: স্ক্রু গেজারের একবার ঘূর্ণনের জন্য অগ্রসর হওয়া দূরত্ব কী বলা হয়?
উত্তর: স্ক্রু গেজারের পিচ (Pitch)।
১১. প্রশ্ন: স্ক্রু গেজারের পিচ যদি 1 mm হয় এবং 100 ভাগে ভাগ করা হয়, প্রতি ভাগ কত হবে?
উত্তর: 0.01 mm।
১২. প্রশ্ন: ভার্নিয়ার স্কেলের বদলে এখন কোন ক্যালিপার্স বেশি ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: ডায়াল বা ডিজিটাল স্লাইড ক্যালিপার্স।
১৩. প্রশ্ন: ভর সরাসরি কীভাবে মাপা যায়?
উত্তর: সরাসরি মাপা যায় না, সাধারণত ওজন মাপা হয়।
১৪. প্রশ্ন: ভর বের করার জন্য কোন যন্ত্র ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: ব্যালেন্স (Balance)।
১৫. প্রশ্ন: প্রাচীনকালে ভর মাপার জন্য কোন পদ্ধতি ব্যবহার হতো?
উত্তর: নিক্তি (Beam Balance) ব্যবহার করা হতো।
১৬. প্রশ্ন: ইলেকট্রনিক ব্যালেন্সের সুবিধা কী?
উত্তর: নিখুঁতভাবে ওজন বা ভর বের করা।
১৭. প্রশ্ন: সময় মাপার জন্য কোন যন্ত্র ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: স্টপ ওয়াচ (Stop Watch)।
১৮. প্রশ্ন: স্টপ ওয়াচ দিয়ে সময় কিভাবে মাপা হয়?
উত্তর: একটি মুহূর্ত থেকে শুরু করে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত মাপা হয়।
১৯. প্রশ্ন: ইলেকট্রনিকসের অগ্রগতির কারণে স্টপ ওয়াচ এখন কোথায় পাওয়া যায়?
উত্তর: মোবাইল ফোনেও সূক্ষ্ম স্টপ ওয়াচ পাওয়া যায়।
২০. প্রশ্ন: হাতে স্টপ ওয়াচ শুরু বা থামানোর কি সীমাবদ্ধতা আছে?
উত্তর: হাত দিয়ে নিখুঁতভাবে শুরু বা থামানো সম্ভব নয়।
২১. প্রশ্ন: ভার্নিয়ার স্কেল মূলত কত ভাগে ভাগ করা হয়?
উত্তর: সাধারণত 10 ভাগে ভাগ করা হয়।
২২. প্রশ্ন: মূল স্কেলের এক ভাগ কত হয়?
উত্তর: 1 mm।
২৩. প্রশ্ন: ভার্নিয়ার স্কেলের 4 এবং 5 মিলিমিটারের মধ্যে দৈর্ঘ্য কিভাবে মাপা হয়?
উত্তর: ভার্নিয়ার স্কেলের ভগ্নাংশ যোগ করে।
২৪. প্রশ্ন: ভার্নিয়ার স্কেল ব্যবহার করলে কোন সূক্ষ্মতা পাওয়া যায়?
উত্তর: 0.1 mm।
২৫. প্রশ্ন: স্ক্রু গেজারে পরিমাপের ন্যূনাঙ্ক কত?
উত্তর: 0.01 mm।
২৬. প্রশ্ন: স্ক্রু গেজারের সাহায্যে কোন ধরনের দৈর্ঘ্য মাপা যায়?
উত্তর: খুব সূক্ষ্ম দৈর্ঘ্য, যেমন তন্তু বা ছোট বস্তু।
২৭. প্রশ্ন: ভার্নিয়ার স্কেলের প্রধান উপাদান কী?
উত্তর: মূল স্কেল ও ভার্নিয়ার স্কেল।
২৮. প্রশ্ন: ভার্নিয়ার স্কেলের মাধ্যমে মাপা হলে মূল স্কেল ও ভার্নিয়ার স্কেল কিভাবে ব্যবহার হয়?
উত্তর: মূল স্কেল থেকে মূল মাপ নেওয়া হয়, ভার্নিয়ার স্কেল থেকে ভগ্নাংশ যোগ করা হয়।
২৯. প্রশ্ন: স্ক্রু গেজারে স্কেল ঘুরানোর জন্য কোন অংশ ব্যবহার হয়?
উত্তর: বৃত্তাকার অংশ বা হ্যান্ডল।
৩০. প্রশ্ন: দৈর্ঘ্য মাপার জন্য স্কেল এবং স্ক্রু গেজারের পার্থক্য কী?
উত্তর: স্কেল মিলিমিটার পর্যন্ত মাপে, স্ক্রু গেজার আরও সূক্ষ্ম 0.01 mm পর্যন্ত মাপে।
আরও পড়ুন: SSC – পদার্থবিজ্ঞান
ভৌত রাশি এবং তার পরিমাপ সংক্রান্ত FAQ
১. প্রশ্ন: ভৌত রাশি বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: পৃথিবীতে যা কিছু পরিমাপ করা যায়, যেমন দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, বিদ্যুৎ প্রবাহ ইত্যাদি।
২. প্রশ্ন: মৌলিক রাশি কতটি এবং কোনগুলো?
উত্তর: সাতটি; দৈর্ঘ্য (L), ভর (M), সময় (T), বৈদ্যুতিক প্রবাহ (I), তাপমাত্রা (K), পদার্থের পরিমাণ (Mol), দীপন তীব্রতা (Cd)।
৩. প্রশ্ন: মৌলিক রাশির একক কী?
উত্তর: SI একক; যেমন দৈর্ঘ্য = মিটার (m), ভর = কিলোগ্রাম (kg), সময় = সেকেন্ড (s) ইত্যাদি।
৪. প্রশ্ন: লব্ধ রাশি কী?
উত্তর: মৌলিক রাশির সংমিশ্রণ দ্বারা প্রকাশিত রাশি। যেমন বেগ = দূরত্ব/সময়।
৫. প্রশ্ন: SI একক কী?
উত্তর: আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মৌলিক রাশির একক (Systeme International d’Unites)।
৬. প্রশ্ন: দৈর্ঘ্য পরিমাপের SI একক কী?
উত্তর: মিটার (m)।
৭. প্রশ্ন: ভরের SI একক কী?
উত্তর: কিলোগ্রাম (kg)।
৮. প্রশ্ন: সময়ের SI একক কী?
উত্তর: সেকেন্ড (s)।
৯. প্রশ্ন: বৈদ্যুতিক প্রবাহের SI একক কী?
উত্তর: অ্যাম্পিয়ার (A)।
১০. প্রশ্ন: তাপমাত্রার SI একক কী?
উত্তর: কেলভিন (K)।
১১. প্রশ্ন: পদার্থের পরিমাণের SI একক কী?
উত্তর: মোল (mol)।
১২. প্রশ্ন: দীপন তীব্রতার SI একক কী?
উত্তর: ক্যান্ডেলা (cd)।
১৩. প্রশ্ন: কিলোগ্রাম কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
উত্তর: প্লাঙ্ক ধ্রুব (h) ব্যবহার করে।
১৪. প্রশ্ন: সেকেন্ড কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
উত্তর: সিজিয়াম ১৩৩ পরমাণুর 9,192,631,770 স্পন্দন অনুযায়ী।
১৫. প্রশ্ন: মিটার কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
উত্তর: আলো শূন্য মাধ্যমে এক সেকেন্ডে 299,792,458 অংশ সময়ে অতিক্রম করে।
১৬. প্রশ্ন: অ্যাম্পিয়ার কীভাবে সংজ্ঞায়িত?
উত্তর: প্রতি সেকেন্ডে 1/1.602176634×10⁻¹⁹ সংখ্যক ইলেকট্রনের চার্জ প্রবাহিত হলে।
১৭. প্রশ্ন: মোল কীভাবে সংজ্ঞায়িত?
উত্তর: যে পরিমাণ বস্তুতে এভোগাড্রো ধ্রুবকের সমান কণা থাকে।
১৮. প্রশ্ন: কেলভিন কীভাবে সংজ্ঞায়িত?
উত্তর: তাপশক্তি 1.380649×10⁻²³ J পরিবর্তন হলে 1 K বৃদ্ধি হয়।
১৯. প্রশ্ন: ক্যান্ডেলা কীভাবে সংজ্ঞায়িত?
উত্তর: 683 লুমেন/ওয়াট তীব্রতা সম্পন্ন আলো 1 স্টেরেডিয়ানে পৌঁছালে 1 cd।
২০. প্রশ্ন: ভৌত রাশি এবং পরিমাপের গুরুত্ব কী?
উত্তর: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণায় নিখুঁতভাবে জ্ঞান অর্জন এবং ব্যবহার করার জন্য।
উপসংহার
পরিশেষে বলতে চাই যে, উপরের সকল প্রশ্নের উত্তরগুলো নিয়মিত চর্চা করলে SSC পরীক্ষা 2026 এ ভালো করতে পারবে ইনশাআল্লাহ্। তবে আরো ভালো ফলাফল করতে তোমার পাঠ্যবই নিয়মিত অধ্যয়ন করবে। ধারাবাহিকভাবে অন্যান্য সকল অধ্যায়ের সাজেশন দেওয়া হবে। বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের সাজেশন পেতে শিক্ষা টেক ২৪ ওয়েবসাইটটি সাবস্ক্রাইব করবে। পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গে তোমার ইমেইলে নটিফিকেশন যাবে। নিজে পড়বে এবং ফেইসবুক সহ অন্যান্য মাধমে বন্ধুদের কাছে শেয়ার করবে। কোন বিষয়ের সাজেশন চাও তা জানাতে কমেন্ট করবে।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আমি মোঃ আনোয়ার হোসেন, পেশায় একজন শিক্ষক এবং অনলাইন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর। নিত্য নতুন কন্টেন্ট পেতে shikkhatech24.com ওয়েবসাইটটি সাবস্ক্রাইব এবং ফেইসবুকে শেয়ার করুন।
