এসএসসি ২০২৬ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ৬ষ্ঠ অধ্যায় MCQ। তোমরা জেনে খুশি হবে সরকারের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। এই সাজেশন নিয়মিত চর্চা করলে MCQ, জ্ঞানমূলক ও সৃজনশীলসহ সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে। ১০০% কমন পড়বে ইনশাআল্লাহ্। এই অধ্যায়ের নাম- রাষ্ট্র, নাগরিকতা ও আইন।
তোমাদের বোর্ড বইয়ের প্রতিটি লাইন থেকে প্রশ্ন দেওয়া হয়েছে যেগুলো নিয়মিত অধ্যয়ন করলে এমসিকিউ সকল প্রশ্নের উত্তর করতে পারবে ইনশাআল্লাহ্। চলো, এবার আলোচনা করা যাক।
রাষ্ট্র, নাগরিকতা ও আইন
প্রশ্ন ১: রাষ্ট্র কী?
উত্তর: রাষ্ট্র হলো সমাজের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান, যা মানুষের কল্যাণ ও সমস্যা সমাধানের জন্য গঠিত।
প্রশ্ন ২: রাষ্ট্রের উৎপত্তি কোথা থেকে হয়েছে?
উত্তর: সমাজ বিকাশের একটি স্তরে সমাজের মধ্য থেকেই রাষ্ট্রের উৎপত্তি ঘটেছে।
প্রশ্ন ৩: প্রাচীন যুগে রাষ্ট্রকে কেমনভাবে দেখা হতো?
উত্তর: প্রাচীন ও মধ্যযুগে রাষ্ট্রকে ঈশ্বরের সৃষ্টি করা একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে মনে করা হতো।
প্রশ্ন ৪: আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা রাষ্ট্রকে কীভাবে ব্যাখ্যা করেছেন?
উত্তর: আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা রাষ্ট্রকে সর্বজনীন কল্যাণ সাধনকারী ও মানুষের স্বাধীনতা ও ব্যক্তিত্ব বিকাশের প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।
প্রশ্ন ৫: রাষ্ট্র কাদের জন্য?
উত্তর: রাষ্ট্র নাগরিকদের জন্য, তাদের সুখ ও শান্তি বিধানের উদ্দেশ্যে কাজ করে।
প্রশ্ন ৬: রাষ্ট্রের কাজ কয় প্রকার?
উত্তর: রাষ্ট্রের কাজ দুই প্রকার— অপরিহার্য ও ঐচ্ছিক।
প্রশ্ন ৭: নাগরিকদের প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্ব কী?
উত্তর: নাগরিকদের সুখ, শান্তি ও নিরাপত্তা বিধান করা রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব।
প্রশ্ন ৮: নাগরিকদের রাষ্ট্রের প্রতি কী দায়িত্ব থাকে?
উত্তর: নাগরিকদের আইন মানা, কর প্রদান ও রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শনসহ নানা দায়িত্ব পালন করতে হয়।
প্রশ্ন ৯: সমাজে আইনের প্রয়োজন কেন?
উত্তর: সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, অপরাধ প্রতিরোধ ও নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আইন প্রয়োজন।
আরও পড়ুন: এসএসসি বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ২য় অধ্যায় MCQ ও সৃজনশীল সাজেশন ২০২৬
প্রশ্ন ১০: এই অধ্যায়ে আমরা কী শিখব?
উত্তর: আমরা রাষ্ট্র, নাগরিকতা ও আইনের পারস্পরিক সম্পর্ক সম্পর্কে জানতে পারব।
রাষ্ট্রের ধারণা
প্রশ্ন ১: রাষ্ট্র কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে?
উত্তর: মানুষ প্রথমে গোত্রভিত্তিক বসবাস করত, পরে সমাজ বিকাশের মাধ্যমে রাষ্ট্রের উৎপত্তি হয়।
প্রশ্ন ২: রাষ্ট্র কে সৃষ্টি করেছে?
উত্তর: মানুষই রাষ্ট্র সৃষ্টি করেছে।
প্রশ্ন ৩: রাষ্ট্রে বসবাসকারী জনগণকে কী বলা হয়?
উত্তর: রাষ্ট্রে বসবাসকারী জনগণকে নাগরিক বলা হয়।
প্রশ্ন ৪: নাগরিকদের রাষ্ট্রের প্রতি কী দায়িত্ব থাকে?
উত্তর: নাগরিকদের রাষ্ট্রের নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হয়।
প্রশ্ন ৫: অ্যারিস্টটলের মতে রাষ্ট্র কী?
উত্তর: অ্যারিস্টটলের মতে, “স্বয়ংসম্পূর্ণ জীবনের জন্য কতিপয় পরিবার ও গ্রামের সমন্বয়ে গঠিত সংগঠনই রাষ্ট্র।”
প্রশ্ন ৬: আর. এম. ম্যাকাইভারের মতে রাষ্ট্র কী?
উত্তর: ম্যাকাইভারের মতে, রাষ্ট্র হচ্ছে সরকার কর্তৃক প্রণীত আইন দ্বারা পরিচালিত একটি সংগঠন, যার কর্তৃত্বমূলক ক্ষমতা রয়েছে এবং যা নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে বসবাসরত অধিবাসীদের ওপর বলবৎ হয়।
প্রশ্ন ৭: অধ্যাপক গার্নার রাষ্ট্রকে কীভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন?
উত্তর: গার্নারের মতে, রাষ্ট্র হলো বহুসংখ্যক ব্যক্তি নিয়ে গঠিত এমন এক জনসমাজ, যারা নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে স্থায়ীভাবে বসবাস করে, যা বহিশক্তির নিয়ন্ত্রণ হতে মুক্ত এবং যাদের একটি সুসংগঠিত সরকার আছে, যে সরকারের প্রতি ঐ জনসমাজ স্বভাবতই অনুগত’।
প্রশ্ন ৮: রাষ্ট্রের প্রধান তিনটি উপাদান কী?
উত্তর: জনগণ, ভূখণ্ড ও সরকার রাষ্ট্রের প্রধান উপাদান।
প্রশ্ন ৯: রাষ্ট্রের কাজ কী?
উত্তর: নাগরিকদের সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে বাঁচার ব্যবস্থা করা রাষ্ট্রের কাজ।
প্রশ্ন ১০: সার্বভৌম ক্ষমতা বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: সার্বভৌম ক্ষমতা হলো রাষ্ট্রের নিজ ভূখণ্ডে সর্বোচ্চ ও স্বাধীন ক্ষমতা।
রাষ্ট্রের উপাদান
প্রশ্ন ১: রাষ্ট্রের কয়টি উপাদান আছে?
উত্তর: রাষ্ট্রের চারটি উপাদান আছে— জনসমষ্টি, নির্দিষ্ট ভূখণ্ড, সরকার ও সার্বভৌমত্ব।
প্রশ্ন ২: রাষ্ট্রের প্রথম উপাদান কী?
উত্তর: রাষ্ট্রের প্রথম উপাদান হলো জনসমষ্টি।
প্রশ্ন ৩: জনসমষ্টি বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: জনসমষ্টি বলতে রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত জনগণকে বোঝায়।
প্রশ্ন ৪: রাষ্ট্র গঠনের জন্য জনসমষ্টি কেন প্রয়োজন?
উত্তর: রাষ্ট্র গঠনের জন্য জনসমষ্টি অপরিহার্য, কারণ তাদের ঐক্যবদ্ধ ইচ্ছা থেকেই রাষ্ট্রের উদ্ভব ঘটে।
প্রশ্ন ৫: রাষ্ট্র গঠনের জন্য জনসংখ্যা কত হওয়া উচিত?
উত্তর: জনসংখ্যার কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা নির্ধারিত নেই; তা কয়েক হাজার বা কয়েক কোটি হতে পারে।
প্রশ্ন ৬: বিশ্বের ক্ষুদ্র রাষ্ট্রগুলোর উদাহরণ দাও।
উত্তর: স্যানম্যারিনো ও মোনাকো বিশ্বের ক্ষুদ্র রাষ্ট্র।
প্রশ্ন ৭: বিশ্বের বৃহৎ রাষ্ট্রগুলোর উদাহরণ দাও।
উত্তর: রাশিয়া, চীন ও ভারত বৃহৎ রাষ্ট্রের উদাহরণ।
প্রশ্ন ৮: দ্বিতীয় উপাদান কী?
উত্তর: দ্বিতীয় উপাদান হলো নির্দিষ্ট ভূখণ্ড।
প্রশ্ন ৯: নির্দিষ্ট ভূখণ্ড বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: নির্দিষ্ট ভূখণ্ড হলো রাষ্ট্রের একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমারেখা যেখানে জনগণ বসবাস করে।
প্রশ্ন ১০: ভূখণ্ডের অন্তর্ভুক্ত কী কী থাকে?
উত্তর: ভূখণ্ডের অন্তর্ভুক্ত ভূমি, সমুদ্রসীমা ও আকাশসীমা।
প্রশ্ন ১১: রাষ্ট্র কীভাবে ভূখণ্ডের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে?
উত্তর: জনগণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন, যুদ্ধ বা সাংবিধানিক উপায়ে ভূখণ্ডের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
প্রশ্ন ১২: বাংলাদেশের ভূখণ্ড কবে স্বাধীনতা লাভ করে?
উত্তর: ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ ভূখণ্ড স্বাধীনতা লাভ করে।
প্রশ্ন ১৩: রাষ্ট্রের তৃতীয় উপাদান কী?
উত্তর: রাষ্ট্রের তৃতীয় উপাদান হলো সরকার।
প্রশ্ন ১৪: সরকার কেন প্রয়োজন?
উত্তর: রাষ্ট্র পরিচালনা ও আইন প্রয়োগের জন্য সরকার প্রয়োজন।
প্রশ্ন ১৫: রাষ্ট্র পরিচালনার তিনটি বিভাগ কী?
উত্তর: আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও কর বিভাগ।
প্রশ্ন ১৬: গণতান্ত্রিক দেশে সরকার কীভাবে গঠিত হয়?
উত্তর: গণতান্ত্রিক দেশে জনগণ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন করে।
প্রশ্ন ১৭: সরকার বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: সরকার বলতে শাসকগোষ্ঠীকে বোঝায় যারা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা পরিচালনা করে।
প্রশ্ন ১৮: রাষ্ট্র ও সরকারের সম্পর্ক কী?
উত্তর: রাষ্ট্র যদি হয় জীবদেহ, তবে সরকার হলো তার মস্তিষ্ক।
প্রশ্ন ১৯: রাষ্ট্রের চতুর্থ উপাদান কী?
উত্তর: রাষ্ট্রের চতুর্থ উপাদান হলো সার্বভৌমত্ব।
প্রশ্ন ২০: সার্বভৌমত্ব বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: সার্বভৌমত্ব হলো রাষ্ট্রের চরম ও চূড়ান্ত ক্ষমতা, যা তাকে অন্য সংস্থা থেকে পৃথক করে।
আরও পড়ুন: SSC বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সাজেশন ২০২৬ | ssc 2026 bgs suggestion
প্রশ্ন ২১: সার্বভৌম ক্ষমতার আদেশ কাকে বলা হয়?
উত্তর: সার্বভৌমের আদেশকেই আইন বলা হয়।
প্রশ্ন ২২: সার্বভৌমত্বের কয়টি দিক আছে?
উত্তর: সার্বভৌমত্বের দুটি দিক আছে-অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক।
প্রশ্ন ২৩: অভ্যন্তরীণ সার্বভৌমত্ব কী?
উত্তর: রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উপর রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ কর্তৃত্বকে অভ্যন্তরীণ সার্বভৌমত্ব বলে।
প্রশ্ন ২৪: বাহ্যিক সার্বভৌমত্ব কী?
উত্তর: বাহ্যিক সার্বভৌমত্ব হলো আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে অন্য রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ ও হস্তক্ষেপ থেকে স্বাধীনতা।
প্রশ্ন ২৫: সার্বভৌম ক্ষমতার উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: সমাজে চূড়ান্ত ক্ষমতা কার্যকর করে রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা।
প্রশ্ন ২৬: সার্বভৌমত্ব না থাকলে রাষ্ট্র কেমন হবে?
উত্তর: সার্বভৌমত্ব না থাকলে কোনো দেশকে প্রকৃত রাষ্ট্র বলা যায় না।
প্রশ্ন ২৭: সরকারের পরিবর্তন কি সার্বভৌমত্বকে নষ্ট করে?
উত্তর: না, সরকারের পরিবর্তনে সার্বভৌমত্ব নষ্ট হয় না।
প্রশ্ন ২৮: রাষ্ট্র গঠনের মুখ্য উপাদান কোনটি?
উত্তর: সার্বভৌমত্বই রাষ্ট্র গঠনের মুখ্য উপাদান।
প্রশ্ন ২৯: রাষ্ট্রের চারটি উপাদান ছাড়া রাষ্ট্র গঠিত হতে পারে কি?
উত্তর: না, চারটি উপাদানের কোনোটি না থাকলে রাষ্ট্র গঠিত হয় না।
প্রশ্ন ৩০: রাষ্ট্রের স্থায়িত্বের সঙ্গে কোন উপাদানটি অবিচ্ছেদ্যভাবে যুক্ত?
উত্তর: সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্রের স্থায়িত্বের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে যুক্ত।
রাষ্ট্রের কার্যাবলি
প্রশ্ন ১: রাষ্ট্রের মূল কাজ কী?
উত্তর: মানব জীবনের সামগ্রিক কল্যাণ সাধনই রাষ্ট্রের মূল কাজ।
প্রশ্ন ২: রাষ্ট্রের কার্যাবলি কয় প্রকার?
উত্তর: রাষ্ট্রের কার্যাবলি দুই প্রকার— অপরিহার্য (মুখ্য) ও কল্যাণমূলক (ঐচ্ছিক)।
প্রশ্ন ৩: অপরিহার্য কার্যাবলি কী?
উত্তর: রাষ্ট্রের অস্তিত্ব, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য যে কাজগুলো করা হয়, তা অপরিহার্য কার্যাবলি।
প্রশ্ন ৪: কল্যাণমূলক কার্যাবলি কী?
উত্তর: জনগণের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নের জন্য রাষ্ট্র যে কাজগুলো করে, তা কল্যাণমূলক কার্যাবলি।
প্রশ্ন ৫: “The Modern State” গ্রন্থের লেখক কে?
উত্তর: আর. এম. ম্যাকাইভার
প্রশ্ন ৬: ম্যাকাইভারের মতে রাষ্ট্রের প্রাথমিক কাজ কী?
উত্তর: আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করা রাষ্ট্রের প্রাথমিক কাজ।
প্রশ্ন ৭: রাষ্ট্র কেন সৃষ্টি হয়েছে?
উত্তর: নাগরিকদের জীবন, সম্পদ ও স্বাধীনতা রক্ষার নিশ্চয়তার জন্য রাষ্ট্র সৃষ্টি হয়েছে।
প্রশ্ন ৮: আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় রাষ্ট্র কী করে?
উত্তর: রাষ্ট্র পুলিশ ও আধা-সামরিক বাহিনী গঠন করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করে।
প্রশ্ন ৯: বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উদাহরণ দাও।
উত্তর: পুলিশ, র্যাব, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা দল।
প্রশ্ন ১০: জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা কার কাজ?
উত্তর: এটি রাষ্ট্রের অপরিহার্য কাজ।
আরও পড়ুন: এসএসসি আইসিটি সাজেশন ২০২৬: SSC ICT MCQ
প্রশ্ন ১১: প্রতিরক্ষা বাহিনীর ভূমিকা কী?
উত্তর: দেশকে বৈদেশিক আক্রমণ থেকে রক্ষা করা।
প্রশ্ন ১২: প্রতিরক্ষা বাহিনী কয় প্রকার?
উত্তর: তিন প্রকার— স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনী।
প্রশ্ন ১৩: কোন দেশগুলো শক্তিশালী প্রতিরক্ষা বাহিনী গঠন করেছে?
উত্তর: যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া।
প্রশ্ন ১৪: পররাষ্ট্র বিষয়ক কাজ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের সম্পর্ক, চুক্তি ও নাগরিক সুরক্ষা সংক্রান্ত কাজ।
প্রশ্ন ১৫: রাষ্ট্রের আইন প্রণয়নের কাজ কে করে?
উত্তর: সংসদ বা আইনসভা।
প্রশ্ন ১৬: বিচারব্যবস্থা পরিচালনা করে কে?
উত্তর: প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্ট ও অন্যান্য আদালত।
প্রশ্ন ১৭: প্রশাসনিক কাঠামো কেন প্রয়োজন?
উত্তর: রাষ্ট্রের দৈনন্দিন কার্য পরিচালনা ও তদারকির জন্য।
প্রশ্ন ১৮: অর্থ সংগ্রহের উৎস কী?
উত্তর: কর ও খাজনা।
প্রশ্ন ১৯: রাষ্ট্র বাজেট প্রণয়ন কেন করে?
উত্তর: অর্থ সংগ্রহ ও ব্যয়ের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য।
প্রশ্ন ২০: অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য রাষ্ট্র কী করে?
উত্তর: মুদ্রাস্ফীতি রোধ, মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখে।
প্রশ্ন ২১: আধুনিক রাষ্ট্রগুলো নিজেদের কী হিসেবে দাবি করে?
উত্তর: কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে।
প্রশ্ন ২২: কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: নাগরিকদের সার্বিক উন্নয়ন ও কল্যাণ নিশ্চিত করা।
প্রশ্ন ২৩: রাষ্ট্রের অন্যতম ঐচ্ছিক কাজ কী?
উত্তর: নাগরিকদের শিক্ষিত করা।
প্রশ্ন ২৪: রাষ্ট্র কেন শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্ব দেয়?
উত্তর: শিক্ষিত জনগণ রাষ্ট্রের বড় সম্পদ ও উন্নয়নের ভিত্তি।
প্রশ্ন ২৫: প্রাথমিক শিক্ষা কে প্রবর্তন করে?
উত্তর: রাষ্ট্র বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন করে।
প্রশ্ন ২৬: নারী শিক্ষার প্রসারে রাষ্ট্র কী করে?
উত্তর: নারী শিক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব ও সুযোগ প্রদান করে।
প্রশ্ন ২৭: জনস্বাস্থ্য রক্ষায় রাষ্ট্র কী করে?
উত্তর: হাসপাতাল, মাতৃসদন ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপন করে।
প্রশ্ন ২৮: রাষ্ট্র কীভাবে রোগ প্রতিরোধ করে?
উত্তর: টিকা প্রদান ও স্বাস্থ্য সচেতনতা কর্মসূচি পরিচালনার মাধ্যমে।
প্রশ্ন ২৯: বাল্যবিবাহ রোধে রাষ্ট্র কী করে?
উত্তর: আইন প্রণয়ন ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনা করে।
প্রশ্ন ৩০: খাদ্য নিরাপত্তায় রাষ্ট্রের ভূমিকা কী?
উত্তর: খাদ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা।
প্রশ্ন ৩১: কৃষিতে রাষ্ট্র কীভাবে সহায়তা করে?
উত্তর: সার, বীজ, সেচ ও ভর্তুকি প্রদান করে।
প্রশ্ন ৩২: শিল্প উন্নয়নে রাষ্ট্রের কাজ কী?
উত্তর: নতুন শিল্প স্থাপন ও উদ্যোক্তাদের ঋণ সহায়তা দেওয়া।
প্রশ্ন ৩৩: রাষ্ট্র কেন রপ্তানি উন্নয়নে মনোযোগ দেয়?
উত্তর: বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও অর্থনৈতিক স্থিতি বজায় রাখতে।
প্রশ্ন ৩৪: যোগাযোগ ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের কাজ কী?
উত্তর: রাস্তা, সেতু, রেল, নৌ ও বিমান যোগাযোগ উন্নত করা।
প্রশ্ন ৩৫: প্রযুক্তিগত যোগাযোগের উদাহরণ কী?
উত্তর: ইন্টারনেট, টেলিযোগাযোগ ও নেটওয়ার্কিং ব্যবস্থা।
প্রশ্ন ৩৬: রাষ্ট্র সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য কীভাবে রক্ষা করে?
উত্তর: লোকসংস্কৃতি, জাদুঘর ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে।
প্রশ্ন ৩৭: জনগণের চিত্তবিনোদনের জন্য রাষ্ট্র কী করে?
উত্তর: পার্ক, খেলার মাঠ ও উদ্যান স্থাপন করে।
প্রশ্ন ৩৮: নাগরিক স্বাধীনতা রক্ষায় রাষ্ট্রের ভূমিকা কী?
উত্তর: মত প্রকাশ, চলাচল ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে।
প্রশ্ন ৩৯: সুষ্ঠু নির্বাচনের দায়িত্ব কার?
উত্তর: রাষ্ট্রের।
প্রশ্ন ৪০: সংখ্যালঘুদের স্বার্থ রক্ষায় রাষ্ট্র কী করে?
উত্তর: তাদের অধিকার সংরক্ষণে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
আরও পড়ুন: এসএসসি ২০২৬ আইসিটি ৬ষ্ঠ অধ্যায়
প্রশ্ন ৪১: সমাজে দুর্নীতি প্রতিরোধের কাজ কার?
উত্তর: রাষ্ট্রের।
প্রশ্ন ৪২: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায় রাষ্ট্র কী করে?
উত্তর: সংরক্ষিত অঞ্চল, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ দেয়।
প্রশ্ন ৪৩: শরণার্থীদের প্রতি রাষ্ট্রের ভূমিকা কী?
উত্তর: তাদের আশ্রয় ও সহায়তা প্রদান করা।
প্রশ্ন ৪৪: সামাজিক নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত করে রাষ্ট্র?
উত্তর: ভাতা, পেনশন ও অনুদানের মাধ্যমে দুর্বল শ্রেণিকে সহায়তা করে।
প্রশ্ন ৪৫: শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় রাষ্ট্র কী করে?
উত্তর: শ্রম আইন, মজুরি নির্ধারণ ও কর্মপরিবেশ উন্নত করে।
প্রশ্ন ৪৬: কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে রাষ্ট্র কী করে?
উত্তর: প্রশিক্ষণ, শিল্প স্থাপন ও সরকারি চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করে।
প্রশ্ন ৪৭: প্রাকৃতিক দুর্যোগে রাষ্ট্রের ভূমিকা কী?
উত্তর: উদ্ধার, সাহায্য, পুনর্বাসন ও পুনর্গঠন কার্য পরিচালনা করা।
প্রশ্ন ৪৮: পরিবেশ রক্ষায় রাষ্ট্র কী করে?
উত্তর: বনায়ন, দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করে।
প্রশ্ন ৪৯: রাষ্ট্রের সর্বশেষ লক্ষ্য কী?
উত্তর: জনগণের সার্বিক কল্যাণ ও উন্নয়ন।
প্রশ্ন ৫০: বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা কেমন দিকে যাচ্ছে?
উত্তর: দিনদিন কল্যাণমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
নাগরিকের ধারণা
প্রশ্ন ১: রাষ্ট্র গঠনের একটি পূর্বশর্ত কী?
উত্তর: জনসমষ্টি রাষ্ট্র গঠনের একটি পূর্বশর্ত।
প্রশ্ন ২: রাষ্ট্রের নাগরিক কাকে বলে?
উত্তর: যে ব্যক্তি রাষ্ট্রের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে ও রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য স্বীকার করে, সে নাগরিক।
প্রশ্ন ৩: ‘Citizen’ শব্দটির উৎপত্তি কোন শব্দ থেকে?
উত্তর: ল্যাটিন শব্দ Civics থেকে।
প্রশ্ন ৪: পৌরনীতি পাঠের মূল বিষয়বস্তু কী?
উত্তর: নাগরিকত্ব ও রাষ্ট্র।
প্রশ্ন ৫: প্রাচীন কালে কাদের নাগরিক হিসেবে ধরা হতো?
উত্তর: যারা শাসনকার্যে সরাসরি অংশগ্রহণ করতেন, শুধু তাদের।
প্রশ্ন ৬: অ্যারিস্টটলের মতে নাগরিক কে?
উত্তর: যিনি নগররাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব ও শাসনকার্যে অংশগ্রহণ করেন।
প্রশ্ন ৭: গ্রিক নগররাষ্ট্রে কাদের নাগরিক হিসেবে ধরা হতো না?
উত্তর: নারী ও দাসদের।
প্রশ্ন ৮: আধুনিক নাগরিকত্বের ভিত্তি কী?
উত্তর: রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ও রাষ্ট্রের সুবিধা ভোগ করা।
প্রশ্ন ৯: নাগরিকের সংজ্ঞা কে দিয়েছেন — “যে রাষ্ট্রের সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করে এবং রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য স্বীকার করে”?
উত্তর: হ্যারল্ড জে’লাকি।
প্রশ্ন ১০: অধ্যাপক গেটেল নাগরিককে কিভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন?
উত্তর: রাজনৈতিক সমাজের সদস্য, যারা কর্তব্য পালন ও সুবিধা ভোগে বাধ্য।
প্রশ্ন ১১: নাগরিকত্ব বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: রাষ্ট্রের অধিকার ভোগ ও দায়িত্ব পালনের যোগ্যতা।
প্রশ্ন ১২: নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য কেমন সম্পর্কযুক্ত?
উত্তর: পরস্পর নির্ভরশীল ও পরিপূরক।
প্রশ্ন ১৩: নাগরিকের প্রধান কর্তব্য কী?
উত্তর: রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করা।
প্রশ্ন ১৪: রাষ্ট্রের নির্দেশ কিসের প্রতীক?
উত্তর: রাষ্ট্রের আইন ও সংবিধানের।
প্রশ্ন ১৫: নাগরিকদের কেন আইন মানতে হবে?
উত্তর: সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য।
আরও পড়ুন: এসএসসি ২০২৬ আইসিটি ৫ম অধ্যায়
প্রশ্ন ১৬: ভোট দেওয়া নাগরিকের কী?
উত্তর: পবিত্র কর্তব্য ও অধিকার।
প্রশ্ন ১৭: রাষ্ট্রের আয়ের প্রধান উৎস কী?
উত্তর: নাগরিকদের প্রদত্ত কর ও খাজনা।
প্রশ্ন ১৮: কর প্রদানের উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: রাষ্ট্র পরিচালনা ও উন্নয়নমূলক কাজে অর্থ যোগানো।
প্রশ্ন ১৯: রাষ্ট্রের কাজে নাগরিকদের ভূমিকা কী হওয়া উচিত?
উত্তর: সততা, নিষ্ঠা ও একাগ্রতার সাথে কাজ করা।
প্রশ্ন ২০: পিতামাতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক কর্তব্য কী?
উত্তর: সন্তানদের টিকাদান ও শিক্ষার ব্যবস্থা করা।
প্রশ্ন ২১: নাগরিক কিভাবে সুনাগরিক হয়?
উত্তর: শিক্ষা, সচেতনতা ও দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে।
প্রশ্ন ২২: সুশাসন প্রতিষ্ঠার শর্ত কী?
উত্তর: নাগরিকদের আইন মেনে চলা ও সততা বজায় রাখা।
প্রশ্ন ২৩: নাগরিকদের মধ্যে কোন মানসিকতা থাকা প্রয়োজন?
উত্তর: দেশপ্রেম ও সহনশীলতা।
প্রশ্ন ২৪: জাতীয় সংগীত ও ইতিহাস সম্পর্কে নাগরিকদের কী করা উচিত?
উত্তর: শ্রদ্ধাভরে স্মরণ ও মূল্যায়ন করা।
প্রশ্ন ২৫: বৈচিত্র্যের মধ্যেই কী নিহিত?
উত্তর: সৌন্দর্য ও ঐক্য।
প্রশ্ন ২৬: নাগরিকদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কী করা উচিত?
উত্তর: শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ জানানো।
প্রশ্ন ২৭: নাগরিক আইন নিজের হাতে নিতে পারে কি?
উত্তর: না, কখনোই না।
প্রশ্ন ২৮: রাষ্ট্রের সফলতা কিসের ওপর নির্ভর করে?
উত্তর: নাগরিকদের কর্তব্য ও দায়িত্ব পালনের ওপর।
প্রশ্ন ২৯: নাগরিকত্ব অর্জনের শর্ত সব দেশে কি একরকম?
উত্তর: না, ভিন্ন ভিন্ন দেশে ভিন্ন।
প্রশ্ন ৩০: আধুনিক রাষ্ট্রে নাগরিক সুবিধা কেমন?
উত্তর: প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সকলের জন্য।
প্রশ্ন ৩১: নাগরিকত্বের মূল লক্ষ্য কী?
উত্তর: রাষ্ট্র ও জনগণের পারস্পরিক কল্যাণ।
প্রশ্ন ৩২: একজন নাগরিকের প্রথম দায়িত্ব কী?
উত্তর: রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করা।
প্রশ্ন ৩৩: নাগরিকের ভোটের সঠিক ব্যবহার কেন জরুরি?
উত্তর: যোগ্য প্রতিনিধিকে নির্বাচিত করার জন্য।
প্রশ্ন ৩৪: আইন অমান্য করলে কী হয়?
উত্তর: সমাজে বিশৃঙ্খলা ও অশান্তি সৃষ্টি হয়।
প্রশ্ন ৩৫: সন্তানদের শিক্ষিত করা কাদের দায়িত্ব?
উত্তর: পিতামাতার।
প্রশ্ন ৩৬: সুনাগরিক কেমন?
উত্তর: যিনি দায়িত্ববান, আইন মেনে চলেন ও দেশপ্রেমিক।
প্রশ্ন ৩৭: নাগরিকদের কীভাবে দেশপ্রেম প্রকাশ করা উচিত?
উত্তর: দেশের অর্জন ও ঐতিহ্য রক্ষা করে।
প্রশ্ন ৩৮: জাতীয় ঐক্য অর্জনের উপায় কী?
উত্তর: ভিন্ন সংস্কৃতি ও মতের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন।
প্রশ্ন ৩৯: নাগরিকদের কী বিষয়ে সজাগ থাকা উচিত?
উত্তর: রাষ্ট্রের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায়।
প্রশ্ন ৪০: নাগরিকের চূড়ান্ত লক্ষ্য কী হওয়া উচিত?
উত্তর: রাষ্ট্রের কল্যাণ ও উন্নয়নে অবদান রাখা।
আইনের ধারণা
প্রশ্ন ১: আইন বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: আইন বলতে সমাজে স্বীকৃত লিখিত ও অলিখিত বিধিবিধান ও রীতিনীতি বোঝায়।
প্রশ্ন ২: আইন কী উদ্দেশ্যে প্রণীত হয়?
উত্তর: মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রণ ও সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য আইন প্রণীত হয়।
প্রশ্ন ৩: আইনের কত প্রকার?
উত্তর: আইন মূলত দুই প্রকার — সামাজিক আইন ও রাষ্ট্রীয় আইন।
প্রশ্ন ৪: সামাজিক আইন কী?
উত্তর: সামাজিক জীবনে মানুষ যে বিধিবিধান বা রীতিনীতি মেনে চলে, তাকে সামাজিক আইন বলে।
প্রশ্ন ৫: রাষ্ট্রীয় আইন কী?
উত্তর: সরকার কর্তৃক গৃহীত ও সর্বজনীনভাবে প্রযোজ্য আইনকে রাষ্ট্রীয় আইন বলে।
প্রশ্ন ৬: টি. এইচ. গ্রীনের মতে আইন কী?
উত্তর: রাষ্ট্র কর্তৃক আরোপিত অধিকার ও বাধ্যবাধকতাসমূহই আইন।
প্রশ্ন ৭: অধ্যাপক হল্যান্ডের মতে আইন কী?
উত্তর: মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণের সাধারণ নিয়মই আইন।
প্রশ্ন ৮: উড্রো উইলসনের মতে আইন কী?
উত্তর: সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত প্রতিষ্ঠিত প্রথা ও রীতিনীতি হলো আইন।
প্রশ্ন ৯: আইনের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা।
প্রশ্ন ১০: কে আইনের সংজ্ঞা দিয়েছেন “রাষ্ট্র কর্তৃক আরোপিত অধিকার ও বাধ্যবাধকতা”?
উত্তর: টি. এইচ. গ্রীন।
প্রশ্ন ১১: আইন মানুষের কোন দিক নিয়ন্ত্রণ করে?
উত্তর: আইন মানুষের বাহ্যিক আচরণ ও ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
প্রশ্ন ১২: আইন কাদের জন্য প্রযোজ্য?
উত্তর: আইন রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য।
প্রশ্ন ১৩: আইন অমান্য করলে কী হয়?
উত্তর: আইন অমান্য করলে শাস্তি পেতে হয়।
প্রশ্ন ১৪: আইনের বৈশিষ্ট্য কতটি?
উত্তর: আইনের পাঁচটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
প্রশ্ন ১৫: আইনের প্রথম বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: আইন মানুষের বাহ্যিক আচরণ ও কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
প্রশ্ন ১৬: আইনের দ্বিতীয় বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: আইন সর্বজনীন এবং সবার উপর সমানভাবে প্রযোজ্য।
প্রশ্ন ১৭: আইনের তৃতীয় বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: আইন একটি আদেশ বা নিষেধ, যা সকলকেই মানতে হয়।
আরও পড়ুন: এসএসসি আইসিটি সাজেশন ২০২৬ ২য় অধ্যায় MCQ
প্রশ্ন ১৮: আইনের চতুর্থ বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: আইন রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বমূলক কর্তৃপক্ষ হতে স্বীকৃত।
প্রশ্ন ১৯: আইনের পঞ্চম বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: আইন সমাজে প্রচলিত প্রথা ও রীতিনীতির প্রতিফলন।
আইনের উৎস
প্রশ্ন ১: আইনের কয়টি প্রধান উৎস রয়েছে?
উত্তর: আইনের ছয়টি প্রধান উৎস রয়েছে।
প্রশ্ন ২: কে আইনের ছয়টি উৎসের কথা বলেছেন?
উত্তর: রাষ্ট্রবিজ্ঞানী হল্যান্ড।
প্রশ্ন ৩: আইনের ছয়টি প্রধান উৎস কী কী?
উত্তর: প্রথা, ধর্ম, বিচার সংক্রান্ত রায়, বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা, ন্যায়বোধ ও আইনসভা।
প্রশ্ন ৪: কোনটি আইনের প্রাচীনতম উৎস?
উত্তর: প্রথা।
প্রশ্ন ৫: প্রথা বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: সমাজে প্রচলিত রীতিনীতি, আচার-আচরণ ও অভ্যাসকে প্রথা বলে।
প্রশ্ন ৬: কোন দেশের অধিকাংশ আইন প্রথা থেকে এসেছে?
উত্তর: ব্রিটেনের।
প্রশ্ন ৭: ধর্ম কেন আইনের একটি উৎস?
উত্তর: ধর্ম মানুষের ন্যায়-অন্যায় ও পাপ-পুণ্যের ধারণা নির্ধারণ করে।
প্রশ্ন ৮: ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্রে কোন আইন রাষ্ট্রীয় আইন হিসেবে বিবেচিত হয়?
উত্তর: ধর্মীয় বিধান।
প্রশ্ন ৯: ইসলামিক রাষ্ট্রের আইন কোন উৎসের ওপর নির্ভরশীল?
উত্তর: কুরআন ও শরিয়ার ওপর।
প্রশ্ন ১০: হিন্দু আইনের উৎস কী?
উত্তর: বেদ, গীতা, রামায়ণ ইত্যাদি ধর্মগ্রন্থ।
প্রশ্ন ১১: বিচার সংক্রান্ত রায় কীভাবে আইনের উৎস হয়?
উত্তর: বিচারকের রায় দৃষ্টান্ত হয়ে আইনে পরিণত হয়।
প্রশ্ন ১২: বিচারক কখন নতুন আইন ব্যাখ্যা দিতে পারেন?
উত্তর: প্রচলিত আইন যথেষ্ট না হলে।
প্রশ্ন ১৩: বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: আইনবিদদের ব্যাখ্যা, মূল্যায়ন ও গবেষণামূলক আলোচনা।
প্রশ্ন ১৪: কোন আইনবিদের ব্যাখ্যা ব্রিটিশ আইনে প্রভাব ফেলেছে?
উত্তর: কোক ও ব্ল্যাকস্টোনের।
প্রশ্ন ১৫: ইসলামি আইনে কার ব্যাখ্যা আইনের মর্যাদা পেয়েছে?
উত্তর: ইমাম আবু হানিফা (রা.)-এর।
প্রশ্ন ১৬: ন্যায়বোধ কীভাবে আইনের উৎস?
উত্তর: বিচারক প্রচলিত আইন না থাকলে ন্যায়বোধের আলোকে রায় দেন।
প্রশ্ন ১৭: ন্যায়বোধ থেকে প্রণীত আইন কী নির্দেশ করে?
উত্তর: ন্যায়নীতি ও ন্যায়পরায়ণতার প্রতিফলন।
প্রশ্ন ১৮: আধুনিক রাষ্ট্রে আইনের প্রধান উৎস কী?
উত্তর: আইনসভা।
প্রশ্ন ১৯: আইনসভা কী করে?
উত্তর: জনগণের স্বার্থে আইন প্রণয়ন ও সংশোধন করে।
প্রশ্ন ২০: কোন কোন দলিলও আইন হিসেবে গৃহীত হয়?
উত্তর: সংবিধান, রাষ্ট্রপ্রধানের ডিক্রি, বৈদেশিক চুক্তি ও আন্তর্জাতিক কনভেনশন।
আরও পড়ুন: এসএসসি আইসিটি সাজেশন ২০২৬: ict mcq
প্রশ্ন ২১: প্রথা অমান্য করলে কী হয়?
উত্তর: সংঘাত ও বিদ্রোহের সৃষ্টি হয়।
প্রশ্ন ২২: ধর্মীয় বিধান কোন ক্ষেত্রে আইন হিসেবে প্রযোজ্য?
উত্তর: বিবাহ, উত্তরাধিকার ইত্যাদি বিষয়ে।
প্রশ্ন ২৩: বিচার বিভাগের রায় কেন গুরুত্বপূর্ণ উৎস?
উত্তর: কারণ তা ভবিষ্যতের মামলার দৃষ্টান্ত তৈরি করে।
প্রশ্ন ২৪: আইনবিদদের গ্রন্থাবলি কেন আইন উৎস হিসেবে ধরা হয়?
উত্তর: এগুলো আইন প্রণয়নের দিকনির্দেশনা দেয়।
প্রশ্ন ২৫: আইনের উৎসগুলির মূল উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: সমাজে ন্যায়, শৃঙ্খলা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা।
সুশাসনের জন্য আইনের প্রয়োজনীয়তা
প্রশ্ন ২৬: সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কী জরুরি?
উত্তর: আইনের অনুশাসন।
প্রশ্ন ২৭: আইনের অনুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে নাগরিকরা কী পায়?
উত্তর: সমান স্বাধীনতা ও রাষ্ট্রের সুযোগ-সুবিধা।
প্রশ্ন ২৮: আইনের অনুশাসন দুটি ধারণা প্রকাশ করে কী কী?
উত্তর: আইনের প্রাধান্য ও আইনের দৃষ্টিতে সকলের সাম্য।
প্রশ্ন ২৯: আইনের প্রাধান্য থাকলে কী হয়?
উত্তর: সরকার স্বেচ্ছাচারী হতে পারে না।
প্রশ্ন ৩০: আইনের প্রাধান্য কী রক্ষা করে?
উত্তর: নাগরিক স্বাধীনতা।
প্রশ্ন ৩১: আইনের শাসন লঙ্ঘন করলে কী ঘটে?
উত্তর: বিনা অপরাধে গ্রেফতার বা শাস্তি দেওয়া হয়।
প্রশ্ন ৩২: আইনের দৃষ্টিতে সাম্য বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: ধনী-দরিদ্র, জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকলের সমতা।
প্রশ্ন ৩৩: আইন সবার জন্য কেমন?
উত্তর: একই ও সমানভাবে প্রযোজ্য।
প্রশ্ন ৩৪: আইনের অনুশাসন না থাকলে কী হয়?
উত্তর: নাগরিক স্বাধীনতা খর্ব হয় ও হয়রানি বৃদ্ধি পায়।
প্রশ্ন ৩৫: আইনের শাসন কায়েম করতে কী দরকার?
উত্তর: স্বাধীন বিচার বিভাগ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ।
প্রশ্ন ৩৬: আইনের প্রাধান্য কেন প্রয়োজন?
উত্তর: সরকার যেন ক্ষমতার অপব্যবহার না করে।
আরও পড়ুন: SSC 2026 অর্থনীতি ২য় অধ্যায় MCQ
প্রশ্ন ৩৭: আইনের অভাবে কী ক্ষতি হয়?
উত্তর: অন্যায়, বৈষম্য ও দুর্নীতি বৃদ্ধি পায়।
প্রশ্ন ৩৮: আইনের শাসনের মূল ভিত্তি কী?
উত্তর: ন্যায়, সমতা ও জবাবদিহিতা।
প্রশ্ন ৩৯: সুশাসনের প্রধান চাবিকাঠি কী?
উত্তর: আইনের প্রাধান্য ও সমতা।
প্রশ্ন ৪০: বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে কী বলা হয়েছে?
উত্তর: সরকারের প্রচেষ্টায় দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়েছে।
বাংলাদেশের তথ্য অধিকার আইন
প্রশ্ন ৪১: বাংলাদেশের তথ্য অধিকার আইন কবে জারি হয়?
উত্তর: ৫ এপ্রিল ২০০৯ সালে।
প্রশ্ন ৪২: তথ্য অধিকার আইন কেন প্রণীত হয়েছিল?
উত্তর: জনগণের তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করার জন্য।
প্রশ্ন ৪৩: সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বাকস্বাধীনতা স্বীকৃত?
উত্তর: ৩৯ অনুচ্ছেদে।
প্রশ্ন ৪৪: তথ্য বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: যেকোনো ধরনের রেকর্ড, দলিল বা নথি।
প্রশ্ন ৪৫: তথ্য কমিশনে কয়জন সদস্য থাকে?
উত্তর: একজন প্রধান তথ্য কমিশনার ও দুজন তথ্য কমিশনার।
প্রশ্ন ৪৬: কে তথ্য পাওয়ার অধিকার রাখে?
উত্তর: প্রত্যেক নাগরিক।
প্রশ্ন ৪৭: তথ্যের জন্য আবেদন কিভাবে করা যায়?
উত্তর: লিখিতভাবে, ই-মেইলে বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে।
প্রশ্ন ৪৮: দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কী করবেন?
উত্তর: জনগণকে সহযোগিতা ও নির্দিষ্ট সময়ে তথ্য প্রদান করবেন।
প্রশ্ন ৪৯: তথ্য কমিশনের মূল কাজ কী?
উত্তর: অভিযোগ গ্রহণ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া।
আরও পড়ুন: SSC 2026 অর্থনীতি ৩য় অধ্যায় MCQ
প্রশ্ন ৫০: তথ্য অধিকার আইনের সুফল কী?
উত্তর: স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়।
রাষ্ট্র, নাগরিকতা ও আইন: FAQ
১: রাষ্ট্র বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: রাষ্ট্র হলো একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে বসবাসরত জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক সংগঠন, যেখানে সর্বোচ্চ ক্ষমতা বা সার্বভৌমত্ব বিদ্যমান।
২: নাগরিক বলতে কাকে বোঝায়?
উত্তর: নাগরিক হলো সেই ব্যক্তি, যিনি কোনো রাষ্ট্রের আইনি স্বীকৃতি ও আনুগত্য প্রকাশ করে রাষ্ট্রের অধিকার ও সুবিধা ভোগ করেন।
৩: নাগরিকত্ব কী?
উত্তর: নাগরিকত্ব হলো রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শনের বিনিময়ে রাষ্ট্র প্রদত্ত অধিকার, সুযোগ-সুবিধা ও কর্তব্য পালনের আইনি স্বীকৃতি।
৪: সুনাগরিক কাকে বলে?
উত্তর: যিনি আইন মেনে চলে, কর্তব্য পালন করেন, দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ থাকেন এবং সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে কাজ করেন, তিনি সুনাগরিক।
৫: নাগরিকের প্রধান দায়িত্ব কী?
উত্তর: রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করা, আইন মেনে চলা, কর প্রদান ও ভোটাধিকার সঠিকভাবে প্রয়োগ করা নাগরিকের প্রধান দায়িত্ব।
৬: আইন বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত এমন নিয়ম-কানুন বা বিধিবিধান, যা মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখে।
৭: আইনের প্রধান উৎস কয়টি এবং কী কী?
উত্তর: আইনের ছয়টি প্রধান উৎস হলো— প্রথা, ধর্ম, বিচার সংক্রান্ত রায়, বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা, ন্যায়বোধ ও আইনসভা।
৮: সুশাসনের জন্য আইন কেন প্রয়োজন?
উত্তর: আইনের প্রাধান্য ও আইনের দৃষ্টিতে সমতা নিশ্চিত করে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়।
৯: তথ্য অধিকার আইন কবে প্রণীত হয় এবং এর উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: ৫ এপ্রিল ২০০৯ সালে প্রণীত; এর উদ্দেশ্য নাগরিকদের তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করা।
১০: রাষ্ট্র, নাগরিকতা ও আইনের পারস্পরিক সম্পর্ক কী?
উত্তর: রাষ্ট্র নাগরিককে অধিকার দেয়, নাগরিক রাষ্ট্রকে আনুগত্য প্রদর্শন করে, আর আইন উভয়ের সম্পর্ক নিয়ন্ত্রণ ও সুরক্ষিত রাখে।
শেষকথা
পরিশেষে বলতে চাই যে, উপরের সকল প্রশ্নের উত্তরগুলো নিয়মিত চর্চা করলে SSC পরীক্ষা 2026 এ ভালো করতে পারবে ইনশাআল্লাহ্। তবে আরো ভালো ফলাফল করতে তোমার পাঠ্যবই নিয়মিত অধ্যয়ন করবে। ধারাবাহিকভাবে অন্যান্য সকল অধ্যায়ের সাজেশন দেওয়া হবে। বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের সাজেশন পেতে শিক্ষা টেক ২৪ ওয়েবসাইটটি সাবস্ক্রাইব করবে। পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গে তোমার ইমেইলে নটিফিকেশন যাবে। নিজে পড়বে এবং ফেইসবুক সহ অন্যান্য মাধমে বন্ধুদের কাছে শেয়ার করবে। কোন বিষয়ের সাজেশন চাও তা জানাতে কমেন্ট করবে।
আরও পড়ুন:
২) ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার জন্য সংশোধিত পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচি
৩) এসএসসি ২০২৬: নতুন সিলেবাস, প্রশ্নপত্রের কাঠামো এবং নম্বর বণ্টন
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আমি মোঃ আনোয়ার হোসেন, পেশায় একজন শিক্ষক এবং অনলাইন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর। নিত্য নতুন কন্টেন্ট পেতে shikkhatech24.com ওয়েবসাইটটি সাবস্ক্রাইব এবং ফেইসবুকে শেয়ার করুন।