SSC বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সাজেশন ২০২৬ | ssc 2026 bgs suggestion
SSC বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সাজেশন ২০২৬ ৩য় অধ্যায়। তোমরা জেনে খুশি হবে সরকারের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। এই সাজেশন নিয়মিত চর্চা করলে MCQ, জ্ঞানমূলক ও সৃজনশীলসহ সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে। ১০০% কমন পড়বে ইনশাআল্লাহ্। এই অধ্যায়ের নাম- সৌরজগৎ ও ভূমণ্ডল।
তোমাদের বোর্ড বইয়ের প্রতিটি লাইন থেকে প্রশ্ন দেওয়া হয়েছে যেগুলো নিয়মিত অধ্যয়ন করলে এমসিকিউ সকল প্রশ্নের উত্তর করতে পারবে ইনশাআল্লাহ্। চলো, এবার আলোচনা করা যাক।
সৌরজগৎ
প্রশ্ন ১: সৌরজগৎ কী?
উত্তর: সূর্য ও এর গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণু, ধূমকেতু ও উল্কা নিয়ে গঠিত পরিবারকে সৌরজগৎ বলে।
প্রশ্ন ২: সৌরজগতের প্রাণকেন্দ্র কোনটি?
উত্তর: সৌরজগতের প্রাণকেন্দ্র হলো সূর্য।
প্রশ্ন ৩: সৌরজগতে মোট কয়টি গ্রহ আছে?
উত্তর: সৌরজগতে ৮টি গ্রহ আছে।
প্রশ্ন ৪: সৌরজগতে কী কী বস্তু রয়েছে?
উত্তর: সৌরজগতে গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণুপুঞ্জ, ধূমকেতু ও উল্কা রয়েছে।
সূর্য
প্রশ্ন ১: সূর্য কেমন ধরনের বস্তু?
উত্তর: সূর্য একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র।
প্রশ্ন ২: সৌরজগতের সকল গ্রহ ও উপগ্রহের নিয়ন্ত্রক কে?
উত্তর: সূর্য।
প্রশ্ন ৩: সূর্যের সঙ্গে পৃথিবীর সম্পর্ক কেমন?
উত্তর: সূর্যের সঙ্গে পৃথিবীর সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ।
প্রশ্ন ৪: সূর্য পৃথিবীর তুলনায় কত গুণ বড়?
উত্তর: সূর্য পৃথিবীর তুলনায় প্রায় ১৩ লক্ষ গুণ বড়।
প্রশ্ন ৫: পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব কত?
উত্তর: প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার।
প্রশ্ন ৬: সূর্যের ব্যাস কত?
উত্তর: প্রায় ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার।
প্রশ্ন ৭: সূর্যের উপরিভাগের তাপমাত্রা কত?
উত্তর: প্রায় ৫৭,০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
প্রশ্ন ৮: পৃথিবীতে সূর্যের কতটুকু তাপ পৌঁছায়?
উত্তর: সূর্যের অতি সামান্য তাপ পৃথিবীতে পৌঁছায়।
প্রশ্ন ৯: পৃথিবীর জীবজগতের তাপ ও আলোর উৎস কী?
উত্তর: সূর্য।
প্রশ্ন ১০: সূর্যের তাপ ও আলো ছাড়া পৃথিবীতে কী হতো না?
উত্তর: কোনো প্রাণ বা উদ্ভিদ জন্মাতো না।
প্রশ্ন ১১: অন্যান্য গ্রহ ও উপগ্রহের তাপ ও আলোর উৎস কী?
উত্তর: সূর্য।
প্রশ্ন ১২: সূর্যের মধ্যে কী ধরনের পদার্থ নেই?
উত্তর: কোনো কঠিন বা তরল পদার্থ নেই।
প্রশ্ন ১৩: সূর্যের প্রধান উপাদান কী?
উত্তর: হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস।
প্রশ্ন ১৪: সূর্যের গঠন কীভাবে হয়েছে?
উত্তর: শতকরা ৫৫ ভাগ হাইড্রোজেন, ৪৪ ভাগ হিলিয়াম ও ১ ভাগ অন্যান্য গ্যাসে গঠিত।
প্রশ্ন ১৫: সূর্যের কালো দাগগুলো কী নামে পরিচিত?
উত্তর: সৌরকলঙ্ক (Sun Spot) নামে পরিচিত।
প্রশ্ন ১৬: সৌরকলঙ্কের উত্তাপ কেমন হয়?
উত্তর: সূর্যের অন্যান্য অংশের তুলনায় কম উত্তপ্ত।
প্রশ্ন ১৭: সূর্যে শক্তি সৃষ্টির প্রক্রিয়াকে কী বলে?
উত্তর: আণবিক শক্তি সৃষ্টির প্রক্রিয়া।
প্রশ্ন ১৮: সূর্যে কোন গ্যাস থেকে শক্তি উৎপন্ন হয়?
উত্তর: হাইড্রোজেন থেকে হিলিয়াম তৈরি হয়ে শক্তি উৎপন্ন হয়।
প্রশ্ন ১৯: সূর্য নিজের অক্ষে একবার আবর্তন করতে কত দিন নেয়?
উত্তর: প্রায় ২৫ দিন।
প্রশ্ন ২০: সূর্য কোন অক্ষের উপর ঘূর্ণন করে?
উত্তর: নিজ অক্ষের (Axis) উপর।
আরও পড়ুন: এসএসসি বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ২য় অধ্যায় MCQ ও সৃজনশীল সাজেশন ২০২৬
প্রশ্ন ২১: সূর্যের তাপ ও আলো পৃথিবীতে কী প্রভাব ফেলে?
উত্তর: জীবজগৎ বেঁচে থাকে এবং প্রাণের স্পন্দন সৃষ্টি হয়।
প্রশ্ন ২২: সূর্য পৃথিবী থেকে দূরে হলেও কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: কারণ তার তাপ ও আলোয় পৃথিবীতে জীবন সম্ভব।
প্রশ্ন ২৩: সূর্যে কী ধরণের বিক্রিয়া ঘটে?
উত্তর: হাইড্রোজেন থেকে হিলিয়াম তৈরি হয়ে শক্তি উৎপন্ন হয়।
প্রশ্ন ২৪: সূর্যের তাপ ও আলো কীভাবে পৃথিবীতে পৌঁছায়?
উত্তর: মহাশূন্য পেরিয়ে বিকিরণের মাধ্যমে।
প্রশ্ন ২৫: সূর্যের আলো না থাকলে উদ্ভিদ কী হতো?
উত্তর: উদ্ভিদ বাঁচতে পারতো না।
প্রশ্ন ২৬: সূর্যের আলো কত সময়ে পৃথিবীতে পৌঁছায়?
উত্তর: প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ডে।
প্রশ্ন 27: সূর্য কোন ধরনের শক্তির উৎস?
উত্তর: সূর্য তাপ ও আলোর শক্তির উৎস।
প্রশ্ন 28: সৌরকলঙ্ক দেখতে কেমন?
উত্তর: সূর্যের উপর কালো দাগের মতো দেখা যায়।
প্রশ্ন 29: সূর্যকে কেন জীবনের উৎস বলা হয়?
উত্তর: কারণ সূর্যের তাপ ও আলো ছাড়া প্রাণধারণ অসম্ভব।
প্রশ্ন 30: সূর্যের শক্তি সৃষ্টির প্রধান কারণ কী?
উত্তর: হাইড্রোজেন পরমাণুর সংযোজনে হিলিয়াম তৈরি হয়ে শক্তি নির্গত হয়।
প্রশ্ন 31: পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব কত?
উত্তর: ১৫ কোটি কিলোমিটার
গ্রহ
প্রশ্ন ১: গ্রহ কী?
উত্তর: সূর্যের চারদিকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘূর্ণনকারী জ্যোতিষ্ককে গ্রহ বলে।
প্রশ্ন ২: গ্রহগুলো কীভাবে সূর্যের চারদিকে ঘোরে?
উত্তর: মহাকর্ষ বলের প্রভাবে।
প্রশ্ন ৩: গ্রহের নিজস্ব আলো ও তাপ আছে কি?
উত্তর: না, গ্রহের নিজস্ব আলো ও তাপ নেই।
প্রশ্ন ৪: সৌরজগতে মোট কয়টি গ্রহ আছে?
উত্তর: মোট ৮টি গ্রহ আছে।
প্রশ্ন ৫: সূর্য থেকে গ্রহগুলোর ক্রম কী?
উত্তর: বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস, নেপচুন।
প্রশ্ন ৬: কোন গ্রহটি সবচেয়ে বড়?
উত্তর: বৃহস্পতি (Jupiter)।
প্রশ্ন ৭: কোন গ্রহটি সবচেয়ে ছোট?
উত্তর: বুধ (Mercury)।
প্রশ্ন ৮: গ্রহগুলো সূর্যের চারদিকে ঘোরে কোন পথে?
উত্তর: নির্দিষ্ট কক্ষপথে।
বুধ (Mercury)
প্রশ্ন ৯: সূর্যের নিকটতম গ্রহ কোনটি?
উত্তর: বুধ।
প্রশ্ন ১০: সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ কোনটি?
উত্তর: বুধ।
প্রশ্ন ১১: বুধের ব্যাস কত কিলোমিটার?
উত্তর: ৪,৮৫০ কিলোমিটার।
প্রশ্ন ১২: বুধের ওজন পৃথিবীর তুলনায় কত?
উত্তর: পৃথিবীর ৫০ ভাগের ৩ ভাগের সমান।
প্রশ্ন ১৩: সূর্যের চারদিকে একবার পরিক্রমণ করতে বুধের কতদিন লাগে?
উত্তর: ৮৮ দিন।
প্রশ্ন ১৪: সূর্য থেকে বুধের গড় দূরত্ব কত?
উত্তর: ৫.৮ কোটি কিলোমিটার।
প্রশ্ন ১৫: বুধের কোনো উপগ্রহ আছে কি?
উত্তর: না, বুধের কোনো উপগ্রহ নেই।
প্রশ্ন ১৬: বুধের তাপমাত্রা কেমন?
উত্তর: অত্যধিক গরম।
প্রশ্ন ১৭: বুধের ভূত্বকে কী ধরনের ভূমি আছে?
উত্তর: সমতল ভূমি, গর্ত ও পাহাড়।
প্রশ্ন ১৮: বুধের আয়তন কত?
উত্তর: ৭৪,৮০০,০০০ বর্গ কিলোমিটার।
প্রশ্ন ১৯: কেন বুধে অতিরিক্ত গরম থাকে?
উত্তর: কারণ এটি সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ।
প্রশ্ন ২০: বুধ গ্রহে আলো ও তাপ কোথা থেকে আসে?
উত্তর: সূর্য থেকে।
শুক্র (Venus)
প্রশ্ন ২১: সূর্য থেকে শুক্রের অবস্থান কততম?
উত্তর: দ্বিতীয়।
প্রশ্ন ২২: পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ কোনটি?
উত্তর: শুক্র।
প্রশ্ন ২৩: সূর্য থেকে শুক্রের দূরত্ব কত?
উত্তর: ১০.৮ কোটি কিলোমিটার।
প্রশ্ন ২৪: পৃথিবী থেকে শুক্রের গড় দূরত্ব কত?
উত্তর: প্রায় ৪.২ কোটি কিলোমিটার।
প্রশ্ন ২৫: শুক্রকে আমরা কোন নামে দেখি সন্ধ্যায়?
উত্তর: সন্ধ্যাতারা নামে।
প্রশ্ন ২৬: শুক্রকে আমরা কোন নামে দেখি ভোরে?
উত্তর: শুকতারা নামে।
প্রশ্ন ২৭: সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরতে শুক্রের সময় লাগে কত দিন?
উত্তর: ২২৫ দিন।
প্রশ্ন ২৮: শুক্রের কোনো উপগ্রহ আছে কি?
উত্তর: না, শুক্রেরও কোনো উপগ্রহ নেই।
প্রশ্ন ২৯: শুক্রের বায়ুমণ্ডলে কোন গ্যাস বেশি?
উত্তর: কার্বন ডাই-অক্সাইড।
প্রশ্ন ৩০: শুক্রের বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন আছে কি?
উত্তর: না, অক্সিজেন নেই।
প্রশ্ন ৩১: শুক্রের বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত শতাংশ?
উত্তর: প্রায় ৯৬%।
প্রশ্ন ৩২: শুক্র নিজ অক্ষে কেমন গতিতে ঘোরে?
উত্তর: খুব ধীর গতিতে।
প্রশ্ন ৩৩: শুক্রের আকাশে বছরে কয়বার সূর্য উদিত ও অস্ত যায়?
উত্তর: দুইবার।
প্রশ্ন ৩৪: শুক্র গ্রহে কী ধরনের বৃষ্টি হয়?
উত্তর: এসিড বৃষ্টি।
প্রশ্ন ৩৫: শুক্রের বায়ুচাপ পৃথিবীর তুলনায় কেমন?
উত্তর: প্রায় ৯০ গুণ বেশি।
প্রশ্ন ৩৬: শুক্রের আয়তন কত?
উত্তর: ৪৬০,২৩০,০০০ বর্গ কিলোমিটার।
প্রশ্ন ৩৭: শুক্রের ব্যাস কত?
উত্তর: ১২,১০৪ কিলোমিটার।
প্রশ্ন ৩৮: শুক্র গ্রহে তাপমাত্রা এত বেশি কেন?
উত্তর: কারণ ঘন কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস সূর্যের তাপ আটকে রাখে।
প্রশ্ন ৩৯: শুক্র পৃথিবীর সাথে কোন দিক থেকে সবচেয়ে বেশি মিল রাখে?
উত্তর: আকার ও বায়ুমণ্ডলগত গঠন।
প্রশ্ন ৪০: শুক্রকে কেন “পৃথিবীর যমজ গ্রহ” বলা হয়?
উত্তর: কারণ আকার ও গঠন অনেকটা পৃথিবীর মতো।
পৃথিবী (Earth)
প্রশ্ন ১: সূর্য থেকে পৃথিবীর অবস্থান কততম?
উত্তর: তৃতীয়।
প্রশ্ন ২: পৃথিবীর আয়তন কত?
উত্তর: ৫১০,১০০,৪২২ বর্গ কিলোমিটার।
প্রশ্ন ৩: পূর্ব-পশ্চিমে পৃথিবীর ব্যাস কত?
উত্তর: ১২,৭৫২ কিলোমিটার।
প্রশ্ন ৪: উত্তর-দক্ষিণে পৃথিবীর ব্যাস কত?
উত্তর: ১২,৭০৯ কিলোমিটার।
প্রশ্ন ৫: সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব কত?
উত্তর: প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার।
প্রশ্ন ৬: পৃথিবী সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে কত সময় লাগে?
উত্তর: ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড।
প্রশ্ন ৭: পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে কোন দুটি গ্যাস রয়েছে?
উত্তর: অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন।
প্রশ্ন ৮: পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা কত?
উত্তর: ১৩.৯০° সেলসিয়াস।
প্রশ্ন ৯: পৃথিবীতে পানি কোথায় পাওয়া যায়?
উত্তর: ভূত্বকে।
প্রশ্ন ১০: কোন গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে?
উত্তর: পৃথিবীতে।
প্রশ্ন ১১: জীবজগৎ ধারণের জন্য আদর্শ গ্রহ কোনটি?
উত্তর: পৃথিবী।
প্রশ্ন ১২: পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহের নাম কী?
উত্তর: চন্দ্র বা চাঁদ।
প্রশ্ন ১৩: পৃথিবী থেকে চন্দ্রের গড় দূরত্ব কত?
উত্তর: ৩,৮১,৫০০ কিলোমিটার।
প্রশ্ন ১৪: চাঁদ পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করতে কত সময় নেয়?
উত্তর: ২৯ দিন ১২ ঘণ্টা।
প্রশ্ন ১৫: চাঁদের পৃষ্ঠে কী দেখা যায়?
উত্তর: গর্ত, পাহাড় ও পর্বত।
প্রশ্ন ১৬: পৃথিবীতে প্রাণ টিকে থাকার প্রধান কারণ কী?
উত্তর: উপযুক্ত তাপমাত্রা, পানি ও বায়ুমণ্ডল।
প্রশ্ন ১৭: পৃথিবীর সূর্যকে প্রদক্ষিণ করার কক্ষপথ কেমন?
উত্তর: উপবৃত্তাকার।
মঙ্গল (Mars)
প্রশ্ন ১৮: সূর্য থেকে মঙ্গলের অবস্থান কততম?
উত্তর: চতুর্থ।
প্রশ্ন ১৯: সূর্য থেকে মঙ্গলের গড় দূরত্ব কত?
উত্তর: ২২.৮ কোটি কিলোমিটার।
প্রশ্ন ২০: পৃথিবী থেকে মঙ্গলের দূরত্ব কত?
উত্তর: প্রায় ৭.৮ কোটি কিলোমিটার।
প্রশ্ন ২১: মঙ্গলের ব্যাস কত কিলোমিটার?
উত্তর: ৬,৭৭৯ কিলোমিটার।
প্রশ্ন ২২: মঙ্গলের ওজন পৃথিবীর তুলনায় কত?
উত্তর: প্রায় দশ ভাগের এক ভাগ।
প্রশ্ন ২৩: মঙ্গলের আয়তন কত?
উত্তর: ১৪৪,৭৯৮,৫০০ বর্গ কিলোমিটার।
প্রশ্ন ২৪: মঙ্গল সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে কত দিন লাগে?
উত্তর: ৬৮৭ দিন।
প্রশ্ন ২৫: মঙ্গল নিজ অক্ষে ঘুরতে কত সময় লাগে?
উত্তর: ২৪ ঘণ্টা ৩৭ মিনিট।
প্রশ্ন ২৬: মঙ্গলের কয়টি উপগ্রহ আছে?
উত্তর: দুটি।
প্রশ্ন ২৭: মঙ্গলের উপগ্রহগুলোর নাম কী?
উত্তর: ডিমোস ও ফেবোস।
প্রশ্ন ২৮: মঙ্গলে কি জীবন ধারণ সম্ভব?
উত্তর: না, সম্ভব নয়।
প্রশ্ন ২৯: মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলে প্রধান গ্যাস কী কী?
উত্তর: নাইট্রোজেন ও আরগন।
প্রশ্ন ৩০: মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত?
উত্তর: শতকরা ৩ ভাগ।
প্রশ্ন ৩১: মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলে আরগনের পরিমাণ কত?
উত্তর: শতকরা ২ ভাগ।
প্রশ্ন ৩২: মঙ্গলে পানির পরিমাণ কেমন?
উত্তর: খুবই কম।
প্রশ্ন ৩৩: মঙ্গলের তাপমাত্রা কেমন?
উত্তর: খুব ঠাণ্ডা, হিমাঙ্কের নিচে।
প্রশ্ন ৩৪: মঙ্গলের উপরিভাগে কী কী দেখা যায়?
উত্তর: গিরিখাত ও আগ্নেয়গিরি।
প্রশ্ন ৩৫: মঙ্গলের পাথরগুলো লালচে কেন?
উত্তর: মরিচা পড়ার কারণে।
আরও পড়ুন: এসএসসি আইসিটি সাজেশন ২০২৬: SSC ICT MCQ
প্রশ্ন ৩৬: মঙ্গলকে আর কী নামে ডাকা হয়?
উত্তর: লাল গ্রহ।
বৃহস্পতি (Jupiter)
প্রশ্ন ৩৭: সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ কোনটি?
উত্তর: বৃহস্পতি।
প্রশ্ন ৩৮: সূর্য থেকে বৃহস্পতির অবস্থান কততম?
উত্তর: পঞ্চম।
প্রশ্ন ৩৯: বৃহস্পতির আয়তন কত?
উত্তর: ৬১,৪১৯,০০০,০০০ বর্গ কিলোমিটার।
প্রশ্ন ৪০: বৃহস্পতি পৃথিবীর তুলনায় কত গুণ বড়?
উত্তর: প্রায় ১,৩০০ গুণ।
প্রশ্ন ৪১: বৃহস্পতির ব্যাস কত কিলোমিটার?
উত্তর: ১,৩৯,৮২২ কিলোমিটার।
প্রশ্ন ৪২: সূর্য থেকে বৃহস্পতির দূরত্ব কত?
উত্তর: ৭৭.৮ কোটি কিলোমিটার।
প্রশ্ন ৪৩: বৃহস্পতি সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে কত সময় নেয়?
উত্তর: ১২ বছর।
প্রশ্ন ৪৪: বৃহস্পতি নিজ অক্ষে একবার ঘুরতে কত সময় লাগে?
উত্তর: ৯ ঘণ্টা ৫৩ মিনিট।
প্রশ্ন ৪৫: বৃহস্পতিতে দিনে সূর্য কতবার ওঠে ও অস্ত যায়?
উত্তর: দিনে দুইবার ওঠে ও দুইবার অস্ত যায়।
প্রশ্ন ৪৬: বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডল কেমন?
উত্তর: গভীর ও ঘন।
প্রশ্ন ৪৭: বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগের তাপমাত্রা কেমন?
উত্তর: খুব ঠাণ্ডা।
প্রশ্ন ৪৮: বৃহস্পতির অভ্যন্তরের তাপমাত্রা কেমন?
উত্তর: অনেক বেশি।
প্রশ্ন ৪৯: বৃহস্পতির মোট কতটি উপগ্রহ আছে?
উত্তর: ৬৭টি।
প্রশ্ন ৫০: বৃহস্পতির প্রধান চারটি উপগ্রহের নাম কী?
উত্তর: লো, ইউরোপা, গ্যানিমেড ও ক্যাপলিস্টো।
গ্রহাণুপুঞ্জ (Asteroids)
প্রশ্ন ১: গ্রহাণুপুঞ্জ কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: মঙ্গল ও বৃহস্পতির মাঝখানে।
প্রশ্ন ২: গ্রহাণুগুলোর ব্যাস কত থেকে কত পর্যন্ত হতে পারে?
উত্তর: ১.৬ কিলোমিটার থেকে ৮০৫ কিলোমিটার পর্যন্ত।
প্রশ্ন ৩: গ্রহাণুপুঞ্জ কী?
উত্তর: অসংখ্য ক্ষুদ্র গ্রহাণু একত্রে পুঞ্জীভূত হয়ে পরিক্রমণ করলে তাকে গ্রহাণুপুঞ্জ বলে।
প্রশ্ন ৪: গ্রহাণুপুঞ্জ অঞ্চলে আর কোনো গ্রহ আছে কি?
উত্তর: না, সেখানে কোনো গ্রহ নেই।
প্রশ্ন ৫: গ্রহাণুগুলো কী করে?
উত্তর: তারা সূর্যকে কেন্দ্র করে পরিক্রমণ করে।
শনি (Saturn)
-
প্রশ্ন: শনি কোন গ্রহ?
উত্তর: সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ। -
প্রশ্ন: শনির আয়তন কত?
উত্তর: ৪২,৭০০,০০০,০০০ বর্গ কি.মি.। -
প্রশ্ন: শনির ব্যাস কত?
উত্তর: ১১৬,৪৬৪ কিলোমিটার। -
প্রশ্ন: সূর্য থেকে শনির দূরত্ব কত?
উত্তর: ১৪৩ কোটি কিলোমিটার। -
প্রশ্ন: শনি সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে কত সময় নেয়?
উত্তর: ২৯ বছর ৫ মাস। -
প্রশ্ন: শনি নিজ অক্ষে একবার ঘুরতে কত সময় নেয়?
উত্তর: ১০ ঘণ্টা ৪০ মিনিট। -
প্রশ্ন: শনির ব্যাস পৃথিবীর তুলনায় কত গুণ বড়?
উত্তর: প্রায় ৯ গুণ বড়। -
প্রশ্ন: শনির বায়ুমণ্ডলে কী কী গ্যাস আছে?
উত্তর: হাইড্রোজেন, হিলিয়াম, মিথেন ও অ্যামোনিয়া। -
প্রশ্ন: শনিকে ঘিরে কী রয়েছে?
উত্তর: তিনটি উজ্জ্বল বলয়। -
প্রশ্ন: শনির কয়টি উপগ্রহ আছে?
উত্তর: ৬২টি। -
প্রশ্ন: শনির প্রধান উপগ্রহ কোনটি?
উত্তর: টাইটান। -
প্রশ্ন: শনির বলয়গুলো কী দিয়ে গঠিত?
উত্তর: বরফ, পাথর ও ধূলিকণায়। -
প্রশ্ন: শনিকে কি খালি চোখে দেখা যায়?
উত্তর: হ্যাঁ, দেখা যায়।
আরও পড়ুন: এসএসসি ২০২৬ আইসিটি ৬ষ্ঠ অধ্যায়
ইউরেনাস (Uranus)
-
প্রশ্ন: ইউরেনাস কোন গ্রহ?
উত্তর: সৌরজগতের তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ। -
প্রশ্ন: সূর্য থেকে ইউরেনাসের দূরত্ব কত?
উত্তর: ২৮৭ কোটি কিলোমিটার। -
প্রশ্ন: ইউরেনাস সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে কত সময় নেয়?
উত্তর: ৮৪ বছর। -
প্রশ্ন: ইউরেনাসের গড় ব্যাস কত?
উত্তর: প্রায় ৪৯,০০০ কিলোমিটার। -
প্রশ্ন: ইউরেনাসের আয়তন পৃথিবীর তুলনায় কত গুণ?
উত্তর: প্রায় ৬৪ গুণ। -
প্রশ্ন: ইউরেনাসের ওজন পৃথিবীর তুলনায় কত?
উত্তর: প্রায় ১৫ গুণ। -
প্রশ্ন: ইউরেনাসের বায়ুমণ্ডলে কোন গ্যাস বেশি?
উত্তর: মিথেন গ্যাস। -
প্রশ্ন: ইউরেনাসের কয়টি উপগ্রহ আছে?
উত্তর: ২৭টি। -
প্রশ্ন: ইউরেনাসেরও কি বলয় আছে?
উত্তর: হ্যাঁ, শনির মতো বলয় রয়েছে। -
প্রশ্ন: ইউরেনাসের প্রধান উপগ্রহ কোনগুলো?
উত্তর: মিরিন্ডা, এরিয়েল, ওবেরন, আম্ব্রিয়েল ও টাইটানিয়া।
নেপচুন (Neptune)
-
প্রশ্ন: নেপচুনের গড় ব্যাস কত?
উত্তর: ৪৯,২৪৪ কিলোমিটার। -
প্রশ্ন: সূর্য থেকে নেপচুনের দূরত্ব কত?
উত্তর: ৪৫০ কোটি কিলোমিটার। -
প্রশ্ন: নেপচুনের আয়তন কত?
উত্তর: ১৭,৬১৮,৩০০,০০০ বর্গ কি.মি.। -
প্রশ্ন: নেপচুন সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে কত সময় নেয়?
উত্তর: ১৬৫ বছর। -
প্রশ্ন: নেপচুনের রঙ কেমন?
উত্তর: নীলাভ। -
প্রশ্ন: নেপচুনের কয়টি উপগ্রহ আছে?
উত্তর: ১৪টি। -
প্রশ্ন: নেপচুনের প্রধান উপগ্রহ কোনগুলো?
উত্তর: ট্রাইটন ও নেরাইড। -
প্রশ্ন: নেপচুনের তাপমাত্রা কেমন?
উত্তর: খুব শীতল। -
প্রশ্ন: কেন নেপচুন ঠাণ্ডা গ্রহ?
উত্তর: সূর্য থেকে অনেক দূরে অবস্থিত বলে।
পৃথিবীতে জীবজন্তুর বসবাসের কারণ
-
প্রশ্ন: পৃথিবীকে বেষ্টন করে কী আছে?
উত্তর: বায়ুমণ্ডল। -
প্রশ্ন: বায়ুমণ্ডল কীভাবে পৃথিবীর সঙ্গে থাকে?
উত্তর: মাধ্যাকর্ষণ শক্তির কারণে। -
প্রশ্ন: বায়ুমণ্ডলে কোন গ্যাস দুটি বেশি পরিমাণে আছে?
উত্তর: নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন। -
প্রশ্ন: প্রাণীদের জন্য কোন গ্যাস প্রয়োজনীয়?
উত্তর: অক্সিজেন। -
প্রশ্ন: উদ্ভিদের জন্য কোন গ্যাস প্রয়োজনীয়?
উত্তর: কার্বন ডাই-অক্সাইড। -
প্রশ্ন: বায়ুমণ্ডল সূর্যের কী থেকে রক্ষা করে?
উত্তর: ক্ষতিকর রশ্মি থেকে। -
প্রশ্ন: বায়ুমণ্ডলের নিচের স্তরের নাম কী?
উত্তর: ট্রপোমণ্ডল। -
প্রশ্ন: ট্রপোমণ্ডলের গড় গভীরতা কত?
উত্তর: প্রায় ১৩ কিলোমিটার। -
প্রশ্ন: ট্রপোমণ্ডলে কী কী ঘটে?
উত্তর: বৃষ্টি, মেঘ, কুয়াশা, বায়ুপ্রবাহ। -
প্রশ্ন: ট্রপোমণ্ডলের উপরের স্তর কী?
উত্তর: ট্রপোপস। -
প্রশ্ন: ট্রপোপস দিয়ে কেন বিমান চলে?
উত্তর: এখানে ঝড়বৃষ্টি থাকে না। -
প্রশ্ন: ওজোন স্তর কী কাজ করে?
উত্তর: সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে। -
প্রশ্ন: ওজোন স্তরের গভীরতা কত?
উত্তর: প্রায় ১২-১৬ কিলোমিটার। -
প্রশ্ন: পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা কত?
উত্তর: ১৩.৯০° সেলসিয়াস। -
প্রশ্ন: পৃথিবীতে কেন জীবন সম্ভব?
উত্তর: আলো, বাতাস ও পানির উপস্থিতির জন্য। -
প্রশ্ন: বায়ুদূষণের কারণ কী?
উত্তর: ধোঁয়া, কারখানা, গাছ কাটাসহ মানব কর্মকাণ্ড। -
প্রশ্ন: বায়ুমণ্ডল দূষিত হলে কী হয়?
উত্তর: প্রাণীর অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়ে। -
প্রশ্ন: পৃথিবী জীবের জন্য কেন আদর্শ গ্রহ?
উত্তর: উপযুক্ত তাপ, আলো, পানি ও গ্যাসের উপস্থিতির কারণে।
আরও পড়ুন: এসএসসি ২০২৬ আইসিটি ৫ম অধ্যায়
ভূ-অভ্যন্তরের গঠন
-
প্রশ্ন: পৃথিবীর অভ্যন্তর সম্পর্কে তথ্য জানা কেন কঠিন?
উত্তর: কারণ অভ্যন্তরে সরাসরি প্রবেশ করা যায় না। -
প্রশ্ন: ভূ-অভ্যন্তরের তথ্য কিভাবে জানা যায়?
উত্তর: ভূমিকম্প তরঙ্গের গতিবেগের তারতম্য দ্বারা। -
প্রশ্ন: ভূমিকম্প তরঙ্গ কী নির্দেশ করে?
উত্তর: ভূ-অভ্যন্তরের শিলার ঘনত্ব ও স্তরের তারতম্য। -
প্রশ্ন: পৃথিবীর অভ্যন্তর কয়টি স্তরে বিভক্ত?
উত্তর: তিনটি স্তরে। -
প্রশ্ন: পৃথিবীর অভ্যন্তরের তিনটি স্তরের নাম কী?
উত্তর: কেন্দ্রমণ্ডল, গুরুমণ্ডল ও অশ্মমণ্ডল।
কেন্দ্রমণ্ডল (Core)
-
প্রশ্ন: পৃথিবীর ব্যাসার্ধ কত কিলোমিটার?
উত্তর: প্রায় ৬,৩৭১ কি.মি.। -
প্রশ্ন: কেন্দ্রমণ্ডলের ব্যাসার্ধ কত?
উত্তর: প্রায় ৩,৪৮৬ কি.মি.। -
প্রশ্ন: কেন্দ্রমণ্ডল কোন পদার্থে গঠিত?
উত্তর: লৌহ, নিকেল, পারদ ও সীসা। -
প্রশ্ন: কেন্দ্রমণ্ডলকে আর কী নামে ডাকা হয়?
উত্তর: নাইফ (Nife)। -
প্রশ্ন: “Nife” শব্দটি কোন দুটি ধাতু থেকে এসেছে?
উত্তর: Nickel ও Ferus (Iron) থেকে। -
প্রশ্ন: কেন্দ্রমণ্ডল পানি অপেক্ষা কত গুণ ঘন?
উত্তর: ১০–১২ গুণ। -
প্রশ্ন: কেন্দ্রমণ্ডল পৃথিবীর অন্যান্য অংশের তুলনায় কত গুণ ঘন?
উত্তর: দ্বিগুণেরও বেশি। -
প্রশ্ন: কেন্দ্রমণ্ডল কী অবস্থায় আছে?
উত্তর: প্রচণ্ড তাপ ও চাপে কঠিন নয়। -
প্রশ্ন: কেন্দ্রমণ্ডল কতটি অংশে বিভক্ত?
উত্তর: দুটি — বাইরের ও ভিতরের অংশে। -
প্রশ্ন: কেন্দ্রমণ্ডলের বাইরের অংশের প্রকৃতি কী?
উত্তর: তরল। -
প্রশ্ন: কেন্দ্রমণ্ডলের ভিতরের অংশের প্রকৃতি কী?
উত্তর: কঠিন। -
প্রশ্ন: বাইরের কেন্দ্রমণ্ডলের বিস্তৃতি কত কিলোমিটার?
উত্তর: প্রায় ২,২৭০ কি.মি.। -
প্রশ্ন: ভিতরের কেন্দ্রমণ্ডল কত গভীর পর্যন্ত বিস্তৃত?
উত্তর: প্রায় ১,২১৬ কি.মি.। -
প্রশ্ন: কেন্দ্রমণ্ডল কোন ধরণের তরল?
উত্তর: ধাতব তরল। -
প্রশ্ন: কেন্দ্রমণ্ডলের তাপমাত্রা কেমন?
উত্তর: অত্যন্ত বেশি।
গুরুমণ্ডল (Mantle)
-
প্রশ্ন: গুরুমণ্ডল কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: কেন্দ্রমণ্ডলের উপর থেকে ২,৮৮৫ কি.মি. পর্যন্ত। -
প্রশ্ন: গুরুমণ্ডল কোন ধাতুতে গঠিত?
উত্তর: সিলিকন ও ম্যাগনেশিয়াম। -
প্রশ্ন: গুরুমণ্ডলের অন্য নাম কী?
উত্তর: সিমা (Sima)। -
প্রশ্ন: “Sima” শব্দটি কোন দুটি উপাদান থেকে এসেছে?
উত্তর: Silicon ও Magnesium থেকে। -
প্রশ্ন: গুরুমণ্ডলের উপরের অংশে কী ধরনের পদার্থ আছে?
উত্তর: ব্যাসল্ট জাতীয় উপাদান। -
প্রশ্ন: ব্যাসল্ট অঞ্চল কোন স্তরে অবস্থিত?
উত্তর: গুরুমণ্ডলের উপরাংশে। -
প্রশ্ন: গুরুমণ্ডলের গড় গভীরতা কত?
উত্তর: প্রায় ২,৮৮৫ কি.মি.। -
প্রশ্ন: গুরুমণ্ডলের তাপমাত্রা কেমন?
উত্তর: কেন্দ্রমণ্ডলের তুলনায় কম, তবে গরম। -
প্রশ্ন: গুরুমণ্ডল কী দ্বারা গঠিত?
উত্তর: ভারী ধাতব পদার্থের সংমিশ্রণে। -
প্রশ্ন: গুরুমণ্ডল কি তরল না কঠিন?
উত্তর: আংশিক কঠিন ও আংশিক তরল।
আরও পড়ুন: এসএসসি আইসিটি সাজেশন ২০২৬ ২য় অধ্যায় MCQ
অশ্মমণ্ডল (Crust)
-
প্রশ্ন: গুরুমণ্ডলের উপরের অংশের নাম কী?
উত্তর: অশ্মমণ্ডল বা শিলামণ্ডল। -
প্রশ্ন: অশ্মমণ্ডল কী দ্বারা গঠিত?
উত্তর: নানা প্রকার শিলা ও খনিজ দ্বারা। -
প্রশ্ন: অশ্মমণ্ডলের গভীরতা কত?
উত্তর: প্রায় ৩০ থেকে ৬৪ কি.মি.। -
প্রশ্ন: মহাদেশীয় অঞ্চলে অশ্মমণ্ডলের গভীরতা কেমন?
উত্তর: সবচেয়ে বেশি। -
প্রশ্ন: মহাসাগরের নিচে অশ্মমণ্ডলের গভীরতা কেমন?
উত্তর: সবচেয়ে কম। -
প্রশ্ন: অশ্মমণ্ডলকে আর কী বলা হয়?
উত্তর: সিয়াল (Sial)। -
প্রশ্ন: “Sial” শব্দটি কোন দুটি উপাদান থেকে এসেছে?
উত্তর: Silicon ও Aluminum থেকে। -
প্রশ্ন: অশ্মমণ্ডলে কোন কোন উপাদান বেশি?
উত্তর: অক্সিজেন, সিলিকন, অ্যালুমিনিয়াম, পটাসিয়াম প্রভৃতি। -
প্রশ্ন: অশ্মমণ্ডলের উপরিভাগকে কী বলা হয়?
উত্তর: ভূত্বক। -
প্রশ্ন: ভূত্বকের গড় গভীরতা কত?
উত্তর: প্রায় ১৭ কি.মি.। -
প্রশ্ন: সমুদ্রতলের নিচে ভূত্বকের গভীরতা কত?
উত্তর: প্রায় ৩ কি.মি.। -
প্রশ্ন: পর্বতের নিচে ভূত্বকের গভীরতা কত?
উত্তর: প্রায় ৪০ কি.মি.। -
প্রশ্ন: ভূত্বক কী ধরনের স্তর?
উত্তর: পৃথিবীর কঠিন বহিরাবরণ। -
প্রশ্ন: অশ্মমণ্ডলের নিম্নভাগকে কী বলে?
উত্তর: ভূত্বকের নিম্নাংশ। -
প্রশ্ন: কোন স্তরেই আমরা বাস করি?
উত্তর: অশ্মমণ্ডল বা ভূত্বক স্তরে। -
প্রশ্ন: অশ্মমণ্ডলে অক্সিজেনের ভূমিকা কী?
উত্তর: শিলা গঠনে প্রধান উপাদান। -
প্রশ্ন: কোন স্তর পৃথিবীর গঠনমূলক বাহ্যিক আবরণ?
উত্তর: অশ্মমণ্ডল। -
প্রশ্ন: গুরুমণ্ডল ও অশ্মমণ্ডলের সংযোগ স্থলকে কী বলা হয়?
উত্তর: মোহোরোভিসিক সীমা (Moho Boundary)। -
প্রশ্ন: কোন স্তর পৃথিবীর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত?
উত্তর: কেন্দ্রমণ্ডল। -
প্রশ্ন: পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠন কোন প্রক্রিয়ায় জানা গেছে?
উত্তর: ভূকম্পন তরঙ্গ বিশ্লেষণের মাধ্যমে।
বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের সময় নির্ণয় পদ্ধতি
১ প্রশ্ন: পৃথিবীর অবস্থান নির্ণয়ের জন্য কোন দুটি কাল্পনিক রেখা ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখা।
২ প্রশ্ন: অক্ষরেখা দ্বারা কী জানা যায়?
উত্তর: অক্ষরেখা দ্বারা নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর ও দক্ষিণে কোনো স্থানের অবস্থান জানা যায়।
৩ প্রশ্ন: দ্রাঘিমারেখা দ্বারা কী জানা যায়?
উত্তর: দ্রাঘিমারেখা দ্বারা কোনো স্থানের সময় ও পূর্ব-পশ্চিমের অবস্থান জানা যায়।
৪ প্রশ্ন: মূল মধ্যরেখা কী বোঝায়?
উত্তর: পৃথিবীর পূর্ব-পশ্চিম অবস্থান নির্ণয়ের সূচক রেখাকে মূল মধ্যরেখা বলে।
৫ প্রশ্ন: পৃথিবীর আকৃতি কেমন?
উত্তর: পৃথিবী অভিগত গোলক, অর্থাৎ গোলাকার আকৃতির।
আরও পড়ুন: এসএসসি আইসিটি সাজেশন ২০২৬: ict mcq
অক্ষ ও অক্ষরেখা
-
প্রশ্ন: পৃথিবীর কেন্দ্র দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে কল্পিত রেখাকে কী বলা হয়?
উত্তর: অক্ষ (Axis)। -
প্রশ্ন: পৃথিবীর অক্ষের উত্তর প্রান্তকে কী বলা হয়?
উত্তর: উত্তর মেরু। -
প্রশ্ন: পৃথিবীর অক্ষের দক্ষিণ প্রান্তকে কী বলা হয়?
উত্তর: দক্ষিণ মেরু। -
প্রশ্ন: অক্ষরেখা কী?
উত্তর: পূর্ব-পশ্চিমে অঙ্কিত কাল্পনিক রেখা। -
প্রশ্ন: অক্ষরেখাকে আর কী বলা হয়?
উত্তর: সমাক্ষরেখা। -
প্রশ্ন: নিরক্ষরেখা কী?
উত্তর: দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে বেষ্টন করা রেখা। -
প্রশ্ন: নিরক্ষরেখাকে আর কী বলা হয়?
উত্তর: বিষুবরেখা বা নিরক্ষবৃত্ত। -
প্রশ্ন: নিরক্ষরেখা পৃথিবীকে কত ভাগে ভাগ করেছে?
উত্তর: উত্তর গোলার্ধ ও দক্ষিণ গোলার্ধে। -
প্রশ্ন: নিরক্ষরেখার সাহায্যে কী নির্ণয় করা যায়?
উত্তর: কোনো স্থানের অক্ষাংশ বা উত্তর-দক্ষিণ কৌণিক দূরত্ব। -
প্রশ্ন: পৃথিবীর বৃত্তের মোট পরিধি কত?
উত্তর: ৩৬০°। -
প্রশ্ন: ১° কত মিনিটে ভাগ করা হয়?
উত্তর: ৬০ মিনিটে। -
প্রশ্ন: ১° কত সেকেন্ডে ভাগ করা হয়?
উত্তর: ৩৬০০ সেকেন্ডে। -
প্রশ্ন: নিরক্ষরেখা থেকে সর্বোচ্চ কৌণিক দূরত্ব কত?
উত্তর: ৯০°। -
প্রশ্ন: নিরক্ষরেখা থেকে উত্তরে অবস্থিত স্থান কোন গোলার্ধে?
উত্তর: উত্তর গোলার্ধে। -
প্রশ্ন: নিরক্ষরেখা থেকে দক্ষিণে অবস্থিত স্থান কোন গোলার্ধে?
উত্তর: দক্ষিণ গোলার্ধে। -
প্রশ্ন: পৃথিবীতে সর্বাধিক অক্ষাংশ কত?
উত্তর: ৯০°। -
প্রশ্ন: ০° থেকে ৩০° পর্যন্ত অক্ষাংশকে কী বলা হয়?
উত্তর: নিম্ন অক্ষাংশ। -
প্রশ্ন: ৩০° থেকে ৬০° অক্ষাংশকে কী বলা হয়?
উত্তর: মধ্য অক্ষাংশ। -
প্রশ্ন: ৬০° থেকে ৯০° অক্ষাংশকে কী বলা হয়?
উত্তর: উচ্চ অক্ষাংশ। -
প্রশ্ন: কর্কটক্রান্তি কোন অক্ষাংশে অবস্থিত?
উত্তর: ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ। -
প্রশ্ন: মকরক্রান্তি কোন অক্ষাংশে অবস্থিত?
উত্তর: ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশ। -
প্রশ্ন: সুমেরুবৃত্তের অবস্থান কোন অক্ষাংশে?
উত্তর: ৬৬.৫° উত্তর। -
প্রশ্ন: কুমেরুবৃত্তের অবস্থান কোন অক্ষাংশে?
উত্তর: ৬৬.৫° দক্ষিণ। -
প্রশ্ন: একই অক্ষরেখায় অবস্থিত স্থানের অক্ষাংশ কেমন থাকে?
উত্তর: একই।
দ্রাঘিমারেখা
-
প্রশ্ন: দ্রাঘিমারেখা কী?
উত্তর: নিরক্ষরেখার উপর দিয়ে উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত অঙ্কিত রেখা। -
প্রশ্ন: দ্রাঘিমারেখা আর কী নামে পরিচিত?
উত্তর: মধ্যরেখা। -
প্রশ্ন: দ্রাঘিমারেখাগুলো কি সমান্তরাল?
উত্তর: না, সমান্তরাল নয়। -
প্রশ্ন: দ্রাঘিমারেখাগুলোর সর্বোচ্চ সংখ্যা কত?
উত্তর: ১৮০°। -
প্রশ্ন: দ্রাঘিমারেখার সাহায্যে কী জানা যায়?
উত্তর: স্থানীয় সময়। -
প্রশ্ন: মূল মধ্যরেখা কোথায় রয়েছে?
উত্তর: লন্ডন, গ্রিনিচে। -
প্রশ্ন: মূল মধ্যরেখার মান কত ডিগ্রি?
উত্তর: ০°। -
প্রশ্ন: মূল মধ্যরেখা পূর্বে কত ডিগ্রি পর্যন্ত বিস্তৃত?
উত্তর: ১৮০° পূর্ব। -
প্রশ্ন: মূল মধ্যরেখা পশ্চিমে কত ডিগ্রি পর্যন্ত বিস্তৃত?
উত্তর: ১৮০° পশ্চিম। -
প্রশ্ন: ৪৫° পূর্ব দ্রাঘিমা মানে কী?
উত্তর: মূল মধ্যরেখা থেকে ৪৫° পূর্বে অবস্থিত দ্রাঘিমা। -
প্রশ্ন: দ্রাঘিমা কত মিনিটে ভাগ করা হয়?
উত্তর: ৬০ মিনিটে। -
প্রশ্ন: দ্রাঘিমা কত সেকেন্ডে ভাগ করা হয়?
উত্তর: ৩৬০০ সেকেন্ডে।
আরও পড়ুন: SSC 2026 অর্থনীতি ২য় অধ্যায় MCQ
স্থানীয় সময়
-
প্রশ্ন: স্থানীয় সময় কী?
উত্তর: যে সময়ে কোনো স্থানের মধ্যরেখা সূর্যের ঠিক সামনে থাকে। -
প্রশ্ন: স্থানীয় সময়ে মধ্যাহ্ন কী বোঝায়?
উত্তর: যখন সূর্য স্থানের মাথার ঠিক উপরে থাকে। -
প্রশ্ন: ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যের সময় কত?
উত্তর: ৪ মিনিট। -
প্রশ্ন: ১’ (মিনিট) দ্রাঘিমার পার্থক্যের সময় কত?
উত্তর: ৪ সেকেন্ড। -
প্রশ্ন: ৫° পূর্ব দ্রাঘিমার সময় স্থানীয় সময়ের তুলনায় কত?
উত্তর: ২০ মিনিট বেশি। -
প্রশ্ন: ৫° পশ্চিম দ্রাঘিমার সময় স্থানীয় সময়ের তুলনায় কত?
উত্তর: ২০ মিনিট কম। -
প্রশ্ন: গ্রিনিচের দ্রাঘিমা কোন মানে ধরা হয়?
উত্তর: ০° দ্রাঘিমা। -
প্রশ্ন: গ্রিনিচের সময় কীভাবে জানা যায়?
উত্তর: ক্রোনোমিটার ঘড়ি থেকে। -
প্রশ্ন: স্থানীয় সময় নির্ণয়ের জন্য সূর্যের অবস্থান কিভাবে ব্যবহার হয়?
উত্তর: সূর্যের সর্বোচ্চ অবস্থান দেখে দুপুর ১২টা ধরা হয়। -
প্রশ্ন: পূর্বে অবস্থান করলে স্থানীয় সময় গ্রিনিচের তুলনায় কেমন হবে?
উত্তর: বেশি। -
প্রশ্ন: পশ্চিমে অবস্থান করলে স্থানীয় সময় গ্রিনিচের তুলনায় কেমন হবে?
উত্তর: কম। -
প্রশ্ন: দ্রাঘিমা ও অক্ষাংশ কোথায় শূন্য?
উত্তর: যেখানে নিরক্ষরেখা ও মূল মধ্যরেখা মিলিত। -
প্রশ্ন: দ্রাঘিমার সাহায্যে কী নির্ণয় করা যায়?
উত্তর: পূর্ব-পশ্চিমে অবস্থান ও স্থানীয় সময়। -
প্রশ্ন: মূল মধ্যরেখার শূন্য ডিগ্রি কোথায়?
উত্তর: গিনি উপসাগরের একটি স্থান।
প্রমাণ সময় (Standard Time)
১ প্রশ্ন: প্রমাণ সময় কী?
উত্তর: কোনো দেশের মধ্যভাগের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়কে প্রমাণ সময় বলে।
২ প্রশ্ন: কেন প্রমাণ সময় প্রয়োজন?
উত্তর: একই দেশের বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় সময়ে বিভ্রাট এড়াতে।
৩ প্রশ্ন: বড় দেশে একাধিক প্রমাণ সময় থাকতে পারে কি?
উত্তর: হ্যাঁ, বড় দেশের কয়েকটি প্রমাণ সময় থাকে।
৪ প্রশ্ন: যুক্তরাষ্ট্রে কয়টি প্রমাণ সময় রয়েছে?
উত্তর: চারটি।
৫ প্রশ্ন: কানাডায় কতটি প্রমাণ সময় আছে?
উত্তর: পাঁচটি।
৬ প্রশ্ন: গ্রিনিচের (০° দ্রাঘিমা) সময়কে কি ধরা হয়েছে?
উত্তর: সমগ্র পৃথিবীর প্রমাণ সময় হিসেবে।
৬ প্রশ্ন: বাংলাদেশের প্রমাণ সময় গ্রিনিচের সময় থেকে কত ঘন্টা অগ্রবর্তী?
উত্তর: ৬ ঘণ্টা।
৭ প্রশ্ন: বাংলাদেশের প্রমাণ সময়ের জন্য কোন দ্রাঘিমারেখা ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা।
৯ প্রশ্ন: প্রমাণ সময় ব্যবহার করে কী নির্ধারণ করা যায়?
উত্তর: সমগ্র দেশের সময়কে এককভাবে।
১০ প্রশ্ন: বাংলাদেশের প্রমাণ সময় কোন স্থানের স্থানীয় সময়ের সমান ধরা হয়?
উত্তর: দেশের প্রায় মধ্যভাগের ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখার স্থানীয় সময়ের সমান।
দ্রাঘিমা ও সময়ের সম্পর্ক
১ প্রশ্ন: ঢাকা ও সিউলের সময়ের ব্যবধান কত?
উত্তর: ২ ঘণ্টা ৩২ মিনিট।
২ প্রশ্ন: ৪ মিনিট সময় ব্যবধানে দ্রাঘিমার পার্থক্য কত?
উত্তর: ১°।
৩ প্রশ্ন: ১ মিনিট সময় ব্যবধানে দ্রাঘিমার পার্থক্য কত হবে?
উত্তর: ১৫° ÷ ৬০ = 0.25° (প্রায় ¼°)।
৪ প্রশ্ন: ঢাকার দ্রাঘিমা কত?
উত্তর: ৯০° পূর্ব।
৫ প্রশ্ন: সিউলের দ্রাঘিমা কত হবে যদি ঢাকা থেকে ২ ঘণ্টা ৩২ মিনিট সময় পার্থক্য থাকে?
উত্তর: ১২৮° পূর্ব।
৬ প্রশ্ন: ঢাকা ও চেন্নাইয়ের দ্রাঘিমা কত?
উত্তর: ঢাকা ৯০°, চেন্নাই ৮০°১৫’ পূর্ব।
৭ প্রশ্ন: ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য সময় পার্থক্য কত?
উত্তর: ৪ মিনিট।
৮ প্রশ্ন: ৪৫’ (৪৫ মিনিট) দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য সময় পার্থক্য কত?
উত্তর: ৩ মিনিট।
৯ প্রশ্ন: ঢাকা যখন মধ্যাহ্ন (দুপুর ১২টা) তখন চেন্নাইয়ের স্থানীয় সময় কত?
উত্তর: সকাল ১১টা ২১ মিনিট।
আরও পড়ুন: SSC 2026 অর্থনীতি ৩য় অধ্যায় MCQ
১০ প্রশ্ন: চেন্নাই ঢাকার পূর্বে না পশ্চিমে অবস্থিত?
উত্তর: পশ্চিমে।
প্রতিপাদ স্থান (Antipode)
১ প্রশ্ন: প্রতিপাদ স্থান কী?
উত্তর: ভূপৃষ্ঠের কোনো বিন্দুর বিপরীত বিন্দু।
২ প্রশ্ন: প্রতিপাদ স্থান কিভাবে নির্ণয় করা হয়?
উত্তর: বিন্দু থেকে পৃথিবীর কেন্দ্রের মধ্য দিয়ে বিপরীত দিকে কল্পিত রেখা টেনে।
৩ প্রশ্ন: প্রতিপাদ স্থানের অবস্থান মূল বিন্দুর সঙ্গে সম্পর্কিত কেমন?
উত্তর: সম্পূর্ণ বিপরীত দিকে।
৪ প্রশ্ন: প্রতিপাদ স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় কীভাবে করা যায়?
উত্তর: মূল স্থানের অক্ষাংশের মান সমান, শুধু উত্তর বা দক্ষিণ উল্টো হবে।
৫ প্রশ্ন: যদি কোনো স্থানের অক্ষাংশ ৫০° উত্তর হয়, তার প্রতিপাদ স্থানের অক্ষাংশ কত হবে?
উত্তর: ৫০° দক্ষিণ।
৬ প্রশ্ন: প্রতিপাদ স্থানের দ্রাঘিমা কিভাবে নির্ণয় করা হয়?
উত্তর: ১৮০° থেকে মূল স্থানের দ্রাঘিমা বাদ দিয়ে।
৭ প্রশ্ন: যদি কোনো স্থানের দ্রাঘিমা ৬০° পূর্ব হয়, প্রতিপাদ স্থানের দ্রাঘিমা কত হবে?
উত্তর: ১২০° পশ্চিম।
৮ প্রশ্ন: প্রতিপাদ স্থানের দ্রাঘিমা কোন দিকে থাকে মূল স্থানের তুলনায়?
উত্তর: বিপরীত দিকে।
৯ প্রশ্ন: দুই স্থানের অক্ষাংশ একে অপরের দিকে কেমন থাকে?
উত্তর: একটি উত্তর গোলার্ধে, অন্যটি দক্ষিণ গোলার্ধে।
১০ প্রশ্ন: প্রতিপাদ স্থান কোন গোলার্ধে থাকে?
উত্তর: মূল স্থান থেকে বিপরীত গোলার্ধে।
১১ প্রশ্ন: প্রতিপাদ স্থান নির্ণয়ে কোন ভূতাত্ত্বিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: সাধারণত মানচিত্র ও গণিত।
১২ প্রশ্ন: প্রতিপাদ স্থানের দ্রাঘিমার যোগফল কত হয়?
উত্তর: ১৮০°।
১৩ প্রশ্ন: প্রতিপাদ স্থানের সময়ের পার্থক্য কত?
উত্তর: ১২ ঘণ্টা।
১৪ প্রশ্ন: ঢাকার প্রতিপাদ স্থান কোথায়?
উত্তর: দক্ষিণ আমেরিকার চিলির নিকট প্রশান্ত মহাসাগরে।
১৫ প্রশ্ন: প্রতিপাদ স্থানের অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমারেখা মূল স্থান থেকে কতভাবে পরিবর্তিত হয়?
উত্তর: অক্ষাংশ বিপরীত, দ্রাঘিমা ১৮০° থেকে মূল স্থানের মান বাদ দিয়ে বিপরীত।
১৬ প্রশ্ন: ৪০° পূর্ব দ্রাঘিমায় অবস্থিত স্থানের প্রতিপাদ স্থান কত ডিগ্রি দ্রাঘিমায় থাকে?
উত্তর: ১৪০° পশ্চিম।
১৭ প্রশ্ন: অক্ষাংশের সর্বোচ্চ মান কত ডিগ্রি হতে পারে?
উত্তর: ৯০°।
১৮ প্রশ্ন: প্রতিপাদ স্থানের সময়কে মূল স্থানের সময়ের সাথে তুলনা করলে?
উত্তর: ঠিক ১২ ঘণ্টার পার্থক্য থাকে।
১৯ প্রশ্ন: প্রতিপাদ স্থান কেবল সমুদ্রের ওপরই থাকে কি?
উত্তর: না, এটি কোনো স্থল বা সমুদ্রের ওপর হতে পারে।
২০ প্রশ্ন: স্থান দুটি যদি একই অক্ষরেখায় থাকে, তবে তাদের প্রতিপাদ স্থান হতে পারবে?
উত্তর: না, প্রতিপাদ স্থান সবসময় বিপরীত গোলার্ধে হবে।
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা ও সময় নির্ণয়ের জন্য কাল্পনিক রেখার ভূমিকা
প্রশ্ন: আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা কী?
উত্তর: ১৮০° দ্রাঘিমারেখাকে অবলম্বন করে জলভাগের উপর দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে কল্পনা করা রেখা।
প্রশ্ন: আন্তর্জাতিক তারিখ রেখার উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: দীর্ঘপথ ভ্রমণে স্থানীয় সময় ও দিনের অসঙ্গতি দূর করা।
প্রশ্ন: ১৮০° দ্রাঘিমারেখা পূর্বে অতিক্রম করলে দিন কেমন হয়?
উত্তর: একদিন কমে যায়।
প্রশ্ন: ১৮০° দ্রাঘিমারেখা পশ্চিমে অতিক্রম করলে দিন কেমন হয়?
উত্তর: একদিন বৃদ্ধি পায়।
প্রশ্ন: আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা কোন মহাসাগরের উপর দিয়ে যায়?
উত্তর: প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে।
প্রশ্ন: একই ১৮০° দ্রাঘিমায় কোন সমস্যা দেখা দেয়?
উত্তর: একই স্থানে সময় ও দিন এক সঙ্গে দুইভাবে দেখা যায়।
প্রশ্ন: আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা কোন দ্বীপপুঞ্জের কাছে বেঁকে যায়?
উত্তর: ফিজি ও চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জ।
প্রশ্ন: আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা সাইবেরিয়ার কোন অংশ অতিক্রম করেছে?
উত্তর: উত্তর-পূর্ব অংশ।
প্রশ্ন: আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অ্যালিউসিয়ান দ্বীপপুঞ্জের কাছে কত ডিগ্রি পশ্চিমে বেঁকে গেছে?
উত্তর: ৭০° পশ্চিম।
প্রশ্ন: জাহাজ বা বিমান আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অতিক্রম করলে কী করে?
উত্তর: পূর্বগামী হলে একদিন বিয়োগ করে, পশ্চিমগামী হলে একদিন যোগ করে।
প্রশ্ন: আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা কবে প্রয়োজন হয়?
উত্তর: দীর্ঘপথে পূর্ব বা পশ্চিম ভ্রমণে।
প্রশ্ন: ১৫ ডিগ্রি দ্রাঘিমান্তরে সময়ের ব্যবধান কত?
উত্তর: ১ ঘণ্টা।
প্রশ্ন: ১° দ্রাঘিমান্তরে সময়ের ব্যবধান কত?
উত্তর: ৪ মিনিট।
প্রশ্ন: ১৮০° পূর্ব দ্রাঘিমায় স্থানীয় সময় গ্রিনিচের তুলনায় কত?
উত্তর: ১২ ঘণ্টা বেশি।
প্রশ্ন: ১৮০° পশ্চিম দ্রাঘিমায় স্থানীয় সময় গ্রিনিচের তুলনায় কত?
উত্তর: ১২ ঘণ্টা কম।
প্রশ্ন: আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা প্রধানত কোন ধরনের রেখা?
উত্তর: কাল্পনিক রেখা।
প্রশ্ন: আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা শুধুমাত্র স্থলপৃষ্ঠে অতিক্রম করে কি?
উত্তর: না, এটি মূলত জলভাগের উপর দিয়ে অতিক্রম করে।
প্রশ্ন: ১৮০° দ্রাঘিমা থেকে পূর্ব বা পশ্চিমে অতিক্রম করলে সময় গণনার জন্য কী পরিবর্তন হয়?
উত্তর: দিন ও তারিখ পরিবর্তন।
প্রশ্ন: একটি দেশের মধ্যে সময় গণনার বিভ্রাট কীভাবে এড়ানো যায়?
উত্তর: প্রমাণ সময় দেশের জন্য নির্ধারণ করে।
প্রশ্ন: দীর্ঘপথে জাহাজ বা বিমান কেন আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অতিক্রম করে?
উত্তর: সময় ও দিনের মিল রাখতে।
প্রশ্ন: আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা কোন দেশের মধ্যে নেই?
উত্তর: এটি মূলত সমুদ্রের উপর দিয়ে যায়, স্থলদেশে নেই।
প্রশ্ন: স্থানীয় সময় কীভাবে নির্ণয় করা হয়?
উত্তর: মধ্যাহ্ন বা সূর্য মাথার উপরে অবস্থান অনুযায়ী।
প্রশ্ন: পৃথিবী কোন দিকে আবর্তন করছে?
উত্তর: পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে।
প্রশ্ন: পূর্বে অবস্থিত স্থানগুলোতে সূর্যোদয় কেমন হয়?
উত্তর: আগে।
প্রশ্ন: পশ্চিমে অবস্থিত স্থানগুলোতে সূর্যোদয় কেমন হয়?
উত্তর: পরে।
প্রশ্ন: ১° পূর্ব দ্রাঘিমার জন্য সময় কত বৃদ্ধি পায়?
উত্তর: ৪ মিনিট।
প্রশ্ন: ১° পশ্চিম দ্রাঘিমার জন্য সময় কত কমে যায়?
উত্তর: ৪ মিনিট।
প্রশ্ন: গ্রিনিচ থেকে ৩০° পূর্বে সময় কত হবে যদি গ্রিনিচে সকাল ৮টা?
উত্তর: সকাল ১০টা।
প্রশ্ন: দ্রাঘিমারেখা ব্যবহার করে স্থানীয় সময় কিভাবে নির্ণয় করা হয়?
উত্তর: দ্রাঘিমারেখা থেকে স্থানীয় সময়ের পার্থক্য হিসাব করে।
প্রশ্ন: ১৮০° দ্রাঘিমা অতিক্রমের সময় দিনের পার্থক্য কীভাবে সমাধান করা হয়?
উত্তর: আন্তর্জাতিক তারিখ রেখার মাধ্যমে।
প্রশ্ন: আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা কোন সমুদ্রের উপরে অতিক্রম করে সবচেয়ে বেশি?
উত্তর: প্রশান্ত মহাসাগর।
প্রশ্ন: আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা ও প্রমাণ সময়ের মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর: প্রমাণ সময় দেশের জন্য নির্ধারিত, আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা দিন পরিবর্তনের জন্য।
প্রশ্ন: আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা কবে প্রথম প্রয়োগ করা হয়?
উত্তর: আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির মাধ্যমে।
প্রশ্ন: ১৮০° দ্রাঘিমা অতিক্রমের সময় কোন সমস্যা দেখা দেয়?
উত্তর: একই স্থানে একসাথে দুই দিন দেখায়।
প্রশ্ন: আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অতিক্রমের সময় জাহাজের সময় পরিবর্তন কেমন হয়?
উত্তর: পূর্বগামী হলে দিন কমে, পশ্চিমগামী হলে দিন বৃদ্ধি পায়।
প্রশ্ন: আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা কোথায় বেঁকে গেছে?
উত্তর: বেরিং প্রণালী, অ্যালিউসিয়ান দ্বীপপুঞ্জ ও ফিজি ও চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জের কাছে।
প্রশ্ন: ১৮০° দ্রাঘিমারেখা অতিক্রমের সময় স্থানীয় সময়ে পার্থক্য কত হয়?
উত্তর: ২৪ ঘণ্টা বা একদিন।
প্রশ্ন: স্থানীয় সময় নির্ণয়ে গোলকের ভূমিকা কী?
উত্তর: ভূপৃষ্ঠ গোলকের কারণে সূর্য বিভিন্ন সময়ে উপস্থিত হয়।
প্রশ্ন: মধ্যাহ্নে কোন সময় ধরা হয়?
উত্তর: দুপুর ১২টা।
প্রশ্ন: ১৮০° পূর্ব ও পশ্চিম দ্রাঘিমা কি একই?
উত্তর: হ্যাঁ, মূলত একই রেখা।
প্রশ্ন: আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা কোন দ্বীপপুঞ্জের কাছে পূর্বে বাঁকা হয়েছে?
উত্তর: ফিজি ও চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জ।
পৃথিবীর গতি ও আহ্নিক গতি
প্রশ্ন: পৃথিবী কেন দিন-রাত হয়?
উত্তর: পৃথিবী নিজ অক্ষে আবর্তন করে, এক অংশ আলোকিত হয় দিন এবং অপর অংশ অন্ধকার হয় রাত।
প্রশ্ন: পৃথিবীর আবর্তনকে কী বলা হয়?
উত্তর: আহ্নিক গতি বা দৈনিক গতি।
প্রশ্ন: পৃথিবী কোন দিকে আবর্তন করে?
উত্তর: পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে।
প্রশ্ন: আহ্নিক গতির কারণে একটি পূর্ণ আবর্তনে সময় কত লাগে?
উত্তর: ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড।
প্রশ্ন: পৃথিবীর আবর্তনকে ২৪ ঘণ্টা ধরে গণনা করা হয় কেন?
উত্তর: সৌরদিন হিসেবে।
প্রশ্ন: আহ্নিক গতি কাকে প্রভাবিত করে?
উত্তর: সমুদ্রস্রোত ও বায়ুপ্রবাহকে।
প্রশ্ন: পৃথিবীর নিজের আলো আছে কি?
উত্তর: না, পৃথিবী আলোকিত হয় সূর্যের আলোতে।
প্রশ্ন: পৃথিবীর আলোকিত ও অন্ধকার অংশের মধ্যবর্তী রেখাকে কী বলা হয়?
উত্তর: ছায়াবৃত্ত।
প্রশ্ন: ছায়াবৃত্ত কী নির্দেশ করে?
উত্তর: দিন থেকে রাত বা রাত থেকে দিন পরিবর্তনের সীমা।
প্রশ্ন: পৃথিবী নিজ অক্ষে ঘুরে ঠিক কত সময়ে একটি পূর্ণ আবর্তন করে?
উত্তর: প্রায় ২৪ ঘণ্টা।
প্রশ্ন: আবর্তনের ফলে সূর্য কোথায় ওঠে এবং কোথায় অস্তায়?
উত্তর: পূর্বদিকে ওঠে, পশ্চিমে অস্তায়।
প্রশ্ন: আহ্নিক গতি কাকে প্রভাবিত করে?
উত্তর: সময় গণনা, জোয়ার ও ভাটা।
প্রশ্ন: পৃথিবীকে সূর্যের চারপাশে আবর্তনের সময় কী বলা হয়?
উত্তর: বার্ষিক গতি।
প্রশ্ন: দৈনিক গতি আর আহ্নিক গতি কি একই?
উত্তর: হ্যাঁ, দৈনিক গতি অন্য নামে আহ্নিক গতি।
প্রশ্ন: প্রভাত কীভাবে ঘটে?
উত্তর: পৃথিবীর অন্ধকার অংশ ছায়াবৃত্ত পার হয়ে আলোতে আসলে প্রভাত হয়।
প্রশ্ন: সন্ধ্যা কীভাবে ঘটে?
উত্তর: আলোকিত অংশ ছায়াবৃত্ত পার হয়ে অন্ধকারে গেলে সন্ধ্যা হয়।
প্রশ্ন: ঊষা কী?
উত্তর: প্রভাতের কিছু পূর্বে ক্ষীণ আলো।
প্রশ্ন: গোধূলি কী?
উত্তর: সন্ধ্যার কিছু পূর্বে ক্ষীণ আলো।
প্রশ্ন: পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সূর্যের আকর্ষণ কী প্রভাব ফেলে?
উত্তর: জোয়ার ও ভাটার সৃষ্টি করে।
প্রশ্ন: আহ্নিক গতি সময় গণনায় কীভাবে ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: ২৪ ঘণ্টায় একটি পূর্ণ আবর্তন ভাগ করে মিনিট ও সেকেন্ড নির্ণয় করা হয়।
প্রশ্ন: পৃথিবীকে ঘুরানোর জন্য কোন কল্পনা করা যন্ত্র ব্যবহার করা যায়?
উত্তর: ভূগোলক ও জ্বলন্ত মোমবাতি।
প্রশ্ন: ভূগোলক ঘুরালে কোন অংশ আলোকিত হয়?
উত্তর: মোমবাতির সামনে থাকা অংশ আলোকিত হয়।
প্রশ্ন: পৃথিবীর আবর্তনের ফলে বাতাসের কী ঘটে?
উত্তর: বাতাসের প্রবাহ পরিবর্তিত হয়।
প্রশ্ন: পৃথিবীর আহ্নিক গতি কি ধ্রুবক?
উত্তর: প্রায় ধ্রুবক, প্রায় ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড।
প্রশ্ন: আবর্তনের ফলে সূর্যের আলো একই সময়ে সব স্থানে পড়ে কি?
উত্তর: না, পৃথিবী গোলাকার হওয়ায় একই সময়ে সব স্থানে পড়ে না।
প্রশ্ন: পৃথিবীর দৈনিক গতি কীভাবে দেখা যায় পরীক্ষা করে?
উত্তর: অন্ধকার ঘরে মোমবাতি ও ভূগোলক ব্যবহার করে।
প্রশ্ন: পৃথিবীর আবর্তনের কারণে সমুদ্রের কি ঘটে?
উত্তর: জোয়ার-ভাটা সৃষ্টি হয়।
প্রশ্ন: প্রভাত ও সন্ধ্যার মধ্যে কী পার্থক্য?
উত্তর: প্রভাত অন্ধকার থেকে আলোর দিকে, সন্ধ্যা আলোর থেকে অন্ধকারের দিকে।
বার্ষিক গতি ও দিবা-রাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি
প্রশ্ন: পৃথিবীর বার্ষিক গতি কী?
উত্তর: পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে সূর্যের চারপাশে নির্দিষ্ট কক্ষপথে পরিক্রমণ করছে।
প্রশ্ন: পৃথিবী প্রতি সেকেন্ডে কত বেগে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে?
উত্তর: ৩০ কিলোমিটার বেগে।
প্রশ্ন: পৃথিবী সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে কত সময় লাগে?
উত্তর: এক বছর।
প্রশ্ন: সৌরবছর ঠিক কত দিন, ঘণ্টা, মিনিট ও সেকেন্ড?
উত্তর: ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড।
প্রশ্ন: সাধারণত সৌরবছরকে কত দিনে ধরা হয়?
উত্তর: ৩৬৫ দিনে।
প্রশ্ন: প্রতি চার বছরে কত দিন বাড়িয়ে খ্রিস্টীয় চতুর্থ বছর ধরা হয়?
উত্তর: ১ দিন, ফেব্রুয়ারি মাস ২৯ দিনে।
প্রশ্ন: অতিরিক্ত দিন যুক্ত বছরকে কী বলা হয়?
উত্তর: অধিবর্ষ বা লিপইয়ার (Leap Year)।
প্রশ্ন: বার্ষিক গতির ফলে পৃথিবীতে কী ঘটে?
উত্তর: দিন-রাতের হ্রাস-বৃদ্ধি ও ঋতু পরিবর্তন।
প্রশ্ন: ২১শে জুনে উত্তর গোলার্ধে দিন কত বড়?
উত্তর: সর্বাধিক বড়।
প্রশ্ন: ২১শে জুনে উত্তর গোলার্ধে রাত কত ছোট?
উত্তর: সর্বনিম্ন।
প্রশ্ন: ২১শে জুনে সূর্যের অবস্থান কোথায়?
উত্তর: উত্তর অয়নান্ত, উত্তর মেরু সর্বাধিক সূর্যের দিকে ঝুঁকে থাকে।
প্রশ্ন: ২৩শে সেপ্টেম্বরের দিন-রাতের অবস্থা কেমন?
উত্তর: উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে দিবা-রাত্রি সমান।
প্রশ্ন: ২৩শে সেপ্টেম্বরকে কী বলা হয়?
উত্তর: বসন্ত বিষুব বা শরৎ বিষুব।
প্রশ্ন: ২২শে ডিসেম্বর কোন অয়নান্তের দিন?
উত্তর: দক্ষিণ অয়নান্ত।
প্রশ্ন: ২২শে ডিসেম্বরে দক্ষিণ গোলার্ধে দিন কেমন?
উত্তর: সর্বাধিক বড়।
প্রশ্ন: ২২শে ডিসেম্বরে উত্তর গোলার্ধে রাত কেমন?
উত্তর: সর্বাধিক বড়।
প্রশ্ন: ২১শে মার্চে পৃথিবীর অবস্থান কেমন?
উত্তর: উভয় মেরু সূর্য থেকে সমান দূরে থাকে, দিবা-রাত্রি সমান।
প্রশ্ন: দিবা-রাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি কী কারণে ঘটে?
উত্তর: পৃথিবীর বার্ষিক গতির কারণে।
প্রশ্ন: বার্ষিক গতির ফলে ঋতু পরিবর্তন কবে ঘটে?
উত্তর: পৃথিবীর কক্ষপথে আবর্তনের সময়।
প্রশ্ন: সৌরবছর কত ঘণ্টা অতিরিক্ত রাখার প্রয়োজন হয়?
উত্তর: প্রায় ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড।
প্রশ্ন: বার্ষিক গতি কাকে প্রভাবিত করে?
উত্তর: দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্য ও ঋতু।
প্রশ্ন: ২১শে জুনের দিনটি উত্তর গোলার্ধে কী নামে পরিচিত?
উত্তর: গ্রীষ্মান্তর।
প্রশ্ন: ২২শে ডিসেম্বরের দিনটি দক্ষিণ গোলার্ধে কী নামে পরিচিত?
উত্তর: গ্রীষ্মান্তর।
প্রশ্ন: দিন দীর্ঘ বা রাত দীর্ঘ হওয়ার কারণ কী?
উত্তর: পৃথিবীর অক্ষে ২৩.৫° কৌণিক হেলনের কারণে।
প্রশ্ন: সৌরবছরকে কেন ৩৬৫ দিনে ধরা হয়?
উত্তর: সহজ গণনার জন্য।
প্রশ্ন: প্রতি চার বছরে লিপ ইয়ার কেন থাকে?
উত্তর: সঠিক সৌরবছরের সাথে মিল রাখার জন্য।
প্রশ্ন: ২১শে জুনে দক্ষিণ গোলার্ধে দিন ও রাত কেমন?
উত্তর: দিন সবচেয়ে ছোট, রাত সবচেয়ে বড়।
প্রশ্ন: ২২শে ডিসেম্বরে উত্তর গোলার্ধে দিন কত ছোট?
উত্তর: সর্বনিম্ন।
প্রশ্ন: ২১শে মার্চ ও ২৩শে সেপ্টেম্বরের দিন বিশেষ কেন?
উত্তর: উভয় মেরু সমান দূরে, দিবা-রাত্রি সমান।
প্রশ্ন: বার্ষিক গতি দিনে কতটা সূর্যের আলো পরিবর্তন করে?
উত্তর: দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্য ও সূর্যের কোণ পরিবর্তন করে।
প্রশ্ন: ২১শে জুনে সুমেরুবৃত্ত থেকে উত্তর মেরু পর্যন্ত দিন কত সময় থাকে?
উত্তর: ২৪ ঘণ্টা।
প্রশ্ন: ২২শে ডিসেম্বরে কুমেরুবৃত্ত থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত রাত কত সময় থাকে?
উত্তর: ২৪ ঘণ্টা।
প্রশ্ন: পৃথিবীর অক্ষে ২৩.৫° হেলন কী প্রভাব ফেলে?
উত্তর: ঋতু ও দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্যের পরিবর্তন।
প্রশ্ন: বার্ষিক গতি পৃথিবীর কী পরিমাণে প্রভাব ফেলে?
উত্তর: ঋতু পরিবর্তন এবং দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্য।
প্রশ্ন: লিপইয়ার বা অধিবর্ষের ফেব্রুয়ারি মাস কত দিনে হয়?
উত্তর: ২৯ দিন।
প্রশ্ন: ২১শে জুনে দক্ষিণ গোলার্ধের সূর্যকিরণ কোথায় লম্বভাবে পড়ে?
উত্তর: মকরক্রান্তি রেখায়।
প্রশ্ন: ২২শে ডিসেম্বরের পরে পৃথিবী কোন দিকে সরতে থাকে?
উত্তর: উত্তর গোলার্ধের দিকে।
ঋতু পরিবর্তন ও পৃথিবীর অবস্থান
প্রশ্ন: পৃথিবীতে ঋতু পরিবর্তনের প্রধান কারণ কী?
উত্তর: পৃথিবীর বার্ষিক গতির কারণে সূর্যরশ্মি কোথাও লম্বভাবে আবার কোথাও তির্যকভাবে পড়ে।
প্রশ্ন: লম্বভাবে পড়া সূর্যরশ্মির প্রভাব কী?
উত্তর: কম বায়ুস্তর ভেদ করে বেশি উত্তপ্ত করে।
প্রশ্ন: তির্যকভাবে পড়া সূর্যরশ্মির প্রভাব কী?
উত্তর: বেশি স্থানব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে এবং কম উত্তপ্ত করে।
প্রশ্ন: বছরে কোন দিন উত্তপ্ত দিন বেশি থাকে উত্তর গোলার্ধে?
উত্তর: ২১শে জুনে।
প্রশ্ন: ২১শে জুনে দক্ষিণ গোলার্ধে দিন ও রাত কেমন থাকে?
উত্তর: দিন ছোট ও রাত বড়, শীতকাল।
প্রশ্ন: ২১শে জুনে সূর্য কোন রেখায় লম্বভাবে পতিত হয়?
উত্তর: কর্কটক্রান্তি রেখায়।
প্রশ্ন: ২৩শে সেপ্টেম্বরের দিন-রাতের অবস্থা কেমন?
উত্তর: দিবা-রাত্রি সমান।
প্রশ্ন: ২৩শে সেপ্টেম্বরের দিনটি উত্তর গোলার্ধে কোন ঋতুর শুরু?
উত্তর: শরৎকাল।
প্রশ্ন: ২৩শে সেপ্টেম্বরের দিনটি দক্ষিণ গোলার্ধে কোন ঋতুর শুরু?
উত্তর: বসন্তকাল।
প্রশ্ন: ২২শে ডিসেম্বর কোন অয়নান্তের দিন?
উত্তর: দক্ষিণ অয়নান্ত।
প্রশ্ন: ২২শে ডিসেম্বরে দক্ষিণ গোলার্ধে দিন কত বড়?
উত্তর: সর্বাধিক বড়।
প্রশ্ন: ২২শে ডিসেম্বরে উত্তর গোলার্ধে রাত কত বড়?
উত্তর: সর্বাধিক বড়।
প্রশ্ন: ২১শে মার্চে পৃথিবীর অবস্থান কেমন থাকে?
উত্তর: উভয় মেরু সূর্য থেকে সমান দূরে থাকে, দিবা-রাত্রি সমান।
প্রশ্ন: ২১শে মার্চের দিনটি উত্তর গোলার্ধে কোন ঋতুর শুরু?
উত্তর: বসন্তকাল।
প্রশ্ন: ২১শে মার্চের দিনটি দক্ষিণ গোলার্ধে কোন ঋতুর শুরু?
উত্তর: শরৎকাল।
প্রশ্ন: পৃথিবী ৬৬.৫° কোণে হেলে ঘুরার প্রভাব কী?
উত্তর: সূর্যরশ্মির কৌণিক অবস্থান পরিবর্তিত হয় এবং ঋতু পরিবর্তিত হয়।
প্রশ্ন: পৃথিবীর কক্ষপথের দৈর্ঘ্য কত?
উত্তর: ১৩৮০৫১৮২৭ কিমি।
প্রশ্ন: পৃথিবীর কক্ষপথ কোন আকৃতির?
উত্তর: উপবৃত্তাকার।
প্রশ্ন: জানুয়ারির ১–৩ তারিখে সূর্য পৃথিবীর অবস্থান কেমন থাকে?
উত্তর: নিকটতম অবস্থানে, এটি অনুসূর (Perihelion)।
প্রশ্ন: জুলাই ১–৪ তারিখে সূর্য পৃথিবী থেকে অবস্থান কেমন থাকে?
উত্তর: সবচেয়ে দূরে, এটি অপসূর (Aphelion)।
প্রশ্ন: সূর্য–পৃথিবীর দূরত্বের পরিবর্তনের প্রভাব কী?
উত্তর: আপেক্ষিক আয়তনের আপাত পরিবর্তন ও সূর্যতাপের তারতম্য।
প্রশ্ন: বার্ষিক গতির কারণে দিন-রাতের হ্রাস-বৃদ্ধি কীভাবে ঘটে?
উত্তর: পৃথিবী সূর্যের চারপাশে ঘুরে এবং তার অক্ষ ২৩.৫° হেলে থাকায়।
প্রশ্ন: ২১শে জুন থেকে দেড় মাস পরে উত্তর গোলার্ধের আবহাওয়া কেমন থাকে?
উত্তর: গ্রীষ্মকাল, উত্তাপ বেশি।
প্রশ্ন: ২২শে ডিসেম্বর থেকে দেড় মাস পরে দক্ষিণ গোলার্ধে ঋতু কী থাকে?
উত্তর: গ্রীষ্মকাল।
প্রশ্ন: ২৩শে সেপ্টেম্বরের দেড় মাস পূর্ব ও পরের আবহাওয়া কেমন থাকে?
উত্তর: তাপমাত্রা মধ্যম, সমান দিন-রাত্রি।
প্রশ্ন: উত্তর গোলার্ধে শীতকাল কোন সময়ে থাকে?
উত্তর: ২২শে ডিসেম্বর থেকে শুরু করে প্রায় তিন মাস।
প্রশ্ন: দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল কোন সময়ে থাকে?
উত্তর: ২২শে ডিসেম্বর থেকে প্রায় তিন মাস।
প্রশ্ন: পৃথিবীর বার্ষিক গতি কীভাবে ঋতুর প্রকৃত পরিবর্তন ঘটায়?
উত্তর: সূর্যরশ্মি কোথায় লম্বা বা তির্যকভাবে পড়ছে তার কারণে তাপমাত্রার পার্থক্য।
প্রশ্ন: উত্তরায়ণ কীভাবে ঋতু পরিবর্তনে প্রভাব ফেলে?
উত্তর: সূর্য উত্তর বা দক্ষিণে ঝুঁকে পড়লে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়।
প্রশ্ন: কর্কটক্রান্তির উপর সূর্যরশ্মি কখন লম্বভাবে পড়ে?
উত্তর: ২১শে জুন।
প্রশ্ন: মকরক্রান্তির উপর সূর্যরশ্মি কখন লম্বভাবে পড়ে?
উত্তর: ২২শে ডিসেম্বর।
প্রশ্ন: দিনে বেশি আলো পড়লে কী প্রভাব থাকে?
উত্তর: বায়ুমণ্ডল অধিক উষ্ণ হয়।
প্রশ্ন: দিনে কম আলো পড়লে কী প্রভাব থাকে?
উত্তর: বায়ুমণ্ডল তুলনামূলকভাবে শীতল থাকে।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের ঋতু কোন অঞ্চলের কারণে পরিবর্তিত হয়?
উত্তর: উত্তর গোলার্ধে অবস্থান ও কর্কটক্রান্তি রেখার কারণে।
প্রশ্ন: সূর্যরশ্মির পতনের কৌণিক তারতম্য কীভাবে ঘটে?
উত্তর: পৃথিবীর অক্ষ ২৩.৫° হেলনের কারণে।
প্রশ্ন: বছরের বিভিন্ন সময়ে তাপমাত্রার পার্থক্য কী কারণে ঘটে?
উত্তর: সূর্যরশ্মি লম্বা বা তির্যকভাবে পড়ার কারণে।
প্রশ্ন: ঋতু পরিবর্তনের কারণে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য কেমন হয়?
উত্তর: বছরের বিভিন্ন সময়ে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়।
জোয়ার-ভাটা
প্রশ্ন: জোয়ার কী?
উত্তর: সমুদ্রের পানি ফুলে ওঠাকে জোয়ার বলে।
প্রশ্ন: ভাটা কী?
উত্তর: সমুদ্রের পানি নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
প্রশ্ন: জোয়ার-ভাটা কিসের কারণে ঘটে?
উত্তর: পৃথিবীর নিজস্ব আবর্তন এবং চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণের কারণে।
প্রশ্ন: সমুদ্রের পানি কত ঘন ঘন জোয়ার-ভাটা হয়?
উত্তর: প্রতি সাড়ে বারো ঘণ্টায় একবার।
প্রশ্ন: জোয়ার-ভাটা প্রতি কত মিনিটে ঘটে?
উত্তর: প্রতি ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট পর।
প্রশ্ন: সমুদ্রের মধ্যভাগে জোয়ার কত উচ্চ হয়?
উত্তর: সাধারণত ১–৩ ফুট।
প্রশ্ন: উপকূলীয় অঞ্চলে জোয়ার কত উচ্চ হয়?
উত্তর: অনেক বেশি, কারণ গভীরতা কম।
প্রশ্ন: জোয়ার-ভাটা নদীর মোহনায় কতদূর পর্যন্ত অনুভূত হয়?
উত্তর: কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত।
প্রশ্ন: প্রাচীনকালে জোয়ার-ভাটার কারণ কীভাবে ব্যাখ্যা করা হতো?
উত্তর: নানা ধরনের অবাস্তব কল্পনা করা হতো।
প্রশ্ন: আধুনিক বিজ্ঞান অনুযায়ী জোয়ার-ভাটার কারণ কী?
উত্তর: পৃথিবীর আবর্তন এবং চন্দ্র ও সূর্যের মাধ্যাকর্ষণ।
প্রশ্ন: মহাকর্ষ শক্তি কী?
উত্তর: মহাবিশ্বের দুটি বস্তুর মধ্যে পরস্পরের আকর্ষণ শক্তি।
প্রশ্ন: মাধ্যাকর্ষণ কী?
উত্তর: পৃথিবী এবং নিকটতম বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণ।
প্রশ্ন: জোয়ার-ভাটার ক্ষেত্রে চন্দ্রের ভূমিকা কী?
উত্তর: চন্দ্র পৃথিবীর পানি আকর্ষণ করে জোয়ার-ভাটা সৃষ্টি করে।
প্রশ্ন: সূর্য জোয়ার-ভাটায় কতটা ভূমিকা রাখে?
উত্তর: চন্দ্রের চেয়ে প্রায় অর্ধেক প্রভাব ফেলে।
প্রশ্ন: চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি মিলিত হলে কী ঘটে?
উত্তর: জোয়ার সবচেয়ে বেশি হয়, এটিকে পূর্ণজোয়ার বলে।
প্রশ্ন: চন্দ্র ও সূর্য বিপরীত অবস্থায় থাকলে কী হয়?
উত্তর: জোয়ার কম হয়, এটিকে অর্ধজোয়ার বলা হয়।
প্রশ্ন: জোয়ার-ভাটা কেবল সমুদ্রেই ঘটে কি?
উত্তর: না, নদীর মোহনা ও উপসাগরেও ঘটে।
প্রশ্ন: পৃথিবীর আবর্তন জোয়ার-ভাটায় কীভাবে ভূমিকা রাখে?
উত্তর: পৃথিবী ঘুরার ফলে জোয়ার-ভাটা প্রতিদিন ঘটে।
প্রশ্ন: মাধ্যাকর্ষণ শক্তি কীভাবে জোয়ার সৃষ্টি করে?
উত্তর: পানি তুলতে বা নামাতে শক্তি প্রয়োগ করে।
প্রশ্ন: জোয়ার-ভাটার ফলে মানুষের জীবনে কী প্রভাব পড়ে?
উত্তর: মাছ ধরা, নৌযান চলাচল ও সমুদ্র সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডে প্রভাব।
প্রশ্ন: জোয়ার-ভাটা প্রতি কয়বার ঘটে দিনে?
উত্তর: দিনে দুইবার।
প্রশ্ন: জোয়ার-ভাটা কোনভাবে নিয়মিত হয়?
উত্তর: চন্দ্র ও সূর্যের অবস্থানের কারণে নিয়মিত।
প্রশ্ন: সমুদ্রের গভীরতা জোয়ারের উচ্চতা কেমন করে প্রভাবিত করে?
উত্তর: গভীরতা কম হলে জোয়ার বেশি উচ্চ হয়।
প্রশ্ন: জোয়ার-ভাটার জন্য প্রধান আকর্ষণ কোন বস্তুর?
উত্তর: চন্দ্র।
প্রশ্ন: পৃথিবীর আবর্তন না থাকলে জোয়ার-ভাটা কি হতো?
উত্তর: হতো না, কারণ আবর্তন দৈনিক ওঠানামা সৃষ্টি করে।
প্রশ্ন: জোয়ার-ভাটা কত ঘন ঘন চক্রে ঘটে?
উত্তর: প্রায় ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিটে।
প্রশ্ন: জোয়ার-ভাটার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কখন উদ্ভূত হয়?
উত্তর: প্রাচীনকালের অবাস্তব ধারণা বাদ দিয়ে আধুনিক বিজ্ঞান অনুসারে।
প্রশ্ন: মহাকর্ষ শক্তি ও মাধ্যাকর্ষণ কি একই জিনিস?
উত্তর: না, মহাকর্ষ শক্তি মহাবিশ্বের দুটি বস্তুর আকর্ষণ, মাধ্যাকর্ষণ হলো পৃথিবী ও নিকটতম বস্তু।
প্রশ্ন: জোয়ার-ভাটার নিয়মিততা কোন শক্তি দ্বারা নিশ্চিত হয়?
উত্তর: চন্দ্র ও সূর্যের মাধ্যাকর্ষণ শক্তি।
প্রশ্ন: জোয়ার-ভাটার জন্য কোন দুই প্রাকৃতিক উপাদান প্রধান?
উত্তর: চাঁদ ও সূর্য।
প্রশ্ন: সমুদ্রের মধ্যভাগে পানি কত উচ্চ-নিচু হয় সাধারণত?
উত্তর: ১–৩ ফুট।
প্রশ্ন: জোয়ার-ভাটার ফলে উপকূলীয় অঞ্চলে পানির উচ্চতা কত বৃদ্ধি পেতে পারে?
উত্তর: কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত নদীতে প্রভাব অনুভূত হয়।
প্রশ্ন: পূর্ণজোয়ার কখন হয়?
উত্তর: চন্দ্র ও সূর্য এক সরল রেখায় থাকলে।
প্রশ্ন: অর্ধজোয়ার কখন হয়?
উত্তর: চন্দ্র ও সূর্য ৯০° কোণে অবস্থান করলে।
প্রশ্ন: জোয়ার-ভাটার জন্য চন্দ্র সূর্যের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ কেন?
উত্তর: কারণ পৃথিবীর কাছে চন্দ্র সূর্য থেকে অনেক কাছাকাছি।
প্রশ্ন: জোয়ার-ভাটা কীভাবে সমুদ্র ও নদীতে প্রভাব ফেলে?
উত্তর: পানির উচ্চতা ওঠানামা করে, নৌযান চলাচলে সহায়তা বা সমস্যা তৈরি করে।
প্রশ্ন: চন্দ্র কতগুণ প্রভাব ফেলে সূর্যের তুলনায়?
উত্তর: প্রায় ২.৬০ কোটি গুণ।
প্রশ্ন: মাধ্যাকর্ষণ শক্তির অন্য নাম কী?
উত্তর: অভিকর্ষণ।
কেন্দ্রাতিগ শক্তি ও জোয়ার-ভাটার শ্রেণি ও প্রভাব
প্রশ্ন: কেন্দ্রাতিগ শক্তি কী?
উত্তর: পৃথিবীর দ্রুত ঘূর্ণনের কারণে পানি ও তরল বস্তু বাইরে ছিটকে যাওয়ার প্রবণতাকে কেন্দ্রাতিগ শক্তি বলে।
প্রশ্ন: কেন্দ্রাতিগ শক্তি কোন স্থলে বেশি প্রভাব ফেলে?
উত্তর: তরল ও হালকা জলরাশিতে।
প্রশ্ন: কেন্দ্রাতিগ শক্তি জোয়ার-ভাটায় কিভাবে ভূমিকা রাখে?
উত্তর: পানি বাইরে নিক্ষিপ্ত হয়, জোয়ার-ভাটা সৃষ্টি হয়।
প্রশ্ন: জোয়ার-ভাটার প্রধান শ্রেণি কতটি?
উত্তর: চারটি।
প্রশ্ন: জোয়ার-ভাটার শ্রেণি কী কী?
উত্তর: মুখ্য জোয়ার, গৌণ জোয়ার, ভরা কটাল, মরা কটাল।
প্রশ্ন: মুখ্য জোয়ার কী?
উত্তর: চাঁদের নিকটবর্তী স্থলে পানি ফুলে ওঠাকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে।
প্রশ্ন: গৌণ জোয়ার কী?
উত্তর: মুখ্য জোয়ারের বিপরীত পাশে পানি ফুলে ওঠাকে গৌণ জোয়ার বলে।
প্রশ্ন: ভাটা কীভাবে হয়?
উত্তর: দুই জোয়ারের মধ্যবর্তী স্থলে পানি নেমে গেলে।
প্রশ্ন: তেজ কটাল বা ভরা কটাল কী?
উত্তর: চাঁদ ও সূর্য সমসূত্রে থাকলে প্রবল জোয়ার সৃষ্টি হয়।
প্রশ্ন: মরা কটাল কী?
উত্তর: চাঁদ ও সূর্য সমকোণে থাকলে কম প্রবল জোয়ার হয়।
প্রশ্ন: চাঁদ কত দিনে পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করে?
উত্তর: ২৭ দিনে।
প্রশ্ন: পৃথিবী এক আবর্তনে কত সময় লাগে?
উত্তর: প্রায় ২৪ ঘণ্টা।
প্রশ্ন: ১° পথ অতিক্রম করতে কত সময় লাগে?
উত্তর: ৪ মিনিট।
প্রশ্ন: মুখ্য জোয়ার এবং গৌণ জোয়ারের ব্যবধান কত?
উত্তর: ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট।
প্রশ্ন: একদিনে কতবার মুখ্য জোয়ার হয়?
উত্তর: দুইবার।
প্রশ্ন: জোয়ার-ভাটার কারণে নদী খনন ও সেচে কী সুবিধা হয়?
উত্তর: পানি আটকে জমিতে সেচ দেওয়া যায়।
প্রশ্ন: জোয়ার-ভাটার কারণে নদীর মোহনায় কী প্রভাব পড়ে?
উত্তর: নদীর আবর্জনা পরিষ্কার হয়, পলি সঞ্চিত হয় না।
প্রশ্ন: জোয়ার-ভাটার কারণে নদীখাত কেমন হয়?
উত্তর: গভীর হয়।
প্রশ্ন: জোয়ার-ভাটার সাহায্যে কোন বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়?
উত্তর: জল বিদ্যুৎ।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের কোন বন্দরে জোয়ারের পানি গভীরতা বৃদ্ধি করে জাহাজ চলাচল সহজ হয়?
উত্তর: চট্টগ্রাম ও মংলা।
প্রশ্ন: ভরা কটালের সময় কী ঘটে?
উত্তর: সমুদ্রের পানি প্রবল তরঙ্গে নদীর মোহনা দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করে।
প্রশ্ন: বানের উচ্চতা কত হতে পারে?
উত্তর: ৩–৪০ ফুট পর্যন্ত।
প্রশ্ন: জোয়ার-ভাটার কারণে কোন নদীতে প্রবল বান দেখা যায়?
উত্তর: মেঘনা, ভাগীরথী, আমাজান।
প্রশ্ন: বান কবে সর্বাধিক ক্ষতি করতে পারে?
উত্তর: অসাবধানতাবশত।
প্রশ্ন: চাঁদ ও সূর্য সমকোণে থাকলে জোয়ার কীভাবে হয়?
উত্তর: কম প্রবল, মরা কটাল।
প্রশ্ন: চাঁদ ও সূর্য একই পাশে থাকলে জোয়ার কী হয়?
উত্তর: প্রবল, তেজ কটাল বা ভরা কটাল।
প্রশ্ন: পৃথিবী কোন দিকে আবর্তিত হয়?
উত্তর: পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে।
প্রশ্ন: চাঁদও কোন দিকে আবর্তিত হয়?
উত্তর: পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে।
প্রশ্ন: জোয়ার-ভাটার ক্ষেত্রে মুখ্য ও গৌণ জোয়ারের মধ্যে সময় ব্যবধান কত?
উত্তর: ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট।
প্রশ্ন: জোয়ার-ভাটার সময় নদীতে নৌকা কিভাবে চলাচল করে?
উত্তর: জোয়ারে বড় জাহাজ প্রবেশ করে, ভাটায় নদী চলে আসে।
প্রশ্ন: জোয়ার-ভাটার কারণে সমুদ্র ও নদীতে কী সুবিধা হয়?
উত্তর: নৌযান চলাচল সহজ হয় ও পলি সঞ্চয় কমে।
প্রশ্ন: মুখ্য ও গৌণ জোয়ারের মধ্যে কোন শক্তি প্রাধান্য পায়?
উত্তর: মুখ্য জোয়ারের শক্তি বেশি।
প্রশ্ন: মরা কটাল ও ভরা কটাল কতবার ঘটে প্রতি মাসে?
উত্তর: দু’বার ভরা কটাল, দু’বার মরা কটাল।
প্রশ্ন: জোয়ার-ভাটার কারণে নদীতে পানি বৃদ্ধি হলে কী হয়?
উত্তর: নদী মোহনায় জাহাজ প্রবেশ সহজ হয়।
আরও পড়ুনঃ ইতিহাস ২য় অধ্যায় সাজেশনঃ বিশ্বসভ্যতা (মিশর, সিন্ধু, গ্রিক, রোম)
প্রশ্ন: বান ও ভরা কটালের সময় কীভাবে নদী ও স্থলভাগে প্রভাব পড়ে?
উত্তর: পানি প্রবল তরঙ্গে প্রবেশ করে বা বন্যার সৃষ্টি করে।
প্রশ্ন: কেন্দ্রাতিগ শক্তি ও মাধ্যাকর্ষণ মিলিত হলে কী ঘটে?
উত্তর: জোয়ার-ভাটা আরও প্রবল হয়।
প্রশ্ন: জোয়ার-ভাটার নিয়মিততা কোন কারণে নিশ্চিত হয়?
উত্তর: পৃথিবী ও চাঁদের নির্দিষ্ট আবর্তনের কারণে।
প্রশ্ন: জোয়ার-ভাটার কারণে বাংলাদেশের নদীতে কোন অবকাঠামো ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: শুকিয়ে লকা তৈরি করা হয়।
প্রশ্ন: জোয়ার-ভাটার প্রভাব কোন ক্ষেত্রে মানুষের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ?
উত্তর: প্রবল বান বা নদী মোহনার উচ্চ জোয়ারে।
সৌরজগৎ ও ভূমণ্ডল থেকে FAQ (প্রশ্নোত্তর)
প্রশ্ন ১: সৌরজগৎ কী?
উত্তর: সূর্য এবং তার চারপাশে ঘূর্ণনরত সমস্ত গ্রহ, উপগ্রহ, ধূমকেতু ও গ্রহাণু নিয়ে গঠিত মহাকাশকে সৌরজগৎ বলে।
প্রশ্ন ২: সৌরজগতের কেন্দ্র কী?
উত্তর: সূর্য।
প্রশ্ন ৩: সৌরজগতে কয়টি গ্রহ আছে?
উত্তর: ৮টি গ্রহ।
প্রশ্ন ৪: গ্রহের নাম কী কী?
উত্তর: বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস, নেপচুন।
প্রশ্ন ৫: সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ কোনটি?
উত্তর: বৃহস্পতি।
প্রশ্ন ৬: পৃথিবী কোন গ্রহ?
উত্তর: সৌরজগতের তৃতীয় গ্রহ।
প্রশ্ন ৭: সৌরজগতে উপগ্রহ কী?
উত্তর: গ্রহের চারপাশে আবর্তিত ছোট পিণ্ড। যেমন: চাঁদ পৃথিবীর উপগ্রহ।
প্রশ্ন ৮: সৌরজগতের বাইরে কোন বস্তু পাওয়া যায়?
উত্তর: ধূমকেতু, গ্রহাণু এবং উল্কাপিণ্ড।
শেষকথা
পরিশেষে বলতে চাই যে, উপরের সকল প্রশ্নের উত্তরগুলো নিয়মিত চর্চা করলে SSC পরীক্ষা 2026 এ ভালো করতে পারবে ইনশাআল্লাহ্। তবে আরো ভালো ফলাফল করতে তোমার পাঠ্যবই নিয়মিত অধ্যয়ন করবে। ধারাবাহিকভাবে অন্যান্য সকল অধ্যায়ের সাজেশন দেওয়া হবে। বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের সাজেশন পেতে শিক্ষা টেক ২৪ ওয়েবসাইটটি সাবস্ক্রাইব করবে। পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গে তোমার ইমেইলে নটিফিকেশন যাবে। নিজে পড়বে এবং ফেইসবুক সহ অন্যান্য মাধমে বন্ধুদের কাছে শেয়ার করবে। কোন বিষয়ের সাজেশন চাও তা জানাতে কমেন্ট করবে।
আরও পড়ুন:
২) ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার জন্য সংশোধিত পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচি
৩) এসএসসি ২০২৬: নতুন সিলেবাস, প্রশ্নপত্রের কাঠামো এবং নম্বর বণ্টন
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আমি মোঃ আনোয়ার হোসেন, পেশায় একজন শিক্ষক এবং অনলাইন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর। নিত্য নতুন কন্টেন্ট পেতে shikkhatech24.com ওয়েবসাইটটি সাবস্ক্রাইব এবং ফেইসবুকে শেয়ার করুন।
