|

SSC 2026 ভূগোল ৪র্থ অধ্যায় সাজেশন | ১০০% কমন

SSC 2026 ভূগোল ও পরিবেশ ৪র্থ অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যারা ২০২৬ সালের SSC পরীক্ষার প্রশ্নপত্র থেকে অনুশীলন করতে চান, তাদের জন্য এই অধ্যায়ের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও MCQ সমাধান অনেক সহায়ক হবে। SSC ভূগোল ও পরিবেশ বিষয়টি কঠিন মনে হলেও সঠিকভাবে প্রস্তুতি নিলে ভালো ফলাফল করা যায়। তাই এখানে আমরা SSC 2026 ভূগোল ও পরিবেশ ৪র্থ অধ্যায় থেকে আসা প্রশ্নগুলোর বিস্তারিত উত্তরসহ একটি SSC suggestion PDF দিয়েছি, যা শিক্ষার্থীদের বোঝা এবং মনে রাখার ক্ষেত্রে সাহায্য করবে। এই অধ্যায়ের নাম- পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক গঠন

এখানে আমরা যে এমসিকিউ প্রশ্নগুলো আলোচনা করেছি, প্রতিটি প্রশ্ন তোমাদের ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই প্রশ্নগুলো বিগতবছরের এসএসসি ভূগোল ও পরিবেশ বোর্ড পরীক্ষা এবং বিভিন্ন স্কুলে হয়ে যাওয়া নির্বাচনি পরীক্ষার প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে নেওয়া হয়েছে। তাহলে চলো, এবার আলোচনা করা যাক।

জ্ঞানমূলক ও MCQ প্রশ্ন  উত্তর

১। ভূত্বক কাকে বলে?

ভূপৃষ্ঠে শিলার কঠিন বহিরাবরণকেই ভূত্বক বলে।

২। খনিজ কাকে বলে?

যে প্রাকৃতিক অজৈব পদার্থের সুনির্দিষ্ট রাসায়নিক গঠন এবং ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম রয়েছে, তাকে খনিজ বলে। যেমন- হীরা, সোনা।

৩। শিলা কাকে বলে?

এক বা একাধিক খনিজের সংমিশ্রণে গঠিত পদার্থকে শিলা বলে। যেমন- চুনাপাথর।

আরও পড়ুন: এসএসসি ২০২৬ ভূগোল ও পরিবেশ ১০ম অধ্যায় | জ্ঞানমূলক ও সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

৪। পাললিক শিলা কাকে বলে?

পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠিত হয়েছে, তাকে পাললিক শিলা বলে।

৫। রূপান্তরিত শিলা কাকে বলে?

আগ্নেয় ও পাললিক শিলা যখন প্রচণ্ড চাপ, উত্তাপ ও রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে রূপ পরিবর্তন করে নতুন রূপ ধারণ করে, তখন তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে। যেমন- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

আরও পড়ুনঃ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন

৬। ভূ-আলোড়ন কাকে বলে?

পৃথিবীর অভ্যন্তরভাগের উত্তপ্ত বস্তুর মধ্যে তাপ ও চাপের পার্থক্য হলে ভূত্বকে যে আলোড়ন ঘটে, তাকে ভূ-আলোড়ন বলে।

৭। ভূপৃষ্ঠের ধীর পরিবর্তন কাকে বলে?

অনেকগুলো প্রাকৃতিক শক্তি যেমন সূর্যতাপ, বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত, নদী, হিমবাহ প্রভৃতি দ্বারা ভূপৃষ্ঠে যে পরিবর্তন ধীরে ধীরে সংঘটিত হয়, তাকে ধীর পরিবর্তন বলে।

৮। ভূমিকম্প কাকে বলে?

ভূত্বকের আকস্মিক কম্পনকেই ভূমিকম্প বলে।

৯। লাভা কী?

আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ দিয়ে নির্গত গলিত পদার্থই লাভা।

১০। সুনামি কী?

সুনামি হলো পানির এক মারাত্মক ঢেউ যা সমুদ্রের মধ্যে বা বিশাল হ্রদে ভূমিকম্প বা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে সৃষ্টি হয়ে থাকে।

১১। দোয়াব কাকে বলে?

প্রবাহমান দুটি নদীর মধ্যবর্তী ভূমিকে দোয়াব বলে। যেমন- কুষ্টিয়া জেলায় কুমার ও গড়াই নদীর মধ্যবর্তী সমভূমি।

১২। নদী উপত্যকার তলদেশকে কী বলে?

নদী উপত্যকার তলদেশকে নদীগর্ভ বলে।

১৩। ক্যানিয়ন কাকে বলে?

পার্বত্য পর্যায়ে নদী যখন শুষ্ক অঞ্চল দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং সেখানে যদি কোমল শিলার স্তর থাকে, তাহলে গিরিখাতগুলো অত্যন্ত সংকীর্ণ ও গভীর হয়। এরূপ গিরিখাতকে ক্যানিয়ন বলে। যেমন- উত্তর আমেরিকার কলোরাডো নদীর গিরিখাত গ্রান্ড ক্যানিয়ন পৃথিবী বিখ্যাত।

আরও পড়ুনঃ অনলাইন শিক্ষার ভবিষ্যৎ ও শিক্ষাব্যবস্থার নতুন দিগন্ত

১৪। পর্বত কাকে বলে?

সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশী উঁচু সুবিস্তৃত ও খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে।

১৫।  সৃষ্টির সময় পৃথিবী ছিল- উত্তপ্ত গ্যাসপিন্ড।

১৬।  ভূগর্ভের তিনটি স্তর হলো- অশ্মমন্ডল, গুরুমন্ডল ও কেন্দ্রমন্ডল।

১৭।  অশ্মমন্ডলের উপরের অংশকে বলে- ভূত্বক।

১৮। ভূত্বকের নিচে প্রতি কিলোমিটারে তাপমাত্রা বাড়ে- ৩০° সেলসিয়াস।

১৯। ভূত্বকের নিচে প্রায় ২,৮৮৫ কিলোমিটার পর্যন্ত হলো- গুরুমণ্ডল।

২০।  গুরুমণ্ডল মূলত গঠিত – ব্যাসল্ট শিলায়।

২১।  কেন্দ্রমন্ডলের প্রধান উপাদান- নিকেল ও লোহা।

২২।  চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে পরিণত হয়- মার্বেলে।

২৩। আগ্নেয় শিলার অপর নাম- প্রাথমিক শিলা।

২৪।  উদ্ভিদ ও জীবজন্তুর জীবাশ্ম দেখা যায়- পাললিক শিলায়।

২৫। পার্বত্য অঞ্চলে অধিক সংঘটিত হয়- ভূমিকম্প।

২৬।  আসামে ভূমিকম্পে দিবং নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হয়- ১৯৫০ সালে।

২৭।  সুনামি একটি জাপানি শব্দ, যার অর্থ- পোতাশ্রয়ের ঢেউ।

২৮।  লাভা সঞ্চিত হয়ে সৃষ্টি হয়েছে- হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ।

২৯।  শিলারাশির চূর্ণবিচূর্ণ হওয়া কে বলে- বিচূর্ণীভবন।

৩০।  প্রবাহমান দুটি নদীর মধ্যবর্তী ভূমিকে বলে- দোয়াব।

৩১।  মূল নদী থেকে যে নদী বের হয়, তাকে বলে- শাখানদী।

৩২।  পদ্মার শাখা নদী- কুশিয়ারা।

৩৩।  সিন্ধু নদীতে রয়েছে পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম- গিরিখাত।

৩৪।  উত্তর আমেরিকার কলোরাডো নদীর গিরিখাত- গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন।

৩৫।  উত্তর আমেরিকার সেন্ট লরেন্স নদীর বিখ্যাত জলপ্রপাত- নায়াগ্রা।

৩৬। ঊর্ধ্ব ও অধঃভাঁজ সংবলিত ভূমিরূপই হলো- ভঙ্গিল পর্বত।

৩৭। ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ- আল্পস, হিমালয়।

৩৮। ইতালির ভিসুভিয়াস, ফিলিপাইনের পিনটুবো- আগ্নেয় পর্বত।

৩৯। উত্তর আমেরিকার কলোরাডো- পাদদেশীয় মালভূমি।

সংক্ষিপ্ত ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন  উত্তর

১. খনিজ কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: খনিজ হচ্ছে এক বা একাধিক মৌলিক পদার্থের সমন্বয়। খনিজ সমসত্ত্ব অজৈব পদার্থ, কঠিন ও স্ফটিকাকার। খনিজের নির্দিষ্ট রাসায়নিক সংকেত আছে। খনিজের ধর্ম এর গঠনকারী মৌলের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

২. কোন শিলাকে প্রাথমিক শিলা বলা হয়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: আগ্নেয় শিলাকে প্রাথমিক শিলা বলা হয়।

জন্মের সময় পৃথিবী একটি উত্তপ্ত গ্যাসপিণ্ড ছিল। এই গ্যাস ক্রমান্বয়ে তাপ বিকিরণ করে তরল হয়। পরে আরও তাপ বিকিরণ করে এর উপরিভাগ শীতল ও কঠিন আকার ধারণ করে। এভাবে গলিত অবস্থা থেকে ঘনীভূত বা কঠিন হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে আগ্নেয় শিলা বলে। আগ্নেয় শিলা পৃথিবীর প্রথম পর্যায়ে সৃষ্টি হয়েছিল বলে একে প্রাথমিক শিলাও বলে।

৩. অস্তরীভূত শিলা কীভাবে গঠিত হয়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: আগ্নেয় শিলায় কোনো স্তর থাকে না বলে একে অস্তরীভূত শিলা বলে। সৃষ্টির শুরুতে পৃথিবী একটি উত্তপ্ত গ্যাসপিণ্ড ছিল। এই গ্যাসপিণ্ড ক্রমান্বয়ে তাপ বিকিরণ করে তরল হয়। পরবর্তীতে এই তরল অবস্থা থেকে ঘনীভূত বা কঠিন হয়ে আগ্নেয় শিলা গঠিত হয়। যেমন- গ্রানাইট। আবার ভূঅভ্যন্তরে উত্তপ্ত, গলিত ম্যাগমা জমাট বেঁধে আগ্নেয় শিলা গঠিত হতে পারে। যেমন- সিল, ডাইক। এভাবে দেখা যায় আগ্নেয় শিলা উত্তপ্ত গলিত অবস্থা থেকে সৃষ্টি হয়। তাই এ শিলায় কোনো জীবাশ্ম থাকে না, কোনো স্তরও থাকে না।

আরও পড়ুন: পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত

৪. আগ্নেয় হ্রদ কীভাবে সৃষ্টি হয়?

উত্তর: মৃত আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখে পানি জমে আগ্নেয় হ্রদের সৃষ্টি হয়। যেসব আগ্নেয়গিরি দীর্ঘকাল ধরে নিষ্ক্রিয় হয়ে আছে এবং ভবিষ্যতেও অগ্ন্যুৎপাতের সম্ভাবনা নেই, সেগুলো মৃত আগ্নেয়গিরি। এ জাতীয় আগ্নেয়গিরির মুখে পানি জমে হ্রদের সৃষ্টি হতে পারে। যেমন- আলাস্কার মাউন্ট আতাকামা, নিকারাগুয়ার কোসেগায়না এ ধরনের হ্রদ।

৫. পোতাশ্রয়ের ঢেউ কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: পোতাশ্রয়ের ঢেউ হলো সুনামি (Tsunami)। এটি একটি জাপানি শব্দ। জাপানি ভাষায় এর অর্থ হলো পোতাশ্রয়ের ঢেউ। সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্পের ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠে সুনামির সৃষ্টি হয়। এটি সমুদ্রের স্বাভাবিক ঢেউয়ের মতো নয়। এটি দেখতে বিশালাকৃতির। সুনামির পানির ঢেউগুলো একের পর এক উঁচু হয়ে আসতে থাকে।

৬. কোন প্রাকৃতিক দূর্যোগের দৃশ্য তরঙ্গযান’ এর মতো? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সামুদ্রিক ঢেউ ‘তরঙ্গযান’ এর মতো। একে সুনামি বলে।

সুনামির পানির ঢেউ সমুদ্রের স্বাভাবিক ঢেউয়ের মতো নয়। এটি বিশালাকৃতির। সুনামির পানির ঢেউগুলো একের পর এক উঁচু হয়ে আসতে থাকে এবং উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত করে। তাই একে ঢেউয়ের রেলগাড়ি (wave train) বলা হয়।

৭. পর্বতের বরফ গলা পানি প্রবাহিত হয়ে কী সৃষ্টি হয়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: পর্বতের বরফ গলা পানি প্রবাহিত হয়ে নদীর সৃষ্টি হয়। উঁচু পর্বত, মালভূমি বা উঁচু কোনো স্থান থেকে বৃষ্টি, প্রস্রবণ, হিমবাহ বা বরফগলা পানির ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্রোতধারার মিলিত প্রবাহ মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে নির্দিষ্ট খাতে প্রবাহিত হয়। এ প্রবাহ সমভূমি বা নিম্নভূমির উপর দিয়ে কোনো বিশাল জলাশয় বা হ্রদে মিলিত হয়ে নদীর সৃষ্টি হয়।

৮. ব-দ্বীপ নদীর মোহনায় সৃষ্টি হয় কেন?

উত্তর: বদ্বীপ একপ্রকার সঞ্চয়জাত সমভূমি। নদী প্রবাহের সময় পলি, বালি, কাঁকর প্রভৃতি বহন করে নিয়ে আসে। এ সকল তলানি নদীর মোহনায় সঞ্চিত হয়ে বদ্বীপ সৃষ্টি করে। তাই বলা যায়, নদী শেষ পর্যায়ে গতি হারায় এবং সঞ্চয় ঘটায় বলে নদী দ্বারা বাহিত তলানি জমে মোহনায় বদ্বীপ গঠিত হয়।

পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠন (Internal Structure of the Earth) – গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর

প্রশ্ন ১: পৃথিবীর সৃষ্টির সময় কেমন ছিল?
উত্তর: সৃষ্টির সময় পৃথিবী ছিল উত্তপ্ত গ্যাসপিণ্ড। পরে তা শীতল ও ঘনীভূত হয়ে বিভিন্ন স্তরে বিভক্ত হয়।

প্রশ্ন ২: পৃথিবীর বিভিন্ন স্তরকে কী বলা হয়?
উত্তর: পৃথিবীর স্তরগুলোকে মণ্ডল বলা হয়।

প্রশ্ন ৩: পৃথিবীর উপরের স্তরের নাম কী?
উত্তর: পৃথিবীর উপরের স্তরকে অশ্মমণ্ডল বলা হয়, আর এর উপরিভাগকে ভূত্বক বলে।

প্রশ্ন ৪: ভূত্বকের গড় পুরুত্ব কত?
উত্তর: গড়ে ২০ কিলোমিটার। মহাদেশীয় ভূত্বক প্রায় ৩৫ কিলোমিটার এবং সমুদ্রতলে প্রায় ৫ কিলোমিটার।

প্রশ্ন ৫: ভূত্বকের প্রধান উপাদান কী কী?
উত্তর: সিয়াল স্তর (সিলিকন + অ্যালুমিনিয়াম) এবং সিমা স্তর (সিলিকন + ম্যাগনেসিয়াম)।

প্রশ্ন ৬: ভূত্বকের তাপমাত্রা কীভাবে বাড়ে?
উত্তর: ভূত্বকের নিচের দিকে প্রতি কিলোমিটারে প্রায় ৩০° সেলসিয়াস করে তাপমাত্রা বাড়ে।

প্রশ্ন ৭: গুরুমণ্ডল (Mantle) কী এবং এর বিস্তৃতি কত?
উত্তর: ভূত্বকের নিচে প্রায় ২,৮৮৫ কিলোমিটার গভীর পর্যন্ত অংশকে গুরুমণ্ডল বলে।

প্রশ্ন ৮: গুরুমণ্ডল কয়টি ভাগে বিভক্ত এবং কী কী?
উত্তর: দুই ভাগে বিভক্ত—
(ক) ঊর্ধ্ব গুরুমণ্ডল (৭০০ কিমি পর্যন্ত)
(খ) নিম্ন গুরুমণ্ডল

প্রশ্ন ৯: গুরুমণ্ডলের প্রধান উপাদান কী?
উত্তর: সিলিকা, ম্যাগনেসিয়াম, লোহা, কার্বন প্রভৃতি।

প্রশ্ন ১০: কেন্দ্রমণ্ডল (Core) কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: গুরুমণ্ডলের নিচ থেকে পৃথিবীর কেন্দ্রে পর্যন্ত অংশ হলো কেন্দ্রমণ্ডল।

প্রশ্ন ১১: কেন্দ্রমণ্ডলের পুরুত্ব কত?
উত্তর: প্রায় ৩,৪৮৬ কিলোমিটার।

প্রশ্ন ১২: কেন্দ্রমণ্ডলের অভ্যন্তরে কয়টি ভাগ আছে?
উত্তর: দুটি—
(ক) তরল বহিঃকেন্দ্র (২,২৭০ কিমি)
(খ) কঠিন অন্তঃকেন্দ্র (১,২১৬ কিমি)।

প্রশ্ন ১৩: কেন্দ্রমণ্ডলের প্রধান উপাদান কী কী?
উত্তর: প্রধানত লোহা ও নিকেল; এছাড়াও পারদ ও সিসা থাকতে পারে।

প্রশ্ন ১৪: গুরুমণ্ডল (Mantle) কী?
উত্তর: ভূত্বকের নিচে প্রায় ২,৮৮৫ কিলোমিটার গভীর পর্যন্ত অংশকে গুরুমণ্ডল বলে।

প্রশ্ন ১৫: গুরুমণ্ডল কয় ভাগে বিভক্ত?
উত্তর: গুরুমণ্ডল দুই ভাগে বিভক্ত—ঊর্ধ্ব গুরুমণ্ডল (৭০০ কিমি পর্যন্ত) ও নিম্ন গুরুমণ্ডল।

প্রশ্ন ১৬: গুরুমণ্ডলের প্রধান উপাদান কী?
উত্তর: গুরুমণ্ডলের প্রধান উপাদান হলো সিলিকা, ম্যাগনেসিয়াম, লোহা ও কার্বন।

প্রশ্ন ১৭: গুরুমণ্ডলের নিচের স্তরের নাম কী?
উত্তর: গুরুমণ্ডলের নিচের স্তর হলো কেন্দ্রমণ্ডল (Core)।

প্রশ্ন ১৮: কেন্দ্রমণ্ডল কোথা থেকে কোথা পর্যন্ত বিস্তৃত?
উত্তর: গুরুমণ্ডলের নিচ থেকে পৃথিবীর কেন্দ্র পর্যন্ত কেন্দ্রমণ্ডল বিস্তৃত।

প্রশ্ন ১৯: কেন্দ্রমণ্ডলের গড় পুরুত্ব কত? 
উত্তর: প্রায় ৩,৪৮৬ কিলোমিটার।

প্রশ্ন ২০: কেন্দ্রমণ্ডল কয় ভাগে বিভক্ত?
উত্তর: কেন্দ্রমণ্ডল দুই ভাগে বিভক্ত-বহিঃকেন্দ্র (Outer Core) ও অন্তঃকেন্দ্র (Inner Core)।

প্রশ্ন ২১: বহিঃকেন্দ্রের প্রকৃতি কেমন?
উত্তর: বহিঃকেন্দ্র তরল পদার্থ দ্বারা গঠিত।

আরও পড়ুনঃ Gemini এর কাজ কি: Google Gemini AI এর ব্যবহার ও সুবিধা

প্রশ্ন ২২: বহিঃকেন্দ্রের পুরুত্ব কত?
উত্তর: প্রায় ২,২৭০ কিলোমিটার।

প্রশ্ন ২৩: অন্তঃকেন্দ্রের প্রকৃতি কেমন?
উত্তর: অন্তঃকেন্দ্র কঠিন ধাতব পদার্থ দ্বারা গঠিত।

প্রশ্ন ২৪: অন্তঃকেন্দ্রের পুরুত্ব কত?
উত্তর: প্রায় ১,২১৬ কিলোমিটার।

প্রশ্ন ২৫: কেন্দ্রমণ্ডলের প্রধান উপাদান কী কী?
উত্তর: কেন্দ্রমণ্ডল মূলত লোহা (Fe) ও নিকেল (Ni) দিয়ে গঠিত।

প্রশ্ন ২৬: পৃথিবীর কেন্দ্রের তাপমাত্রা কেমন?
উত্তর: প্রায় ৫,০০০° সেলসিয়াস বা তারও বেশি।

প্রশ্ন ২৭: ভূত্বককে আর কী নামে ডাকা হয়?
উত্তর: ভূত্বককে ক্রাস্ট (Crust) বলা হয়।

প্রশ্ন ২৮: ভূত্বকের প্রধান দুটি স্তরের নাম কী?
উত্তর: সিয়াল স্তর ও সিমা স্তর।

প্রশ্ন ২৯: সিয়াল স্তর কী দিয়ে গঠিত?
উত্তর: সিয়াল স্তর সিলিকা (Si) ও অ্যালুমিনিয়াম (Al) দিয়ে গঠিত।

প্রশ্ন ৩০: সিমা স্তর কী দিয়ে গঠিত?
উত্তর: সিমা স্তর সিলিকা (Si) ও ম্যাগনেসিয়াম (Mg) দিয়ে গঠিত।

 

উপসংহার

SSC 2026 ভূগোল ও পরিবেশ ৪র্থ অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতিকে আরও সহজ করে তোলে। জ্ঞানমূলক ও সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের ব্যাখ্যা এবং MCQ সমাধান অনুশীলন করলে লিখিত পরীক্ষায় নম্বর তোলার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। যারা SSC পরীক্ষায় ভালো করতে চায়, তাদের জন্য এই প্রশ্নোত্তর বিশেষভাবে সহায়ক হবে।

পরিশেষে বলতে চাই যে, উপরের সকল প্রশ্নের উত্তরগুলো নিয়মিত চর্চা করলে SSC পরীক্ষা 2026 এ ভালো করতে পারবে ইনশাআল্লাহ্‌। তবে আরো ভালো ফলাফল করতে তোমার পাঠ্যবই নিয়মিত অধ্যয়ন করবে। ধারাবাহিকভাবে অন্যান্য সকল অধ্যায়ের সাজেশন দেওয়া হবে। বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের সাজেশন পেতে শিক্ষা টেক ২৪ ওয়েবসাইটটি সাবস্ক্রাইব করবে। পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গে তোমার ইমেইলে নটিফিকেশন যাবে। নিজে পড়বে এবং ফেইসবুক সহ অন্যান্য মাধমে বন্ধুদের কাছে শেয়ার করবে। কোন বিষয়ের সাজেশন চাও তা জানাতে কমেন্ট করবে। 

আরও পড়ুন:

  1. ভূগোল ও পরিবেশ | অধ্যায় ৪ : সৃজনশীল প্রশ্ন

  2. https://www.youtube.com/watch?v=4jGIGn_ChDc
  3. ৯ম-১০ম শ্রেনির ভূগোল, ৪র্থ অধ্যায় থেকে গুরুত্বপূর্ণ MCQ প্রশ্নোত্তর, SSC ভূগোল সাজেশন
  4.  অতিরিক্ত লেবু খাওয়ার ক্ষতি: কী কী সমস্যা হতে পারে?

 

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *