এসএসসি ২০২৬ ইতিহাস ৯ম অধ্যায় সাজেশন ১০০% কমন
এসএসসি ২০২৬ ইতিহাস ৯ম অধ্যায় সাজেশন। ইতিহাস ৯ম অধ্যায় জ্ঞানমূলক, MCQ, সৃজনশীল এর জন্য। ধারাবাহিকভাবে সকল অধ্যায়ের জ্ঞানমূলক, MCQ, সৃজনশীল দেওয়া হবে। ১০০% কমন পড়বে ইনশাআল্লাহ্। এই অধ্যায়ের নাম- ইংরেজ শাসন আমলে বাংলায় প্রতিরোধ, নবজাগরণ ও সংস্কার।
তোমাদের বোর্ড বইয়ের প্রতিটি লাইন থেকে প্রশ্ন দেওয়া হয়েছে যেগুলো নিয়মিত অধ্যয়ন করলে এমসিকিউসহ সকল প্রশ্নের উত্তর করতে পারবে ইনশাআল্লাহ্। চলো, এবার আলোচনা করা যাক।
ইংরেজ শাসন আমলে বাংলায় প্রতিরোধ, নবজাগরণ ও সংস্কার
১। একসময় বাংলার কৃষকের জীবন কেমন ছিল?
-
অন্ন-বস্ত্রের অভাব ছিল না, আনন্দ-উৎসবেরও অভাব ছিল না।
২। বাংলার কৃষকের আনন্দ-উৎসব কীভাবে উদযাপিত হতো?
-
বারো মাসে তেরো পার্বণ লেগে থাকত; জারি, সারি, কীর্তন, যাত্রাপালা গানে সন্ধ্যার আসর জমে উঠত।
৩। পনেরো শতকের শেষ দিকে বাংলার কৃষকের সুখ কেড়ে নিতে কে আগ্রাসীভাবে এগিয়ে আসে?
-
ইউরোপীয় বণিক সম্প্রদায়।
৪। প্রথমে তারা কোন ক্ষেত্র ধ্বংস করে?
-
গ্রামবাংলার কুটির শিল্প।
৫। কৃষকের ওপর কোন কারণে শোষণ ও নিপীড়ন চালানো হয়?
-
উর্বর জমি ও অতিরিক্ত অর্থের লোভে ভূমি রাজস্ব আদায়ের জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো।
৬। কৃষকরা কোন কারণে বিদ্রোহের পথ বেছে নেয়?
-
নিপীড়নের কারণে অন্য কোনো উপায় না থাকায়।
৭। কৃষক বিদ্রোহের সময়কাল কত?
-
আঠারো শতকের শেষার্ধ থেকে উনিশ শতকের শেষার্ধ পর্যন্ত।
৮। পাশ্চাত্যের আধুনিক চিন্তার প্রভাব কোথায় পড়ে?
-
সমাজের শিক্ষিত মহলে।
৯। হিন্দু সমাজে পাশ্চাত্যের চিন্তার প্রভাবে কী সূচনা হয়?
-
শিল্প ও সাহিত্যে নবজাগরণ এবং কুসংস্কার, গোঁড়ামি দূর করে সংস্কার।
১০। মুসলমান শিক্ষিত সমাজে সংস্কারের উদ্দেশ্য কী ছিল?
-
পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলা।
আরও পড়ুনঃ ইতিহাস ২য় অধ্যায় সাজেশনঃ বিশ্বসভ্যতা (মিশর, সিন্ধু, গ্রিক, রোম)
ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলন
১। ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলন কবে শুরু হয়?
-
পলাশি যুদ্ধের পর।
২। মীর কাশিম কাদের সাহায্য চেয়েছিলেন?
-
ফকির-সন্ন্যাসীদের।
৩। ফকির-সন্ন্যাসীরা কীভাবে জীবন নির্বাহ করত?
-
ভিক্ষাবৃত্তি বা মুষ্টি সংগ্রহের মাধ্যমে।
৪। তারা কোন কারণে সারা বছর এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ঘুরত?
-
ধর্মীয় উৎসব ও তীর্থস্থান দর্শনের জন্য।
৫। ফকির-সন্ন্যাসীদের সঙ্গে কী ধরনের অস্ত্র থাকত?
-
হালকা অস্ত্র।
৬। ইংরেজ সরকার ফকির-সন্ন্যাসীদের চলাফেরা কিসের মাধ্যমে বাধা দেয়?
-
তীর্থস্থান দর্শন ও ভিক্ষা সংগ্রহকে বেআইনি ঘোষণা করে।
৭। ফকির-সন্ন্যাসীদের ডাকাত-দস্যু হিসেবে আখ্যায়িত করা হয় কেন?
-
তাদের অবাধ আন্দোলনের কারণে ইংরেজরা তাদের ভয় পায় এবং দমন করতে চায়।
৮। বিদ্রোহী ফকির দলের নেতা কে ছিলেন?
-
মজনু শাহ।
৯। সন্ন্যাসীদের নেতা কে ছিলেন?
-
ভবানী পাঠক।
১০। তাদের আক্রমণের মূল লক্ষ্য কী ছিল?
-
সরকারি কুঠি, জমিদারদের কাছারি ও নায়েব-গোমস্তার বাড়ি।
১১। প্রথম বিদ্রোহ কোথায় শুরু হয়?
-
১৭৬০ সালে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায়।
১২। মজনু শাহ উত্তর বাংলায় ইংরেজবিরোধী তৎপরতা কবে শুরু করেন?
-
১৭৭১ সালে।
১৩। মজনু শাহ কোথায় সংঘর্ষে লিপ্ত হন?
-
রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহ জেলায়।
১৪। মজনু শাহের যুদ্ধকৌশল কী ছিল?
-
গেরিলা পদ্ধতি (অতর্কিতে আক্রমণ করে নিরাপদে সরে যাওয়া)।
১৫। মজনু শাহ কখন মৃত্যুবরণ করেন?
-
১৭৮৭ সালে।
১৬। মজনু শাহের মৃত্যুর পর নেতৃত্ব কে নেন?
-
মুসা শাহ, সোবান শাহ, চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বক্স প্রমুখ ফকির।
১৭। ফকির নেতারা ইংরেজ প্রশাসনকে কত বছর ব্যতিব্যস্ত রাখেন?
-
কয়েক বছর ধরে।
১৮। ফকির আন্দোলন কখন চূড়ান্তভাবে পরাজিত হয়?
-
১৮০০ সালে।
১৯। সন্ন্যাসী আন্দোলনের প্রধান নেতা কে ছিলেন?
-
ভবানী পাঠক।
২০। ভবানী পাঠক কবে মারা যান?
-
১৭৮৭ সালে।
২১। ভবানী পাঠকের মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে কী ঘটে?
-
সন্ন্যাসী আন্দোলনের অবসান ঘটে।
২২। ফকির-সন্ন্যাসীদের আন্দোলনের উদ্দেশ্য কী ছিল?
-
ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও স্বাধীনতা রক্ষা।
২৩। মীর কাশিমের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কেমন ছিল?
-
তিনি নবাবের পক্ষে যুদ্ধে অংশ নিতেন।
২৪। ইংরেজদের চোখে ফকির-সন্ন্যাসীরা কেমন ছিল?
-
বিপজ্জনক বিদ্রোহী, ডাকাত-দস্যু।
২৫। ফকির-সন্ন্যাসীরা কোন অঞ্চলে সক্রিয় ছিল?
-
বাংলা ও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা।
২৬। বিদ্রোহীরা কোন পদ্ধতিতে লড়াই করত?
-
গেরিলা যুদ্ধকৌশল।
২৭। ফকির আন্দোলন কোন ধরনের সামাজিক প্রভাব ফেলেছিল?
-
সাধারণ মানুষের মধ্যে ইংরেজ বিরোধী মনোভাব তৈরি।
২৮। সন্ন্যাসী আন্দোলনের প্রভাব কত বছর স্থায়ী হয়?
-
১৭৬০–১৭৮৭ সাল পর্যন্ত।
২৯। ফকির-সন্ন্যাসীদের জীবনধারা কীভাবে স্বাধীন ছিল?
-
তারা ভিক্ষা ও তীর্থস্থান দর্শনের মাধ্যমে মুক্তভাবে চলাফেরা করত।
৩০। ইংরেজরা ফকির-সন্ন্যাসীদের কীভাবে দমন করতে চেয়েছিল?
-
আইন প্রয়োগ করে, চলাফেরা নিষিদ্ধ করে, অস্ত্র সহ দমন।
৩১। মজনু শাহের নেতৃত্বের সময় ফকিররা কোথায় প্রধানভাবে লড়াই করত?
-
উত্তরবঙ্গের জেলায়।
৩২। ফকিরদের নেতৃত্বে কোন প্রধান ঘটনা ঘটে?
-
ইংরেজদের সরকারি কুঠি ও কাছারি আক্রমণ।
৩৩। ফকির-সন্ন্যাসীরা কোন সময়ে ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ করে?
-
১৭৬০ সালে।
৩৪। মজনু শাহের পরে নেতৃত্ব নেয়া ফকিরদের মধ্যে একজন নাম বলুন।
-
মুসা শাহ।
৩৫। ভবানী পাঠকের সহকারী সহ মৃত্যু কবে ঘটে?
-
১৭৮৭ সালে।
৩৬। ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলনের দীর্ঘায়ু কারণ কী?
-
গেরিলা যুদ্ধকৌশল ও ইংরেজদের দুর্বল প্রতিরক্ষা।
৩৭। ফকিরদের মূল লক্ষ্য ছিল কার বিরুদ্ধে?
-
ব্রিটিশ শাসক ও তাদের স্থানীয় সহযোগীর বিরুদ্ধে।
৩৮। মীর কাশিমের সাথে ফকিরদের সম্পর্ক কেমন ছিল?
-
তিনি তাদের সাহায্য চেয়েছিলেন এবং মিত্র হিসেবে গণ্য করেছিলেন।
৩৯। ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলনের নেতা ভবানী পাঠক কীভাবে নিহত হন?
-
লেফটেন্যান্ট ব্রেনানের নেতৃত্বে ব্রিটিশ সৈন্য আক্রমণে।
৪০। ফকির-সন্ন্যাসীদের আন্দোলন বাংলার কোন জনগোষ্ঠীকে প্রভাবিত করেছিল?
-
সাধারণ মানুষ ও কৃষক।
৪১। ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলনের সবচেয়ে দীর্ঘকালীন নেতা কে ছিলেন?
-
মজনু শাহ।
৪২। ফকির-সন্ন্যাসীরা কোন ধরনের আক্রমণ করত?
-
সরকারি কুঠি, নায়েব-গোমস্তা ও জমিদারের বাড়ি লক্ষ্য করে।
৪৩। সন্ন্যাসী আন্দোলনের প্রধান অস্ত্র কিসের উপর নির্ভর করত?
-
হালকা অস্ত্র ও গেরিলা যুদ্ধ।
৪৪। আন্দোলনের মূল প্রতিকূলতা কী ছিল?
-
ইংরেজ প্রশাসনের কঠোর দমন।
৪৫। মজনু শাহের পর আন্দোলনের নেতৃত্বে কারা ছিলেন?
-
সোবান শাহ, চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বক্স প্রমুখ।
৪৬। আন্দোলনের ফলে ইংরেজদের কী প্রভাব পড়েছিল?
-
প্রশাসন ব্যস্ত ও প্রতিরোধের মুখে পড়ে।
৪৭। ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলনের স্থায়িত্ব কত বছর?
-
প্রায় ৪০ বছর।
৪৮। মজনু শাহের গেরিলা যুদ্ধ কৌশল কীভাবে কার্যকর ছিল?
-
হঠাৎ আক্রমণ করে নিরাপদে সরে যেত।
৪৯। আন্দোলনের শেষ ফলাফল কী হলো?
-
ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলন ১৮০০ সালে চূড়ান্তভাবে পরাজিত হয়।
৫০। ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলন কেন গুরুত্বপূর্ণ?
-
এটি ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম গণজাগরণমূলক প্রতিরোধ।
আরও পড়ুনঃ ইতিহাস ৪র্থ অধ্যায় সাজেশন ২০২৬
তিতুমীরের সংগ্রাম
১। তিতুমীরের প্রকৃত নাম কী?
-
মীর নিসার আলী।
২। তিনি কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
-
চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসাত মহকুমার চাঁদপুর গ্রামে।
৩। কোন ধর্মীয় আন্দোলনের জোয়ার পশ্চিমবঙ্গে তিতুমিরের নেতৃত্বে ছড়ায়?
-
ওয়াহাবি আন্দোলন।
৪। ওয়াহাবি আন্দোলনের মূল লক্ষ্য কী ছিল?
-
ধর্মীয় কুসংস্কার দূর করা ও মুসলিম সম্প্রদায়কে সঠিক পথে পরিচালনা করা।
৫। বাংলায় ওয়াহাবি আন্দোলনের অন্য ধারার নাম কী?
-
ফরায়েজি আন্দোলন।
৬। তিতুমিরের আন্দোলন কোন উত্তর ভারতের নেতা দ্বারা অনুপ্রাণিত ছিল?
-
সৈয়দ আহমদ শহীদের ভাবধারা দ্বারা।
৭। তিতুমির কবে হজ্ব করতে মক্কা যান?
-
১৮২৭ সালে।
৮। হজ্ব থেকে ফেরার পর তিতুমির কী করলেন?
-
ধর্ম সংস্কার কাজে আত্মনিয়োগ করলেন।
৯। কোন জেলার মুসলমান কৃষকরা তিতুমিরকে সমর্থন করেছিল?
-
চব্বিশ পরগনা ও নদীয়া জেলা।
১০। তিতুমিরের ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনে কৃষকরা কীভাবে জড়িত হন?
-
তাঁরা তিতুমিরের অনুসারী হয়ে তার আন্দোলনে অংশ নেন।
১১। জমিদাররা মুসলমান প্রজাদের ওপর কী করেছিল?
-
নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও নির্যাতন।
১২। তিতুমির কর্তৃপক্ষের কাছে শান্তিপূর্ণ সুবিচারের চেষ্টা করেছিলেন কি?
-
হ্যাঁ, কিন্তু ব্যর্থ হন।
১৩। শেষ পর্যন্ত তিতুমির কোন পথ অবলম্বন করেন?
-
সশস্ত্র প্রতিরোধ।
১৪। তিতুমির কোন গ্রামে প্রধান ঘাঁটি স্থাপন করেন?
-
নারিকেলবাড়িয়া গ্রামে।
১৫। তিনি কী নির্মাণ করেন?
-
শক্তিশালী বাঁশের কেল্লা।
১৬। তিতুমিরের বাহিনীর নেতৃত্বে কে ছিলেন?
-
গোলাম মাসুম।
১৭। তিতুমিরের বাহিনী কী ধরনের ছিল?
-
সুদক্ষ লাঠিয়াল বাহিনী।
১৮। কোন কারণে কৃষকরা তিতুমিরের বাহিনীতে যোগ দেন?
-
ইংরেজ, জমিদার ও নীলকরদের নির্যাতন।
১৯। এই আন্দোলন কীভাবে রূপ নেয়?
-
ব্যাপক কৃষক আন্দোলনে।
২০। ১৮৩১ সালে তিতুমিরের বিরুদ্ধে কে সেনাবাহিনী প্রেরণ করেন?
-
ইংরেজ সরকার।
২১। সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে কে ছিলেন?
-
মেজর স্কট।
২২। তিতুমিরের বাঁশের কেল্লা কোথায় ছিল?
-
নারিকেলবাড়িয়া।
২৩। বাঁশের কেল্লায় আক্রমণ কীভাবে হয়?
-
ইংরেজদের কামান-বন্দুকের মাধ্যমে।
২৪। তিতুমিরের বাহিনী কীভাবে লড়াই করেছিল?
-
বীরত্বের সঙ্গে, কিন্তু পরাজিত হয়।
২৫। তিতুমির কীভাবে নিহত হন?
-
যুদ্ধকালে গোলার আঘাতে।
২৬। বাঁশের কেল্লার প্রতীকী অর্থ কী?
-
দুঃসাহস ও দেশপ্রেমের প্রতীক।
২৭। তিতুমিরের আন্দোলন কোন ধরনের আন্দোলনে রূপ নেয়?
-
কৃষক আন্দোলনে।
২৮। এই আন্দোলনের প্রভাব বাংলার সাধারণ মানুষে কী ছিল?
-
দেশপ্রেম, অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে সাহস।
২৯। তিতুমির কোন ধর্মীয় আন্দোলনের ধারক ছিলেন?
-
ওয়াহাবি বা মুহাম্মদিয়া আন্দোলন।
৩০। উনিশ শতকে মুসলমান সমাজে কীভাবে সংস্কার আন্দোলন শুরু হয়?
-
ধর্মীয় কুসংস্কার দূর করে সমাজকে সঠিক পথে আনা।
৩১। তিতুমিরের আন্দোলনের প্রধান লক্ষ্য কী ছিল?
-
ধর্ম সংস্কার এবং শাসক-শোষকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ।
৩২। নীলকরদের ভূমিকা কী ছিল?
-
কৃষক ও সাধারণ মানুষকে শোষণ।
৩৩। তিতুমিরের নেতৃত্বে কেল্লা তৈরি করার উদ্দেশ্য কী ছিল?
-
প্রতিরোধ ও আত্মরক্ষার জন্য।
৩৪। তিতুমিরের ধারার নাম কী ছিল?
-
তারিখ-ই-মুহাম্মদিয়া।
৩৫। তিতুমিরের মৃত্যুর পর কী ঘটে?
-
আন্দোলন শেষ হয়, কিন্তু প্রেরণা যুগে যুগে স্থায়ী হয়।
৩৬। বাঁশের কেল্লা কীভাবে ধ্বংস হয়?
-
গোলার আঘাতে উড়ে যায়।
৩৭। তিতুমিরের আন্দোলন কিসের জন্য উদ্দীপনা জুগিয়েছে?
-
দেশপ্রেম ও স্বাধীনতার প্রতি।
৩৮। তিতুমির কোন অঞ্চলের মুসলমানদের মধ্যে প্রভাব বিস্তার করেছিল?
-
চব্বিশ পরগনা ও নদীয়া।
৩৯। তিতুমিরের প্রতিরোধ কিসের সঙ্গে যুক্ত ছিল?
-
ইংরেজ শাসন, জমিদার ও নীলকরদের নির্যাতনের বিরুদ্ধে।
৪০। তিতুমিরের আন্দোলনের শিক্ষা কী?
-
অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে সংগঠন ও সাহসিকতা অপরিহার্য।
আরও পড়ুনঃ এসএসসি ২০২৬ ইতিহাস ষষ্ঠ অধ্যায় সাজেশন ১০০% কমন
নীল বিদ্রোহ
১। ইংরেজরা কেন বাংলায় আগ্রহী হয়েছিল?
-
ব্যবসায়-বাণিজ্যের জন্য।
২। বাংলার কৃষকের জমির ওপর তাদের নজর কেন পড়ে?
-
বাংলার উর্বর ফসলের জন্য।
৩। ইংরেজদের লক্ষ্য কী ধরনের ফসল চাষ করা?
-
বাণিজ্যিক ফসল, বিশেষ করে নীল।
৪। নীল কেন গুরুত্বপূর্ণ ছিল?
-
ব্রিটেনে বস্ত্র রঙানোর জন্য চাহিদা বেশি।
৫। আমেরিকার ব্রিটিশ উপনিবেশের স্বাধীন হওয়ার প্রভাব কী?
-
সেখানকার নীল চাষ বন্ধ হয়ে যায়, বাংলা হয়ে ওঠে প্রধান কেন্দ্র।
৬। বাংলায় নীল চাষ কখন শুরু হয়?
-
১৭৭০–১৭৮০ সালের মধ্যে।
৭। নীলচাষিরা কী বাধ্যতা মুখোমুখি হতেন?
-
অগ্রিম অর্থ (দাদন) গ্রহণে বাধ্য।
৮। একবার দাদন গ্রহণ করলে কী হয়?
-
ঋণ বংশপরম্পরায় শোধ হয় না।
৯। নীল চাষে রাজি না হলে কী হতো?
-
চরম অত্যাচার করা হতো।
১০। নীলচাষের ব্যবসায় কারা একচেটিয়া ছিল?
-
ইংরেজ বণিকরা।
১১। কোন জেলায় নীল চাষ ব্যাপক ছিল?
-
ফরিদপুর, যশোর, ঢাকা, পাবনা, রাজশাহী, নদীয়া, মুর্শিদাবাদ।
১২। নীলচাষের খরচ বৃদ্ধির কারণ কী?
-
জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধি।
১৩। প্রথমে নীল বীজ কীভাবে সরবরাহ করা হতো?
-
বিনামূল্যে।
১৪। পরে বিনামূল্যে বীজ দেওয়া বন্ধ কেন হলো?
-
নীলকররা আর সরবরাহ করত না।
১৫। চাষিরা নীল চাষ অব্যাহত রাখতে কেন সমস্যায় পড়ে?
-
খরচ ও ঋণের কারণে।
১৬। আইন ও সুবিচার কেন চাষিদের জন্য অসম্ভব ছিল?
-
বিচারকেরা নীলকরদের বন্ধু বা স্বদেশি ছিলেন।
১৭। নীলকররা ম্যাজিস্ট্রেট পদে কীভাবে নিয়োগ পেত?
-
অনারারি (অবৈতনিক) হিসেবে।
১৮। নীলকররা গ্রামের মানুষদের কাছে কীভাবে পরিচিত ছিল?
-
ব্যবসায়ী এবং অত্যাচারী জমিদার হিসেবে।
১৯। নীলচাষিকে কি হত্যার ভয় ছিল?
-
হ্যাঁ, তারা হত্যা করতেও দ্বিধা করত না।
২০। নীলচাষিদের প্রথম বিদ্রোহ কবে শুরু হয়?
-
১৮৫৯ সালে।
২১। কোন জেলার নীল বিদ্রোহের নেতৃত্বে নবীন মাধব ও বেণী মাধব ছিলেন?
-
যশোর।
২২। হুগলিতে নেতৃত্বে কে ছিলেন?
-
বৈদ্যনাথ ও বিশ্বনাথ সর্দার।
২৩। নদীয়ায় নেতৃত্বে কে ছিলেন?
-
মেঘনা সর্দার।
২৪। নদীয়ার চৌগাছায় নেতৃত্বে কে ছিলেন?
-
বিষ্ণুচরণ বিশ্বাস ও দিগম্বর বিশ্বাস।
২৫। নীলচাষিরা ইংরেজ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ কেমন মানতো?
-
অগ্রাহ্য করত।
২৬। শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণি নীলচাষিদের প্রতি কী মনোভাব রাখতো?
-
সহানুভূতিশীল।
২৭। কোন নাটক নীলচাষির অত্যাচারের কাহিনি প্রচার করে?
-
‘নীলদর্পণ’ – দীনবন্ধু মিত্রের লেখা।
২৮। নীলচাষিদের বিদ্রোহের ফল কী হয়?
-
জয় হয় এবং আন্দোলন সফল হয়।
২৯। ব্রিটিশ সরকার কোন কমিশন গঠন করে?
-
ইণ্ডিগো কমিশন বা নীল কমিশন (১৮৬১)।
৩০। কমিশনের সুপারিশ কী ছিল?
-
নীল চাষ কৃষকের ইচ্ছাধীন।
৩১। নীল কন্ট্রাক্ট কীভাবে বাতিল হয়?
-
কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী।
৩২। নীল বিদ্রোহের অবসান কবে ঘটে?
-
১৮৬১ সালে।
৩৩। পরবর্তীকালে নীলের বিকল্প কী আবিষ্কৃত হয়?
-
কৃত্রিম নীল।
৩৪। কৃত্রিম নীল আবিষ্কারের পরে কী ঘটে?
-
১৮৯২ সালে নীল চাষ চিরতরে বন্ধ হয়।
৩৫। নীল চাষিরা কোন উপায়ে সংগঠিত হয়েছিল?
-
গ্রামে গ্রামে ঐক্যবদ্ধভাবে।
৩৬। নীলচাষিদের প্রধান দাবী কী ছিল?
-
নীল চাষ ইচ্ছামতো করা।
৩৭। বিদ্রোহের নেতৃত্ব কাদের হাতে ছিল?
-
নীলচাষিদের।
৩৮। নীলচাষিদের বিরুদ্ধে ইংরেজদের প্রতিক্রিয়া কী ছিল?
-
অত্যাচার ও চাপ।
৩৯। নীল চাষে কৃষকদের মূল সমস্যা কী ছিল?
-
ঋণ, খরচ ও অত্যাচার।
৪০। নীল বিদ্রোহে শিক্ষিতদের ভূমিকা কী ছিল?
-
সহানুভূতি দেখানো ও কাহিনি প্রচার।
৪১। নীলের চাহিদা বাড়ার কারণ কী ছিল?
-
ব্রিটেনে বস্ত্র শিল্পের উন্নতি।
৪২। নীলকরের ভূমিকা কী ছিল?
-
চাষিদের উপর শোষণ এবং নিয়ন্ত্রণ।
৪৩। নীলচাষিরা কেন চরম অবস্থানে পৌঁছায়?
-
আইনের আশ্রয় না পাওয়ায়।
৪৪। নীলকরের অত্যাচার কতটুকু ছিল?
-
অত্যন্ত নিষ্ঠুর ও অবাধ্য।
৪৫। নীলচাষিরা কোন সময়ে বিদ্রোহে ফেটে পড়ে?
-
১৮৫৯ সালে।
৪৬। নীল বিদ্রোহের স্থানীয় নেতাদের নাম উল্লেখ করুন।
-
নবীন মাধব, বেণী মাধব, বৈদ্যনাথ, বিশ্বনাথ, মেঘনা সর্দার, বিষ্ণুচরণ বিশ্বাস, দিগম্বর বিশ্বাস।
৪৭। নীলচাষিকে নীল বীজ বিনামূল্যে দেওয়া কবে বন্ধ হয়?
-
পরবর্তীকালে।
৪৮। নীল বিদ্রোহের পর ইংরেজ সরকার কী সিদ্ধান্ত নেয়?
-
নীল চাষ ইচ্ছাধীন ঘোষণা ও কন্ট্রাক্ট বাতিল।
৪৯। নীলচাষ বন্ধ হওয়ার চূড়ান্ত বছর কোনটি?
-
১৮৯২।
৫০। নীল বিদ্রোহের শিক্ষা কী?
- সংগঠন ও ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধে কৃষকরা শোষণকারীদের বিরুদ্ধে সফল হতে পারে।
আরও পড়ুনঃ এসএসসি ২০২৬ ইতিহাস ৮ম অধ্যায় সাজেশন
ফরায়েজি আন্দোলন
১। ফরায়েজি আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা কে?
-
হাজী শরীয়তউল্লাহ।
২। হাজী শরীয়তউল্লাহ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
-
মাদারীপুর জেলার শাসশাইল গ্রামে।
৩। জন্ম সাল কত?
-
১৭৮২।
৪। তিনি কত বছর মক্কায় অবস্থান করেন?
-
প্রায় ২০ বছর।
৫। মক্কায় অবস্থানের উদ্দেশ্য কী ছিল?
-
ইসলাম ধর্মের ওপর শিক্ষালাভ ও পাণ্ডিত্য অর্জন।
৬। দেশে ফিরে তিনি কী উপলব্ধি করেন?
-
বাংলার মুসলমানরা ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা থেকে অনেক দূরে sরে গেছে।
৭। ফরায়েজি আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?
-
ইসলামকে কুসংস্কার ও অনাচারমুক্ত করা।
৮। ‘ফরায়েজি’ শব্দের অর্থ কী?
-
‘ফরজ’ অর্থাৎ কর্তব্য পালনকারী।
৯। বাংলায় কে ফরায়েজি বলা হয়?
-
হাজী শরীয়তউল্লাহর অনুসারীরা।
১০। ফরায়েজি মুসলমানদের জন্য কী নির্দেশ দেন?
-
ইসলাম অনুযায়ী ফরজ পালন করতে এবং অনৈসলামিক আচরণ ত্যাগ করতে।
১১। হাজী শরীয়তউল্লাহ ইংরেজ রাজত্বকে কিভাবে দেখতেন?
-
ঘৃণার চোখে, ‘দারুল হারব’ অর্থাৎ বিধর্মী দেশেরূপে।
১২। জুমা ও দুই ঈদের নামাজে তিনি কী নির্দেশ দেন?
-
বর্জন করার জন্য।
১৩। ফরায়েজি আন্দোলনে কোন জনগোষ্ঠী যোগদান করে?
-
দরিদ্র রায়ত, কৃষক, তাঁতি, তেলি।
১৪। এই আন্দোলনে জনগণের আস্থা কোথা থেকে এসেছে?
-
হাজী শরীয়তউল্লাহর নেতৃত্ব ও সাফল্য থেকে।
১৫। জমিদাররা ফরায়েজিদের ওপর কী বাধা দেয়?
-
ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে বাধা ও অবৈধ কর আরোপ।
১৬। ফরায়েজি আন্দোলনে প্রজাদের কী দাবি ছিল?
-
নুন-ভাতের দাবি ও শোষণমুক্তি।
১৭। জমিদারদের অত্যাচার মোকাবিলায় কি ব্যবস্থা নেন হাজী শরীয়তউল্লাহ?
-
লাঠিয়াল বাহিনী গঠন।
১৮। পুলিশি নিষেধাজ্ঞা কবে জারি হয়?
-
১৮৩৯ সালে।
১৯। হাজী শরীয়তউল্লাহর মৃত্যু কবে?
-
১৮৪০ সালে।
২০। ফরায়েজি আন্দোলনের নেতৃত্ব কে গ্রহণ করেন?
-
মুহম্মদ মুহসিন উদ্দিন আহমদ ওরফে দুদু মিয়া।
২১। দুদু মিয়ার জন্ম কোথায় ও কখন?
-
১৮১৯ সালে।
২২। দুদু মিয়া পিতার মতো পণ্ডিত ছিলেন কি?
-
না, কিন্তু সাংগঠনিক ক্ষমতা ছিল অসাধারণ।
২৩। দুদু মিয়ার নেতৃত্বে ফরায়েজি আন্দোলন কী রূপ নেয়?
-
ধর্মীয় সংস্কার + কৃষকশ্রেণির শোষণমুক্তির সশস্ত্র সংগ্রাম।
২৪। নীলকরদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে কি করা হয়?
-
লাঠিয়াল বাহিনী গঠন।
২৫। ফরায়েজি আন্দোলনের প্রধান প্রশিক্ষক কে ছিলেন?
-
জালালউদ্দিন মোল্লা।
২৬। লাঠিয়াল বাহিনীর উদ্দেশ্য কী ছিল?
-
জমিদারদের অবৈধ কর আরোপ ও নীলকরের অত্যাচারের প্রতিরোধ।
২৭। ফরায়েজি আন্দোলন কোন অঞ্চলে সক্রিয় ছিল?
-
ফরিদপুর, পাবনা, রাজশাহী, যশোর, মুর্শিদাবাদ, নদীয়া।
২৮। গ্রামে ফরায়েজি নেতৃত্বে কি ব্যবস্থা গঠন করা হয়?
-
স্বাধীন সরকার ও লাঠিয়াল বাহিনী।
২৯। ফরায়েজিদের সরকার ব্যবস্থা কিভাবে ছিল?
-
পূর্ব বাংলাকে কয়েক হলকা বা এলাকায় বিভক্ত।
৩০। দুদু মিয়ার সংগ্রাম কতকাল ধরে চলে?
-
দীর্ঘকালব্যাপী।
৩১। জমিদাররা দুদু মিয়ার বিরুদ্ধে কী করেছিল?
-
ফৌজদারি মামলা দায়ের।
৩২। ইংরেজ সরকার দুদু মিয়াকে কখন কারাগারে রাখে?
-
১৮৫৭ সালে ভারতের প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়।
৩৩। দুদু মিয়া কারাগারে রাখার উদ্দেশ্য কী ছিল?
-
ভীত করে আন্দোলন দমন করা।
৩৪। দুদু মিয়া কারাগার থেকে কখন মুক্তি পান?
-
১৮৬০ সালে।
৩৫। দুদু মিয়ার মৃত্যু কবে ঘটে?
-
১৮৬২ সালে।
৩৬। তাঁর মৃত্যুর পর ফরায়েজি আন্দোলনের অবস্থা কী হয়?
-
নেতৃত্বের অভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে।
৩৭। ফরায়েজি আন্দোলন মূলত কোন ধরনের আন্দোলন ছিল?
-
ধর্মীয় সংস্কার + কৃষক শোষণমুক্তি আন্দোলন।
৩৮। ফরায়েজি আন্দোলন কোন ব্রিটিশ শোষণের বিরুদ্ধে ছিল?
-
অর্থনৈতিক ও সামাজিক শোষণ।
৩৯। নীলচাষের ওপর ফরায়েজিদের ভূমিকা কী ছিল?
-
নীলচাষিদের সুরক্ষা ও প্রতিরোধ।
৪০। দুদু মিয়ার নেতৃত্বে গ্রামাঞ্চলে কী গঠিত হয়?
-
স্বাধীন সরকার ও লাঠিয়াল বাহিনী।
৪১। ফরায়েজি আন্দোলনে গ্রামের মানুষদের একতা কেমন ছিল?
-
দৃঢ় ও শক্তিশালী।
৪২। জমিদাররা ফরায়েজি আন্দোলনের বিরুদ্ধে কি করেছিল?
-
হাত মিলিয়ে ফৌজদারি মামলা দায়ের।
৪৩। ফরায়েজিদের আন্দোলনে ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কারের লক্ষ্য কেমন ছিল?
-
ইসলামের প্রকৃত শিক্ষার অনুসরণ।
৪৪। ফরায়েজি আন্দোলনে কৃষকরা কী ভূমিকা নেয়?
-
শোষণবিরোধী প্রত্যক্ষ ভূমিকা।
৪৫। আন্দোলন কতটুকু ধর্মীয় সীমাবদ্ধ ছিল?
-
শেষ পর্যন্ত শুধু ধর্মীয় সীমাবদ্ধ ছিল না।
৪৬। দুদু মিয়ার নেতৃত্বে আন্দোলনের বিশেষ বৈশিষ্ট্য কী ছিল?
-
সশস্ত্র সংগ্রাম ও সংগঠন।
৪৭। লাঠিয়াল বাহিনীর প্রধান কার্যাবলী কী ছিল?
-
নীলকর ও জমিদারের অত্যাচারের প্রতিবাদ।
৪৮। ফরায়েজি আন্দোলনের জনপ্রিয়তা কোথায় বেশি ছিল?
-
মুসলিমপ্রধান অঞ্চল।
৪৯। দেরী পর্যন্ত ফরায়েজি আন্দোলন কোন কারণে শক্তিশালী ছিল?
-
সুসংগঠিত নেতৃত্ব ও লাঠিয়াল বাহিনী।
৫০। ফরায়েজি আন্দোলনের শিক্ষণীয় দিক কী?
-
ধর্মীয় সংস্কার + শোষণবিরোধী সংগ্রাম একত্রিত করা যায়।
আরও পড়ুনঃ এসএসসি আইসিটি সাজেশন ২০২৬ ২য় অধ্যায় MCQ ১ম অংশ
নবজাগরণ ও সংস্কার আন্দোলন
১। বাংলায় নবজাগরণের সূচনা কবে হয়?
-
১৭৫৭ সালের পলাশি যুদ্ধের পর।
২। অষ্টাদশ শতকের শেষার্ধে কোন দুই বৈপ্লবিক ঘটনার প্রভাব বাংলায় পড়ে?
-
ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লব ও ফ্রান্সের ফরাসি বিপ্লব (১৭৮৯)।
৩। নবজাগরণের সূচনা কোন শ্রেণির বাঙালিদের মাধ্যমে হয়?
-
শিক্ষিত বাঙালিদের মাধ্যমে।
৪। নবজাগরণের নেতৃত্বে দেশবাসীর মধ্যে কোন চেতনাগুলো জাগ্রত হয়?
-
আত্মসচেতনতা, আত্মমর্যাদাবোধ ও স্বাতন্ত্র্যবোধ।
৫। নবজাগরণের প্রভাবে কোন জাতীয় চেতনার ভিত্তি স্থাপিত হয়?
-
জাতীয়তাবাদী চেতনার প্রাথমিক ভিত্তি।
৬। নবজাগরণের সময় কোন ক্ষেত্রে চিন্তার বিপ্লব ঘটে?
-
ধর্ম, শিক্ষা-সংস্কৃতি, সাহিত্য, সামাজিক রীতি-নীতি ও ঐতিহ্য।
৭। নবজাগরণের ফলে বাংলায় কোন নতুন ধর্মমত উদ্ভব হয়?
-
ব্রাহ্ম ধর্ম ও নব হিন্দুবাদ।
৮। নবজাগরণের ফলে কোন নতুন ক্ষেত্রের উদ্ভব ঘটে?
-
নতুন শিক্ষা, নতুন সাহিত্য, নতুন সামাজিক আদর্শ ও রীতিনীতি।
৯। বাংলায় নবজাগরণের ইংরেজি নাম কী?
-
রেনেসাঁ (Renaissance)।
১০। নবজাগরণের ফলে বাংলা কোন দিক দিয়ে কেন্দ্রস্থল হয়ে ওঠে?
-
আধুনিক চিন্তা-চেতনার কেন্দ্রস্থল।
১১। নবজাগরণের প্রভাব কোন শিক্ষার মাধ্যমে প্রসারিত হয়?
-
ইংরেজি শিক্ষা ও পাশ্চাত্য ভাবধারা।
১২। নবজাগরণের ফলে বাঙালি কীভাবে পরিণত হয়?
-
পাশ্চাত্য সভ্যতা ও সংস্কৃতির ধারক-বাহক।
১৩। বাঙালি বুদ্ধিজীবীরা মধ্যযুগীয় চিন্তাধারা কীভাবে গ্রহণ করেন?
-
প্রত্যাখ্যান করে যুক্তিবাদ, ব্যক্তিস্বাধীনতা, বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ।
১৪। নবজাগরণের প্রসারে কোন ইংরেজ প্রশাসকদের অবদান ছিল?
-
হেস্টিংস, অ্যালফিনস্টোন, ম্যালকম মনরো, মেটকাফ প্রমুখ।
১৫। ইংরেজ প্রশাসকরা দেশি ভাষা-সাহিত্যের উন্নতির জন্য কী করেছিলেন?
-
ব্যাপক উৎসাহ প্রদর্শন।
১৬। নবজাগরণের প্রভাবে বাঙালি সমাজে কী দিকগুলো উজ্জীবিত হয়?
-
পাশ্চাত্য ভাবধারা, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও দর্শনে উজ্জীবিত।
১৭। খ্রিষ্টান মিশনারিদের ছাপাখানার ভূমিকা কী ছিল?
-
আধুনিক শিক্ষার ভাবধারা প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ।
১৮। নবজাগরণের মূল লক্ষ্য কী ছিল?
-
সমাজ, শিক্ষা, ধর্ম ও সাহিত্য ক্ষেত্রে নতুন চিন্তাধারার প্রবর্তন।
১৯। নবজাগরণের ফলে কোন জাতীয় আন্দোলনের ভিত্তি তৈরি হয়?
-
স্বাধীনতার পথে বাঙালির প্রাথমিক জাতীয় চেতনার ভিত্তি।
২০। নবজাগরণের প্রসারে শিক্ষিত বাঙালিদের প্রভাব কেমন ছিল?
-
দেশবাসীকে আত্মসচেতন, যুক্তিবাদী ও আধুনিক চিন্তাবিদে পরিণত করা।
আরও পড়ুনঃ এসএসসি আইসিটি সাজেশন ২০২৬: ict mcq ২য় অংশ
রাজা রামমোহন রায়
১। রাজা রামমোহন রায়ের জন্ম কোথায় এবং কবে?
১৭৭৪ সালে হুগলী জেলার রাধানগর গ্রামে।
২। তিনি কোন কোন ভাষায় দক্ষতা অর্জন করেছিলেন?
আরবি, ফারসি, উর্দু, ল্যাটিন ও গ্রিক।
৩। রাজা রামমোহন রায় কোন ধর্মীয় গ্রন্থের অনুবাদ প্রকাশ করেছেন?
বেদান্তসূত্র ও বেদান্তসারসহ উপনিষদ।
৪। তার অন্যান্য রচনার মধ্যে কোনগুলো উল্লেখযোগ্য?
তুফাতুল মুজাহহিদদীন, মনজারাতুল আদিয়ান, ভট্টাচার্যের সহিত বিচার, হিন্দুদিগের পৌত্তলিক ধর্মপ্রণালি।
৫। তিনি কোন কোন পত্রিকার প্রকাশক ছিলেন?
সম্বাদ কৌমুদী, মিরাতুল আখবার, ব্রাহ্মণিকাল ম্যাগাজিন।
৬। তিনি হিন্দু সমাজে কোন কুসংস্কার দূর করতে চেয়েছিলেন?
সতীদাহ, বাল্যবিবাহ, কৌলীন্য প্রথা।
৭। রাজা রামমোহন রায় হিন্দুধর্ম পুনঃপ্রতিষ্ঠায় কী প্রচেষ্টা চালান?
আদি একেশ্বরবাদের ভিত্তিতে হিন্দুধর্ম পুনঃপ্রতিষ্ঠা।
৮। তিনি কোন সমিতি গঠন করেন হিন্দুধর্মের সংস্কারের জন্য?
আত্মীয় সভা।
৯। ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠা করেন কবে?
১৮২৮ সালের ২০শে আগস্ট।
১০। ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব কী?
উপমহাদেশের ধর্মীয় ইতিহাসে নবযুগের সূচনা।
১১। রাজা রামমোহন রায়ের শিক্ষা বিস্তারে অবদান কী ছিল?
আধুনিক শিক্ষা, বিজ্ঞান ও দর্শনের প্রচার।
১২। তিনি কিসের জন্য সংস্কৃত শিক্ষার বিরুদ্ধে ছিলেন?
আধুনিক শিক্ষার প্রসারে।
১৩। কবে তিনি ‘অ্যাংলো-হিন্দু স্কুল’ প্রতিষ্ঠা করেন?
১৮২২ সালে কোলকাতায়।
১৪। এই স্কুলে কী কী শিক্ষা দেওয়া হত?
ইংরেজি, দর্শন ও আধুনিক বিজ্ঞান।
১৫। তিনি লর্ড আমহার্স্টকে কী জন্য চিঠি লেখেন?
দেশের মানুষের জন্য আধুনিক শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ বলে।
১৬। রাজা রামমোহন রায় ১ লক্ষ টাকা কীভাবে ব্যয় করার জন্য আবেদন করেছিলেন?
সংস্কৃত ও মাদ্রাসা শিক্ষায় না করে আধুনিক শিক্ষায়।
১৭। রাজা রামমোহন রায়ের মৃত্যুর সাল কত?
১৮৩৩ সালে।
১৮। তার মৃত্যুর পর কোন সাল ইংরেজি শিক্ষার সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণ হয়?
১৮৩৫ সালে।
১৯। রাজা রামমোহন রায়ের শিক্ষাবিদ হিসাবে দর্শন কী ছিল?
আধুনিক জ্ঞান ও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রচার।
২০। তিনি হিন্দু সমাজে সংস্কারের মাধ্যমে কোন চেতনাকে জাগ্রত করতে চেয়েছিলেন?
যুক্তি, বুদ্ধি ও ধর্মীয় সচেতনতা।
২১। ব্রাহ্মসমাজের উপাসনালয় স্থাপনের উদ্দেশ্য কী ছিল?
ধর্মীয় সংস্কার ও আদি একেশ্বরবাদ প্রচার।
২২। তিনি সমাজ সংস্কারে কাদেরকে প্রভাবিত করতে চেয়েছিলেন?
হিন্দু সমাজের সাধারণ মানুষ ও শিক্ষিত শ্রেণি।
২৩। রাজা রামমোহন রায় কোন যুগের ভারতীয় নবজাগরণের নেতা?
ভারতীয় রেনেসাঁ বা নবজাগরণের নেতা।
২৪। তিনি ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কী লক্ষ্য রেখেছিলেন?
ধর্ম, সমাজ ও শিক্ষার আধুনিকীকরণ।
২৫। তিনি কিভাবে আধুনিক শিক্ষার প্রচার করেছিলেন?
ইংরেজি শিক্ষা, বিজ্ঞান ও দর্শন শিখিয়ে।
২৬। তার প্রকাশিত পত্রিকার উদ্দেশ্য কী ছিল?
সমাজ সংস্কার, ধর্মীয় আলোচনা ও শিক্ষার প্রসার।
২৭। রাজা রামমোহন রায়ের মৃত্যু কত বছর পর ইংরেজি শিক্ষা সরকারি সিদ্ধান্তে আসে?
২ বছর পর।
২৮। তিনি মুসলমান ও হিন্দুদের কোন শিক্ষার প্রতি উৎসাহিত করেছিলেন?
যুক্তিবাদী, আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক শিক্ষার প্রতি।
২৯। ব্রাহ্মসমাজে কোন মূল ধর্মীয় বিশ্বাস প্রচলিত ছিল?
আদি একেশ্বরবাদ।
৩০। রাজা রামমোহন রায়ের ধর্মীয় রচনার উদ্দেশ্য কী ছিল?
একেশ্বরবাদ প্রচার ও কুসংস্কার দূর করা।
৩১। তিনি হিন্দু সমাজে কাদের বিরুদ্ধে সংস্কার চালিয়েছিলেন?
কুসংস্কার, প্রথাগত ও অগণিত আচার-অনুষ্ঠানের বিরুদ্ধে।
৩২। ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠা কিসের মাধ্যমে ধর্মীয় ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে?
নবযুগের সূচনায়।
৩৩। তিনি কিভাবে সমাজে আধুনিকতা প্রসারিত করতে চেয়েছিলেন?
শিক্ষা, পত্রিকা প্রকাশ ও সমাজ সংস্কারের মাধ্যমে।
৩৪। তার শিক্ষাবিদ্যার মূল লক্ষ্য কী ছিল?
মানুষের জ্ঞান, বুদ্ধি ও যুক্তি বিকাশ।
৩৫। অ্যাংলো-হিন্দু স্কুলের মাধ্যমে তিনি কী প্রচার করেছেন?
ইংরেজি, দর্শন ও বিজ্ঞান শিক্ষা।
৩৬। ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠার আগে তিনি কোন সমিতি গঠন করেছিলেন?
আত্মীয় সভা।
৩৭। তিনি হিন্দুধর্মের সংস্কারে কাদের অনুপ্রাণিত করেছিলেন?
সাধারণ মানুষ ও শিক্ষিত সমাজকে।
৩৮। রাজা রামমোহন রায়ের মৃত্যু কত সালে হয়?
১৮৩৩ সালে।
৩৯। তার মৃত্যুর পর কোন নীতি বাস্তবায়িত হয়?
ইংরেজি শিক্ষার সরকারি ব্যবস্থা (১৮৩৫)।
৪০। রাজা রামমোহন রায়কে ভারতের কোন ক্ষেত্রে আধুনিক পুরুষ বলা হয়?
নবজাগরণ ও সমাজ সংস্কারে ভারতের প্রথম আধুনিক পুরুষ।
আরও পড়ুনঃ এসএসসি আইসিটি সাজেশন ২০২৬ ২য় অধ্যায় MCq
হেনরি লুই ডিরোজিও ও ইয়াং বেঙ্গল মুভমেন্ট
১। হেনরি লুই ডিরোজিওর জন্ম কোথায় এবং কবে?
১৮০৯ সালের ১৮ই এপ্রিল, কোলকাতা।
২। তাঁর পিতা-মাতার পরিচয় কী ছিল?
পিতা পর্তুগিজ, মা বাঙালি।
৩। ডিরোজিওর প্রাথমিক শিক্ষা কোথায় হয়?
ডেভিড ড্রামন্ডের ধর্মতলা একাডেমিতে।
৪। তাঁর প্রধান শিক্ষক ড্রামন্ড কেমন ছিলেন?
প্রগতিবাদী, সংস্কারমুক্ত, অসাম্প্রদায়িক, মানবতাবাদী, নিষ্ঠাবান।
৫। ড্রামন্ডের আদর্শ কিভাবে ডিরোজিওকে প্রভাবিত করেছিল?
শিশুকাল থেকে মৃত্যু পর্যন্ত তার চিন্তাভাবনা ও কাজকে প্রভাবিত করেছে।
৬। ডিরোজিওকে কোন ক্ষেত্রে রাজা রামমোহন রায়ের উত্তরসূরি বলা হয়?
বাঙালি যুব সমাজের প্রগতিশীল আন্দোলনে।
৭। ডিরোজিও কোন আন্দোলনের প্রবক্তা ছিলেন?
ইয়াং বেঙ্গল মুভমেন্ট।
৮। ডিরোজিও কোন বিষয়ে গভীর জ্ঞানের অধিকারী ছিলেন?
ইতিহাস, ইংরেজি, সাহিত্য, দর্শন।
৯। ইয়াং বেঙ্গল আন্দোলনের উদ্দেশ্য কী ছিল?
তরুণদের মধ্যে স্বাধীন মত প্রকাশ ও ব্রিটিশ শাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি।
১০। ইয়াং বেঙ্গল আন্দোলন কোন কলেজের ছাত্রদের দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল?
হিন্দু কলেজ।
১১। ডিরোজিও তরুণদের কী শিক্ষা দিতেন?
যুক্তিহীন বিশ্বাস হলো মৃত্যুর সমান।
১২। ইয়াং বেঙ্গল আন্দোলন কোন আইন ও নীতির সমালোচনা করেছিল?
প্রেস আইন, মরিশাসে ভারতীয় শ্রমিক রপ্তানি, ১৮৩৩ সালের চার্টার আইন।
১৩। ডিরোজিও কোন একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন?
১৮২৮ সালে ‘অ্যাকাডেমি অ্যাসোসিয়েশন’।
১৪। অ্যাকাডেমিতে তরুণদের কী শিক্ষা দেওয়া হত?
যুক্তি ও বিশ্লেষণ ভিত্তিক চিন্তাধারা, কুসংস্কারবিরোধী শিক্ষা।
১৫। ইয়াং বেঙ্গল আন্দোলন কোন ধর্মবিশ্বাসকে চ্যালেঞ্জ করেছিল?
সনাতনপন্থী হিন্দু ও গোঁড়াপন্থী খ্রিষ্টান ধর্মবিশ্বাস।
১৬। ১৮৩০ সালে হিন্দু কলেজের ছাত্ররা কোন পত্রিকা প্রকাশ করেছিল?
‘পার্থেনন’ নামে ইংরেজি সাপ্তাহিক।
১৭। ‘পার্থেনন’ পত্রিকায় কী প্রকাশিত হত?
সমাজ, ধর্ম ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে সমালোচনা।
১৮। কলেজ কর্তৃপক্ষ পত্রিকাটি কেন বন্ধ করে দেয়?
সমালোচনামূলক বিষয়বস্তুর কারণে।
১৯। ১৮৩১ সালে ডিরোজিও কোন পত্রিকা সম্পাদনা করেছিলেন?
‘হিসপাবাস’।
২০। ১৮৩১ সালে তিনি কোন দৈনিক পত্রিকা প্রকাশ করেছিলেন?
‘ইস্ট ইন্ডিয়া’।
২১। ডিরোজিও কত বয়সে মৃত্যুবরণ করেন?
২৩ বছর বয়সে, ১৮৩১ সালে।
২২। ডিরোজিওর মৃত্যুর পর তাঁর আন্দোলন কি বন্ধ হয়?
না, তাঁর অনুসারীরা পথ অনুসরণ করে চলতে থাকে।
২৩। ডিরোজিওর ছাত্র-অনুসারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা কারা?
রামতনু লাহিড়ী, রাধানাথ সিকদার, প্যারিচাঁদ মিত্র, কৃষ্ণমোহন ব্যানার্জি।
২৪। মাইকেল মধুসূদন দত্ত কীভাবে প্রভাবিত হন?
ডিরোজিওর আদর্শ দ্বারা, যদিও তিনি সরাসরি ছাত্র ছিলেন না।
২৫। ডিরোজিওর অনুসারীরা কাকে প্রভাবিত করেছিলেন?
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে।
২৬। ইয়াং বেঙ্গল আন্দোলনের মূল লক্ষ্য কী ছিল?
যুক্তি, মুক্ত চিন্তা, আধুনিক শিক্ষা ও কুসংস্কারবিরোধী চেতনাবৃদ্ধি।
২৭। ডিরোজিওর শিক্ষা ও চিন্তা কিসের উপর ভিত্তি করেছিল?
যুক্তি, মানবতাবাদ ও প্রগতিশীলতা।
২৮। ইয়াং বেঙ্গল আন্দোলন তরুণদের মধ্যে কী উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছিল?
স্বাধীন মত প্রকাশ ও সমাজ সংস্কার।
২৯। ডিরোজিওর পত্রিকা ও একাডেমি সমাজে কী ভূমিকা রেখেছিল?
শিক্ষার প্রসার ও কুসংস্কারবিরোধী সমালোচনা।
৩০। ডিরোজিওর মৃত্যুর পরে তাঁর অনুসারীরা কোন ক্ষেত্রে অবদান রাখে?
সাহিত্য, সমাজ সংস্কার ও শিক্ষায়।
৩১। ইয়াং বেঙ্গল আন্দোলন কাকে প্রগতিশীল চিন্তার প্রতীক বলে মনে করা হয়?
হেনরি লুই ডিরোজিও।
৩২। ইয়াং বেঙ্গল আন্দোলনের সদস্যরা ব্রিটিশ শাসনকে কিভাবে দেখত?
শোষক ও ভারতীয় স্বার্থবিরোধী।
৩৩। ১৮২৮ সালে প্রতিষ্ঠিত অ্যাকাডেমি অ্যাসোসিয়েশনের শিক্ষা কাদের জন্য ছিল?
তরুণ শিক্ষার্থীদের জন্য।
৩৪। ডিরোজিওর মৃত্যুর পরে আন্দোলন চলার মূল কারণ কী ছিল?
তাঁর আদর্শ ও শিক্ষার প্রভাব।
৩৫। ইয়াং বেঙ্গল আন্দোলন কোন যুগের ভাবধারার অংশ?
বাঙালি রেনেসাঁ বা নবজাগরণের যুগ।
৩৬। ডিরোজিওর মৃত্যু কখন ঘটেছিল?
১৮৩১ সালের ডিসেম্বরে।
৩৭। ‘পার্থেনন’ পত্রিকা বন্ধ করার কারণে শিক্ষার্থীরা কী শিক্ষা নেয়?
স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য প্রতিরোধ প্রয়োজন।
৩৮। ইয়াং বেঙ্গল আন্দোলন কাকে চ্যালেঞ্জ করেছিল?
প্রথাগত ও গোঁড়া মানসিকতা।
৩৯। ডিরোজিওর শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?
যুক্তি, প্রগতিশীল চিন্তা ও মানবতাবাদী মূল্যবোধের প্রচার।
৪০। ইয়াং বেঙ্গল আন্দোলনের প্রভাব কী ছিল?
তরুণ সমাজে স্বাধীনতা, যুক্তি ও আধুনিক শিক্ষার চেতনা জাগ্রত।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্ম কবে?
→ ১৮২০ সালে।
২. বিদ্যাসাগরের জন্ম কোথায় হয়েছিল?
→ মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে।
৩. তাঁর বাবার নাম কী ছিল?
→ ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায়।
৪. তাঁর মায়ের নাম কী ছিল?
→ ভাগবতী দেবী।
৫. শিশু ঈশ্বরচন্দ্র কোথায় গ্যাস বাতির নিচে পড়াশোনা করতেন?
→ রাস্তায়।
৬. তিনি ইংরেজি সংখ্যা গণনা কোথায় শিখেছিলেন?
→ গ্রামের বাড়ি থেকে পায়ে হেঁটে কোলকাতা যাওয়ার পথে মাইল ফলক দেখে।
৭. কোন বয়সে তিনি সংস্কৃত সাহিত্যে অগাধ পাণ্ডিত্য অর্জন করেন?
→ ২১ বছর বয়সে।
৮. ২১ বছর বয়সে তিনি কোন দায়িত্ব পান?
→ ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতের দায়িত্ব।
৯. ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ছাড়াও তিনি কোন দায়িত্ব পান?
→ বিদ্যালয় পরিদর্শকের দায়িত্ব।
১০. বাংলা গদ্যের জনক কে?
→ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
১১. তিনি শিশুদের জন্য কোন পাঠ্যপুস্তক রচনা করেন?
→ বর্ণ পরিচয় (প্রথম ও দ্বিতীয় ভাগ)।
১২. সংস্কৃত ভাষা সহজ করার জন্য কোন বই তিনি রচনা করেন?
→ ব্যাকরণের উপক্রমণিকা।
১৩. তিনি বাংলা ভাষায় কোন ধরনের সাহিত্য রচনা শুরু করেন?
→ গদ্যসাহিত্য।
১৪. তাঁর প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়ের মধ্যে কোনটি বর্তমানে বিদ্যাসাগর কলেজ নামে পরিচিত?
→ মেট্রোপলিটান ইনস্টিটিউশন।
১৫. তিনি মোট কতটি মডেল স্কুল স্থাপন করেন?
→ ২০টি।
১৬. তিনি কতটি বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেন?
→ ৩৫টি।
১৭. বিদ্যাসাগর নারী শিক্ষার প্রসারে কী ভূমিকা রাখেন?
→ অগ্রণী ভূমিকা।
১৮. কোন সামাজিক কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তিনি রুখে দাঁড়ান?
→ কন্যাশিশু হত্যা, বহুবিবাহ।
১৯. তিনি কোন আইন পাশ করাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন?
→ বিধবা বিবাহ আইন।
২০. বিধবা বিবাহ আইন কবে পাশ হয়?
→ ১৮৫৬ সালে।
২১. বিধবা বিবাহ আইন কে অনুমোদন দেন?
→ গভর্নর জেনারেল।
২২. বিদ্যাসাগরকে কেন দয়ার সাগর বলা হতো?
→ তাঁর দান-দাক্ষিণ্যের জন্য।
২৩. মাইকেল মধুসূদন দত্তকে কে আর্থিক সাহায্য করেছিলেন?
→ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
২৪. কোন কবি বিদ্যাসাগরের অর্থে পড়াশোনা করেছেন?
→ কবি নবীনচন্দ্র সেন।
২৫. মায়ের ইচ্ছায় তিনি কী প্রতিষ্ঠা করেছিলেন?
→ দাতব্য চিকিৎসালয় ও বিদ্যালয়।
২৬. কোন নদী পার হয়ে তিনি মায়ের ডাকে সাড়া দিয়েছিলেন?
→ দামোদর নদ।
27. বিদ্যাসাগরের মাতৃভক্তি কেমন ছিল?
→ অসাধারণ।
২৮. বিদ্যাসাগরের প্রজ্ঞা কিসের সঙ্গে তুলনা করা হয়?
→ প্রাচীন ভারতীয় ঋষির সঙ্গে।
২৯. তাঁর শৌর্য কিসের মতো ছিল?
→ ইংরেজদের মতো।
৩০. তাঁর হৃদয় কিসের মতো ছিল?
→ বাংলার কোমলমতি মায়েদের মতো।
৩১. তিনি কোন শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার করেন?
→ সংস্কৃত শিক্ষাব্যবস্থা।
৩২. বাংলা শিক্ষার ভিত্তি কে স্থাপন করেন?
→ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
৩৩. তিনি কত বছর বয়সে মারা যান?
→ ৭১ বছর বয়সে।
৩৪. তাঁর মৃত্যু কবে হয়?
→ ১৮৯১ সালে।
৩৫. অনাথ ছাত্ররা কোথায় থেকে লেখাপড়া করত?
→ বিদ্যাসাগরের বাসায় থেকে।
৩৬. তিনি কোন বিষয়ে অসাধারণ কৃতিত্ব অর্জন করেন?
→ শিক্ষা বিস্তারে।
৩৭. তিনি কোন কোন বিষয়ে পাণ্ডিত্য অর্জন করেছিলেন?
→ সংস্কৃত সাহিত্য, ব্যাকরণ, ন্যায়, বেদান্ত, স্মৃতি, অলঙ্কার।
৩৮. সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি তিনি কী করতেন?
→ গ্রন্থ অনুবাদ।
৩৯. বিদ্যাসাগর কেন যুগ প্রবর্তক মহাপুরুষ বলা হয়?
→ শিক্ষা, সাহিত্য, সমাজসংস্কার ও দানশীলতায় অবদানের জন্য।
৪০. বিদ্যাসাগরের পূর্ণ নাম কী?
→ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
হাজী মূহম্মদ মহসীন
১. হাজী মুহম্মদ মহসীন কবে জন্মগ্রহণ করেন?
→ ১৭৩২ সালে।
২. তাঁর জন্মস্থান কোথায়?
→ হুগলী, পশ্চিমবঙ্গ।
৩. তাঁর পিতার নাম কী ছিল?
→ মুহম্মদ ফয়জুল্লাহ।
৪. তাঁর মায়ের নাম কী ছিল?
→ জয়নাব খানম।
৫. মহসীনের পূর্বপুরুষ কোথা থেকে এসেছিলেন?
→ পারস্য।
৬. মহসীনের শিক্ষাজীবন কোথায় শুরু হয়?
→ হুগলী।
৭. তাঁর গৃহশিক্ষকের নাম কী ছিল?
→ আগা সিরাজি।
৮. তিনি কোন ভাষা শিখেছেন আগা সিরাজির কাছে?
→ আরবি ও ফারসি।
৯. সঙ্গীতশিক্ষা কোথায় ও কার কাছ থেকে পান?
→ ভোলানাথ ওয়াদের কাছে সেতার বাজানো শিখেছেন।
১০. উচ্চশিক্ষা কোথায় শুরু করেন?
→ মুর্শিদাবাদে।
১১. পিতার মৃত্যুর পর তিনি কোথায় ফিরে আসেন?
→ হুগলীতে।
১২. তিনি কোন বছরে দেশ ভ্রমণে বের হন?
→ ১৭৬২ সালে।
১৩. তিনি কোন ধর্মীয় যাত্রা করেন?
→ হজ (মক্কা ও মদিনা)।
১৪. বিদেশে তিনি কোন দেশগুলো ভ্রমণ করেন?
→ আরব, মিশর, পারস্য।
১৫. কত বছর পর দেশে ফিরে আসেন?
→ ১৭ বছর পরে।
১৬. কোন ভাষায় তিনি অগাধ পাণ্ডিত্য অর্জন করেন?
→ আরবি, ফারসি, উর্দু ও ইংরেজি।
১৭. কোন বিষয়েও তিনি পাণ্ডিত্য অর্জন করেন?
→ ইতিহাস ও বীজগণিতে।
১৮. কবে তাঁর একমাত্র বোনের মৃত্যু হয়?
→ ১৮০৩ সালে।
১৯. বোনের মৃত্যুর পর তিনি কী অর্জন করেন?
→ নিঃসন্তান বোনের বিশাল সম্পত্তি।
২০. তিনি জীবনধারণে কেমন ছিলেন?
→ অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন করতেন।
২১. তিনি অর্থ ব্যয় করতেন কোন ক্ষেত্রে?
→ শিক্ষা, চিকিৎসা এবং দরিদ্র মানুষের কল্যাণে।
২২. হুগলীতে তিনি কোন প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন?
→ একটি বিদ্যালয়।
২৩. ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোর প্রভৃতিতে তিনি কী করেছেন?
→ মাদ্রাসার উন্নতি সাধনের জন্য অর্থ দান।
২৪. তিনি কোন বছর ফান্ড গঠন করেন?
→ ১৮০৬ সালে।
২৫. ফান্ড গঠনের উদ্দেশ্য কী ছিল?
→ জনহিতকর কাজের জন্য সম্পত্তি দান।
২৬. তাঁর মৃত্যুর পর কোন প্রতিষ্ঠান হুগলীতে প্রতিষ্ঠিত হয়?
→ হুগলী মহসীন ফান্ড, হুগলী দাতব্য চিকিৎসালয়।
২৭. হুগলী ইমামবাড়া কখন প্রতিষ্ঠিত হয়?
→ ১৮৪৮ সালে।
২৮. ফান্ডের অর্থে কোন সুবিধা পাওয়া যায়?
→ মুসলমান তরুণদের উচ্চ-শিক্ষা লাভের সুযোগ।
২৯. কোন মুসলমান শিক্ষাবিদকে ফান্ডের মাধ্যমে সহায়তা করা হয়েছে?
→ সৈয়দ আমির আলী।
৩০. তাঁর শিক্ষা ও দানশীলতা কাদের জন্য প্রভাবিত হয়েছে?
→ বাঙালি মুসলমান সমাজের জন্য।
৩১. হাজী মুহম্মদ মহসীন মৃত্যুবরণ করেন কখন?
→ ২৯শে নভেম্বর ১৮১২ সালে।
৩২. তিনি কোন শহরে মৃত্যুবরণ করেন?
→ হুগলী।
৩৩. মহসীনের শিক্ষাব্যবস্থা সম্প্রসারণে কোন ধরণের প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হয়?
→ বিদ্যালয়, মাদ্রাসা, ছাত্রাবাস।
৩৪. তিনি কোন ধরনের শিক্ষার প্রচার করতেন?
→ উচ্চ-শিক্ষা ও পাশ্চাত্য শিক্ষার পথ।
৩৫. তাঁর জন্মের সময় বাংলার মুসলমানদের অবস্থা কেমন ছিল?
→ চরম দুর্দিন।
৩৬. তিনি কোন ধরনের শিক্ষার জন্য অর্থ ব্যয় করতেন?
→ সাধারণ মানুষের শিক্ষার জন্য।
৩৭. ফান্ডের স্থায়ী ফলাফল কী ছিল?
→ মুসলমান তরুণদের শিক্ষার পথ সুগম করা।
৩৮. তিনি শিক্ষাজীবনে কত ভাষা শিখেছেন?
→ চারটি (আরবি, ফারসি, উর্দু, ইংরেজি)।
৩৯. তিনি সঙ্গীতও শিখেছিলেন। ঠিক কী?
→ হ্যাঁ, সেতার বাজানো।
৪০. হাজী মুহম্মদ মহসীনকে কোন বিশেষণ দিয়ে সম্বোধন করা হয়?
→ দানশীল বিদ্যানুরাগী মহাপুরুষ।
আরও পড়ুন: SSC 2026 অর্থনীতি ৭ম অধ্যায় MCQ সাজেশন
নওয়াব আব্দুল লতিফ
১. নওয়াব আব্দুল লতিফ কবে জন্মগ্রহণ করেন?
→ ১৮২৮ সালে।
২. তাঁর জন্মস্থান কোথায়?
→ ফরিদপুর জেলায়।
৩. তিনি কোথায় ইংরেজি শিক্ষা লাভ করেন?
→ কোলকাতা মাদ্রাসায়।
৪. শিক্ষাজীবন শেষ করার পর তিনি কোথায় অধ্যাপনা শুরু করেন?
→ ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল।
৫. এরপর তিনি কোথায় অধ্যাপনা করেন?
→ কোলকাতা মাদ্রাসায়।
৬. ১৮৪৯ সালে তিনি কোন পদে যোগদান করেন?
→ ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট।
৭. ১৮৭৭ সালে তাঁর পদোন্নতি কোথায় হয়?
→ কোলকাতা প্রেসিডেন্সির ম্যাজিস্ট্রেট পদে।
৮. তিনি কোন সালে সরকারি চাকরি থেকে অবসর নেন?
→ ১৮৮৪ সালে।
৯. প্রথমে কোন উপাধি পান?
→ খান বাহাদুর।
১০. পরে কোন উপাধি লাভ করেন?
→ নওয়াব।
১১. আব্দুল লতিফ কোন সম্প্রদায়ের শিক্ষার উন্নতি চেয়েছিলেন?
→ বাঙালি মুসলমান।
১২. তিনি মুসলমানদের কোন শিক্ষার গুরুত্ব বোঝান?
→ ইংরেজি শিক্ষা।
১৩. ১৮৫৩ সালে তিনি কী আয়োজন করেন?
→ ‘মুসলমান ছাত্রদের পক্ষে ইংরেজি শিক্ষার সুফল’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতা।
১৪. তাঁর প্রচেষ্টায় কোলকাতা মাদ্রাসায় কোন বিভাগ খোলা হয়?
→ অ্যাংলো-পার্সিয়ান বিভাগ।
১৫. সেখানে কোন ভাষার শিক্ষারও ব্যবস্থা করা হয়?
→ উর্দু ও বাংলা।
১৬. উচ্চশিক্ষায় মুসলমান ছাত্রদের সুবিধার জন্য তিনি কী করেন?
→ সরকারের কাছে সমস্যা তুলে ধরেন।
১৭. তাঁর প্রচেষ্টায় কোন কলেজে মুসলমান ছাত্ররা পড়ালেখা করতে পায়?
→ হিন্দু কলেজ (যা পরে প্রেসিডেন্সি কলেজে রূপান্তরিত হয়)।
১৮. তিনি কোন শহরে মাদ্রাসা স্থাপন করেন?
→ ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম প্রভৃতি।
১৯. মহসীন ফান্ডের টাকা মুসলমান শিক্ষায় ব্যয় করার সিদ্ধান্ত কখন গৃহীত হয়?
→ ১৮৭৩ সালে।
২০. তাঁর প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসাগুলোতে কোন শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়?
→ ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি ইংরেজি ও আধুনিক পাশ্চাত্য শিক্ষা।
২১. ১৮৬৩ সালে কোন প্রতিষ্ঠান তিনি কোলকাতায় প্রতিষ্ঠা করেন?
→ মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি বা মুসলিম সাহিত্য-সমাজ।
২২. আব্দুল লতিফের জীবনের মূল উদ্দেশ্য কয়টি?
→ তিনটি।
২৩. উদ্দেশ্যগুলোর প্রথমটি কী ছিল?
→ মুসলমান সম্প্রদায়ের প্রতি ইংরেজ সরকারের বিদ্বেষ ভাব দূর করা।
২৪. দ্বিতীয় উদ্দেশ্য কী ছিল?
→ মুসলমান সমাজের উন্নতি ও অগ্রগতির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
২৫. তৃতীয় উদ্দেশ্য কী ছিল?
→ হিন্দু ও মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে মৈত্রী প্রতিষ্ঠা করা।
২৬. আব্দুল লতিফ কোন সম্প্রদায়ের শিক্ষায় বিশেষ ভূমিকা রাখেন?
→ মুসলমান ছাত্রদের।
২৭. কোলকাতা মাদ্রাসায় অ্যাংলো-পার্সিয়ান বিভাগ খোলার উদ্দেশ্য কী ছিল?
→ মুসলমানদের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করা।
২৮. রচনা প্রতিযোগিতা আয়োজনের মূল লক্ষ্য কী ছিল?
→ ইংরেজি শিক্ষার সুফল বোঝানো।
২৯. আব্দুল লতিফ ধর্মীয় ও আধুনিক শিক্ষার মধ্যে কোনটি সমন্বয় করেছেন?
→ উভয়ই (ধর্মীয় শিক্ষা + আধুনিক পাশ্চাত্য শিক্ষা)।
৩০. মুসলমান ছাত্রদের উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি সরকারের কাছে কোন ধরণের পদক্ষেপ নিয়েছেন?
→ সুবিধার জন্য আবেদন ও উদ্যোগ।
৩১. মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য কী ছিল?
→ মুসলিম সাহিত্য ও শিক্ষার উন্নতি।
৩২. আব্দুল লতিফের শিক্ষাজীবন কোথায় শেষ হয়?
→ কোলকাতা মাদ্রাসায়।
৩৩. তিনি কোন ধরনের সরকারী পদে কাজ করেছিলেন?
→ ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রেসিডেন্সি ম্যাজিস্ট্রেট।
৩৪. সরকারি চাকরি ছাড়ার বছর কত?
→ ১৮৮৪।
৩৫. মুসলমান শিক্ষার্থীদের জন্য তিনি কোন ধরণের পাঠ্যক্রম চালু করেছেন?
→ ইংরেজি ও আধুনিক শিক্ষা।
৩৬. আব্দুল লতিফের মিশন কোন মূল উদ্দেশ্য পূরণ করেছিল?
→ মুসলমান সমাজের অগ্রগতি।
৩৭. তাঁর প্রচেষ্টায় মুসলমান ছাত্ররা কোন কলেজে ভর্তি হতে পেরেছিল?
→ প্রেসিডেন্সি কলেজ।
৩৮. তিনি কোন শিক্ষাব্যবস্থার প্রসারে প্রভাবশালী ছিলেন?
→ মুসলমান সম্প্রদায়ের আধুনিক শিক্ষার।
৩৯. আব্দুল লতিফ কোন শহরে জন্মগ্রহণ করেন?
→ ফরিদপুর।
৪০. তাঁর প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার প্রধান বৈশিষ্ট্য কী ছিল?
→ ধর্মীয় শিক্ষা ও পাশ্চাত্য আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়।
আরও পড়ুন: SSC 2026 অর্থনীতি ১০ম অধ্যায় MCQ সাজেশন
সৈয়দ আমির আলি
১. সৈয়দ আমির আলি কোন সালে জন্মগ্রহণ করেন?
→ ১৮৪৯ সালে।
২. তাঁর জন্মস্থান কোথায়?
→ হুগলী, বাংলায়।
৩. তিনি কোন শিক্ষার মাধ্যমে মুসলমান সমাজের উন্নতি চেয়েছিলেন?
→ পাশ্চাত্য শিক্ষা।
৪. তিনি কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ. ও বি.এল. ডিগ্রি লাভ করেন?
→ কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়।
৫. ১৮৭৩ সালে তিনি কোন দেশে ব্যারিস্টারি পাস করেন?
→ লন্ডন (লিংকল ইন)।
৬. তিনি ১৮৯০ সালে কোন পদে নিযুক্ত হন?
→ কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি।
৭. ১৯০৯ সালে তিনি কোন পদে নির্বাচিত হন?
→ লন্ডনে প্রিভি কাউন্সিলের সদস্য।
৮. সৈয়দ আমির আলি কোন সম্প্রদায়ের জন্য রাজনৈতিক সংগঠনের প্রয়োজনীয়তা বিশ্বাস করতেন?
→ মুসলমানদের।
৯. ১৮৭৭ সালে তিনি কোন সমিতি গঠন করেন?
→ সেন্ট্রাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন।
১০. তিনি কোন মাধ্যমে মুসলমানদের শিক্ষা ও উন্নতির কথা তুলে ধরতেন?
→ পত্র-পত্রিকায় লেখালেখি করে।
১১. ১৮৮৫ সালে সরকারের কী ব্যবস্থা নেওয়ার প্রভাব পড়ে?
→ মুসলমানদের শিক্ষার অগ্রগতি।
১২. ১৮৮৪ সালে তিনি কোন ক্ষেত্রে শিক্ষাকে উৎসাহিত করেন?
→ মাদ্রাসায় কলেজ পর্যায়ে ইংরেজি শিক্ষা এবং করাচিতে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠা।
১৩. সৈয়দ আমির আলির দুই বিখ্যাত গ্রন্থ কী?
→ ‘The Spirit of Islam’ এবং ‘A Short History of the Saracens’।
১৪. তাঁর গ্রন্থে কী তুলে ধরা হয়েছে?
→ ইসলাম ধর্মের বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা ও ইসলামের অতীত গৌরব।
১৫. তিনি আধুনিক ভারতের উন্নতির জন্য কী বিশ্বাস করতেন?
→ হিন্দু-মুসলমান উভয় সম্প্রদায়ের একযোগে কাজ করা প্রয়োজন।
১৬. ১৯০৬ সালে তিনি কোন প্রতিষ্ঠাকে স্বাগত জানান?
→ মুসলিম লীগ।
১৭. ১৯১২ সালে তিনি কোন প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হন?
→ মুসলিম লীগ।
১৮. সৈয়দ আমির আলি নারী অধিকারের বিষয়ে কী ছিলেন?
→ সচেতন ও সমর্থক।
১৯. সৈয়দ আমির আলি কোন যুগে জন্মগ্রহণ করেন?
→ উনিশ শতকের শেষার্ধে।
২০. তাঁর কাজের মূল লক্ষ্য কী ছিল?
→ মুসলমানদের সামাজিক, শিক্ষাগত ও রাজনৈতিক উন্নতি।
২১. তিনি মুসলমানদের রাজনৈতিক সচেতনতার জন্য কী করতেন?
→ রাজনৈতিক সংগঠন ও পত্র-পত্রিকায় প্রচারণা।
২২. সৈয়দ আমির আলি কোন ক্ষেত্রে বিশেষভাবে প্রভাবশালী ছিলেন?
→ মুসলমান শিক্ষার উন্নয়ন ও রাজনৈতিক সংগঠন।
২৩. ‘সেন্ট্রাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন’ কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
→ কোলকাতা।
২৪. তিনি মুসলমানদের শিক্ষার জন্য কোন দেশে উদাহরণ দেন?
→ লন্ডন (ব্যারিস্টারি পাস এবং শিক্ষা প্রাপ্তি)।
২৫. তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থে ইসলামকে কোন দৃষ্টিকোণ থেকে উপস্থাপন করা হয়েছে?
→ বিজ্ঞানসম্মত ও ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে।
২৬. সৈয়দ আমির আলি কবে মুসলিম লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন?
→ ১৯১২ সালে।
২৭. তিনি কোন সম্প্রদায়ের উন্নতি ও স্বার্থরক্ষার জন্য কাজ করেছেন?
→ বাঙালি মুসলমান সম্প্রদায়।
২৮. ইসলামের গৌরবপূর্ণ ইতিহাসের প্রচারের জন্য তিনি কী করেন?
→ গ্রন্থ রচনা ও প্রবন্ধ লিখে প্রচার।
২৯. তিনি মুসলমানদের কোন দিক সচেতন করতে চেয়েছিলেন?
→ সামাজিক ও রাজনৈতিক।
৩০. সৈয়দ আমির আলি শিক্ষার ক্ষেত্রে কোন ধরণের শিক্ষা প্রচার করতেন?
→ আধুনিক পাশ্চাত্য শিক্ষা।
৩১. তিনি মুসলমানদের শিক্ষার উন্নতির জন্য কোন প্রতিষ্ঠান গঠন করেন?
→ সেন্ট্রাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন।
৩২. তিনি মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাকে কীভাবে দেখেন?
→ সমর্থন করেছেন ও স্বাগত জানিয়েছেন।
৩৩. সৈয়দ আমির আলি কোন শহরে জন্মগ্রহণ করেন?
→ হুগলী।
৩৪. তার পেশাগত জীবনে গুরুত্বপূর্ণ পদ কী ছিল?
→ কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি।
৩৫. তিনি কোন দেশে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেন?
→ ইংল্যান্ড (লন্ডন)।
৩৬. সৈয়দ আমির আলি মুসলমানদের শিক্ষায় কোন স্তরে গুরুত্বারোপ করেন?
→ কলেজ পর্যায়ের উচ্চশিক্ষা।
৩৭. তিনি মুসলমানদের মধ্যে কোন সচেতনতা সৃষ্টি করতে চেয়েছিলেন?
→ সামাজিক, শিক্ষাগত ও রাজনৈতিক সচেতনতা।
৩৮. তাঁর রাজনৈতিক উদ্যোগের লক্ষ্য কী ছিল?
→ মুসলিম সম্প্রদায়ের স্বার্থরক্ষা ও দাবি-দাওয়ার প্রতি সরকারের মনোযোগ আনা।
৩৯. তিনি মুসলিম লীগকে সমর্থন দেওয়ার আগে কোন রাজনৈতিক সংগঠন গঠন করেছিলেন?
→ সেন্ট্রাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন।
৪০. সৈয়দ আমির আলির প্রভাব কাদের উপর পড়েছিল?
→ মুসলমান শিক্ষাবিদ ও শিক্ষার্থীদের উপর
আরও পড়ুনঃ SSC 2026 ভূগোল ২য় অধ্যায় MCQ সাজেশন | ১০০% কমন
বেগম রোকেয়া
১. বেগম রোকেয়া কোন সালে জন্মগ্রহণ করেন?
→ ১৮৮০ সালে।
২. তাঁর জন্মস্থান কোথায়?
→ রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দ গ্রামে।
৩. তাঁর পিতার নাম কী?
→ জহিরুদ্দিন মোহাম্মদ আবু আলি সাবের।
৪. তাঁর মাতার নাম কী?
→ মোসাম্মৎ বাহাতননেসা সাবেরা চৌধুরানি।
৫. বেগম রোকেয়া কোন সম্প্রদায়ের মেয়ে ছিলেন?
→ মুসলিম।
৬. বেগম রোকেয়া শিক্ষার জন্য কাদের কাছে সহায়তা পেয়েছিলেন?
→ বড় ভাই ইব্রাহিম সাবের ও বড় বোন করিমুন্নেসার কাছ থেকে।
৭. তিনি কোন ভাষায় শিক্ষা লাভ করেন?
→ উর্দু, আরবি, ফারসি, বাংলা ও ইংরেজি।
৮. বেগম রোকেয়ার লেখালেখির বিষয়বস্তু প্রধানত কী ছিল?
→ নারী সমাজ ও সমাজের কুসংস্কার।
৯. তিনি কোন কিশোর বয়স থেকেই সাহিত্যচর্চা শুরু করেন?
→ কিশোর বয়স থেকেই।
১০. বেগম রোকেয়ার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের নাম কী কী?
→ “অবরোধবাসিনী”, “পদ্মরাগ”, “মতিচূর”, “সুলতানার স্বপ্ন”।
১১. বেগম রোকেয়া কোন ধরনের সমাজ পরিবর্তনের জন্য কাজ করেছেন?
→ নারী শিক্ষা ও নারী সমাজের উন্নতি।
১২. বেগম রোকেয়া কোন ক্ষেত্রে শিক্ষার বিস্তার করেছেন?
→ প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা।
১৩. বেগম রোকেয়া কোলকাতায় কোন স্কুল স্থাপন করেন ১৯১১ সালে?
→ সাখাওয়াত মেমোরিয়াল উর্দু প্রাইমারি স্কুল।
১৪. স্কুলটি পরে কোন ধাপে উন্নীত হয়?
→ উচ্চ ইংরেজি গার্লস স্কুলে।
১৫. বেগম রোকেয়া স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা ও সুপারিনটেনডেন্ট কবে পর্যন্ত ছিলেন?
→ মৃত্যু পর্যন্ত।
১৬. নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কোন সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন তিনি?
→ আঞ্জুমান খাওয়াতিনে ইসলাম (মুসলিম মহিলা সমিতি)।
১৭. সমিতি প্রতিষ্ঠার বছর কোনটি?
→ ১৯১৬ সালে।
১৮. সমিতি কোন কাজের জন্য ভূমিকা রাখে?
→ নারীর শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও আইনগত অধিকার প্রতিষ্ঠা।
১৯. বেগম রোকেয়া নারীমুক্তি আন্দোলনে কীভাবে ছিলেন?
→ পথিকৃৎ ও তীব্র ক্ষোভ ও বিদ্রোহের প্রতীক।
২০. তিনি মৃত্যুর আগে কোথায় ছিলেন?
→ কোলকাতা।
২১. মৃত্যুর বছর কোনটি?
→ ১৯৩২ সালে।
২২. বেগম রোকেয়া কাদের কাছে গভীর রাতে শিক্ষা নিতেন?
→ বড় ভাই ও বড় বোনের কাছ থেকে।
২৩. বেগম রোকেয়া কোন পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন?
→ সম্ভ্রান্ত ও রক্ষণশীল মুসলিম পরিবারে।
২৪. শিক্ষার ক্ষেত্রে তিনি কোন বাধার মুখোমুখি হন?
→ সমাজ ধর্মের নামে গৃহবন্দী রাখা।
২৫. তিনি কবে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করেন?
→ স্বামীর নামে ভাগলপুরে।
২৬. তার স্বামী শিক্ষার ক্ষেত্রে কেমন ভূমিকা রাখেন?
→ জ্ঞানচর্চার উৎসাহ।
২৭. বেগম রোকেয়া কোন বয়সে সাহিত্যচর্চা শুরু করেন?
→ কিশোর বয়সে।
২৮. তাঁর সাহিত্যকর্মে প্রধান বার্তা কী?
→ নারীর করুণ অবস্থা ও বৈষম্য।
২৯. বেগম রোকেয়া কোন শহরে স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন ১৯১১ সালে?
→ কোলকাতা।
৩০. আঞ্জুমান খাওয়াতিনে ইসলাম কোন শহরে প্রতিষ্ঠিত হয়?
→ কোলকাতা।
৩১. সমিতির মাধ্যমে নারী শিক্ষার উদ্দেশ্য কী ছিল?
→ শিক্ষার মাধ্যমে নারী ক্ষমতায়ন।
৩২. বেগম রোকেয়া সাহিত্য চর্চায় কোন সামাজিক কুসংস্কারের বিরুদ্ধে লিখেছেন?
→ নারীর প্রতি বৈষম্য ও সমাজের কুসংস্কার।
৩৩. তার মৃত্যু কবে ঘটে?
→ ১৯৩২ সালে।
৩৪. তিনি কোন জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন?
→ রংপুর।
৩৫. বেগম রোকেয়ার লেখার মাধ্যমে সমাজকে কী দেখাতে চেয়েছেন?
→ নারীদের দুর্দশা ও বৈষম্যমূলক আচরণ।
৩৬. তিনি কোন গ্রন্থে নারী সমাজের চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন?
→ “অবরোধবাসিনী”, “পদ্মরাগ”, “মতিচূর”, “সুলতানার স্বপ্ন”।
৩৭. স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে তাঁর ভূমিকা কী ছিল?
→ স্কুল পরিচালনা ও শিক্ষাদান।
৩৮. বেগম রোকেয়ার শিক্ষাব্যবস্থা মূলত কাদের জন্য ছিল?
→ মুসলিম মেয়েদের জন্য।
৩৯. তিনি নারী শিক্ষা ছাড়াও কোন ক্ষেত্রে কাজ করেছেন?
→ নারী কর্মসংস্থান ও আইনগত অধিকার প্রতিষ্ঠা।
৪০. বেগম রোকেয়া নারীর ক্ষমতায়ন আন্দোলনের জন্য কোন উপাধিতে পরিচিত?
→ নারীমুক্তি আন্দোলনের পথিকৃৎ।
বেগম রোকেয়া সম্পর্কিত FAQ )
১. বেগম রোকেয়া কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
→ রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দ গ্রামে।
২. জন্মের সাল কত?
→ ১৮৮০ সালে।
৩. বেগম রোকেয়ার পিতার নাম কী?
→ জহিরুদ্দিন মোহাম্মদ আবু আলি সাবের।
৪. তাঁর মাতার নাম কী?
→ মোসাম্মৎ বাহাতননেসা সাবেরা চৌধুরানি।
৫. বেগম রোকেয়া কোন ভাষায় শিক্ষা লাভ করেছেন?
→ উর্দু, আরবি, ফারসি, বাংলা ও ইংরেজি।
৬. কিশোর বয়সে বেগম রোকেয়া কোন ধরণের কার্যক্রমে মনোনিবেশ করেন?
→ সাহিত্যচর্চায়।
৭. তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের নাম কী?
→ “অবরোধবাসিনী”, “পদ্মরাগ”, “মতিচূর”, “সুলতানার স্বপ্ন”।
৮. বেগম রোকেয়া কোন ধরণের সমাজের জন্য লেখালেখি করেছেন?
→ নারীর অধিকার ও সামাজিক কুসংস্কারের বিরুদ্ধে।
৯. বেগম রোকেয়া কবে এবং কোথায় প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করেন?
→ ভাগলপুরে, স্বামীর নামে।
১০. কোলকাতায় বেগম রোকেয়া কোন স্কুল স্থাপন করেন?
→ সাখাওয়াত মেমোরিয়াল উর্দু প্রাইমারি স্কুল (১৯১১ সালে)।
সৈয়দ আমির আলি সম্পর্কিত FAQ
১১. সৈয়দ আমির আলি কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
→ হুগলীর এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে।
১২. জন্মের সাল কত?
→ ১৮৪৯ সালে।
১৩. সৈয়দ আমির আলি কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা লাভ করেন?
→ কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ. ও বি.এল ডিগ্রি।
১৪. ১৮৭৩ সালে তিনি কোথা থেকে ব্যারিস্টারি পাস করেন?
→ লন্ডনের লিংকল ইন থেকে।
১৫. সৈয়দ আমির আলি কবে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি নিযুক্ত হন?
→ ১৮৯০ সালে।
১৬. তিনি কোন রাজনৈতিক সংগঠন গঠন করেন?
→ ১৮৭৭ সালে কোলকাতায় ‘সেন্ট্রাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন’।
১৭. সৈয়দ আমির আলি মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠার প্রতি কেমন মনোভাব পোষণ করেছিলেন?
→ তিনি মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠাকে স্বাগত জানান।
১৮. তিনি কোন বছরে মুসলিম লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন?
→ ১৯১২ সালে।
১৯. সৈয়দ আমির আলির দুইটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম কী?
→ ‘The Spirit of Islam’ এবং ‘A Short History of the Saracens’।
২০. তিনি কোন সামাজিক বিষয়ের প্রতি সচেতন ছিলেন?
→ নারী অধিকার, মুসলমানদের শিক্ষা ও সামাজিক উন্নতি।
উপসংহার
পরিশেষে বলতে চাই যে, উপরের সকল প্রশ্নের উত্তরগুলো নিয়মিত চর্চা করলে SSC পরীক্ষা 2026 এ ভালো করতে পারবে ইনশাআল্লাহ্। তবে আরো ভালো ফলাফল করতে তোমার পাঠ্যবই নিয়মিত অধ্যয়ন করবে। ধারাবাহিকভাবে অন্যান্য সকল অধ্যায়ের সাজেশন দেওয়া হবে। বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের সাজেশন পেতে শিক্ষা টেক ২৪ ওয়েবসাইটটি সাবস্ক্রাইব করবে। পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গে তোমার ইমেইলে নটিফিকেশন যাবে। নিজে পড়বে এবং ফেইসবুক সহ অন্যান্য মাধমে বন্ধুদের কাছে শেয়ার করবে। কোন বিষয়ের সাজেশন চাও তা জানাতে কমেন্ট করবে।
আরও পড়ুনঃ
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আমি মোঃ আনোয়ার হোসেন, পেশায় একজন শিক্ষক এবং অনলাইন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর। নিত্য নতুন কন্টেন্ট পেতে shikkhatech24.com ওয়েবসাইটটি সাবস্ক্রাইব এবং ফেইসবুকে শেয়ার করুন।
