এসএসসি ২০২৬ ইতিহাস ৮ম অধ্যায় সাজেশন
এসএসসি ২০২৬ ইতিহাস ৮ম অধ্যায় সাজেশন। ইতিহাস ৮ম অধ্যায় জ্ঞানমূলক, MCQ, সৃজনশীল এর জন্য। ধারাবাহিকভাবে সকল অধ্যায়ের জ্ঞানমূলক, MCQ, সৃজনশীল দেওয়া হবে। ১০০% কমন পড়বে ইনশাআল্লাহ্। এই অধ্যায়ের নাম-বাংলায় ইংরেজ শাসনের সূচনাপর্ব
তোমাদের বোর্ড বইয়ের প্রতিটি লাইন থেকে প্রশ্ন দেওয়া হয়েছে যেগুলো নিয়মিত অধ্যয়ন করলে এমসিকিউসহ সকল প্রশ্নের উত্তর করতে পারবে ইনশাআল্লাহ্। চলো, এবার আলোচনা করা যাক।
বাংলায় ইংরেজ শাসনের সূচনাপর্ব
১। প্রশ্ন: বাংলার গ্রামগুলোকে কেন স্বয়ংসম্পূর্ণ বলা হত?
উত্তর: কারণ গ্রামের ক্ষেতভরা ফসল, গোলাভরা ধান, পুকুরভরা মাছ এবং কুটির শিল্প সবই মানুষের চাহিদা পূরণ করত।
২। প্রশ্ন: বাংলার কোন কাপড় ইউরোপে বিখ্যাত ছিল?
উত্তর: মসলিন কাপড়।
৩। প্রশ্ন: ইউরোপীয়রা কেন ভারত উপমহাদেশে আসত?
উত্তর: বাণিজ্যিক পণ্য ও মসলার আকর্ষণে।
৪। প্রশ্ন: ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রথমে কী উদ্দেশ্যে উপমহাদেশে এসেছিল?
উত্তর: ব্যবসা-বাণিজ্য করার জন্য।
৫। প্রশ্ন: ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কীভাবে শাসন ক্ষমতা দখল করে?
উত্তর: অন্যান্য ইউরোপীয় কোম্পানিকে পরাজিত করে এবং স্থানীয় শাসকদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে।
ইউরোপীয়দের আগমন
১. সপ্তম শতক থেকে কারা এ অঞ্চলের সঙ্গে বাণিজ্য করত?
উত্তর: আরব বণিকরা।
২. আরব বণিকরা কোন পথে বাণিজ্য করত?
উত্তর: সমুদ্রপথে।
৩. কন্সস্টান্টিনোপোল কে দখল করে?
উত্তর: উসমানীয় তুর্কিরা।
৪. কন্সস্টান্টিনোপোল কবে দখল হয়?
উত্তর: ১৪৫৩ সালে।
৫. কন্সস্টান্টিনোপোল দখলের ফলে কী ঘটে?
উত্তর: প্রাচ্যের সঙ্গে ইউরোপের জলপথে বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যায়।
৬. ইউরোপীয়রা কেন নতুন সমুদ্রপথ আবিষ্কার করে?
উত্তর: প্রাচ্যের সঙ্গে বাণিজ্য চালু রাখার জন্য।
৭. প্রথম সমুদ্রপথে ভারতবর্ষে কে আসেন?
উত্তর: ভাস্কো-ডা-গামা।
৮. ভাস্কো-ডা-গামা কোন সালে ভারতে আসেন?
উত্তর: ১৪৯৮ সালের ২৭শে মে।
৯. ভাস্কো-ডা-গামা কোথায় অবতরণ করেন?
উত্তর: কালিকট বন্দরে।
১০. ভাস্কো-ডা-গামার আগমনে কী সূচনা হয়?
উত্তর: নতুন বাণিজ্য যুগের সূচনা।
১১. পর্তুগিজরা প্রথম কোথায় কুঠি স্থাপন করে?
উত্তর: কালিকট, চৌল, বোম্বাই প্রভৃতি বন্দরে।
১২. পর্তুগিজরা কবে চট্টগ্রাম ও সাতগাঁওয়ে কুঠি স্থাপনের অনুমতি পায়?
উত্তর: ১৫৩৮ সালে।
১৩. পর্তুগিজরা হুগলিতে উপনিবেশ কবে গড়ে তোলে?
উত্তর: ১৫৭৯ সালে।
১৪. বাংলায় পর্তুগিজদের প্রসার ঘটে কোন কোন অঞ্চলে?
উত্তর: উড়িষ্যা ও বাংলার কিছু অঞ্চল।
১৫. বাংলার কোন সুবাদার পর্তুগিজদের বিতাড়ন করেন?
উত্তর: শায়েস্তা খান।
১৬. শায়েস্তা খান পর্তুগিজদের কোথা থেকে বিতাড়ন করেন?
উত্তর: চট্টগ্রাম ও সন্দ্বীপ থেকে।
১৭. পর্তুগিজরা কেন ব্যর্থ হয়?
উত্তর: দস্যুতা ও অপকর্মের কারণে।
১৮. ওলন্দাজরা কোন দেশের অধিবাসী?
উত্তর: হল্যান্ড।
১৯. ওলন্দাজরা কোন সালে ভারতে আসে?
উত্তর: ১৬০২ সালে।
২০. ওলন্দাজরা কোন কোম্পানি গঠন করে?
উত্তর: ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি।
২১. ওলন্দাজরা বাংলার কোথায় কুঠি স্থাপন করে?
উত্তর: চুঁচুড়া ও বাঁকুড়ায়।
২২. ওলন্দাজরা আরও কোথায় কুঠি স্থাপন করে?
উত্তর: বালাসোর, কাশিমবাজার, বরানগরে।
২৩. ওলন্দাজ ও কার মধ্যে বিরোধ শুরু হয়?
উত্তর: ইংরেজদের সঙ্গে।
২৪. বিদারার যুদ্ধ কবে হয়?
উত্তর: ১৭৫৯ সালে।
২৫. বিদারার যুদ্ধে কে পরাজিত হয়?
উত্তর: ওলন্দাজরা।
২৬. ওলন্দাজরা কবে ভারত ত্যাগ করে?
উত্তর: ১৮০৫ সালে।
২৭. ওলন্দাজদের পতন কাদের পথ সুগম করে?
উত্তর: ইংরেজদের।
২৮. দিনেমাররা কোন কোম্পানি গঠন করে?
উত্তর: ডেনিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি।
২৯. দিনেমাররা কবে ভারতে আসে?
উত্তর: ১৬২০ সালে।
৩০. দিনেমাররা প্রথম কোথায় কুঠি স্থাপন করে?
উত্তর: ত্রিবাঙ্কুরে।
৩১. বাংলায় দিনেমাররা কোথায় কুঠি স্থাপন করে?
উত্তর: শ্রীরামপুরে।
৩২. দিনেমাররা বাংলায় কবে কুঠি স্থাপন করে?
উত্তর: ১৬৭৬ সালে।
৩৩. দিনেমাররা কবে এদেশ ত্যাগ করে?
উত্তর: ১৮৪৫ সালে।
৩৪. দিনেমাররা কুঠি কাকে বিক্রি করে?
উত্তর: ইংরেজদের।
৩৫. দিনেমাররা কেন ব্যর্থ হয়?
উত্তর: ব্যবসায় লাভজনক না হওয়ায়।
৩৬. ইংরেজরা কোন সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠন করে?
উত্তর: ১৬০০ সালে।
৩৭. ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কার কাছ থেকে সনদ পায়?
উত্তর: রানি এলিজাবেথের কাছ থেকে।
৩৮. ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কত বছরের সনদ পায়?
উত্তর: ১৫ বছরের।
৩৯. ক্যাপ্টেন হকিন্স কবে ভারতে আসেন?
উত্তর: ১৬০৮ সালে।
৪০. ক্যাপ্টেন হকিন্স কাকে সাক্ষাৎ করেন?
উত্তর: সম্রাট জাহাঙ্গীরকে।
আরও পড়ুনঃ ইতিহাস ২য় অধ্যায় সাজেশনঃ বিশ্বসভ্যতা (মিশর, সিন্ধু, গ্রিক, রোম)
৪১. ইংরেজরা প্রথম কোথায় কুঠি স্থাপন করে?
উত্তর: সুরাটে।
৪২. সুরাটে কুঠি কবে স্থাপিত হয়?
উত্তর: ১৬১২ সালে।
৪৩. স্যার টমাস রো কবে ভারতে আসেন?
উত্তর: ১৬১৫ সালে।
৪৪. দিনেমাররা কোন সালে শ্রীরামপুরে কুঠি স্থাপন করে?
উত্তর: ১৬৭৬ সালে।
৪৫. দিনেমাররা প্রথম কোথায় কুঠি স্থাপন করেছিল?
উত্তর: ত্রিবাঙ্কুরে।
৪৬. দিনেমাররা কোন সালে ডেনিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠন করে?
উত্তর: ১৬২০ সালে।
৪৭. দিনেমাররা কেন ভারত ছেড়ে যায়?
উত্তর: ব্যবসায়িক ব্যর্থতার কারণে।
৪৮. দিনেমাররা কবে কুঠি বিক্রি করে?
উত্তর: ১৮৪৫ সালে।
৪৯. ইংরেজরা কোন সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠন করে?
উত্তর: ১৬০০ সালে।
৫০. ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কার কাছ থেকে সনদ লাভ করে?
উত্তর: রানি এলিজাবেথের কাছ থেকে।
৫১. সনদ কত বছরের জন্য দেওয়া হয়েছিল?
উত্তর: ১৫ বছরের জন্য।
৫২. ক্যাপ্টেন হকিন্স কোন সম্রাটের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন?
উত্তর: জাহাঙ্গীর।
৫৩. ইংরেজরা প্রথম কোন সালে সুরাটে কুঠি স্থাপন করে?
উত্তর: ১৬১২ সালে।
৫৪. স্যার টমাস রো কবে জাহাঙ্গীরের দরবারে আসেন?
উত্তর: ১৬১৫ সালে।
৫৫. স্যার টমাস রো কত সালে ভারত ত্যাগ করেন?
উত্তর: ১৬১৯ সালে।
৫৬. ইংরেজরা প্রথমে কোন কোন স্থানে কুঠি স্থাপন করে?
উত্তর: সুরাট, আগ্রা, আহমেদাবাদ।
৫৭. শাহ সুজা ইংরেজদের হুগলিতে কুঠি স্থাপনের অনুমতি কবে দেন?
উত্তর: ১৬৫৮ সালে।
৫৮. কোন শহর যৌতুক হিসেবে ইংরেজরা পায়?
উত্তর: বোম্বাই।
৫৯. বোম্বাই কার বিয়ের যৌতুক ছিল?
উত্তর: পর্তুগিজ রাজকন্যা ক্যাথারিনের।
৬০. রাজা দ্বিতীয় চার্লস কত টাকায় বোম্বাই বিক্রি করেন?
উত্তর: ৫০,০০০ পাউন্ডে।
৬১. বোম্বাই পরবর্তীতে কী হয়ে ওঠে?
উত্তর: প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্র।
৬২. জব চার্নক কোন সালে কলকাতার জমিদারিস্বত্ব পান?
উত্তর: ১৬৯০ সালে।
৬৩. তিনি কত টাকায় জমিদারিস্বত্ব পান?
উত্তর: ১২০০ টাকায়।
৬৪. কোন তিনটি গ্রামের জমিদারিস্বত্ব পান?
উত্তর: কলকাতা, সুতানটি, গোবিন্দপুর।
৬৫. কলকাতায় কোন দুর্গ নির্মিত হয়?
উত্তর: ফোর্ট উইলিয়াম।
৬৬. ফোর্ট উইলিয়াম কবে নির্মাণ হয়?
উত্তর: ১৭০০ সালে।
৬৭. কোন সম্রাট ইংরেজদের বিনা শুল্কে বাণিজ্যের অধিকার দেন?
উত্তর: ফাররুখশিয়ার।
৬৮. ফাররুখশিয়ারের ফরমানকে কী বলা হয়?
উত্তর: ম্যাগনা কার্টা।
৬৯. ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কবে গঠিত হয়?
উত্তর: ১৬৬৪ সালে।
৭০. ফরাসিরা প্রথম কোথায় কুঠি স্থাপন করে?
উত্তর: সুরাটে।
৭১. ফরাসিরা মুসলিপট্টমে কবে কুঠি স্থাপন করে?
উত্তর: ১৬৬৯ সালে।
৭২. ফরাসিদের প্রধান উপনিবেশ কোথায়?
উত্তর: পন্ডিচেরি।
৭৩. ফরাসিরা বাংলায় কোথায় উপনিবেশ গড়ে তোলে?
উত্তর: চন্দননগরে।
৭৪. চন্দননগর কবে শক্তিশালী কুঠিতে রূপান্তরিত হয়?
উত্তর: ১৬৯০-১৬৯২ সালে।
৭৫. ফরাসিরা কবে দুর্গ নির্মাণ করে?
উত্তর: ১৬৯৬ সালে।
৭৬. ফরাসিরা কোন সালে বাংলা, বিহার, উড়িষ্যায় বাণিজ্যের অধিকার পায়?
উত্তর: ১৬৯৩ সালে।
৭৭. ফরাসিদের সঙ্গে ইংরেজদের সংঘর্ষ কেন হয়?
উত্তর: সাম্রাজ্য স্থাপনের প্রতিযোগিতায়।
৭৮. ফরাসিরা কোন যুদ্ধে নবাবকে সমর্থন দেয়?
উত্তর: ১৭৫৭ সালের পলাশির যুদ্ধে।
৭৯. পলাশির যুদ্ধে কে বিজয়ী হয়?
উত্তর: ইংরেজরা।
৮০. পলাশির যুদ্ধের পর ফরাসিদের কী হয়?
উত্তর: বিপর্যস্ত হয়ে কুঠি হারায়।
৮১. বাংলার ফরাসি কুঠিগুলো কে দখল করে?
উত্তর: ইংরেজরা।
৮২. কর্ণাটকের যুদ্ধে কারা পরাজিত হয়?
উত্তর: ফরাসিরা।
৮৩. কর্ণাটকের যুদ্ধে ইংরেজরা কেন জেতে?
উত্তর: উন্নত রণকৌশল ও ষড়যন্ত্রে।
৮৪. ফরাসিরা পরাজয়ের পর কী করে?
উত্তর: ভারত ত্যাগ করে।
৮৫. সর্বশেষ আগত ইউরোপীয় শক্তি কোনটি?
উত্তর: ফরাসিরা।
৮৬. ইংরেজরা কোন কারণে অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়?
উত্তর: ফরাসিদের পরাজয়ের ফলে।
৮৭. ফাররুখশিয়ার কোন অধিকার দেন ইংরেজদের?
উত্তর: বিনা শুল্কে বাণিজ্য ও নিজস্ব মুদ্রা প্রচলন।
৮৮. ইংরেজ ঐতিহাসিক ওরমে কোন ফরমানকে ম্যাগনা কার্টা বলেন?
উত্তর: ফাররুখশিয়ারের ফরমানকে।
৮৯. ফরাসিদের দুর্গ কোথায় স্থাপিত হয়েছিল?
উত্তর: চন্দননগরে।
৯০. চন্দননগর কোন নদীর তীরে?
উত্তর: গঙ্গা নদীর তীরে।
৯১. বাংলার সুবাদার শায়েস্তা খান চন্দননগর কাকে বিক্রি করেন?
উত্তর: ফরাসিদের।
৯২. ইংরেজরা প্রথম কোন সম্রাটের দরবারে যায়?
উত্তর: আকবরের দরবারে।
৯৩. ইংরেজ দূত স্যার টমাস রো কত বছর ভারতে ছিলেন?
উত্তর: প্রায় ৪ বছর।
৯৪. ইংরেজরা করমণ্ডল উপকূলে কোন দুর্গ নির্মাণ করে?
উত্তর: মাদ্রাজে দুর্গ।
৯৫. ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কাশিমবাজারে কেন কুঠি স্থাপন করে?
উত্তর: বাণিজ্য বিস্তারের জন্য।
৯৬. নবাব সিরাজউদ্দৌলার সময় কোন যুদ্ধে ইংরেজরা প্রভাবশালী হয়?
উত্তর: পলাশির যুদ্ধে।
৯৭. ফরাসিদের বাংলায় প্রধান ঘাঁটি কোনটি ছিল?
উত্তর: চন্দননগর।
৯৮. ফরাসি কোম্পানি বাংলায় কোন সালে কার্যক্রম শুরু করে?
উত্তর: ১৬৭৪ সালের পর।
৯৯. ইংরেজ ও ফরাসিদের সংঘর্ষ কেন অনিবার্য হয়েছিল?
উত্তর: উভয়ে সাম্রাজ্য স্থাপন করতে চাইছিল।
১০০. শেষ পর্যন্ত ভারতবর্ষে একচ্ছত্র আধিপত্য কার প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তর: ইংরেজদের।
আরও পড়ুনঃ ইতিহাস ৪র্থ অধ্যায় সাজেশন ২০২৬
পলাশির যুদ্ধ প্রশ্নোত্তর
১. প্রশ্ন: ১৭৪০ থেকে ১৭৫৬ সাল পর্যন্ত বাংলার নবাব কে ছিলেন?
উত্তর: আলীবর্দি খান।
২. প্রশ্ন: আলীবর্দি খান কোন কোন অঞ্চল শাসন করতেন?
উত্তর: বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যা।
৩. প্রশ্ন: আলীবর্দি খান কাদের দমন করেছিলেন?
উত্তর: মারাঠা ও বর্গিদের।
৪. প্রশ্ন: আলীবর্দি খান কাকে উত্তরাধিকার মনোনীত করেছিলেন?
উত্তর: দৌহিত্র সিরাজউদ্দৌলাকে।
৫. প্রশ্ন: সিরাজউদ্দৌলা কত সালে নবাব হন?
উত্তর: ১৭৫৬ সালে।
৬. প্রশ্ন: নবাব হওয়ার সময় সিরাজউদ্দৌলার বয়স কত ছিল?
উত্তর: ২২ বছর।
৭. প্রশ্ন: নবাব হওয়ার পর সিরাজউদ্দৌলার প্রথম সমস্যা কী ছিল?
উত্তর: পরিবারের ঘনিষ্ঠজনদের ষড়যন্ত্র।
৮. প্রশ্ন: ঘসেটি বেগম কে ছিলেন?
উত্তর: আলীবর্দি খানের জ্যেষ্ঠ কন্যা।
৯. প্রশ্ন: ঘসেটি বেগম কার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেন?
উত্তর: নবাব সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে।
১০. প্রশ্ন: ঘসেটি বেগমকে কে নজরবন্দী করেন?
উত্তর: সিরাজউদ্দৌলা।
১১. প্রশ্ন: পূর্ণিয়ার শাসনকর্তা কে ছিলেন?
উত্তর: শওকত জঙ্গ।
১২. প্রশ্ন: শওকত জঙ্গ বিদ্রোহ করলে কী হয়?
উত্তর: নবাব তাকে যুদ্ধে পরাজিত ও নিহত করেন।
১৩. প্রশ্ন: পলাশির যুদ্ধের পটভূমি তৈরি করে কারা?
উত্তর: দেশি-বিদেশি বণিক, অভিজাত শ্রেণি, রাজন্যবর্গ, মীর জাফর প্রমুখ।
১৪. প্রশ্ন: ইংরেজরা নতুন নবাবকে কী করেনি?
উত্তর: উপঢৌকন পাঠায়নি বা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেনি।
১৫. প্রশ্ন: কলকাতায় ইংরেজরা নবাবের নিষেধ অমান্য করে কী করেছিল?
উত্তর: দুর্গ নির্মাণ।
১৬. প্রশ্ন: ইংরেজরা দস্তকের অপব্যবহার করলে কারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়?
উত্তর: দেশীয় বণিকরা।
১৭. প্রশ্ন: ইংরেজরা নবাবকে কী দিতে অস্বীকৃতি জানায়?
উত্তর: কর।
১৮. প্রশ্ন: রাজা রাজবল্লভের পুত্র কে ইংরেজদের কাছে আশ্রয় নেন?
উত্তর: কৃষ্ণদাস।
১৯. প্রশ্ন: নবাব কৃষ্ণদাসকে ফেরত চাইলে ইংরেজরা কী করে?
উত্তর: দূতকে অপমান করে তাড়িয়ে দেয়।
২০. প্রশ্ন: নবাব কলকাতা দখল করেন কবে?
উত্তর: ১৭৫৬ সালের জুন মাসে।
২১. প্রশ্ন: কলকাতা দখলের আগে নবাব কোন কুঠি দখল করেন?
উত্তর: কাশিমবাজার কুঠি।
২২. প্রশ্ন: নবাব কলকাতা দখল করলে ইংরেজরা কোথায় পালায়?
উত্তর: ফোর্ট উইলিয়াম ত্যাগ করে পালায়।
২৩. প্রশ্ন: কে মিথ্যা প্রচারণা চালায়?
উত্তর: হলওয়েল।
২৪. প্রশ্ন: ‘অন্ধকূপ হত্যা’ কাকে বলা হয়?
উত্তর: হলওয়েলের প্রচারিত মিথ্যা কাহিনীকে।
২৫. প্রশ্ন: অন্ধকূপ হত্যায় কতজন মারা গেছে বলে দাবি করা হয়?
উত্তর: ১২৩ জন।
২৬. প্রশ্ন: অন্ধকূপ হত্যার মিথ্যা প্রচার কোথায় পৌঁছে যায়?
উত্তর: মাদ্রাজে।
27. প্রশ্ন: ইংরেজরা কলকাতা পুনর্দখল করতে কাদের নেতৃত্বে আসে?
উত্তর: ওয়াটসন ও ক্লাইভ।
28. প্রশ্ন: কলকাতা পুনর্দখলের সময় নবাবের সেনাপতি কে ছিলেন?
উত্তর: মানিকচাঁদ।
29. প্রশ্ন: নবাবকে নতজানু সন্ধি করতে হয় কোন সন্ধি?
উত্তর: আলীনগর সন্ধি।
30. প্রশ্ন: আলীনগর সন্ধির ফল কী হয়েছিল?
উত্তর: ইংরেজরা সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পায়।
31. প্রশ্ন: ইংরেজরা কোন অজুহাতে ফরাসিদের কুঠি দখল করে?
উত্তর: ইউরোপে সপ্তবর্ষব্যাপী যুদ্ধ।
32. প্রশ্ন: নবাব ফরাসিদের সঙ্গে মৈত্রী করলে কে ক্ষুব্ধ হয়?
উত্তর: ক্লাইভ।
33. প্রশ্ন: ষড়যন্ত্রকারীদের মধ্যে বিখ্যাত ব্যবসায়ী কে ছিলেন?
উত্তর: জগৎ শেঠ।
34. প্রশ্ন: নবাবের প্রধান সেনাপতি কে ষড়যন্ত্রে যোগ দেন?
উত্তর: মীর জাফর।
35. প্রশ্ন: পলাশির যুদ্ধ কবে হয়েছিল?
উত্তর: ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন।
36. প্রশ্ন: পলাশির যুদ্ধ কোথায় সংঘটিত হয়?
উত্তর: ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশির আমবাগানে।
37. প্রশ্ন: যুদ্ধের সময় ইংরেজ পক্ষের নেতা কে ছিলেন?
উত্তর: রবার্ট ক্লাইভ।
38. প্রশ্ন: নবাবের পক্ষের বীর সেনাপতি কারা ছিলেন?
উত্তর: মীর মদন, মোহনলাল ও ফরাসি সিন ফ্রে।
39. প্রশ্ন: মীর মদন যুদ্ধে কী হয়?
উত্তর: তিনি নিহত হন।
40. প্রশ্ন: নবাবের সেনাপতি কে অসহযোগিতা করে?
উত্তর: মীর জাফর।
41. প্রশ্ন: মীর জাফরকে কী শপথ করান নবাব?
উত্তর: কোরআন স্পর্শ করিয়ে।
42. প্রশ্ন: তবুও মীর জাফর কী করে?
উত্তর: ষড়যন্ত্র চালিয়ে যায়।
43. প্রশ্ন: নবাবের সৈন্যদের ওপর কারা হঠাৎ আক্রমণ করে?
উত্তর: ইংরেজ সৈন্যরা।
44. প্রশ্ন: নবাব কেন পরাজিত হন?
উত্তর: মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতা ও অসহযোগিতার কারণে।
45. প্রশ্ন: পলাশির যুদ্ধে নবাবের পতনের একটি প্রধান কারণ কী?
উত্তর: তরুণ নবাবের অভিজ্ঞতার অভাব।
46. প্রশ্ন: সিরাজউদ্দৌলা কার উপদেশ গুরুত্ব দেননি?
উত্তর: আলীবর্দি খানের।
47. প্রশ্ন: রবার্ট ক্লাইভ কেমন নেতা ছিলেন?
উত্তর: দূরদর্শী, সূক্ষ্ম ও কূটবুদ্ধিসম্পন্ন।
48. প্রশ্ন: পলাশির যুদ্ধের ফলে কে নিহত হন?
উত্তর: সিরাজউদ্দৌলা।
49. প্রশ্ন: সিরাজউদ্দৌলার মৃত্যুর ফলে কী ঘটে?
উত্তর: বাংলায় মুসলিম শাসনের অবসান হয়।
50. প্রশ্ন: যুদ্ধের পর কে বাংলার নবাব হন?
উত্তর: মীর জাফর।
51. প্রশ্ন: মীর জাফর প্রকৃত ক্ষমতাহীন কেন ছিলেন?
উত্তর: প্রকৃত ক্ষমতা ছিল ক্লাইভের হাতে।
52. প্রশ্ন: পলাশির যুদ্ধের ফলে কারা একচেটিয়া বাণিজ্য অধিকার পায়?
উত্তর: ইংরেজরা।
53. প্রশ্ন: পলাশির যুদ্ধের ফলে কোন ইউরোপীয় শক্তি বিদায় নেয়?
উত্তর: ফরাসিরা।
54. প্রশ্ন: পলাশির যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব কী ছিল?
উত্তর: ইংরেজদের স্বার্থে অর্থনৈতিক পরিবর্তন ঘটে।
55. প্রশ্ন: রাজনৈতিকভাবে এর প্রভাব কী ছিল?
উত্তর: ইংরেজ শক্তির শাসন প্রতিষ্ঠা হয়।
56. প্রশ্ন: পলাশির যুদ্ধকে কী বলা যায়?
উত্তর: উপমহাদেশে স্বাধীনতার সমাপ্তি।
57. প্রশ্ন: যুদ্ধটি কোথায় হয়েছিল—কোলকাতায় নাকি পলাশিতে?
উত্তর: পলাশির আমবাগানে।
58. প্রশ্ন: ইংরেজদের সাথে কারা বিশ্বাসঘাতকতা করে?
উত্তর: মীর জাফর ও তাঁর সহযোগীরা।
59. প্রশ্ন: পলাশির যুদ্ধ ছিল কেমন যুদ্ধ?
উত্তর: একটি খণ্ডযুদ্ধ।
60. প্রশ্ন: খণ্ডযুদ্ধ হলেও এর গুরুত্ব কী ছিল?
উত্তর: উপমহাদেশের রাজনীতিতে এর গুরুত্ব অপরিসীম।
কোম্পানির দেওয়ানি লাভ
১। প্রশ্ন: মীর জাফরের মৃত্যুর পর কে বাংলার নবাব হন?
উত্তর: তাঁর পুত্র নাজিম-উদ-দৌলা।
২। প্রশ্ন: নাজিম-উদ-দৌলাকে নবাব করার সময় কী শর্ত ছিল?
উত্তর: ইংরেজদের দস্তক অনুযায়ী বিনা শুল্কে বাণিজ্য করতে দেওয়া এবং দেশীয় বণিকদের সুবিধা বাতিল করা।
৩। প্রশ্ন: ১৭৬৫ সালে ইংরেজ কোম্পানি কী লাভ করে?
উত্তর: বাংলার দেওয়ানি লাভ করে।
৪। প্রশ্ন: দেওয়ানি লাভ মানে কী?
উত্তর: রাজস্ব আদায়ের সম্পূর্ণ দায়িত্ব পাওয়া।
৫। প্রশ্ন: দেওয়ানি লাভের পর কে বাংলার প্রকৃত শাসক হয়?
উত্তর: ইংরেজ কোম্পানি।
৬। প্রশ্ন: মুর্শিদ কুলি খানের আগে দেওয়ান ও সুবেদার পদে কীভাবে নিয়োগ হতো?
উত্তর: আলাদা আলাদা ব্যক্তিকে দেওয়া হতো।
৭। প্রশ্ন: মুর্শিদ কুলি খান কী পরিবর্তন আনেন?
উত্তর: দেওয়ান ও সুবেদার – দুই পদ একাই দখল করেন।
৮। প্রশ্ন: মুর্শিদ কুলি খানের সময় কেন্দ্রে কী পাঠানো হতো?
উত্তর: নিয়মিত রাজস্ব।
৯। প্রশ্ন: আলীবর্দি খানের সময় থেকে কী বন্ধ হয়ে যায়?
উত্তর: কেন্দ্রে রাজস্ব পাঠানো।
১০। প্রশ্ন: সম্রাট প্রথমে কোম্পানিকে কী অনুরোধ করেন?
উত্তর: বাংলা, বিহার, উড়িষ্যার দেওয়ানি গ্রহণ করতে।
১১। প্রশ্ন: কোম্পানি কি সম্রাটের প্রথম অনুরোধ গ্রহণ করেছিল?
উত্তর: না।
১২। প্রশ্ন: বক্সারের যুদ্ধের পর কবে ক্লাইভ দ্বিতীয়বার ভারতে আসেন?
উত্তর: ১৭৬৫ সালে।
১৩। প্রশ্ন: ক্লাইভ প্রথমে কার দিকে নজর দেন?
উত্তর: অযোধ্যার নবাব ও দিল্লির সম্রাটের দিকে।
১৪। প্রশ্ন: অযোধ্যার নবাবের সঙ্গে ক্লাইভ কী করেন?
উত্তর: মৈত্রী স্থাপন করেন।
১৫। প্রশ্ন: এই মৈত্রীর বিনিময়ে ক্লাইভ কী পান?
উত্তর: কারা ও এলাহাবাদ জেলা।
১৬। প্রশ্ন: যুদ্ধক্ষতিপূরণ বাবদ ক্লাইভ কত টাকা পান?
উত্তর: পঞ্চাশ লক্ষ টাকা।
১৭। প্রশ্ন: দেওয়ানি নিয়ে ক্লাইভ কতটি চুক্তি করেন?
উত্তর: দুইটি।
১৮। প্রশ্ন: প্রথম চুক্তি কার সঙ্গে হয়েছিল?
উত্তর: দিল্লির সম্রাট শাহ আলমের সঙ্গে।
১৯। প্রশ্ন: শাহ আলমের সঙ্গে করা চুক্তিতে কোম্পানি কী পায়?
উত্তর: বাংলা, বিহার, উড়িষ্যার দেওয়ানি।
২০। প্রশ্ন: এর বিনিময়ে প্রতিবছর সম্রাট কত টাকা পেতেন?
উত্তর: ছাব্বিশ লক্ষ টাকা।
২১। প্রশ্ন: এই টাকা পাঠানোর জামিনদার কে ছিল?
উত্তর: ইংরেজ কোম্পানি।
২২। প্রশ্ন: দ্বিতীয় চুক্তি কার সঙ্গে হয়েছিল?
উত্তর: নবাব নাজিম-উদ-দৌলার সঙ্গে।
২৩। প্রশ্ন: নাজিম-উদ-দৌলার সঙ্গে চুক্তির বার্ষিক অর্থের পরিমাণ কত ছিল?
উত্তর: ৫৩ লক্ষ টাকা।
২৪। প্রশ্ন: এই চুক্তির ফলে নবাব কী হন?
উত্তর: কোম্পানির পেনশনার।
২৫। প্রশ্ন: শাহ আলম সম্রাটও প্রকৃতপক্ষে কীতে পরিণত হন?
উত্তর: কোম্পানির পেনশনার।
২৬। প্রশ্ন: দেওয়ানি থেকে প্রাপ্ত অর্থ কোম্পানি কী কাজে লাগাত?
উত্তর: নিজেদের যাবতীয় ব্যয় নির্বাহ করতে।
২৭। প্রশ্ন: দেওয়ানি লাভ কোম্পানির কোন ক্ষেত্রে বিজয়?
উত্তর: রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে।
২৮। প্রশ্ন: দেওয়ানি লাভের ফলে সম্রাট ও নবাবের অবস্থা কী হয়?
উত্তর: ক্ষমতাহীন শাসকে পরিণত হন।
২৯। প্রশ্ন: দেওয়ানি লাভের পর ইংরেজ কর্মচারীরা কেমন হয়ে ওঠে?
উত্তর: বেপরোয়া ও অর্থলোভী।
৩০। প্রশ্ন: কারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়?
উত্তর: দেশীয় বণিক ও সাধারণ মানুষ।
আরও পড়ুনঃ এসএসসি ২০২৬ ইতিহাস ষষ্ঠ অধ্যায় সাজেশন ১০০% কমন
৩১। প্রশ্ন: দেশীয় বণিকদের কী ভেঙে পড়ে?
উত্তর: অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড।
৩২। প্রশ্ন: দেওয়ানি লাভের ফলে কোন দেশে অর্থ পাচার হয়?
উত্তর: ইংল্যান্ডে।
৩৩। প্রশ্ন: বাংলা থেকে অর্থ পাচার ইংল্যান্ডে কী ঘটায়?
উত্তর: শিল্প বিপ্লবের ক্ষেত্র প্রস্তুত হয়।
৩৪। প্রশ্ন: ১৭৬৫ সালে বাংলার শাসন ক্ষমতা কার্যত কার হাতে যায়?
উত্তর: ইংরেজ কোম্পানির।
৩৫। প্রশ্ন: মীর জাফরের পরে কে কোম্পানির শর্ত মেনে নেয়?
উত্তর: নাজিম-উদ-দৌলা।
৩৬। প্রশ্ন: কোম্পানির শুল্কহীন বাণিজ্যের ফলে কারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়?
উত্তর: দেশীয় বণিকরা।
৩৭। প্রশ্ন: কোম্পানি দেওয়ানি আয় দিয়ে কী করত?
উত্তর: ব্যয় নির্বাহ করত।
৩৮। প্রশ্ন: দেওয়ানি লাভের গুরুত্ব কী ছিল?
উত্তর: এটি কোম্পানির অর্থনৈতিক বিজয় নিশ্চিত করে।
৩৯। প্রশ্ন: দেওয়ানি চুক্তি কাদের সঙ্গে হয়েছিল?
উত্তর: দিল্লির সম্রাট শাহ আলম ও নবাব নাজিম-উদ-দৌলার সঙ্গে।
৪০। প্রশ্ন: নবাব নাজিম-উদ-দৌলা কত টাকায় দেওয়ানি লাভের শর্ত মেনে নেন?
উত্তর: ৫৩ লক্ষ টাকায়।
৪১। প্রশ্ন: দেওয়ানি লাভের ফলে সাধারণ মানুষের ওপর কী প্রভাব পড়ে?
উত্তর: তারা অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে।
৪২। প্রশ্ন: কারা ইংরেজ কোম্পানির অর্থলোভের শিকার হয়েছিল?
উত্তর: দেশীয় বণিক ও কৃষকরা।
৪৩। প্রশ্ন: দেওয়ানি আয় কোথায় পাঠানো হতো না?
উত্তর: মুঘল সম্রাটের কাছে।
৪৪। প্রশ্ন: কোম্পানি দেওয়ানি আয়ের বড় অংশ কোথায় নিয়ে যেত?
উত্তর: ইংল্যান্ডে।
৪৫। প্রশ্ন: দেওয়ানি আয়ের টাকা ইংল্যান্ডে কী কাজে ব্যবহার হয়েছিল?
উত্তর: শিল্প বিপ্লবের জন্য।
৪৬। প্রশ্ন: দেওয়ানি লাভ কাকে প্রকৃতপক্ষে দুর্বল করে?
উত্তর: সম্রাট ও নবাবকে।
৪৭। প্রশ্ন: নবাব নাজিম-উদ-দৌলা কাদের পেনশনার হন?
উত্তর: ইংরেজ কোম্পানির।
৪৮। প্রশ্ন: দেওয়ানি লাভ কোন যুদ্ধের পর নিশ্চিত হয়?
উত্তর: বক্সারের যুদ্ধের পর।
৪৯। প্রশ্ন: ক্লাইভ দ্বিতীয়বার ভারতে আসেন কেন?
উত্তর: দেওয়ানি চুক্তি ও ক্ষমতা সুসংহত করতে।
৫০। প্রশ্ন: দেওয়ানি লাভের মূল ফলাফল কী?
উত্তর: বাংলার অর্থনীতি ধ্বংস এবং ইংরেজদের ক্ষমতার বিস্তার।
প্রশ্নোত্তর (দ্বৈত শাসন)
১। প্রশ্ন: বাংলায় দ্বৈত শাসন কবে শুরু হয়?
উত্তর: ১৭৬৫ সালে দেওয়ানি সনদ পাওয়ার পর।
২। প্রশ্ন: বাংলায় দ্বৈত শাসন কে প্রবর্তন করেন?
উত্তর: রবার্ট ক্লাইভ।
৩। প্রশ্ন: দ্বৈত শাসন কী?
উত্তর: নবাব নামমাত্র শাসক থাকলেও প্রকৃত ক্ষমতা থাকে ইংরেজ কোম্পানির হাতে।
৪। প্রশ্ন: দ্বৈত শাসনে কোম্পানির ভূমিকা কী ছিল?
উত্তর: দায়িত্বহীন ক্ষমতা ভোগ করা।
৫। প্রশ্ন: দ্বৈত শাসনে নবাবের অবস্থা কী হয়েছিল?
উত্তর: তিনি ক্ষমতাহীন শাসকে পরিণত হন।
৬। প্রশ্ন: নবাবের ওপর কী দায়িত্ব থেকে যায়?
উত্তর: প্রশাসনিক ও আর্থিক দায়িত্ব।
৭। প্রশ্ন: দ্বৈত শাসনের ফলে বাংলায় কী সৃষ্টি হয়?
উত্তর: প্রশাসনিক জটিলতা।
৮। প্রশ্ন: এই জটিলতার চরম মাসুল কে দেয়?
উত্তর: বাংলার সাধারণ জনগণ।
৯। প্রশ্ন: বাংলায় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ কবে দেখা দেয়?
উত্তর: ১৭৭০ সালে (বঙ্গাব্দ ১১৭৬)।
১০। প্রশ্ন: এই দুর্ভিক্ষ ইতিহাসে কী নামে পরিচিত?
উত্তর: ছিয়াত্তরের মন্বন্তর।
১১। প্রশ্ন: দুর্ভিক্ষের সময় রিচার্ড বেচার কোন ভয়াবহ সত্য উল্লেখ করেন?
উত্তর: জীবিত মানুষ মৃত মানুষকে ভক্ষণ করছিল।
১২। প্রশ্ন: দুর্ভিক্ষে বাংলার কত জনসংখ্যা মারা যায়?
উত্তর: প্রায় এক-তৃতীয়াংশ।
১৩। প্রশ্ন: ১৭৬৫-৭০ সালে রাজস্ব আদায়ের অবস্থা কেমন ছিল?
উত্তর: দুর্ভিক্ষের বছরও প্রায় একই হারে আদায় করা হয়।
১৪। প্রশ্ন: দুর্ভিক্ষের পর বাংলার মানুষের অবস্থা কেমন হয়?
উত্তর: তারা হতদরিদ্র ও অসহায় হয়ে পড়ে।
১৫। প্রশ্ন: দ্বৈত শাসনকালে নবাব কেন প্রশাসনে ব্যর্থ হন?
উত্তর: হাতে পর্যাপ্ত অর্থ ছিল না।
১৬। প্রশ্ন: দ্বৈত শাসনের ফলে দেশে কী পরিস্থিতি তৈরি হয়?
উত্তর: বিশৃঙ্খলা শুরু হয়।
১৭। প্রশ্ন: দ্বৈত শাসনের অবসান কবে ঘটে?
উত্তর: ১৭৭২ সালে।
১৮। প্রশ্ন: দ্বৈত শাসনের অবসান ঘটান কে?
উত্তর: ওয়ারেন হেস্টিংস।
১৯। প্রশ্ন: দ্বৈত শাসনের অবসানের পর নতুন কোন পদ সৃষ্টি হয়?
উত্তর: গভর্নর জেনারেল পদ।
২০। প্রশ্ন: প্রথম গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন?
উত্তর: ওয়ারেন হেস্টিংস।
২১। প্রশ্ন: দ্বৈত শাসন কোন দুই পক্ষের নামে চলত?
উত্তর: নবাব ও ইংরেজ কোম্পানির।
২২। প্রশ্ন: দ্বৈত শাসনে রাজস্ব আদায় করত কারা?
উত্তর: ইংরেজ কোম্পানি।
২৩। প্রশ্ন: প্রশাসনিক দায়িত্বে নামমাত্র কারা ছিল?
উত্তর: বাংলার নবাব।
২৪। প্রশ্ন: দ্বৈত শাসনের কারণে বাংলার অর্থনীতির কী অবস্থা হয়েছিল?
উত্তর: ভয়াবহ অবনতি ঘটে।
২৫। প্রশ্ন: দুর্ভিক্ষকালেও কেন রাজস্ব আদায় করা হতো?
উত্তর: কোম্পানির অর্থলোভ ও লুণ্ঠনের জন্য।
২৬। প্রশ্ন: বাংলায় দুর্ভিক্ষে কোন শ্রেণি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল?
উত্তর: সাধারণ কৃষক ও দরিদ্র মানুষ।
২৭। প্রশ্ন: ১৭৭০ সালের দুর্ভিক্ষ কত দিন স্থায়ী হয়েছিল?
উত্তর: প্রায় এক বছর।
২৮। প্রশ্ন: রিচার্ড বেচার কোন শহরের প্রতিনিধি ছিলেন?
উত্তর: মুর্শিদাবাদ।
২৯। প্রশ্ন: দুর্ভিক্ষে মৃত মানুষের সংখ্যা কেন এত বেশি হয়েছিল?
উত্তর: রাজস্ব আদায় চলতে থাকায় জনগণের খাদ্যাভাব তীব্র হয়েছিল।
৩০। প্রশ্ন: দ্বৈত শাসনের অবসানের মূল কারণ কী ছিল?
উত্তর: প্রশাসনিক ব্যর্থতা ও ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ।
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত
১। চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত কখন চালু হয়? – ১৭৯৩
২। চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তক কে ছিলেন? – লর্ড কর্নওয়ালিস
৩। চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মূল উদ্দেশ্য কী? – কোম্পানির শাসন সুসংগঠিত করা
৪। চিরস্থায়ী বন্দোবস্তে জমিদাররা কী লাভ করে? – স্থায়ী মালিকানা
৫। চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের আগে কোন বন্দোবস্ত চালু হয়েছিল? – একসালা, পাঁচসালা, দশসালা
৬। হেস্টিংসের একসালা বন্দোবস্তে কৃষকদের প্রতি জমিদারের মনোভাব কেমন ছিল? – নির্যাতনমূলক
৭। চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের অনুমোদন কোন আইনের মাধ্যমে? – পিটের ইন্ডিয়া অ্যাক্ট ১৭৮৪
৮। চিরস্থায়ী বন্দোবস্তে রাজস্ব পরিশোধের বিনিময়ে জমিদাররা কী লাভ করে? – চিরস্থায়ী অধিকার
৯। জমিদারের প্রশাসনিক ক্ষমতা কেমন হয়? – বিলুপ্ত
১০। রাজস্ব বাকি পড়লে জমিদার কী করতে পারত? – জমি বিক্রি করে রাজস্ব আদায়
১১। চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত কোন অঞ্চলে প্রবর্তিত হয়? – বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা
১২। সরকার কী সম্পর্কে নিশ্চিত হয়? – রাজস্ব আদায়
১৩। কোম্পানির উদ্দেশ্য কী ছিল? – রাজস্বের পূর্বানুমান
১৪। চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের প্রধান সুবিধা কী? – কোম্পানির শাসন দৃঢ়করণ
১৫। জমিদাররা কী ভূমিকা পালন করে? – কোম্পানির সমর্থক
১৬। জমিদাররা কৃষককে কী করতে পারত? – যেকোন সময় উচ্ছেদ
১৭। জমির সঠিক জরিপ না থাকায় কী সমস্যা দেখা দেয়? – জমি বিরোধ ও মামলা
১৮। সূর্যাস্ত আইনের ফলে কী ঘটে? – বড় জমিদারি নিশ্চিহ্ন হয়
১৯। জমিদারি আয় নিশ্চিত হওয়ায় জমিদাররা কী করেন? – শহরে বসবাস
২০। নায়েব-গোমস্তা কী করে? – কৃষক শোষণ
২১। গ্রামীণ অর্থনীতি কেমন হয়? – খারাপ
২২। জমিদার শ্রেণি কীভাবে গড়ে ওঠে? – ব্রিটিশ সমর্থক
২৩। নিম্নবর্গের ব্যবসায়ী কী করে? – জমিদারি কিনে আভিজাত্য অর্জন
২৪। দেশীয় শিল্পের অবস্থা কী হয়? – ধ্বংস
২৫। কৃষকরা কাদের দ্বারা শোষিত? – জমিদার
২৬। গ্রামীণ সমাজে কোন শ্রেণি গড়ে ওঠে? – শিক্ষিত ও সচেতন
২৭। কোন ধরনের জাতীয়তা বিকশিত হয়? – জাতীয়বাদ
২৮। কোন শ্রেণি স্বাধীনতা আন্দোলনে যুক্ত হয়? – জমিদার
২৯। বন্দোবস্তের অনুমোদন কোথা থেকে আসে? – বোর্ড অব ডাইরেক্টরস
৩০। দশসালা বন্দোবস্ত কোন বছরের প্রস্তুতি? – ১৭৮৯
৩১। জমিদারের আয় কেমন হয়? – স্থায়ী
৩২। কোন শ্রেণির স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হয়? – কৃষক
৩৩। কোন শ্রেণি ধনী হয়? – জমিদার
৩৪। কোন সেক্টর ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়? – দেশীয় শিল্প
৩৫। কৃষকের অধিকার কেমন হয়? – বিলুপ্ত
৩৬। নিম্নবর্গের ব্যবসায়ীর অবস্থা কী হয়? – জমিদারি কিনে আভিজাত্য অর্জন
৩৭। জমিদারের প্রভাব কেমন হয়? – কোম্পানির স্বার্থে
৩৮। কোন শ্রেণি শিক্ষিত হয়? – জমিদার
৩৯। শিক্ষিত শ্রেণি কিভাবে গড়ে ওঠে? – ব্রিটিশ শিক্ষায়
৪০। কোম্পানির উদ্দেশ্য কী? – রাজস্ব ও শাসন নিশ্চিত করা
৪১। জমিদারের অধিকার কেমন হয়? – চিরস্থায়ী
৪২। কৃষক কীভাবে শোষিত হয়? – সরাসরি জমিদারের দ্বারা
৪৩। কোন শ্রেণি ব্রিটিশ শাসনের শক্ত ভিত হয়? – জমিদার
৪৪। কোন শ্রেণি স্বাধীনতা আন্দোলনে যুক্ত হয়? – জমিদার
৪৫। কোম্পানি কাকে সমর্থক পায়? – জমিদার
৪৬। দশসালা বন্দোবস্ত অনুমোদন বছর? – ১৭৯২
৪৭। একসালা বন্দোবস্তে কৃষক কীভাবে নির্যাতিত হতো? – জমিদারদের দ্বারা
৪৮। কোন শ্রেণি আর্থ-সামাজিক প্রভাব ফেলে? – জমিদার
৪৯। কোন শ্রেণি ধনী হয়ে ওঠে? – জমিদার
৫০। কোন শ্রেণি দেশীয় পুঁজির জন্য হুমকি কমায়? – কোম্পানি
৫১। চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে সরকার কী নিশ্চিত করে? – নিয়মিত রাজস্ব
৫২। চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে কৃষকের কতটুকু স্বত্ত্ব হারায়? – পুরোপুরি
৫৩। জমিদাররা কোথায় বসবাস শুরু করে? – শহরে
৫৪। নায়েব-গোমস্তার অত্যাচার কার উপর পড়ে? – কৃষক ও প্রজা
৫৫। চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের কারণে গ্রামের উৎপাদন কেমন হয়? – হ্রাস পায়
৫৬। গ্রামীণ সমাজে কোন ধরনের শিক্ষিত শ্রেণি তৈরি হয়? – ব্রিটিশ শিক্ষায় শিক্ষিত
৫৭। ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্য কী ছিল? – জমিদার শ্রেণি তৈরি করা
৫৮। জমিদাররা ব্রিটিশ শাসনকে কীভাবে সমর্থন করে? – রাজস্ব আদায় ও প্রশাসনিক ভূমিকা
৫৯। চিরস্থায়ী বন্দোবস্তে জমিদারের শোষণ কীভাবে হয়? – প্রজাদের উপর
৬০। চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে কোন শ্রেণি ভবিষ্যতে স্বাধীনতা আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়? – জমিদার
আরও পড়ুনঃ এসএসসি আইসিটি সাজেশন ২০২৬ ২য় অধ্যায় MCQ ১ম অংশ
বক্সারের যুদ্ধ
১। বক্সারের যুদ্ধ কোন সালে হয়? – ১৭৬৪
২। বক্সারের যুদ্ধের পূর্বসূরি কোন যুদ্ধ? – পলাশি যুদ্ধ
৩। মীর জাফর কেন ক্ষমতাচ্যুত হয়? – অযোগ্যতা ও ইংরেজদের সাথে আঁতাতের জন্য
৪। মীর কাশিমকে কে ক্ষমতায় বসায়? – ইংরেজ গভর্নর ভান্সিটার্ট
৫। মীর কাশিম কী ধরনের শাসক ছিলেন? – সুদক্ষ ও স্বাধীনচেতা
৬। মীর কাশিমের প্রধান লক্ষ্য কী ছিল? – বাংলার স্বার্থ ও প্রজাদের কল্যাণ
৭। মীর কাশিম রাজধানী কীভাবে স্থানান্তর করেন? – মুর্শিদাবাদ থেকে মুঙ্গরে
৮। রাজধানীর নিরাপত্তার জন্য তিনি কী ব্যবস্থা নেন? – দুর্গ নির্মাণ ও পরিখা খনন
৯। মীর কাশিম ইউরোপীয় সামরিক পদ্ধতি শেখার জন্য কী করান? – প্রশিক্ষক নিযুক্ত
১০। অস্ত্র-গোলাবারুদের নিরাপত্তার জন্য কি ব্যবস্থা নেন? – কামান, বন্দুক তৈরির ব্যবস্থা
১১। বিহারের শাসক রামনারায়ণের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেন? – পদচ্যুতি ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
১২। ‘দস্তক’ কী? – ইংরেজদের ব্যবসা করার অনুমতি
১৩। দস্তকের অপব্যবহারের কারণে কে ক্ষতিগ্রস্ত হয়? – দেশী ব্যবসায়ী
১৪। নবাব কী পদক্ষেপ নেন? – সবার জন্য আন্তঃবাণিজ্যে শুল্ক আরোপ
১৫। ইংরেজদের সাথে সংঘাত কেন হয়? – নবাব আপোস করতে চায়নি
১৬। ১৭৬৩ সালে পাটনা কুঠির কে দখল করে? – অধ্যক্ষ এলিস
১৭। নবাব কীভাবে এলিসকে প্রতিরোধ করেন? – পাটনা থেকে বিতাড়িত করে
১৮। ১৭৬৩ সালে কাউন্সিল নবাবের বিরুদ্ধে কী ঘোষণা করে? – যুদ্ধ ঘোষণা
১৯। মেজর এডামস কোন যুদ্ধে নবাবকে পরাজিত করে? – গিরিয়া, কাটোয়া, উদয়নালা
২০। ইংরেজরা কে পুনরায় বাংলার নবাব করে বসায়? – মীর জাফর
২১। মীর কাশিম ১৭৬৪ সালে কোন স্থানে ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন? – বিহারের বক্সার
২২। মীর কাশিমের সহযোগী কে ছিল? – অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলা ও সম্রাট শাহ আলম
২৩। বক্সারের যুদ্ধে মীর কাশিমের পরাজয় কিসের কারণ? – বাংলার স্বাধীনতা রক্ষার চেষ্টার ব্যর্থতা
২৪। বক্সারের যুদ্ধের গুরুত্ব পলাশি যুদ্ধে তুলনায় কেমন? – অনেক বেশি
২৫। মীর কাশিমের মৃত্যুর বছর? – ১৭৭৭
আরও পড়ুনঃ এসএসসি আইসিটি সাজেশন ২০২৬: ict mcq ২য় অংশ
২৬। বক্সারের যুদ্ধে অযোধ্যার নবাবের কী হয়? – পরাজিত হয়ে রোহিলাখণ্ডে পালায়
২৭। সম্রাট শাহ আলম কোন পাশে যোগ দেন? – ইংরেজদের
২৮। ইংরেজরা কোন অঞ্চল হস্তগত করতে সক্ষম হয়? – কারা ও এলাহাবাদ
২৯। বক্সারের যুদ্ধে কতটি শক্তি একসাথে পরাজিত হয়? – তিনটি (মীর কাশিম, শাহ আলম, সুজাউদ্দৌলা)
৩০। বক্সারের যুদ্ধের ফলে ইংরেজদের মর্যাদা কেমন হয়? – বৃদ্ধি পায়
৩১। রবার্ট ক্লাইভ কী লাভ করেন? – দেওয়ানি (বাংলা-বিহার-উড়িষ্যা)
৩২। দেওয়ানি লাভের ফলে বাংলায় কী শুরু হয়? – প্রত্যক্ষ ঔপনিবেশিক শাসন
৩৩। মীর জাফর কোন কারণে কোম্পানির অর্থ দিতে ব্যর্থ হয়? – দেউলিয়া হওয়ার কারণে
৩৪। মীর কাশিম স্বাধীনভাবে শাসন করতে চেয়েছিলেন কেন? – বাংলার স্বার্থ রক্ষার জন্য
৩৫। নবাবের রাজধানী স্থানান্তরের মূল কারণ কী ছিল? – রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করা
৩৬। দুর্গ ও পরিখা খননের উদ্দেশ্য কী ছিল? – নিরাপত্তা
৩৭। ইউরোপীয় সৈনিক নিযুক্তির কারণ কী? – সৈনিকদের প্রশিক্ষণ
৩৮। দেশের জন্য অস্ত্র উৎপাদনের ব্যবস্থা কেন করেছিলেন? – অন্যের ওপর নির্ভরতা কমাতে
৩৯। দস্তকের অপব্যবহার কী প্রভাব ফেলে? – দেশী ব্যবসায়ীর ক্ষতি
৪০। নবাব কিভাবে আন্তঃবাণিজ্যে শুল্ক আরোপ করেন? – সকলের জন্য সমানভাবে
৪১। এলিস দখলের পর নবাব কী করেন? – প্রতিরোধ ও বিতাড়ন
৪২। কোলকাতা কাউন্সিলের প্রতিক্রিয়া কী? – যুদ্ধ ঘোষণা
৪৩। ইংরেজদের মেজর এডামস কোন স্থানে যুদ্ধ পরিচালনা করেন? – গিরিয়া, কাটোয়া, উদয়নালা
৪৪। মীর কাশিমের পরাজয় কীভাবে সমাধান হয়? – আত্মগোপন
৪৫। বক্সারের যুদ্ধে সুজাউদ্দৌলা কোথায় পালিয়ে যান? – রোহিলাখণ্ড
৪৬। মীর কাশিমের প্রধান উদ্দেশ্য কী ছিল? – স্বাধীন শাসন ও প্রজাদের কল্যাণ
৪৭। বক্সারের যুদ্ধে ইংরেজদের নেতৃত্বে কে ছিলেন? – মেজর মনরো
৪৮। বক্সারের যুদ্ধে সম্রাট শাহ আলমের ভূমিকা কী ছিল? – ইংরেজদের পক্ষে
৪৯। বক্সারের যুদ্ধের ফলাফলে ইংরেজদের ক্ষমতা কেমন হয়? – অসীম ও আইনত স্বীকৃত
৫০। বক্সারের যুদ্ধে বাংলার নবাবের স্বাধীনতা রক্ষা হয় কি? – না, ব্যর্থ
৫১। মীর কাশিমের যুদ্ধ দক্ষতা কেমন ছিল? – সফল প্রতিরোধ সক্ষমতা
৫২। অযোধ্যার নবাব কোন রাষ্ট্রের নাগরিক ছিলেন? – উত্তর ভারত (অযোধ্যা)
৫৩। শাহ আলম কোন দেশের সম্রাট ছিলেন? – মুঘল ভারত
৫৪। ইংরেজদের সঙ্গে মীর কাশিমের সংঘাতের প্রধান কারণ কী ছিল? – বাংলার স্বার্থ রক্ষা ও কোম্পানির দখলের বিরোধ
৫৫। মীর জাফর ইংরেজদের কাছে কেন পুনর্বাসিত হয়? – কোম্পানির স্বার্থে
৫৬। মীর কাশিমের পরিকল্পিত প্রতিরোধ কোন বছরের আগে? – ১৭৬৪
৫৭। ইংরেজদের বিরুদ্ধে মীর কাশিমের যৌথ বাহিনী কোন স্থানে লড়ে? – বক্সার
৫৮। বক্সারের যুদ্ধে মীর কাশিমের মিত্ররা কারা ছিলেন? – সুজাউদ্দৌলা ও শাহ আলম
৫৯। যুদ্ধের পরে বাংলায় কোন শাসন শুরু হয়? – প্রত্যক্ষ ঔপনিবেশিক শাসন
৬০। বক্সারের যুদ্ধের প্রধান শিক্ষণীয় দিক কী? – ইংরেজদের ক্ষমতা বৃদ্ধি ও বাংলার স্বাধীনতা হ্রাস
আরও পড়ুনঃ এসএসসি আইসিটি সাজেশন ২০২৬ ২য় অধ্যায় MC
ইংরেজ শাসনের সূচনাপর্ব FAQ
১. বাংলায় ইংরেজ শাসনের সূচনা কোন সালে হয়?
→ ১৭৫৭ সালে পলাশি যুদ্ধের মাধ্যমে।
২. পলাশি যুদ্ধের প্রধান প্রধান নেতারা কে ছিলেন?
→ নবাব সিরাজ উদ্দৌলা (বাংলার নবাব) ও হায়দার আলী (মারাঠাদের সহায়ক হিসেবে) বনাম ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি।
৩. পলাশি যুদ্ধে কে জিতেছিল?
→ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি।
৪. এই যুদ্ধের পর বাংলার রাজনৈতিক অবস্থা কেমন হয়?
→ বাংলার স্বাধীন নবাবত প্রায় শেষ হয়ে যায় এবং কোম্পানির শাসন শুরু হয়।
৫. বাংলায় কোম্পানির প্রথম গভর্নর কে ছিলেন?
→ রবার্ট ক্লাইভ (Clive)।
৬. ১৭৫৭ সালের পর বাংলার অর্থনীতিতে কী পরিবর্তন আসে?
→ রমরমা কৃষি, কর ব্যবস্থা ও জঙ্গলদখল কোম্পানির নিয়ন্ত্রণে আসে।
৭. বাংলা থেকে ইংল্যান্ডে কোন ধরনের সম্পদ স্থানান্তরিত হয়?
→ ধন, শস্য, রেশম ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদ।
৮. পলাশি যুদ্ধে নবাব সিরাজ উদ্দৌলার পরিণতি কী হয়?
→ তিনি নিহত হন।
৯. ইংরেজ শাসনের প্রভাবে বাংলায় কোন নতুন কর ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়?
→ ডিউটির পরিবর্তে জঙ্গি (Permanent Settlement of 1793) পদ্ধতি।
১০. ডায়ংমেন্ট পারমানেন্ট সেটলমেন্ট কখন কার্যকর হয়?
→ ১৭৯৩ সালে, লর্ড কার্নওয়াল কর্তৃক।
১১. ইংরেজ শাসনের প্রভাবে বাংলার কৃষক সম্প্রদায়ের অবস্থা কেমন হয়?
→ তারা শোষণ ও করদায়িত্বে অত্যন্ত নিপীড়িত হয়।
১২. বাংলায় ইংরেজ শাসনের প্রভাব শিক্ষায় কখন শুরু হয়?
→ ১৮০০ সালের আশেপাশে, ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ও হিন্দু কলেজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে।
১৩. হিন্দু কলেজ প্রতিষ্ঠা কখন হয় এবং কারা প্রতিষ্ঠা করেন?
→ ১৮১৭ সালে, জেমস ল্যারি ও কোম্পানির উদারচেতা প্রশাসক।
১৪. শিক্ষায় ইংরেজ প্রভাবের প্রধান উদ্দেশ্য কী ছিল?
→ প্রশাসন ও পাশ্চাত্য ভাবধারা প্রচার।
১৫. বাংলায় ইংরেজ শাসনের প্রভাবে সাহিত্য ও সংবাদমাধ্যমে কী পরিবর্তন আসে?
→ ইংরেজি শিক্ষার প্রভাবে বাংলা সংবাদপত্র, পত্রিকা ও সাহিত্য শুরু হয়।
১৬. বাংলায় প্রথম ইংরেজি সংবাদপত্রের নাম কী?
→ “Bengal Gazette” (ফরেস্ট ও হ্যাডলেক কর্তৃক প্রকাশিত)।
১৭. ধর্ম ও সমাজে ইংরেজ শাসনের প্রভাব কী ছিল?
→ ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলন যেমন নবজাগরণ, ব্রাহ্মসমাজের সূচনা।
১৮. বাঙালি নবজাগরণ ও সংস্কারের সূচনা কোন সময়ে হয়?
→ ১৮শ শতকের শেষার্ধে, ইংরেজ শাসনের প্রভাবের ফলে।
১৯. বাংলায় প্রথম ব্রাহ্মসমাজের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
→ রাজা রামমোহন রায় (১৮২৮ সালে)।
২০. বাংলায় ইংরেজ শাসনের ফলে সামাজিক ও শিক্ষাগত পরিবর্তনের দীর্ঘমেয়াদি ফল কী হয়?
→ পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসার, সমাজ সংস্কার আন্দোলন, এবং আধুনিক চিন্তাধারার উদ্ভব।
উপসংহার
পরিশেষে বলতে চাই যে, উপরের সকল প্রশ্নের উত্তরগুলো নিয়মিত চর্চা করলে SSC পরীক্ষা 2026 এ ভালো করতে পারবে ইনশাআল্লাহ্। তবে আরো ভালো ফলাফল করতে তোমার পাঠ্যবই নিয়মিত অধ্যয়ন করবে। ধারাবাহিকভাবে অন্যান্য সকল অধ্যায়ের সাজেশন দেওয়া হবে। বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের সাজেশন পেতে শিক্ষা টেক ২৪ ওয়েবসাইটটি সাবস্ক্রাইব করবে। পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গে তোমার ইমেইলে নটিফিকেশন যাবে। নিজে পড়বে এবং ফেইসবুক সহ অন্যান্য মাধমে বন্ধুদের কাছে শেয়ার করবে। কোন বিষয়ের সাজেশন চাও তা জানাতে কমেন্ট করবে।
আরও পড়ুনঃ
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আমি মোঃ আনোয়ার হোসেন, পেশায় একজন শিক্ষক এবং অনলাইন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর। নিত্য নতুন কন্টেন্ট পেতে shikkhatech24.com ওয়েবসাইটটি সাবস্ক্রাইব এবং ফেইসবুকে শেয়ার করুন।
