|

এসএসসি জীববিজ্ঞান ২য় অধ্যায় MCQ সাজেশন ২০২৬ | Shikkhatech24

এসএসসি জীববিজ্ঞান ২য় অধ্যায় MCQ সাজেশন ২০২৬। তোমরা জেনে খুশি হবে সরকারের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। এই সাজেশন নিয়মিত চর্চা করলে  MCQ, জ্ঞানমূলক ও সৃজনশীলসহ সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে। ১০০% কমন পড়বে ইনশাআল্লাহ্‌। এই অধ্যায়ের নাম- জীবকোষ ও টিস্যু।

তোমাদের বোর্ড বইয়ের  প্রতিটি লাইন থেকে প্রশ্ন দেওয়া হয়েছে যেগুলো নিয়মিত অধ্যয়ন করলে এমসিকিউ সকল প্রশ্নের উত্তর করতে পারবে ইনশাআল্লাহ্‌। চলো, এবার আলোচনা করা যাক।

পোস্ট সূচিপত্র

জীবকোষ

১. প্রশ্ন: জীবকোষ কী?
উত্তর: জীবদেহের গঠন ও জীবজ ক্রিয়াকলাপের একক।

২. প্রশ্ন: লোয়ি ও সিকেভিজের মতে কোষ কীভাবে সংজ্ঞায়িত?
উত্তর: বৈষম্য ভেদ্য পর্দা দ্বারা আবৃত এবং জীবজ ক্রিয়াকলাপের একক, যা অন্য সজীব মাধ্যম ছাড়াই নিজের প্রতিরূপ তৈরি করতে পারে।

৩. প্রশ্ন: কোষের প্রধান দুই প্রকার কোনটি?
উত্তর: আদিকোষ (Prokaryotic cell) ও প্রকৃত কোষ (Eukaryotic cell)।

৪. প্রশ্ন: আদিকোষের নিউক্লিয়াস কেমন থাকে?
উত্তর: সুগঠিত নয়, নিউক্লিওবস্তু সাইটোপ্লাজমে ছড়ানো থাকে।

৫. প্রশ্ন: আদিকোষে কোন কোন অঙ্গাণু থাকে না?
উত্তর: মাইটোকন্ড্রিয়া, প্লাস্টিড, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি।

৬. প্রশ্ন: আদিকোষে কোন অঙ্গাণু থাকে?
উত্তর: রাইবোজোম।

৭. প্রশ্ন: আদিকোষের DNA কেমন থাকে?
উত্তর: ক্রোমোজোমে শুধু DNA থাকে, প্রোটিন ও হিস্টোন নেই।

৮. প্রশ্ন: উদাহরণ হিসেবে কোন কোষটি আদিকোষ?
উত্তর: নীলাভ সবুজ শৈবাল, ব্যাকটেরিয়া।

৯. প্রশ্ন: প্রকৃত কোষের নিউক্লিয়াস কেমন?
উত্তর: সুগঠিত, নিউক্লিয়ার ঝিল্লি দ্বারা পরিবেষ্টিত।

১০. প্রশ্ন: প্রকৃত কোষে কোন অঙ্গাণু থাকে?
উত্তর: সকল অঙ্গাণু যেমন রাইবোজোম, মাইটোকন্ড্রিয়া, প্লাস্টিড ইত্যাদি।

১১. প্রশ্ন: অধিকাংশ জীবকোষ কোন ধরনের হয়?
উত্তর: প্রকৃত কোষ।

১২. প্রশ্ন:  কাজের ভিত্তিতে প্রকৃত কোষ কত প্রকার ও কী কী? 
উত্তর: দেহকোষ (Somatic cell) ও জননকোষ (Gametic cell)।

১৩. প্রশ্ন: দেহকোষের ভূমিকা কী?
উত্তর: বহুকোষী জীবের দেহ গঠনে অংশ নেওয়া ও বিভিন্ন তন্ত্র ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ তৈরি করা।

১৪. প্রশ্ন: দেহকোষ কীভাবে বিভাজিত হয়?
উত্তর: মাইটোসিস পদ্ধতিতে।

১৫. প্রশ্ন: জননকোষ কী?
উত্তর: যৌন প্রজননের জন্য বিশেষ কোষ।

১৬. প্রশ্ন: জননকোষ কীভাবে উৎপন্ন হয়?
উত্তর: মিয়োসিস পদ্ধতিতে মাতৃকোষ থেকে।

১৭. প্রশ্ন: জননকোষের ক্রোমোজোম সংখ্যা কত থাকে?
উত্তর: মাতৃকোষের ক্রোমোজোমের অর্ধেক।

১৮. প্রশ্ন: পুং ও স্ত্রী জননকোষ মিলে কী গঠন করে?
উত্তর: নতুন জীবের প্রথম কোষ, যা জাইগোট বলা হয়।

১৯. প্রশ্ন: জাইগোট কী?
উত্তর: পুং ও স্ত্রী জননকোষের মিলনের ফলে সৃষ্ট প্রথম কোষ।

২০. প্রশ্ন: জাইগোট কীভাবে দেহ গঠন করে?
উত্তর: বারবার বিভাজনের মাধ্যমে।

আরও পড়ুন: এসএসসি জীববিজ্ঞান ১ম অধ্যায় MCQ সাজেশন ২০২৬

আরও পড়ুন: এসএসসি বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ২য় অধ্যায় MCQ ও সৃজনশীল সাজেশন ২০২৬

২১. প্রশ্ন: Prokaryotic cell-এর আরেকটি নাম কী?
উত্তর: আদি কোষ বা প্রাককেন্দ্রিক কোষ।

২২. প্রশ্ন: Eukaryotic cell-এর আরেকটি নাম কী?
উত্তর: প্রকৃত কোষ বা সুকেন্দ্রিক কোষ।

২৩. প্রশ্ন: আদিকোষে নিউক্লিয়াস কেন সুগঠিত নয়?
উত্তর: কারণ এটি কোনো ঝিল্লি দ্বারা আবৃত নয়।

২৪. প্রশ্ন: কোন কোষে হিস্টোন প্রোটিন থাকে?
উত্তর: প্রকৃত কোষে।

২৫. প্রশ্ন: কোষের গঠন ও কাজের পার্থক্য কীভাবে দেখা যায়?
উত্তর: নিউক্লিয়াসের গঠন, আকৃতি ও অঙ্গাণুর উপস্থিতি দেখে।

২৬. প্রশ্ন: বহুকোষী জীবের দেহ কিসের দ্বারা গঠিত?
উত্তর: দেহকোষের দ্বারা।

২৭. প্রশ্ন: কোন কোষ শোষণ, প্রতিরক্ষা ও খাদ্য প্রস্তুতিতে সক্রিয়?
উত্তর: সব কোষ, তবে প্রক্রিয়া নির্ভর করে কোষের ধরন ও কার্যাবলীর উপর।

২৮. প্রশ্ন: Prokaryotic cell-এর উদাহরণ?
উত্তর: নীলাভ সবুজ শৈবাল, ব্যাকটেরিয়া।

২৯. প্রশ্ন: Eukaryotic cell-এর উদাহরণ?
উত্তর: প্রাণী ও উদ্ভিদের সকল কোষ।

৩০. প্রশ্ন: কোন কোষ জৈবক্রিয়ার একক হিসেবে বিবেচিত?
উত্তর: জীবকোষ।

উদ্ভিদ ও প্রাণিকোষের প্রধান অঙ্গাণু

১. প্রশ্ন: উচ্চশ্রেণির উদ্ভিদ ও প্রাণী কোন ধরনের কোষ ধারণ করে?
উত্তর: প্রকৃত কোষ (Eukaryotic cell)।

২. প্রশ্ন: কোষে প্রধানত কতগুলো অঙ্গাণু থাকে?
উত্তর: একাধিক অঙ্গাণু, প্রজাতি ও কোষের ধরন অনুযায়ী।

৩. প্রশ্ন: উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয় কোষে কি অঙ্গাণু পাওয়া যায়?
উত্তর: অধিকাংশ প্রধান অঙ্গাণু উভয় কোষে থাকে।

৪. প্রশ্ন: কিছু অঙ্গাণু কোন কোষে বিশেষভাবে থাকে?
উত্তর: কিছু উদ্ভিদকোষে বা কেবল প্রাণিকোষে থাকে।

৫. প্রশ্ন: কোষপ্রাচীর (cell wall) কোন কোষের বৈশিষ্ট্য?
উত্তর: উদ্ভিদকোষের প্রধান বৈশিষ্ট্য।

৬. প্রশ্ন: প্রাণিকোষে কোষপ্রাচীর থাকে কি?
উত্তর: না।

৭. প্রশ্ন: উদ্ভিদ কোষের কোষপ্রাচীর কী দিয়ে তৈরি?
উত্তর: মৃত বা জড় পদার্থ যেমন সেলুলোজ, হেমিসেলুলোজ, লিগনিন, পেকটিন, সুবেরিন।

৮. প্রশ্ন: ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীর কী দিয়ে তৈরি?
উত্তর: প্রোটিন, লিপিড ও পলিস্যাকারাইড।

৯. প্রশ্ন: ছত্রাকের কোষপ্রাচীর কী দিয়ে তৈরি?
উত্তর: কাইটিন।

১০. প্রশ্ন: প্রাথমিক কোষপ্রাচীর কেমন?
উত্তর: একস্তরবিশিষ্ট।

১১. প্রশ্ন: গৌণপ্রাচীর কীভাবে তৈরি হয়?
উত্তর: মধ্যপর্দায় প্রোটোপ্লাজম থেকে নিঃসৃত রাসায়নিক পদার্থ জমা হয়ে।

১২. প্রশ্ন: কোষপ্রাচীরের মাঝে কি থাকে?
উত্তর: ছিদ্র, যাকে কূপ বলে।

১৩. প্রশ্ন: কোষপ্রাচীরের কাজ কী?
উত্তর: কোষকে দৃঢ়তা প্রদান, আকার ও আকৃতি বজায় রাখা।

১৪. প্রশ্ন: পাশের কোষের সাথে যোগাযোগ কিভাবে হয়?
উত্তর: প্লাজমোডেজমাটা বা আণুবীক্ষণিক নালির মাধ্যমে।

১৫. প্রশ্ন: কোষপ্রাচীর কী পরিবহন নিয়ন্ত্রণ করে?
উত্তর: পানি ও খনিজ লবণের চলাচল।

১৬. প্রশ্ন: প্রোটোপ্লাজম কী?
উত্তর: কোষের ভিতরে অর্ধস্বচ্ছ, জেলির মতো পদার্থ।

১৭. প্রশ্ন: প্রোটোপ্লাজমের মধ্যে কি থাকে?
উত্তর: সাইটোপ্লাজমীয় অঙ্গাণু ও নিউক্লিয়াস।

১৮. প্রশ্ন: কোষঝিল্লি প্রোটোপ্লাজমের অংশ কি?
উত্তর: হ্যাঁ।

১৯. প্রশ্ন: প্রোটোপ্লাজমের বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: স্বচ্ছ, জেলির মতো এবং কোষের সব অঙ্গাণুকে ঘিরে রাখে।

২০. প্রশ্ন: কোষপ্রাচীর উদ্ভিদ কোষে কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: কোষকে শক্তি দেয়, আকার বজায় রাখে, ও পরিবহন নিয়ন্ত্রণ করে।

আরও পড়ুন: এসএসসি আইসিটি সাজেশন ২০২৬: SSC ICT MCQ

২১. প্রশ্ন: উদ্ভিদকোষে প্রাণিকোষের তুলনায় কোন অঙ্গাণু আলাদা?
উত্তর: কোষপ্রাচীর, ক্লোরোপ্লাস্ট।

২২. প্রশ্ন: প্রাণিকোষে কোষপ্রাচীর না থাকার কারণ কী?
উত্তর: কারণ প্রাণিকোষ নরম ও নমনীয় হয়।

২৩. প্রশ্ন: উদ্ভিদ কোষের কোষপ্রাচীরের রাসায়নিক গঠন জটিল কেন?
উত্তর: এতে একাধিক পদার্থ যেমন সেলুলোজ, হেমিসেলুলোজ, লিগনিন ইত্যাদি থাকে।

২৪. প্রশ্ন: কোষপ্রাচীর কোন কোষকে আকার দেয়?
উত্তর: উদ্ভিদকোষকে।

২৫. প্রশ্ন: প্রোটোপ্লাজম কোন কোষে পাওয়া যায়?
উত্তর: উভয় উদ্ভিদ ও প্রাণিকোষে।

২৬. প্রশ্ন: প্রোটোপ্লাজমের কার্যকারিতা কী?
উত্তর: কোষের অঙ্গাণুর স্থাপন ও জীবনক্রিয়ায় সহায়তা করা।

২৭. প্রশ্ন: কূপ কী?
উত্তর: কোষপ্রাচীরের ছিদ্র।

২৮. প্রশ্ন: কোষপ্রাচীর কোন ধরনের পদ দিয়ে শক্তি প্রদান করে?
উত্তর: মৃত বা জড় পদার্থ।

২৯. প্রশ্ন: প্লাজমোডেজমাটা কী কাজ করে?
উত্তর: কোষের মধ্যে যোগাযোগ ও পদার্থের আদান-প্রদান।

৩০. প্রশ্ন: কোষপ্রাচীর কোথায় পাওয়া যায় না?
উত্তর: প্রাণিকোষে।

কোষঝিল্লি (Plasmalemma)

১. প্রশ্ন: কোষঝিল্লি কী?
উত্তর: প্রোটোপ্লাজমের বাইরে থাকা দুই স্তরের স্থিতিস্থাপক পর্দা।

২. প্রশ্ন: কোষঝিল্লির অন্য নাম কী?
উত্তর: প্লাজমালেমা বা প্লাজমা মেমব্রেন।

৩. প্রশ্ন: কোষঝিল্লির ভাঁজকে কী বলে?
উত্তর: মাইক্রোভিলাই।

৪. প্রশ্ন: কোষঝিল্লি প্রধানত কোন পদ দিয়ে তৈরি?
উত্তর: লিপিড এবং প্রোটিন।

৫. প্রশ্ন: কোষঝিল্লি কোন ধরনের পর্দা?
উত্তর: বৈষম্যভেদ্য (selectively permeable) পর্দা।

৬. প্রশ্ন: কোষঝিল্লি কী নিয়ন্ত্রণ করে?
উত্তর: পানি ও খনিজ লবণের চলাচল।

৭. প্রশ্ন: কোষঝিল্লি কীভাবে কোষগুলোকে রাখে?
উত্তর: কোষগুলোকে পরস্পর থেকে আলাদা করে।

৮. প্রশ্ন: মাইক্রোভিলাই কী?
উত্তর: কোষঝিল্লির ভাঁজ যা পৃষ্ঠের ক্ষেত্র বৃদ্ধি করে।

৯. প্রশ্ন: কোষঝিল্লি কোন অংশের বাইরে থাকে?
উত্তর: প্রোটোপ্লাজমের বাইরে।

১০. প্রশ্ন: কোষঝিল্লির প্রধান কার্য কি?
উত্তর: কোষের পরিবহন নিয়ন্ত্রণ ও কোষকে আলাদা রাখা।

সাইটোপ্লাজমীয় অঙ্গাণু

মাইটোকন্ড্রিয়া (Mitochondria)

  1. প্রশ্ন: মাইটোকন্ড্রিয়া কী?
    উত্তর: কোষের শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র।

  2. প্রশ্ন: মাইটোকন্ড্রিয়া কে আবিষ্কার করেন?
    উত্তর: রিচার্ড অস্টম্যান (1886/1894)।

  3. প্রশ্ন: মাইটোকন্ড্রিয়ার বর্তমান নাম দেন কে?
    উত্তর: বিজ্ঞানী বেনডা।

  4. প্রশ্ন: মাইটোকন্ড্রিয়ার আবরণ কেমন?
    উত্তর: দুই স্তরবিশিষ্ট ঝিল্লি।

  5. প্রশ্ন: মাইটোকন্ড্রিয়ার ভেতরের ভাঁজকে কী বলে?
    উত্তর: ক্রিস্টি (cristae)।

  6. প্রশ্ন: ক্রিস্টিতে কোন অঙ্গাণু থাকে?
    উত্তর: অক্সিজোম।

  7. প্রশ্ন: অক্সিজোমে কী থাকে?
    উত্তর: উৎসেচক (enzymes)।

  8. প্রশ্ন: মাইটোকন্ড্রিয়ার ভিতরে কোন অংশ থাকে?
    উত্তর: ম্যাট্রিক্স (matrix)।

  9. প্রশ্ন: মাইটোকন্ড্রিয়ার প্রধান কাজ কী?
    উত্তর: শ্বসনক্রিয়ায় অংশ নেওয়া ও শক্তি উৎপাদন।

  10. প্রশ্ন: মাইটোকন্ড্রিয়া কোন কোষে থাকে না?
    উত্তর: প্রাককেন্দ্রিক কোষে (Prokaryotic cell)।

প্লাস্টিড (Plastid)

  1. প্রশ্ন: প্লাস্টিডের প্রধান কাজ কী?
    উত্তর: খাদ্য প্রস্তুত, সঞ্চয় এবং উদ্ভিদকে রঙিন করা।

  2. প্রশ্ন: প্লাস্টিডের প্রধান তিন ধরন কী?
    উত্তর: ক্লোরোপ্লাস্ট, ক্রোমোপ্লাস্ট, লিউকোপ্লাস্ট।

  3. প্রশ্ন: ক্লোরোপ্লাস্ট কোথায় থাকে?
    উত্তর: সবুজ অংশে যেমন পাতা ও কচি কাণ্ডে।

  4. প্রশ্ন: ক্লোরোপ্লাস্টে কোন রঞ্জক থাকে?
    উত্তর: ক্লোরোফিল।

  5. প্রশ্ন: গ্রানা কী কাজ করে?
    উত্তর: সূর্যালোককে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করা।

  6. প্রশ্ন: ক্রোমোপ্লাস্টে কোন রঞ্জক থাকে?
    উত্তর: ক্যারোটিন, ফাইকোএরিথ্রিন, ফাইকোসায়ানিন।

  7. প্রশ্ন: ক্রোমোপ্লাস্টের কাজ কী?
    উত্তর: ফুল ও পাতাকে আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য।

  8. প্রশ্ন: লিউকোপ্লাস্টে রঞ্জক থাকে কি?
    উত্তর: না।

  9. প্রশ্ন: লিউকোপ্লাস্টের প্রধান কাজ কী?
    উত্তর: খাদ্য সঞ্চয়।

  10. প্রশ্ন: লিউকোপ্লাস্ট কীভাবে পরিবর্তিত হতে পারে?
    উত্তর: আলোর সংস্পর্শে ক্লোরোপ্লাস্টে রূপান্তরিত হতে পারে।

আরও পড়ুন: এসএসসি ২০২৬ আইসিটি ৬ষ্ঠ অধ্যায়

গলজি বন্ধু (Golgi body)

  1. প্রশ্ন: গলজি বন্ধুর কাজ কী?
    উত্তর: নিঃসৃতকরণ, হরমোন নিঃসরণ এবং প্রোটিন সঞ্চয়।

  2. প্রশ্ন: গলজি বন্ধু কোন কোষে বেশি দেখা যায়?
    উত্তর: প্রধানত প্রাণিকোষে, তবে উদ্ভিদকোষেও।

  3. প্রশ্ন: গলজি বন্ধুর গঠন কেমন?
    উত্তর: সিস্টার্নি ও ভেসিকল দ্বারা তৈরি।

  4. প্রশ্ন: গলজি বন্ধুর সঙ্গে কী সম্পর্কিত?
    উত্তর: কোষে বিভিন্ন পদার্থ নিঃসরণ ও বিপাকীয় কাজ।

এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম (ER)

  1. প্রশ্ন: এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের কাজ কী?
    উত্তর: প্রোটিন সংশ্লেষণ ও কোষে পদার্থের প্রবাহ।

  2. প্রশ্ন: ER-এর গায়ে কোন অঙ্গাণু থাকে?
    উত্তর: রাইবোজোম।

  3. প্রশ্ন: ER কোষের কোন অংশের সাথে যুক্ত থাকে?
    উত্তর: কখনো কখনো প্লাজমা মেমব্রেন।

  4. প্রশ্ন: ER কোন কোষে থাকে?
    উত্তর: উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয় কোষে।

কোষগহ্বর (Vacuole)

  1. প্রশ্ন: কোষগহ্বর কী?
    উত্তর: কোষের মধ্যে আপাত ফাঁকা স্থান।

  2. প্রশ্ন: উদ্ভিদকোষে কোষগহ্বর বড় কেন?
    উত্তর: কোষরস ধারণের জন্য।

  3. প্রশ্ন: কোষগহরে কি থাকে?
    উত্তর: পানি, লবণ, শর্করা, আমিষ, চর্বিজাতীয় পদার্থ ও রঞ্জক।

  4. প্রশ্ন: প্রাণিকোষে কোষগহ্বর কেমন থাকে?
    উত্তর: সাধারণত ছোট।

লাইসোজোম (Lysosome)

  1. প্রশ্ন: লাইসোজোমের কাজ কী?
    উত্তর: জীবাণু ও ক্ষয়প্রাপ্ত অংশ হজম করা।

  2. প্রশ্ন: লাইসোজোমের উৎসেচক অন্য অঙ্গাণুকে ক্ষতি করে কি?
    উত্তর: না, ঝিল্লি দ্বারা পৃথক থাকে।

  3. প্রশ্ন: অক্সিজেনের অভাবে লাইসোজোমে কী ঘটে?
    উত্তর: আশেপাশের অঙ্গাণু ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

কোষকঙ্কাল (Cytoskeleton)

  1. প্রশ্ন: কোষকঙ্কালের কাজ কী?
    উত্তর: কোষকে ভিতর থেকে ধরে রাখা।

  2. প্রশ্ন: কোষকঙ্কাল কোন প্রোটিন দিয়ে তৈরি?
    উত্তর: অ্যাকটিন, মায়োসিন, টিউবিউলিন।

  3. প্রশ্ন: কোষকঙ্কালের তন্তুর উদাহরণ কী?
    উত্তর: মাইক্রোটিউবিউল, মাইক্রোফিলামেন্ট, ইন্টারমিডিয়েট ফিলামেন্ট।

রাইবোজোম (Ribosome)

  1. প্রশ্ন: রাইবোজোমের কাজ কী?
    উত্তর: প্রোটিন সংশ্লেষণ।

  2. প্রশ্ন: রাইবোজোমে কী ঘটে?
    উত্তর: প্রোটিনের পলিপেপটাইড চেইন সংযোজন।

নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রিকা

  1. প্রশ্ন: নিউক্লিয়াস কী?
    উত্তর: প্রোটোপ্লাজমে ক্রোমোজোম বহনকারী সুস্পষ্ট বস্তু।

  2. প্রশ্ন: নিউক্লিয়াসের আকৃতি কী ধরনের হতে পারে?
    উত্তর: গোলাকার, ডিম্বাকার বা নলাকার।

  3. প্রশ্ন: কোন কোষে নিউক্লিয়াস থাকে না?
    উত্তর: সিভকোষ ও লোহিত রক্তকণিকায়।

  4. প্রশ্ন: নিউক্লিয়াসের প্রধান কাজ কী?
    উত্তর: কোষের সব ক্রিয়া-বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ এবং বংশগতির বৈশিষ্ট্য বহন।

  5. প্রশ্ন: নিউক্লিয়াসে কত ধরনের অংশ থাকে?
    উত্তর: চারটি মূল অংশ: নিউক্লিয়ার ঝিল্লি, নিউক্লিওপ্লাজম, নিউক্লিওলাস, ক্রোমাটিন জালিকা।

নিউক্লিয়ার ঝিল্লি (Nuclear membrane)

  1. প্রশ্ন: নিউক্লিয়াসকে ঘিরে রাখে কোন ঝিল্লি?
    উত্তর: নিউক্লিয়ার ঝিল্লি।

  2. প্রশ্ন: নিউক্লিয়ার ঝিল্লির স্তর সংখ্যা কত?
    উত্তর: দুই স্তর বিশিষ্ট।

  3. প্রশ্ন: নিউক্লিয়ার ঝিল্লি কিসের তৈরি?
    উত্তর: লিপিড ও প্রোটিন।

  4. প্রশ্ন: ঝিল্লিতে থাকা ছিদ্রকে কী বলা হয়?
    উত্তর: নিউক্লিয়ার রক্ষ্ম (nuclear pore)।

  5. প্রশ্ন: নিউক্লিয়ার রক্ষ্মের কাজ কী?
    উত্তর: নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজমের মধ্যে বস্তু চলাচল নিয়ন্ত্রণ।

আরও পড়ুন: এসএসসি ২০২৬ আইসিটি ৫ম অধ্যায়

  1. প্রশ্ন: নিউক্লিয়ার ঝিল্লির কাজ কী?
    উত্তর: সাইটোপ্লাজম থেকে নিউক্লিয়াসকে আলাদা রাখা ও চলাচল নিয়ন্ত্রণ।

  2. প্রশ্ন: নিউক্লিয়ার ঝিল্লির ভেতরের অংশে কি থাকে?
    উত্তর: নিউক্লিওপ্লাজম।

  3. প্রশ্ন: নিউক্লিয়াসের ঝিল্লি কোন কোষে থাকে?
    উত্তর: সব সুকেন্দ্রিক কোষে।

  4. প্রশ্ন: নিউক্লিয়ার ঝিল্লি ছাড়া নিউক্লিয়াস কীভাবে কাজ করবে?
    উত্তর: চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও সুরক্ষা হারাবে।

  5. প্রশ্ন: নিউক্লিয়ার ঝিল্লির মাধ্যমে কি ধরনের পদার্থ যায়?
    উত্তর: RNA, প্রোটিন ও অন্যান্য ছোট পদার্থ।

নিউক্লিওপ্লাজম (Nucleoplasm)

  1. প্রশ্ন: নিউক্লিওপ্লাজম কী?
    উত্তর: নিউক্লিয়াসের ভিতরের জেলির মতো রস।

  2. প্রশ্ন: নিউক্লিওপ্লাজমে কি থাকে?
    উত্তর: নিউক্লিক এসিড, প্রোটিন, উৎসেচক ও খনিজ লবণ।

  3. প্রশ্ন: নিউক্লিওপ্লাজমের আরেক নাম কী?
    উত্তর: কেন্দ্রিকারস।

  4. প্রশ্ন: নিউক্লিওপ্লাজম কোষের কোন কাজ সহজ করে?
    উত্তর: নিউক্লিয়াসের বিপাকীয় কার্যাবলি।

  5. প্রশ্ন: নিউক্লিওপ্লাজম কোথায় থাকে?
    উত্তর: নিউক্লিয়ার ঝিল্লির ভিতরে।

নিউক্লিওলাস (Nucleolus)

  1. প্রশ্ন: নিউক্লিওলাস কী?
    উত্তর: নিউক্লিওপ্লাজমে ক্রোমোজোম সংলগ্ন গোলাকার অঙ্গাণু।

  2. প্রশ্ন: নিউক্লিওলাসের গঠন কী?
    উত্তর: RNA ও প্রোটিন।

  3. প্রশ্ন: নিউক্লিওলাসের প্রধান কাজ কী?
    উত্তর: রাইবোজোম সংশ্লেষণ।

  4. প্রশ্ন: নিউক্লিওলাস কোন অংশের সাথে সংলগ্ন থাকে?
    উত্তর: ক্রোমোজোমের রং-অগ্রাহী অংশের সাথে।

  5. প্রশ্ন: নিউক্লিওলাস কি বংশগতির তথ্য বহন করে?
    উত্তর: না, এটি শুধু রাইবোজোম সংশ্লেষণ করে।

ক্রোমাটিন জালিকা (Chromatin reticulum)

  1. প্রশ্ন: ক্রোমাটিন জালিকা কী?
    উত্তর: নিউক্লিয়াসে DNA ও প্রোটিনের জট পাকানো সুতার মতো গঠন।

  2. প্রশ্ন: ক্রোমাটিন কোন অবস্থায় দেখা যায়?
    উত্তর: কোষের বিশ্রামকালে।

  3. প্রশ্ন: কোষ বিভাজনের সময় ক্রোমাটিন কী হয়?
    উত্তর: মোটা ও খাটো হয়ে ক্রোমোজোমে রূপান্তরিত হয়।

  4. প্রশ্ন: ক্রোমোজোমে কী থাকে?
    উত্তর: জিন, যা বংশগতির বৈশিষ্ট্য বহন করে।

  5. প্রশ্ন: ক্রোমোজোম সংখ্যা কি জীবভেদে ভিন্ন?
    উত্তর: হ্যাঁ, প্রতিটি জীবের জন্য নির্দিষ্ট।

আরও পড়ুন: এসএসসি আইসিটি সাজেশন ২০২৬ ২য় অধ্যায় MCQ

  1. প্রশ্ন: জিন কোথায় অবস্থান করে?
    উত্তর: ক্রোমোজোমে।

  2. প্রশ্ন: ক্রোমাটিনের প্রধান উপাদান কী?
    উত্তর: DNA ও প্রোটিন।

  3. প্রশ্ন: ক্রোমাটিন জালিকার কাজ কী?
    উত্তর: বংশগতির তথ্য সংরক্ষণ।

  4. প্রশ্ন: নিউক্লিয়াসে ক্রোমাটিন ছাড়া কি থাকে?
    উত্তর: নিউক্লিওলাস, নিউক্লিওপ্লাজম ও ঝিল্লি।

  5. প্রশ্ন: ক্রোমাটিন কোষ বিভাজনের আগে কীভাবে থাকে?
    উত্তর: সুতার মতো জট পাকানো।

  6. প্রশ্ন: ক্রোমোজোমের কাজ কী?
    উত্তর: বংশধারার বৈশিষ্ট্য প্রজন্মে স্থানান্তর করা।

  7. প্রশ্ন: কোন কোষে ক্রোমাটিন দেখা যায় না?
    উত্তর: প্রাককেন্দ্রিক কোষে।

  8. প্রশ্ন: নিউক্লিয়াস কি শুধুমাত্র ক্রোমোজোম বহন করে?
    উত্তর: না, অন্যান্য অঙ্গাণু ও নিউক্লিওপ্লাজমও বহন করে।

  9. প্রশ্ন: ক্রোমাটিন ও ক্রোমোজোমের সম্পর্ক কী?
    উত্তর: ক্রোমাটিন বিভাজনের সময় ক্রোমোজোমে রূপান্তরিত হয়।

  10. প্রশ্ন: নিউক্লিয়াসের উপস্থিতি কোষের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?
    উত্তর: কোষের সব কাজ নিয়ন্ত্রণ ও বংশগতির তথ্য সংরক্ষণ।

উদ্ভিদ ও প্রাণীর কাজ পরিচালনায় বিভিন্ন প্রকার কোষের ভূমিকা

কোষ ও টিস্যুর সাধারণ ধারণা

  1. প্রশ্ন: কোষ কী?
    উত্তর: কোষ হলো জীবদেহের গঠন ও কার্যকরী একক।

  2. প্রশ্ন: এককোষী প্রাণীর সব কাজ কীভাবে হয়?
    উত্তর: একটি কোষের মাধ্যমে খাদ্যগ্রহণ, বৃদ্ধি ও প্রজনন সম্পন্ন হয়।

  3. প্রশ্ন: বহুকোষী প্রাণীর কোষের বৈচিত্র্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?
    উত্তর: তারা বিভিন্ন কাজ ভাগাভাগি করে সম্পন্ন করতে পারে।

  4. প্রশ্ন: টিস্যু কী?
    উত্তর: এক ধরনের কোষ বা কোষের গুচ্ছ, যা একই কাজের জন্য একত্রিত থাকে।

  5. প্রশ্ন: উদ্ভিদে টিস্যুর প্রধান দুটি ধরনের নাম কী?
    উত্তর: ভাজক টিস্যু ও স্থায়ী টিস্যু।

  6. প্রশ্ন: ভাজক টিস্যুর কোষ কী সক্ষম?
    উত্তর: বিভাজন করতে সক্ষম।

  7. প্রশ্ন: স্থায়ী টিস্যুর কোষ বিভাজন করতে পারে কিনা?
    উত্তর: সাধারণত পারে না।

  8. প্রশ্ন: স্থায়ী টিস্যু কত ধরনের?
    উত্তর: তিন ধরনের – সরল, জটিল ও নিঃস্রাবী।

  9. প্রশ্ন: সরল টিস্যু কী?
    উত্তর: অভিন্ন কোষের সমষ্টি যা একই কাজ করে।

  10. প্রশ্ন: সরল টিস্যুর প্রধান তিন প্রকার কী?
    উত্তর: প্যারেনকাইমা, কোলেনকাইমা, স্ক্লেরেনকাইমা।

প্যারেনকাইমা

  1. প্রশ্ন: প্যারেনকাইমা কোষের গঠন কেমন?
    উত্তর: জীবিত, পাতলা প্রাচীর, সমব্যাসীয় এবং প্রোটোপ্লাজমপূর্ণ।

  2. প্রশ্ন: প্যারেনকাইমা কোষে কী থাকে?
    উত্তর: মাঝে মাঝে ক্লোরোপ্লাস্ট বা বায়ুকুঠুরি।

  3. প্রশ্ন: ক্লোরোপ্লাস্টযুক্ত প্যারেনকাইমা কী নামে পরিচিত?
    উত্তর: ক্লোরেনকাইমা।

  4. প্রশ্ন: জলজ উদ্ভিদের বায়ুকুঠুরিযুক্ত প্যারেনকাইমা কী নামে পরিচিত?
    উত্তর: অ্যারেনকাইমা।

  5. প্রশ্ন: প্যারেনকাইমার কাজ কী?
    উত্তর: দেহ গঠন, খাদ্য প্রস্তুত, সঞ্চয় ও পরিবহন।

কোলেনকাইমা

  1. প্রশ্ন: কোলেনকাইমা কোষের বৈশিষ্ট্য কী?
    উত্তর: লম্বাটে, অসমভাবে পুরু প্রাচীর, প্রোটোপ্লাজমপূর্ণ।

  2. প্রশ্ন: কোলেনকাইমার প্রধান কাজ কী?
    উত্তর: উদ্ভিদকে দৃঢ়তা প্রদান এবং খাদ্য প্রস্তুত করা।

  3. প্রশ্ন: উদাহরণস্বরূপ কোথায় কোলেনকাইমা থাকে?
    উত্তর: পাতার শিরা ও কচি কান্ড।

স্ক্লেরেনকাইমা

  1. প্রশ্ন: স্ক্লেরেনকাইমা কোষ কেমন?
    উত্তর: মৃত, শক্ত, লম্বা, পুরু প্রাচীরযুক্ত।

  2. প্রশ্ন: স্ক্লেরেনকাইমা কোষের প্রধান কাজ কী?
    উত্তর: উদ্ভিদকে যান্ত্রিক শক্তি প্রদান ও পানি পরিবহন।

আরও পড়ুন: এসএসসি আইসিটি সাজেশন ২০২৬: ict mcq

  1. প্রশ্ন: স্ক্লেরেনকাইমার দুই ধরনের কোষ কী কী?
    উত্তর: ফাইবার ও স্ক্লেরাইড।

  2. প্রশ্ন: ফাইবার বা ভক্ষু কোষের গঠন কেমন?
    উত্তর: লম্বা, পুরু প্রাচীর, দুই প্রান্ত সরু।

  3. প্রশ্ন: স্ক্লেরাইড কোষের আরেক নাম কী?
    উত্তর: স্টোন সেল।

  4. প্রশ্ন: স্ক্লেরাইড কোষ সাধারণত জীবিত কি মৃত?
    উত্তর: মৃত।

জটিল টিস্যু

  1. প্রশ্ন: জটিল টিস্যু কী?
    উত্তর: বিভিন্ন ধরনের কোষের সমন্বয়ে স্থায়ী টিস্যু, যা পরিবহন কাজ করে।

  2. প্রশ্ন: উদ্ভিদে জটিল টিস্যুর প্রধান দুটি প্রকার কী?
    উত্তর: জাইলেম ও ফ্লোয়েম।

জাইলেম

  1. প্রশ্ন: প্রাথমিক জাইলেম কী?
    উত্তর: প্রোক্যাম্বিয়াম থেকে সৃষ্টি হওয়া জাইলেম।

  2. প্রশ্ন: গৌণ জাইলেম কীভাবে সৃষ্টি হয়?
    উত্তর: প্রাথমিক বৃদ্ধি শেষে।

  3. প্রশ্ন: জাইলেমের কোষ প্রকার কী কী?
    উত্তর: ট্রাকিড, ভেসেল, জাইলেম প্যারেনকাইমা, জাইলেম ফাইবার।

  4. প্রশ্ন: ট্রাকিড কোষের বৈশিষ্ট্য কী?
    উত্তর: লম্বা, প্রান্তদ্বয় সরু, অভ্যন্তরীণ গহ্বর বন্ধ।

  5. প্রশ্ন: ট্রাকিডের কাজ কী?
    উত্তর: পানি পরিবহন ও অঙ্গকে দৃঢ়তা প্রদান।

  6. প্রশ্ন: ভেসেল কোষের গঠন কেমন?
    উত্তর: খাটো, নলের মতো সংযুক্ত, মৃত ও প্রোটোপ্লাজমবিহীন।

  7. প্রশ্ন: ভেসেলের কাজ কী?
    উত্তর: পানি ও খনিজ লবণ পরিবহন ও অঙ্গ দৃঢ় করা।

  8. প্রশ্ন: জাইলেম প্যারেনকাইমা কোষের কাজ কী?
    উত্তর: খাদ্য সঞ্চয় এবং পানি পরিবহন।

  9. প্রশ্ন: জাইলেম ফাইবার কী?
    উত্তর: মৃত ক্লেরেনকাইমা কোষ, যান্ত্রিক শক্তি যোগ করে।

ফ্লোয়েম

  1. প্রশ্ন: ফ্লোয়েমের কাজ কী?
    উত্তর: পাতায় প্রস্তুত খাদ্য উদ্ভিদদেহের বিভিন্ন স্থানে পরিবহন।

  2. প্রশ্ন: সিভকোষ কী?
    উত্তর: লম্বা, ছিদ্রযুক্ত, খাদ্য পরিবহনের নল।

  3. প্রশ্ন: সঙ্গীকোষের কাজ কী?
    উত্তর: সিভকোষের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ।

  4. প্রশ্ন: ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমার কাজ কী?
    উত্তর: খাদ্য সঞ্চয় এবং পরিবহন।

  5. প্রশ্ন: ফ্লোয়েম ফাইবার কী?
    উত্তর: দীর্ঘ কোষ, উদ্ভিদকে দৃঢ়তা দেয়, খাদ্য পরিবহনেও সাহায্য করে।

প্রাণিটিস্যু – সাধারণ ধারণা

  1. প্রশ্ন: প্রাণিটিস্যু কী?
    উত্তর: একই ভ্রূণীয় কোষ থেকে উৎপন্ন কোষগুলোর সমষ্টি, যা নির্দিষ্ট কাজে নিয়োজিত।

  2. প্রশ্ন: টিস্যু নিয়ে অধ্যয়নকে কী বলে?
    উত্তর: টিস্যুতত্ত্ব (Histology)।

  3. প্রশ্ন: প্রাণিটিস্যুর প্রধান চার ধরনের নাম কী?
    উত্তর: আবরণী, যোজক, পেশি, স্নায়ু টিস্যু।

আবরণী টিস্যু (Epithelial Tissue)

  1. প্রশ্ন: আবরণী টিস্যুর প্রধান কাজ কী?
    উত্তর: অঙ্গকে আবৃত রাখা, রক্ষা, ক্ষরণ, শোষণ ও পরিবহন।

  2. প্রশ্ন: আবরণী টিস্যুর কোষের বিন্যাস কেমন?
    উত্তর: ঘন সন্নিবেশিত এবং ভিত্তিপর্দার উপর বিন্যস্ত।

  3. প্রশ্ন: আবরণী টিস্যুর তিনটি প্রধান আকার কী?
    উত্তর: স্কোয়ামাস, কিউবয়ডাল, কলামনার।

  4. প্রশ্ন: স্কোয়ামাস কোষ কেমন?
    উত্তর: চ্যাপটা, বড় নিউক্লিয়াস।

  5. প্রশ্ন: কিউবয়ডাল কোষ কেমন?
    উত্তর: ঘনাকার, দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা প্রায় সমান।

  6. প্রশ্ন: কলামনার কোষ কেমন?
    উত্তর: লম্বা, স্তম্ভের মতো সরু।

  7. প্রশ্ন: সাধারণ আবরণী টিস্যু কেমন বিন্যস্ত?
    উত্তর: একস্তরে।

  8. প্রশ্ন: ট্র্যাটিফাইড আবরণী টিস্যু কেমন?
    উত্তর: একাধিক স্তরে।

আরও পড়ুন: SSC 2026 অর্থনীতি ২য় অধ্যায় MCQ

  1. প্রশ্ন: সিউডো-ট্র্যাটিফাইড টিস্যু কেমন?
    উত্তর: একস্তরে বিন্যস্ত, কিন্তু স্তরীভূত মনে হয়।

  2. প্রশ্ন: সিলিয়াযুক্ত আবরণী টিস্যু কোথায় থাকে?
    উত্তর: শ্বাসনালিতে।

  3. প্রশ্ন: ফ্লাজেলাযুক্ত আবরণী টিস্যু কোথায় দেখা যায়?
    উত্তর: হাইড্রার এন্ডোডার্মে।

  4. প্রশ্ন: জনন অঙ্গের আবরণী টিস্যুর কাজ কী?
    উত্তর: শুক্রাণু ও ডিম্বাণু উৎপাদন।

  5. প্রশ্ন: গ্রন্থি আবরণী টিস্যুর কাজ কী?
    উত্তর: বিভিন্ন ধরনের রস বা পদার্থ নিঃসরণ।

যোজক টিস্যু (Connective Tissue)

  1. প্রশ্ন: যোজক টিস্যুর কোষের সংখ্যা ও মাতৃকা সম্পর্ক?
    উত্তর: কোষ কম, মাতৃকা বেশি।

  2. প্রশ্ন: যোজক টিস্যুর প্রধান তিন প্রকার কী?
    উত্তর: ফাইব্রাস, স্কেলিটাল, তরল।

  3. প্রশ্ন: ফাইব্রাস যোজক টিস্যুর কাজ কী?
    উত্তর: পেশি ও দেহত্বকের সংযোগে সাহায্য।

  4. প্রশ্ন: স্কেলিটাল যোজক টিস্যু কী কাজ করে?
    উত্তর: দেহের অভ্যন্তরীণ কাঠামো গঠন ও দৃঢ়তা প্রদান।

  5. প্রশ্ন: কোমলাস্থি (Cartilage) কোথায় পাওয়া যায়?
    উত্তর: নাক ও কান।

  6. প্রশ্ন: অস্থি (Bone) কী ধরনের টিস্যু?
    উত্তর: দৃঢ়, ভঙ্গুর এবং অনমনীয় স্কেলিটাল টিস্যু।

  7. প্রশ্ন: তরল যোজক টিস্যুর মাতৃকা কেমন?
    উত্তর: তরল, যা দ্রব্য পরিবহন ও রোগ প্রতিরোধে সহায়ক।

  8. প্রশ্ন: তরল যোজক টিস্যুর দুই প্রধান প্রকার কী?
    উত্তর: রক্ত ও লসিকা।

  9. প্রশ্ন: রক্তের প্রধান কাজ কী?
    উত্তর: অভ্যন্তরীণ পরিবহন ও তাপমাত্রা ভারসাম্য।

  10. প্রশ্ন: রক্তের তিন ধরনের কোষ কী কী?
    উত্তর: লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা, অণুচক্রিকা।

  11. প্রশ্ন: লোহিত রক্তকণিকার কাজ কী?
    উত্তর: অক্সিজেন পরিবহন।

  12. প্রশ্ন: শ্বেত রক্তকণিকার কাজ কী?
    উত্তর: রোগ প্রতিরোধ।

  13. প্রশ্ন: অণুচক্রিকার কাজ কী?
    উত্তর: রক্ত জমাট বাঁধায় সাহায্য।

  14. প্রশ্ন: লসিকা কী?
    উত্তর: কোষের মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থানে জমা জলীয় পদার্থ।

  15. প্রশ্ন: লসিকার গুরুত্বপূর্ণ কোষ কী?
    উত্তর: লসিকাকোষ (Lymphoid cell)।

পেশি টিস্যু (Muscular Tissue)

  1. প্রশ্ন: পেশি টিস্যু কী?
    উত্তর: সংকোচন ও প্রসারণ সক্ষম টিস্যু।

  2. প্রশ্ন: পেশিকোষ কেমন?
    উত্তর: সরু, লম্বা, তক্ষুময়।

  3. প্রশ্ন: তিন প্রকার পেশি টিস্যু কী কী?
    উত্তর: ঐচ্ছিক (Voluntary), অনৈচ্ছিক (Involuntary), কার্ডিয়াক।

  4. প্রশ্ন: ঐচ্ছিক পেশি কী?
    উত্তর: ইচ্ছানুযায়ী সংকুচিত ও প্রসারিত পেশি।

  5. প্রশ্ন: অনৈচ্ছিক পেশি কী?
    উত্তর: অঙ্গের স্বাভাবিক চলনে নিয়োজিত, ইচ্ছানুযায়ী নয়।

  6. প্রশ্ন: কার্ডিয়াক পেশি কোথায় থাকে?
    উত্তর: হৃৎপিণ্ডে।

  7. প্রশ্ন: কার্ডিয়াক পেশি কি বৈশিষ্ট্য রাখে?
    উত্তর: শাখাযুক্ত, আড়াআড়ি ডোরাযুক্ত, অনৈচ্ছিক।

  8. প্রশ্ন: কার্ডিয়াক পেশি সংকোচন কীভাবে হয়?
    উত্তর: নির্দিষ্ট গতিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে।

স্নায়ু টিস্যু (Nerve Tissue)

  1. প্রশ্ন: স্নায়ু টিস্যু কী?
    উত্তর: স্নায়ুকোষ বা নিউরন দিয়ে গঠিত টিস্যু।

  2. প্রশ্ন: নিউরনের প্রধান অংশ কী কী?
    উত্তর: কোষদেহ, ডেনড্রাইট, অ্যাক্সন।

  3. প্রশ্ন: কোষদেহে কী থাকে?
    উত্তর: নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া, গলজিবডি, রাইবোজোম ইত্যাদি।

  4. প্রশ্ন: নিউরন বিভাজিত হয় কি?
    উত্তর: না, সক্রিয় সেন্ট্রিওল না থাকায় বিভাজিত হয় না।

  5. প্রশ্ন: ডেনড্রাইটের কাজ কী?
    উত্তর: উদ্দীপনা গ্রহণ ও কোষদেহে প্রেরণ।

  6. প্রশ্ন: অ্যাক্সনের কাজ কী?
    উত্তর: উদ্দীপনা পরবর্তী নিউরনে প্রেরণ।

  7. প্রশ্ন: সিন্যাপস কী?
    উত্তর: দুটি নিউরনের সংযোগ স্থল।

  8. প্রশ্ন: স্নায়ু টিস্যুর কাজ কী?
    উত্তর: উদ্দীপনা গ্রহণ, মস্তিষ্কে প্রেরণ ও শরীরের সমন্বয়।

  9. প্রশ্ন: মস্তিষ্কের কত শতাংশ আমরা ব্যবহার করি?
    উত্তর: সবসময় ১০০% ব্যবহার করি, কখনো সব অংশ সমানভাবে সক্রিয় না হলেও।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  1. প্রশ্ন: লোহিত রক্তকণিকার রঙ কেন লাল?
    উত্তর: হিমোগ্লোবিনের কারণে।

  2. প্রশ্ন: হিমোগ্লোবিনের কাজ কী?
    উত্তর: অক্সিজেন পরিবহন।

  3. প্রশ্ন: পেশি টিস্যুতে ATP কেন গুরুত্বপূর্ণ?
    উত্তর: সংকোচন শক্তি উৎপাদনের জন্য।

  4. প্রশ্ন: নিউরনের মায়েলিন শিথ কী কাজে লাগে?
    উত্তর: সংকেত দ্রুত প্রেরণ।

  5. প্রশ্ন: টিস্যু পরীক্ষার জন্য কোন যন্ত্র ব্যবহৃত হয়?
    উত্তর: মাইক্রোস্কোপ।

  6. প্রশ্ন: উদ্ভিদ ও প্রাণীর কোষে কোন অঙ্গাণু সাধারণ?
    উত্তর: নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া, রাইবোজোম।

  7. প্রশ্ন: উদ্ভিদ কোষে কোন অঙ্গাণু আলাদা?
    উত্তর: ক্লোরোপ্লাস্ট।

  8. প্রশ্ন: কোষপ্রাচীর কোথায় থাকে?
    উত্তর: উদ্ভিদ ও কিছু ব্যাকটেরিয়ায়।

  9. প্রশ্ন: প্রাণী কোষে কোষপ্রাচীর থাকে কি?
    উত্তর: না।

  10. প্রশ্ন: টিস্যু গঠনের মূল উপাদান কী?
    উত্তর: কোষ এবং মাতৃকা (Matrix)।

  11. প্রশ্ন: পেশি ও স্নায়ু টিস্যু কোন প্রাণীতে বেশি উন্নত?
    উত্তর: উঁচু স্তরের প্রাণী ও মানবদেহে।

  12. প্রশ্ন: উদ্ভিদ ও প্রাণীর টিস্যু অধ্যয়ন কোন বিষয়ে সহায়ক?
    উত্তর: অঙ্গ গঠন, কার্যাবলী এবং রোগ নির্ণয়ে।

উদ্ভিদ টিস্যু সংক্রান্ত

সাধারণ ধারণা

  1. প্রশ্ন: উদ্ভিদ টিস্যু কী?
    উত্তর: একই বা বিভিন্ন প্রকারের কোষ একত্রিত হয়ে যদি একই কাজ করে এবং উৎপত্তি অভিন্ন হয়, তাকে টিস্যু বলে।

  2. প্রশ্ন: উদ্ভিদ টিস্যুর প্রধান দুই ধরণ কী?
    উত্তর: ভাজক টিস্যু (Meristematic) এবং স্থায়ী টিস্যু (Permanent tissue)।

  3. প্রশ্ন: ভাজক টিস্যুর কোষের বৈশিষ্ট্য কী?
    উত্তর: কোষগুলো বিভাজনে সক্ষম।

  4. প্রশ্ন: স্থায়ী টিস্যুর কোষের বৈশিষ্ট্য কী?
    উত্তর: কোষগুলো বিভাজনে সক্ষম নয়।

  5. প্রশ্ন: স্থায়ী টিস্যু কয় প্রকারের?
    উত্তর: তিন প্রকার – সরল, জটিল এবং নিঃস্রাবী।

  6. প্রশ্ন: সরল টিস্যু কী?
    উত্তর: সমরূপ কোষের তৈরি টিস্যু।

  7. প্রশ্ন: সরল টিস্যুর প্রধান তিন ধরনের নাম কী?
    উত্তর: প্যারেনকাইমা, কোলেনকাইমা, স্ক্লেরেনকাইমা।

প্যারেনকাইমা (Parenchyma)

  1. প্রশ্ন: প্যারেনকাইমা কোথায় থাকে?
    উত্তর: উদ্ভিদদেহের সব অংশে।

  2. প্রশ্ন: প্যারেনকাইমার কোষ জীবিত কি মৃত?
    উত্তর: জীবিত।

  3. প্রশ্ন: প্যারেনকাইমার কোষপ্রাচীর কেমন?
    উত্তর: পাতলা এবং সেলুলোজযুক্ত।

  4. প্রশ্ন: প্যারেনকাইমার কোষে কোন পদার্থ থাকে?
    উত্তর: প্রোটোপ্লাজম।

  5. প্রশ্ন: প্যারেনকাইমার মধ্যে কী থাকে?
    উত্তর: আন্তঃকোষীয় ফাঁক।

  6. প্রশ্ন: ক্লোরোপ্লাস্ট থাকা প্যারেনকাইমাকে কী বলা হয়?
    উত্তর: ক্লোরেনকাইমা।

  7. প্রশ্ন: জলজ উদ্ভিদের বড় বায়ুকোষযুক্ত প্যারেনকাইমাকে কী বলে?
    উত্তর: অ্যারেনকাইমা।

  8. প্রশ্ন: প্যারেনকাইমার প্রধান কাজ কী?
    উত্তর: দেহ গঠন, খাদ্য প্রস্তুত, খাদ্য সঞ্চয় ও পরিবহন।

কোলেনকাইমা (Collenchyma)

  1. প্রশ্ন: কোলেনকাইমা কিসের তৈরি?
    উত্তর: বিশেষ ধরনের প্যারেনকাইমা কোষ দিয়ে।

  2. প্রশ্ন: কোলেনকাইমার কোষপ্রাচীর কেমন?
    উত্তর: অসমভাবে পুরু, কোণ বেশি পুরু।

  3. প্রশ্ন: কোলেনকাইমার কোষ জীবনধারণ কেমন?
    উত্তর: প্রোটোপ্লাজমপূর্ণ।

  4. প্রশ্ন: কোলেনকাইমার কোষ আকার কেমন?
    উত্তর: লম্বাটে।

  5. প্রশ্ন: কোলেনকাইমার কাজ কী?
    উত্তর: উদ্ভিদকে দৃঢ়তা দেওয়া এবং খাদ্য প্রস্তুত।

  6. প্রশ্ন: কোলেনকাইমা কোথায় থাকে?
    উত্তর: পাতার শিরা ও পত্রবৃত্তে।

  7. প্রশ্ন: কচি কান্ডের কোন টিস্যু দৃঢ়তা দেয়?
    উত্তর: কোলেনকাইমা।

স্ক্লেরেনকাইমা (Sclerenchyma)

  1. প্রশ্ন: স্ক্লেরেনকাইমার কোষ কেমন?
    উত্তর: শক্ত, লম্বা এবং পুরু প্রাচীরবিশিষ্ট।

  2. প্রশ্ন: স্ক্লেরেনকাইমার কোষ জীবিত কি মৃত?
    উত্তর: মৃত।

  3. প্রশ্ন: স্ক্লেরেনকাইমার প্রধান দুটি প্রকার কী?
    উত্তর: ফাইবার এবং স্ক্লেরাইড।

  4. প্রশ্ন: ফাইবারের বৈশিষ্ট্য কী?
    উত্তর: লম্বা, পুরু প্রাচীরযুক্ত, দুপ্রান্ত সরু।

  5. প্রশ্ন: ফাইবার কোথায় থাকে?
    উত্তর: বাস্ট ফাইবার, সার্ফেস ফাইবার, জাইলেম তন্তু।

  6. প্রশ্ন: স্ক্লেরাইডের বৈশিষ্ট্য কী?
    উত্তর: খাটো, শক্ত, কখনো তারকাকার।

  7. প্রশ্ন: স্ক্লেরাইডের আরেক নাম কী?
    উত্তর: স্টোন সেল।

  8. প্রশ্ন: স্ক্লেরেনকাইমার কাজ কী?
    উত্তর: দৃঢ়তা প্রদান এবং পানি ও খনিজ পরিবহন।

জটিল টিস্যু (Complex tissue)

  1. প্রশ্ন: জটিল টিস্যু কী?
    উত্তর: বিভিন্ন ধরনের কোষের সমন্বয়ে গঠিত টিস্যু।

  2. প্রশ্ন: জটিল টিস্যুর কাজ কী?
    উত্তর: উদ্ভিদে পরিবহন।

  3. প্রশ্ন: জটিল টিস্যুর দুই প্রকার কী?
    উত্তর: জাইলেম এবং ফ্লোয়েম।

  4. প্রশ্ন: জাইলেম ও ফ্লোয়েম একত্রে কী গঠন করে?
    উত্তর: ভাসকুলার বান্ডল (vascular bundle)।

জাইলেম (Xylem)

  1. প্রশ্ন: জাইলেমের প্রধান কাজ কী?
    উত্তর: পানি ও খনিজ লবণ পরিবহন এবং অঙ্গকে দৃঢ়তা দেওয়া।

  2. প্রশ্ন: জাইলেমের দুই প্রকার কী?
    উত্তর: প্রাথমিক এবং গৌণ জাইলেম।

  3. প্রশ্ন: প্রাথমিক জাইলেম কীভাবে তৈরি হয়?
    উত্তর: প্রোক্যাম্বিয়াম থেকে।

  4. প্রশ্ন: প্রাথমিক জাইলেমের দুই ধাপ কী?
    উত্তর: প্রোটোজাইলেম (প্রাথমিক), মেটাজাইলেম (পরিণত)।

  5. প্রশ্ন: জাইলেমের প্রধান কোষের নাম কী?
    উত্তর: ট্রাকিড, ভেসেল, জাইলেম প্যারেনকাইমা, জাইলেম ফাইবার।

  6. প্রশ্ন: ট্রাকিডের বৈশিষ্ট্য কী?
    উত্তর: লম্বা, সরু প্রান্ত, লিগনিনযুক্ত প্রাচীর, অভ্যন্তরীণ গহ্বর বন্ধ।

আরও পড়ুন: SSC বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সাজেশন ২০২৬ | ssc 2026 bgs suggestion

  1. প্রশ্ন: ট্রাকিডে পানি কীভাবে চলাচল করে?
    উত্তর: জোড়া কূপ (paired pits) দিয়ে।

  2. প্রশ্ন: ভেসেল কেমন?
    উত্তর: খাটো, নলের মতো দীর্ঘ পথ তৈরি করে।

  3. প্রশ্ন: ভেসেল জীবিত কি মৃত?
    উত্তর: পরিণত অবস্থায় মৃত।

  4. প্রশ্ন: ভেসেলের প্রধান কাজ কী?
    উত্তর: পানি ও খনিজ লবণ পরিবহন।

  5. প্রশ্ন: জাইলেম প্যারেনকাইমার কাজ কী?
    উত্তর: খাদ্য সঞ্চয় এবং পানি পরিবহন।

  6. প্রশ্ন: জাইলেম ফাইবারের কাজ কী?
    উত্তর: যান্ত্রিক শক্তি প্রদান।

ফ্লোয়েম (Phloem)

  1. প্রশ্ন: ফ্লোয়েমের কাজ কী?
    উত্তর: পাতায় তৈরি খাদ্য উদ্ভিদদেহে পরিবহন।

  2. প্রশ্ন: ফ্লোয়েমের প্রধান কোষ কী কী?
    উত্তর: সিভকোষ, সঙ্গীকোষ, ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা, ফ্লোয়েম ফাইবার।

  3. প্রশ্ন: সিভকোষ কী?
    উত্তর: দীর্ঘ, পাতলা, খাদ্য পরিবহনের নল তৈরি করে।

  4. প্রশ্ন: সিভকোষে নিউক্লিয়াস থাকে কি?
    উত্তর: না, পরিণত অবস্থায় থাকে না।

  5. প্রশ্ন: সিভকোষের সাথে কোন কোষ থাকে?
    উত্তর: সঙ্গীকোষ (Companion cell)।

  6. প্রশ্ন: সঙ্গীকোষের কাজ কী?
    উত্তর: সিভকোষের কার্যাবলী নিয়ন্ত্রণ করা।

  7. প্রশ্ন: ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমার কাজ কী?
    উত্তর: খাদ্য সঞ্চয় এবং পরিবহন সহায়তা।

  8. প্রশ্ন: ফ্লোয়েম ফাইবারের আরেক নাম কী?
    উত্তর: বাস্ট ফাইবার।

  9. প্রশ্ন: ফ্লোয়েম ফাইবার উদ্ভিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন?
    উত্তর: যান্ত্রিক শক্তি প্রদান।

  10. প্রশ্ন: একবীজপত্রী উদ্ভিদে ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা থাকে কি?
    উত্তর: না।

  11. প্রশ্ন: দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদে জাইলেম ফাইবার থাকে কি?
    উত্তর: হ্যাঁ, সব জাইলেমে থাকে।

  12. প্রশ্ন: ট্রাকিডে প্রাচীরের ধরন কীভাবে হয়?
    উত্তর: বলয়াকার, সর্পিলাকার, সোপানাকার, জালিকাকার বা কৃপাঙ্কিত।

  13. প্রশ্ন: ভেসেল কত লম্বা হতে পারে?
    উত্তর: কয়েক সেন্টিমিটার বা বৃক্ষের ক্ষেত্রে অনেক লম্বা।

  14. প্রশ্ন: স্ক্লেরেনকাইমা কোষে লিগনিন থাকে কেন?
    উত্তর: যান্ত্রিক শক্তি প্রদান ও প্রাচীর দৃঢ় রাখার জন্য।

প্রাণিটিস্যু

  1. প্রাণিটিস্যু কী?
    প্রাণিদেহের এক বা একাধিক ধরনের কোষ সমষ্টিগতভাবে কোনো বিশেষ কাজে নিয়োজিত হলে তা প্রাণিটিস্যু।

  2. টিস্যু ও কোষের মধ্যে পার্থক্য কী?
    কোষ হলো টিস্যুর গঠনগত ও কার্যকরী একক, আর টিস্যু হলো কোষের সমষ্টি।

  3. টিস্যু নিয়ে অধ্যয়নকে কী বলে?
    টিস্যুতত্ত্ব বা Histology।

  4. প্রাণিটিস্যু কত প্রকার?
    চার প্রকার: আবরণী, যোজক, পেশি এবং স্নায়ু টিস্যু।

  5. আবরণী টিস্যুর প্রধান কাজ কী?
    অঙ্গ আবৃত রাখা, রক্ষা করা, নিঃসরণ, শোষণ ও পরিবহন করা।

  6. আবরণী টিস্যুর কোষ কেমন?
    ঘন সন্নিবেশিত এবং ভিত্তিপর্দার উপর বিন্যস্ত।

  7. কিউবয়ভাল টিস্যু কোষের আকার কেমন?
    কিউব বা ঘনাকার।

  8. স্কোয়ামাস আবরণী কোষের উদাহরণ?
    বৃক্কের বোম্যান্স ক্যাপসুল।

  9. ফলামনার আবরণী কোষের উদাহরণ?
    প্রাণীর অগ্ন্যাশয়ের অভ্যন্তরীণ প্রাচীর।

  10. গঠন অনুযায়ী আবরণী টিস্যুর ভাগ কতটি?
    তিনটি: সাধারণ, ট্র্যাটিফাইড, সিউডো-ট্র্যাটিফাইড।

  11. সাধারণ আবরণী টিস্যু কেমন?
    ভিত্তিপর্দার উপর একস্তরে কোষ সজ্জিত।

  12. ট্র্যাটিফাইড আবরণী টিস্যু কেমন?
    কোষ একাধিক স্তরে বিন্যস্ত।

  13. সিউডো-ট্র্যাটিফাইড টিস্যু কেমন দেখা যায়?
    কোষ উচ্চতায় ভিন্ন হওয়ায় স্তরীভূত মনে হয়।

  14. সিলিয়াযুক্ত আবরণী টিস্যু কোথায় থাকে?
    মেরুদণ্ডী প্রাণীর শ্বাসনালিতে।

  15. ফ্ল্যাজেলাযুক্ত আবরণী টিস্যু উদাহরণ?
    হাইড্রার এন্ডোডার্ম।

  16. ক্ষণপদযুক্ত আবরণী টিস্যু উদাহরণ?
    হাইড্রার এন্ডোডার্ম ও মেরুদণ্ডী প্রাণীর অস্ত্রে।

  17. জনন অঙ্গের আবরণী টিস্যু কাজ কী?
    শুক্রাণু ও ডিম্বাণু উৎপাদন এবং প্রজননে অংশ নেওয়া।

  18. গ্রন্থি আবরণী টিস্যু কী কাজ করে?
    বিভিন্ন ধরনের রস বা নিঃসরণ উৎপাদন।

যোজক টিস্যু সংক্রান্ত প্রশ্ন

  1. যোজক টিস্যু কী?
    কম কোষ, বেশি মাতৃকা বিশিষ্ট টিস্যু।

  2. যোজক টিস্যুর প্রধান কাজ কী?
    দেহের অভ্যন্তরীণ কাঠামো গঠন, সংযোগ, সঞ্চালন ও রক্ষা।

  3. ফাইব্রাস যোজক টিস্যু কোথায় থাকে?
    দেহত্বকের নিচে এবং পেশির মধ্যে।

  4. ফাইব্রাস টিস্যুর মাতৃকা কেমন?
    তক্ষুর আধিক্য বিশিষ্ট।

  5. স্কেলিটাল যোজক টিস্যু কী?
    দেহের অভ্যন্তরীণ কাঠামো গঠনকারী টিস্যু।

  6. স্কেলিটাল টিস্যুর দুই প্রকার কী কী?
    কোমলাস্থি ও অস্থি।

  7. কোমলাস্থি কোথায় পাওয়া যায়?
    মানুষের নাক ও কানের পিনা।

  8. অস্থি টিস্যুর বৈশিষ্ট্য কী?
    দৃঢ়, ভঙ্গুর এবং অনমনীয়।

  9. তরল যোজক টিস্যু কী?
    মাতৃকা তরল, যা দেহে পদার্থ পরিবহন করে।

  10. তরল যোজক টিস্যুর উদাহরণ?
    রক্ত ও লসিকা।

  11. রক্তের প্রধান উপাদান কতটি?
    দুটি: রন্তরস (Plasma) ও রক্তকণিকা।

  12. রক্তকণিকার কত প্রকার আছে?
    তিনটি: লোহিত, শ্বেত, অণুচক্রিকা।

  13. লোহিত রক্তকণিকার কাজ কী?
    অক্সিজেন পরিবহন করা।

  14. শ্বেত রক্তকণিকার কাজ কী?
    রোগ প্রতিরোধ।

  15. অণুচক্রিকার কাজ কী?
    রক্ত জমাট বাঁধায় সাহায্য।

  16. লসিকা কী?
    টিস্যুর মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থানে জমা স্বচ্ছ হলুদ তরল।

  17. লসিকার কাজ কী?
    রোগ প্রতিরোধ ও টিস্যু পর্যায়ের পদার্থ পরিবহন।

পেশি টিস্যু সংক্রান্ত প্রশ্ন

  1. পেশি টিস্যু কী?
    সংকোচন ও প্রসারণক্ষম টিস্যু।

  2. পেশি টিস্যুর মাতৃকা কেমন?
    প্রায় অনুপস্থিত।

  3. পেশিকোষের আকার কেমন?
    লম্বা, সরু, তক্ষুময়।

  4. ডোরাকাটা পেশি কী?
    ঐচ্ছিক বা Striated muscle।

  5. মসৃণ পেশি কী?
    অনৈচ্ছিক বা Smooth muscle।

  6. কার্ডিয়াক পেশি কী?
    হৃৎপিন্ডের অনৈচ্ছিক, শাখান্বিত, আড়াআড়ি ডোরাযুক্ত পেশি।

  7. ঐচ্ছিক পেশি কোথায় থাকে?
    মানুষের হাত ও পায়ের পেশিতে।

  8. অনৈচ্ছিক পেশি কোথায় থাকে?
    রক্তনালি, পৌষ্টিকনালি প্রাচীরে।

  9. কার্ডিয়াক পেশি কোষের বিশেষত্ব কী?
    ইন্টারক্যালেটেড ডিস্ক দ্বারা যুক্ত।

  10. ঐচ্ছিক পেশি কিভাবে সংকুচিত হয়?
    প্রাণীর ইচ্ছানুযায়ী।

  11. অনৈচ্ছিক পেশি কিভাবে সংকুচিত হয়?
    প্রাণীর ইচ্ছার বাইরে।

স্নায়ু টিস্যু সংক্রান্ত প্রশ্ন

  1. স্নায়ু টিস্যু কী?
    নিউরন বা স্নায়ুকোষের সমষ্টি।

  2. নিউরনের প্রধান অংশ কতটি?
    কোষদেহ, ডেনড্রাইট, অ্যাক্সন।

  3. নিউরনের কোষদেহে কী থাকে?
    নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া, রাইবোজোম, গলজিবডি।

  4. নিউরনের কোষদেহ সক্রিয় সেন্ট্রিওল নেই কেন?
    নিউরন বিভাজিত হয় না।

  5. ডেনড্রাইট কী?
    কোষদেহ থেকে শাখাযুক্ত প্রলম্বিত অংশ।

  6. অ্যাক্সন কী?
    ডেনড্রাইটের সাথে যুক্ত লম্বা স্নায়ুতন্তু।

  7. সিন্যাপস কী?
    দুটি নিউরনের মধ্যে উদ্দীপনা পরিবহন স্থল।

  8. স্নায়ু টিস্যুর কাজ কী?
    উদ্দীপনা গ্রহণ, প্রেরণ, বিশ্লেষণ ও সমন্বয়।

  9. স্নায়ু টিস্যু স্মৃতি সংরক্ষণ করে কি?
    হ্যাঁ, উচ্চতর প্রাণীতে।

  10. মস্তিষ্কের মাত্র ১০% ব্যবহার ধারণা সঠিক কি?
    না, মানুষ মস্তিষ্কের শতভাগ ব্যবহার করে।

অন্যান্য সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

  1. ভ্রুণীয় কোষ কীভাবে টিস্যু তৈরি করে?
    এক বা একাধিক ধরনের কোষ জন্ম নিয়ে সমষ্টিগতভাবে কাজ করলে।

  2. টিস্যুর কোষে উৎপত্তি, কাজ ও গঠন একই থাকে কি?
    হ্যাঁ।

  3. মানবদেহে কোন কোষ হাঁটা-চলায় সাহায্য করে?
    পেশিকোষ।

  4. চোখের কোষ কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
    দেখার জন্য।

  5. কানের কোষ কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
    শোনার জন্য।

  6. রক্তের কী কাজ?
    অক্সিজেন ও খাদ্য পরিবহন, রোগ প্রতিরোধ।

  7. পেশি টিস্যু কোন ভ্রুণীয় স্তর থেকে তৈরি?
    মেসোডার্ম।

  8. স্নায়ু টিস্যু কোন ভ্রুণীয় স্তর থেকে তৈরি?
    ইক্টোডার্ম।

  9. পেশিকোষে নিউক্লিয়াস কত থাকে?
    ঐচ্ছিক পেশিতে একাধিক, অনৈচ্ছিক ও কার্ডিয়াকে সাধারণত এক বা কম।

  10. পেশিকোষে ডোরা কেন থাকে?
    সংকোচন ক্ষমতা দেখাতে।

  11. মসৃণ পেশি কি দ্রুত সংকুচিত হয়?
    না, ধীরে সংকুচিত হয়।

  12. কার্ডিয়াক পেশি কি ধীরে সংকুচিত হয়?
    না, স্বয়ংক্রিয় এবং নিয়মিত।

  13. রক্তকণিকার মধ্যে কোনটি লাল?
    লোহিত রক্তকণিকা।

  14. শ্বেত রক্তকণিকার আরেকটি নাম?
    Leukocyte।

  15. অণুচক্রিকার আরেকটি নাম কী?
    Blood platelet।

  16. লসিকার রঙ কেমন?
    হলুদাভ স্বচ্ছ।

  17. কোমলাস্থি নমনীয় কেন?
    কারণ এ ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ নয়।

  18. অস্থি দৃঢ় কেন?
    কারণ ক্যালসিয়ামজাত পদার্থ জমা থাকে।

  19. ফাইব্রাস টিস্যু প্রধানত কোথায় থাকে?
    পেশির মধ্যে।

  20. টিস্যু কি শুধুমাত্র গঠন রাখে?
    না, কাজেও অংশ নেয়।

  21. স্নায়ু টিস্যু উদ্দীপনা কাকে প্রেরণ করে?
    মস্তিষ্ককে।

  22. স্নায়ু টিস্যুর উদ্দীপনা কোন অংশে পৌঁছায়?
    মস্তিষ্কের বিশ্লেষণ কেন্দ্রে।

  23. কোথায় ইন্টারক্যালেটেড ডিস্ক থাকে?
    কার্ডিয়াক পেশিতে।

  24. মৃত্যুর আগে কার্ডিয়াক পেশি কীভাবে কাজ করে?
    নিয়মিত সংকোচন ও প্রসারণ করে রক্ত চলাচল বজায় রাখে।

অঙ্গ ও তন্ত্র

সাধারণ ধারণা

  1. অঙ্গ কী?
    এক বা একাধিক টিস্যু দিয়ে তৈরি প্রাণিদেহের অংশবিশেষ, যা নির্দিষ্ট কাজ করতে সক্ষম।

  2. অঙ্গসংস্থানবিদ্যা কী?
    দেহের অঙ্গসমূহ নিয়ে জীববিজ্ঞানের শাখা।

  3. বাহ্যিক অঙ্গ কী?
    দেহের বাইরের অংশ যেমন চোখ, কান, নাক, হাত, পা।

  4. বহিঃঅঙ্গসংস্থান কী?
    বাহ্যিক অঙ্গসমূহের অবস্থান ও গঠন নিয়ে জীববিজ্ঞানের শাখা।

  5. অভ্যন্তরীণ অঙ্গ কী?
    দেহের ভিতরের অঙ্গ যেমন পাকস্থলী, হৃৎপিণ্ড, যকৃৎ।

  6. অন্তঃঅঙ্গসংস্থান কী?
    অভ্যন্তরীণ অঙ্গসমূহের গঠন ও কার্যক্রম নিয়ে বিজ্ঞান।

  7. তন্ত্র কী?
    একাধিক অঙ্গের সমন্বয়ে গঠিত ব্যবস্থা যা নির্দিষ্ট কাজ করে।

পরিপাকতন্ত্র

  1. পরিপাকতন্ত্র কী কাজ করে?
    খাদ্যগ্রহণ, পরিপাক, শোষণ ও অপাচ্য খাদ্যাংশ নিষ্কাশন।

  2. পরিপাকতন্ত্রের প্রধান অংশ কয়টি?
    দুটি: পৌষ্টিক নালি ও পৌষ্টিক গ্রন্থি।

  3. পৌষ্টিক নালিতে কোন অঙ্গগুলো থাকে?
    মুখছিদ্র, মুখগহ্বর, গলবিল, অন্ননালি, পাকস্থলী, ডিওডেনাম, ইলিয়াম, রেকটাম, পায়ুছিদ্র।

  4. পৌষ্টিক গ্রন্থি উদাহরণ?
    লালাগ্রন্থি, যকৃৎ, অগ্ন্যাশয়।

  5. পৌষ্টিক গ্রন্থি কী করে?
    খাদ্য পরিপাকে সহায়ক রস নিঃসরণ।

শ্বসনতন্ত্র

  1. শ্বসনতন্ত্রের কাজ কী?
    পরিবেশ থেকে অক্সিজেন গ্রহণ এবং শক্তি উৎপাদন।

  2. শ্বসনতন্ত্রের অংশ কী কী?
    নাসারন্ধ্র, গলবিল, ল্যারিংস, ট্রাকিয়া, ব্রঙ্কাস, ব্রঙ্কিওল, অ্যালভিওলাই, একজোড়া ফুসফুস।

  3. ফুসফুসের কাজ কী?
    অক্সিজেন গ্রহণ ও কার্বনডাইঅক্সাইড নিঃসরণ।

স্নায়ুতন্ত্র

  1. স্নায়ুতন্ত্রের কাজ কী?
    উদ্দীপনা গ্রহণ ও উপযুক্ত প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি।

  2. স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অংশ কী?
    মস্তিষ্ক, সুষুম্নাকাণ্ড, করোটিক স্নায়ু।

  3. স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্র কী?
    অনৈচ্ছিক পেশির কাজ নিয়ন্ত্রণকারী অংশ।

রেচনতন্ত্র

  1. রেচনতন্ত্র কী কাজ করে?
    বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন।

  2. রেচনতন্ত্রের অংশ কী কী?
    একজোড়া বুক, একজোড়া ইউরেটার, মূত্রথলি, মূত্রনালি।

  3. রেচন প্রক্রিয়া কী?
    দেহ থেকে অপ্রয়োজনীয় বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন।

জননতন্ত্র

  1. জননতন্ত্রের কাজ কী?
    নতুন প্রজন্ম সৃষ্টি ও প্রজাতির ধারার সংরক্ষণ।

  2. জননতন্ত্র কোন অঙ্গ নিয়ে গঠিত?
    গ্যামেট এবং ভ্রূণ/শিশু ধারক অঙ্গ।

  3. মানুষ একলিঙ্গ প্রাণী কি?
    হ্যাঁ, পুরুষের পুরুষ প্রজননতন্ত্র, নারীর স্ত্রী প্রজননতন্ত্র।

  4. গ্যামেট কী?
    শুক্রাণু বা ডিম্বাণু।

  5. জননতন্ত্র কীভাবে প্রজাতি রক্ষা করে?
    প্রজননের মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম সৃষ্টি করে।

ত্বকতন্ত্র

  1. ত্বকতন্ত্র কী কাজ করে?
    দেহ আচ্ছাদন, বাইরের আঘাত ও জীবাণু থেকে রক্ষা।

  2. ত্বক কোন অংশ আচ্ছাদন করে?
    দেহের বাইরের দিকে।

  3. ত্বকের অন্য কাজ কী?
    দেহের জলীয় অংশ সংরক্ষণ।

  4. ত্বকে কি গ্রন্থি থাকে?
    হ্যাঁ, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গ্রন্থি।

অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিতন্ত্র

  1. অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিতন্ত্র কী?
    নালিহীন গ্রন্থির সমষ্টি যা হরমোন নিঃসরণ করে।

  2. হরমোন কিভাবে পরিবাহিত হয়?
    রক্তের মাধ্যমে।

  3. অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিতন্ত্রের উদাহরণ?
    পিটুইটারি, থাইরয়েড, প্যারাথাইরয়েড, অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস, সুপ্রারেনাল।

  4. অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিতন্ত্রের কাজ কী?
    শরীরের শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলী নিয়ন্ত্রণ।

অন্যান্য সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

  1. অঙ্গ কি সবসময় এক ধরনের টিস্যু দিয়ে গঠিত?
    না, একাধিক ধরনের টিস্যু থাকতে পারে।

  2. মানবদেহে কত ধরনের অঙ্গ আছে?
    বহু ধরনের, অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক।

  3. পাকস্থলী কোন তন্ত্রের অংশ?
    পরিপাকতন্ত্র।

  4. হৃৎপিণ্ড কোন তন্ত্রের অংশ?
    স্নায়ুতন্ত্র ও রক্ত সঞ্চালন।

  5. ফুসফুস কোন তন্ত্রের অংশ?
    শ্বসনতন্ত্র।

  6. মানবদেহের তন্ত্রগুলোর কাজ কীভাবে বিভক্ত?
    প্রতিটি তন্ত্র নির্দিষ্ট শারীরবৃত্তীয় কাজ সম্পাদন করে।

অণুবীক্ষণ যন্ত্র

সাধারণ ধারণা

  1. অণুবীক্ষণ যন্ত্র কী?
    অতি ক্ষুদ্র বস্তু বহুগুণ বড় করে দেখার যন্ত্র।

  2. অণুবীক্ষণ যন্ত্র শিক্ষার্থীদের জন্য কেন প্রয়োজন?
    ক্ষুদ্র বস্তু পর্যবেক্ষণ ও গবেষণার জন্য অপরিহার্য।

  3. আলো ব্যবহার করে বস্তু দেখার অণুবীক্ষণ যন্ত্রকে কী বলে?
    আলোক অণুবীক্ষণ যন্ত্র।

  4. ইলেকট্রন ব্যবহার করে যন্ত্রকে কী বলে?
    ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্র।

  5. আলোক অণুবীক্ষণ যন্ত্রের প্রধান দুই প্রকার কী?
    সরল অণুবীক্ষণ যন্ত্র এবং যৌগিক অণুবীক্ষণ যন্ত্র।

সরল অণুবীক্ষণ যন্ত্র

  1. সরল অণুবীক্ষণ যন্ত্রের উপরের অংশে কী থাকে?
    একটি স্তম্ভ এবং টানা নল।

  2. স্টেজ কী?
    লেন্সের নিচে বসানো কাচের অংশ যেখানে বস্তু স্থাপন করা হয়।

  3. স্টেজে কী থাকে বস্তু ধরে রাখতে?
    দুটি ক্লিপ।

  4. আয়নার কাজ কী?
    বস্তুতে আলো প্রতিফলিত করা।

  5. পাদদেশ কী?
    সরল অণুবীক্ষণ যন্ত্রের ভিত্তি।

  6. ফোকাস করার জন্য কোন অংশ ব্যবহার হয়?
    স্টেজের উপর লেন্সের সাথে যুক্ত আংটা এবং এডজাস্টমেন্ট স্ক্রু।

যৌগিক অণুবীক্ষণ যন্ত্র

  1. স্ট্যান্ড কী?
    বেজের উপর দন্ডায়মান উল্লম্ব পিলার।

  2. আর্ম কী?
    স্ট্যান্ডের উপরের দিকে বাঁকানো অংশ।

  3. বেজ কী?
    স্ট্যান্ডের নিচে পাটাতনের মতো অংশ।

  4. বডি টিউব কী?
    উপরের নলাকার অংশ, যেখানে আইপিস এবং অবজেকটিভ থাকে।

  5. নোজপিস কী?
    বডি টিউবের নিচের ঘূর্ণনশীল অংশ।

  6. নোজপিসে কতগুলো অবজেকটিভ থাকতে পারে?
    সাধারণত ৩টি (লো পাওয়ার, হাই পাওয়ার, অয়েল ইমারশন)।

  7. লো পাওয়ার অবজেকটিভ কতগুণ বিবর্ধন দেয়?
    10x–12x।

  8. হাই পাওয়ার অবজেকটিভ কতগুণ বিবর্ধন দেয়?
    40x–45x।

  9. অয়েল ইমারশন অবজেকটিভ কতগুণ বিবর্ধন দেয়?
    100x।

  10. আইপিস কী?
    ওপরের লেন্স যা চোখের সাথে সংযুক্ত থাকে।

  11. আইপিসের বিবর্ধন ক্ষমতা কত?
    10x–12x।

  12. ফাইন অ্যাডজাস্টমেন্ট স্ক্রু কী করে?
    স্টেজকে সূক্ষ্মভাবে ওঠা-নামা করে ফোকাস ঠিক করে।

  13. কোর্স অ্যাডজাস্টমেন্ট স্ক্রু কী করে?
    স্টেজকে তুলনামূলকভাবে অনেকখানি ওঠা-নামা করে।

  14. কনডেন্সার ও ডায়াফ্রামের কাজ কী?
    আলোর প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ।

  15. আলোর উৎস কোথায় থাকে?
    বেজের কেন্দ্রে।

অণুবীক্ষণ যন্ত্র ব্যবহার

  1. প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করতে হলে যন্ত্র কোথায় রাখা উচিত?
    আলোকিত স্থানে।

  2. স্লাইড স্থাপন করার আগে কী করা হয়?
    আয়না বা আলো ঠিকমত স্থাপন।

  3. প্রথমে কোন লেন্স ব্যবহার করা হয়?
    কম পাওয়ার অবজেকটিভ।

  4. কোর্স অ্যাডজাস্টমেন্ট আগে না পরে ফাইন অ্যাডজাস্টমেন্ট?
    প্রথমে কোর্স, পরে ফাইন।

  5. দুটি চোখ খোলা রাখার প্রয়োজন কেন?
    এক চোখে দেখলে চোখ দ্রুত ক্লান্ত হয়।

  6. উচ্চ পাওয়ার লেন্স ব্যবহার কখন?
    শিক্ষকের সাহায্যে।

স্টেইনিং

  1. স্টেইনিং কী?
    কোষ বা টিস্যু রঙিন করে স্পষ্টভাবে দেখানো।

  2. স্টেইনিং কেন করা হয়?
    কোষ ও অঙ্গাণুর অবস্থান ও গঠন আলাদা করতে।

  3. রঞ্জক পদার্থকে কী বলে?
    স্টেইন।

  4. স্টেইনিং দিয়ে কি সব কোষই রঙিন হয়?
    না, কখনও নির্দিষ্ট অংশই রঙিন হয়।

ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্র

  1. ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্র কেন ব্যবহার হয়?
    ক্ষুদ্র অঙ্গাণু ও কোষের ভিতরের অংশ স্পষ্ট দেখার জন্য।

  2. আলোকের তুলনায় ইলেকট্রনের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কেমন?
    অনেক ছোট।

  3. কাচের লেন্সের পরিবর্তে ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপে কী ব্যবহার হয়?
    শক্তিশালী তড়িৎ চুম্বক।

  4. ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপের ছবি চোখে দেখা যায়?
    না, কম্পিউটারের মাধ্যমে দেখা হয়।

  5. দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কত?
    400–700 ন্যানোমিটার।

  6. আলোক অণুবীক্ষণ যন্ত্রে কোন অংশ স্পষ্ট দেখা যায়?
    কোষঝিল্লি, নিউক্লিয়াস, সাইটোপ্লাজম।

  7. আলোক অণুবীক্ষণে অঙ্গাণু স্পষ্ট দেখার সীমা কত?
    200 ন্যানোমিটারের চেয়ে ছোট বস্তু দেখা যায় না।

উদ্ভিদকোষ পর্যবেক্ষণ

  1. পেঁয়াজ কোষ পর্যবেক্ষণের জন্য কোন স্টেইন ব্যবহার করা হয়?
    স্যাফ্রানিন।

  2. কভার স্লিপ বসানোর আগে কি করতে হয়?
    গ্লিসারিন ফোঁটা দিয়ে সাবধানে চাপা।

  3. পেঁয়াজ কোষে কোন অংশ দেখা যায়?
    কোষপ্রাচীর, প্রোটোপ্লাজম, কোষগহ্বর, নিউক্লিয়াস।

  4. কোশের আকৃতি কেমন?
    আয়তাকার ও পাতলা।

প্রাণিকোষ (অ্যামিবা) পর্যবেক্ষণ

  1. অ্যামিবা কোন অংশে থাকে?
    পুকুর বা পচা পাতার তলানি।

  2. অ্যামিবা পর্যবেক্ষণে কোন অংশ দেখা যায়?
    প্লাজমালেমা, বহু ক্ষণপদ, গহ্বর।

  3. উদ্ভিদকোষ ও প্রাণিকোষে পার্থক্য কী?
    উদ্ভিদকোষে প্লাস্টিড থাকে, প্রাণিকোষে থাকে না।

যৌগিক অণুবীক্ষণ যন্ত্র

অংশ ও সংজ্ঞা

  1. যৌগিক অণুবীক্ষণ যন্ত্রের কোন অংশটি উল্লম্ব পিলার হিসেবে কাজ করে?
    স্ট্যান্ড।

  2. স্ট্যান্ডের উপরের বাঁকানো অংশ কী নামে পরিচিত?
    আর্ম।

  3. স্ট্যান্ডের নিচের পাটাতনের মতো অংশ কী?
    বেজ।

  4. আর্মের নিচে কোন অংশ থাকে যেখানে বস্তু স্থাপন করা হয়?
    স্টেজ।

  5. বডি টিউব কী?
    উপরের নলাকার অংশ, যেখানে আইপিস ও অবজেকটিভ থাকে।

  6. নোজপিস কী?
    বডি টিউবের নিচের ঘূর্ণনশীল অংশ।

  7. নোজপিসে কী থাকে?
    অবজেকটিভ লেন্স।

  8. অবজেকটিভ লেন্সের কত ধরনের থাকে?
    লো পাওয়ার, হাই পাওয়ার, অয়েল ইমারশন, কখনও স্ক্রিনিং।

  9. লো পাওয়ার অবজেকটিভ কতগুণ বিবর্ধন দেয়?
    10x–12x।

  10. হাই পাওয়ার অবজেকটিভ কতগুণ বিবর্ধন দেয়?
    40x–45x।

  11. অয়েল ইমারশন অবজেকটিভ কতগুণ বিবর্ধন দেয়?
    100x।

  12. স্ক্রিনিং অবজেকটিভ কতগুণ বিবর্ধন দেয়?
    4x–5x।

  13. আইপিস কী?
    ওপরের লেন্স যেখানে চোখ রাখা হয়।

  14. আইপিসের সাধারণ বিবর্ধন ক্ষমতা কত?
    10x–12x।

  15. ফাইন অ্যাডজাস্টমেন্ট স্ক্রু কী কাজ করে?
    ফোকাসের সূক্ষ্ম সমন্বয় করে।

  16. কোর্স অ্যাডজাস্টমেন্ট স্ক্রু কী কাজ করে?
    ফোকাসের স্থূল সমন্বয় করে।

  17. সাবস্টেজ কী?
    স্টেজের নিচে থাকা অংশ।

  18. কনডেন্সারের কাজ কী?
    আলোর প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা।

  19. ডায়াফ্রামের কাজ কী?
    আলোর পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা।

  20. আলোর উৎস কোথায় থাকে?
    বেজের কেন্দ্রে।

ব্যবহার

  1. প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করতে যন্ত্র কোথায় রাখা হয়?
    আলোকিত স্থানে।

  2. প্রথমে কোন লেন্স ব্যবহার করা হয়?
    লো পাওয়ার অবজেকটিভ।

  3. ফোকাস করার আগে কোন স্ক্রু ব্যবহার করা হয়?
    প্রথমে কোর্স, পরে ফাইন।

  4. দুটি চোখ খোলা রাখার প্রয়োজন কেন?
    এক চোখে দেখলে চোখ ক্লান্ত হয়।

  5. উচ্চ পাওয়ার লেন্স ব্যবহার কখন করা উচিত?
    শিক্ষকের সহায়তায়।

  6. স্লাইডে বস্তু স্থাপনের জন্য কোন অংশ ব্যবহার হয়?
    স্টেজের ক্লিপ।

  7. প্রাকৃতিক আলো না থাকলে কী করা হয়?
    যন্ত্রের কৃত্রিম আলোক উৎস ব্যবহার করা।

  8. নোজপিস ঘুরানোর কাজ কী?
    অবজেকটিভ লেন্স স্লাইডের দিকে স্থাপন।

  9. ফাইন অ্যাডজাস্টমেন্ট অনেক ঘোরালে কী ঘটে?
    স্টেজের অল্প সরণ ঘটে।

  10. কোর্স অ্যাডজাস্টমেন্ট অল্প ঘোরালে কী ঘটে?
    স্টেজ অনেকখানি সরণ হয়।

স্টেইনিং

  1. স্টেইনিং কী?
    কোষ বা টিস্যুকে রঙ করা।

  2. স্টেইনিং কেন করা হয়?
    কোষ ও অঙ্গাণুর অবস্থান ও আকৃতি স্পষ্ট করতে।

  3. স্টেইন হিসেবে ব্যবহৃত পদার্থকে কী বলে?
    স্টেইন।

  4. স্টেইনিং সব কোষে হয়?
    না, কখনও বিশেষ অংশই রঙিন হয়।

  5. স্টেইনিং করে কী দেখা যায়?
    কোষ বা অঙ্গাণুর পারিপার্শ্বিকতা এবং আকার।

  6. কোনো রঙিন কোষের অংশে নজর দেওয়া হয়?
    বিশেষ ধরনের কোষ বা কোষের অঙ্গাণু।

  7. স্লাইডে স্টেইন করার আগে কী রাখা হয়?
    জলীয় মাধ্যম।

  8. কভার স্লিপ বসানোর উদ্দেশ্য কী?
    বস্তুকে চাপে রাখা ও বুদবুদ এড়ানো।

  9. স্টেইনিং করলে কি উদ্ভিদ ও প্রাণিকোষ আলাদা দেখানো সম্ভব?
    হ্যাঁ।

  10. স্টেইনিং কোন ধরনের পর্যবেক্ষণে বেশি ব্যবহৃত হয়?
    ক্ষুদ্র কোষ ও টিস্যুর বিশদ পর্যবেক্ষণে।

ইলেক্ট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্র

  1. বিবর্ধনের জন্য কোন ধরনের তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়?
    তরঙ্গের তরঙ্গ।

  2. তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কম হলে কী হয়?
    ছোট বস্তুকে আরও ভালোভাবে দেখা যায়।

  3. দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কত?
    ৪০০–৭০০ ন্যানোমিটার।

  4. আলোক অণুবীক্ষণ যন্ত্র সর্বনিম্ন কত ন্যানোমিটার পর্যন্ত দেখতে পারে?
    ২০০ ন্যানোমিটার।

  5. আলোক অণুবীক্ষণে কোন কোষের অংশ স্পষ্ট দেখা যায়?
    কোষঝিল্লি, নিউক্লিয়াস, সাইটোপ্লাজম।

  6. কেন ইলেক্ট্রন ব্যবহার করা হয়?
    ইলেক্ট্রনের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর চেয়ে অনেক ছোট।

  7. ইলেক্ট্রন অণুবীক্ষণে কাচের লেন্সের পরিবর্তে কী ব্যবহৃত হয়?
    শক্তিশালী তড়িৎ চুম্বক।

  8. তড়িৎ চুম্বকের কাজ কী?
    ইলেক্ট্রনের পথ বাঁকানো।

  9. ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপের আরেকটি নাম কী?
    ইলেক্ট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্র।

  10. ইলেক্ট্রন ছবি কি সরাসরি চোখে দেখা যায়?
    না।

  11. ইলেক্ট্রন ছবি কীভাবে দেখা যায়?
    কম্পিউটারের মনিটরে।

উদ্ভিদকোষ পর্যবেক্ষণ (পেঁয়াজ কোষ)

  1. পেঁয়াজের কোন অংশ থেকে ত্বকস্তর নেওয়া হয়?
    শঙ্কপত্রের উপরের অংশ।

  2. ত্বকস্তর কোথায় রাখা হয় প্রথমে?
    ওয়াচ গ্লাসের পানিতে।

  3. দ্বিতীয় ওয়াচ গ্লাসে কী রাখা হয়?
    স্যাফ্রানিন দ্রবণ।

  4. স্যাফ্রানিন কীভাবে কাজ করে?
    কোষ রঙিন করে।

  5. স্টেইনিং-এর উদ্দেশ্য কী?
    কোষ ও অঙ্গাণুর অবস্থান ও আকৃতি স্পষ্ট করা।

  6. কভার স্লিপ রাখার উদ্দেশ্য কী?
    বুদবুদ এড়ানো ও স্লাইড চাপে রাখা।

  7. গ্লিসারিন ব্যবহার কেন?
    কোষ স্থির রাখা।

  8. নিম্ন ক্ষমতাসম্পন্ন অবজেকটিভ কোনটি?
    লো পাওয়ার অবজেকটিভ।

  9. উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন অবজেকটিভ কোনটি?
    হাই পাওয়ার বা অয়েল ইমারশন।

  10. কোষের আকৃতি কেমন দেখা যায়?
    আয়তাকার ও পাতলা প্রাচীরযুক্ত।

  11. কোষের ভিতরে কী দেখা যায়?
    প্রোটোপ্লাজম, কোষগহ্বর, নিউক্লিয়াস।

  12. প্রোটোপ্লাজমে কী থাকে?
    দানাযুক্ত জেলির মতো পদার্থ।

  13. কোষগহ্বর কী?
    কোষের মধ্যে বড় খালি স্থান।

  14. ন্যক্লিয়াস কোথায় থাকে?
    কোষের একপাশে।

  15. উদ্ভিদকোষের বিশেষ লবণীয় অংশ কী দেখা যায় না?
    প্লাস্টিড না থাকায়।

প্রাণিকোষ পর্যবেক্ষণ (অ্যামিবা)

  1. অ্যামিবা কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়?
    পুকুরের তলদেশ বা পচা ডোবা।

  2. কোন অংশ কেটে কাচের বাটিতে রাখা হয়?
    ডালপালা ও পচা পাতা।

  3. অল্প পানি দিয়ে কিসের মাধ্যমে নাড়তে হয়?
    কাচের দণ্ড।

  4. তলানি কীভাবে সংগ্রহ করা হয়?
    পিগেট দিয়ে।

  5. এক ফোঁটা তলানি কোথায় রাখা হয়?
    কাচের স্লাইডে।

  6. কভার স্লিপ রাখার সময় কী প্রতিরোধ করতে হয়?
    বাতাস বা বুদবুদ।

  7. অ্যামিবা দেখতে কেমন?
    স্বচ্ছ জেলির মতো।

  8. অ্যামিবার অংশে কী দেখা যায়? 
    অনেক ক্ষণপদ ও গহ্বর।

  9. অ্যামিবা কে বেষ্টন করে কী থাকে?
    প্লাজমালেমা।

  10. প্রাণিকোষে কোন অংশ উদ্ভিদকোষের মতো নেই?
    প্লাস্টিড নেই।

  11. উদ্ভিদকোষ ও প্রাণিকোষের পার্থক্য কী?
    প্লাস্টিড ও কোষ আকার ও স্থিতি।

  12. স্পাইড ব্যবহার কেন?
    ত্বকস্তর বা স্লাইড হালকা সরাতে।

  13. ড্রপার ব্যবহার কেন?
    দ্রবণ স্লাইডে ফোঁটা দিতে।

  14. পর্যবেক্ষণ শেষে কী করা হয়?
    চিত্র খাতায় আঁকা ও চিহ্নিত করা।

জীবকোষ ও টিস্যু – FAQ

  1. প্রশ্ন: জীবকোষ কী?
    উত্তর: জীবকোষ হলো জীবদেহের সবচেয়ে ছোট একক, যা জীবন ক্রিয়া সম্পাদন করতে সক্ষম।

  2. প্রশ্ন: জীবকোষের প্রধান অংশগুলো কী কী?
    উত্তর: নিউক্লিয়াস, সাইটোপ্লাজম, কোষঝিল্লি এবং কিছু কোষে প্লাস্টিড ও কোষগহ্বর।

  3. প্রশ্ন: কোষঝিল্লির কাজ কী?
    উত্তর: কোষকে আচ্ছাদন করা এবং পরিবেশের সঙ্গে পদার্থের আদানপ্রদান নিয়ন্ত্রণ করা।

  4. প্রশ্ন: সাইটোপ্লাজম কী?
    উত্তর: নিউক্লিয়াস ও অন্যান্য অঙ্গাণুকে আবৃত জেলির মতো পদার্থ।

  5. প্রশ্ন: প্লাস্টিডের কাজ কী?
    উত্তর: খাদ্য সংরক্ষণ ও প্রয়োজনীয় রাসায়নিক পদার্থ তৈরি করা।

  6. প্রশ্ন: কোষগহ্বর কী কাজে লাগে?
    উত্তর: কোষের মধ্যে পানি ও খাদ্য সংরক্ষণ করা এবং বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন।

  7. প্রশ্ন: একক কোষী প্রাণী কী?
    উত্তর: এমন প্রাণী যার দেহ একটি কোষ দ্বারা গঠিত, যেমন অ্যামিবা।

  8. প্রশ্ন: বহু কোষী প্রাণী কী?
    উত্তর: এমন প্রাণী যার দেহ একাধিক কোষের সমন্বয়ে গঠিত, যেমন মানুষ।

  9. প্রশ্ন: টিস্যু কী?
    উত্তর: একই ধরনের কোষ একত্রিত হয়ে নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য গঠিত অংশকে টিস্যু বলে।

  10. প্রশ্ন: টিস্যুর উদাহরণ কী কী?
    উত্তর: পেশী টিস্যু, স্নায়ু টিস্যু, সংযোজক টিস্যু ও আবরণ টিস্যু।

শেষকথা

পরিশেষে বলতে চাই যে, উপরের সকল প্রশ্নের উত্তরগুলো নিয়মিত চর্চা করলে SSC পরীক্ষা 2026 এ ভালো করতে পারবে ইনশাআল্লাহ্‌। তবে আরো ভালো ফলাফল করতে তোমার পাঠ্যবই নিয়মিত অধ্যয়ন করবে। ধারাবাহিকভাবে অন্যান্য সকল অধ্যায়ের সাজেশন দেওয়া হবে। বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের সাজেশন পেতে শিক্ষা টেক ২৪ ওয়েবসাইটটি সাবস্ক্রাইব করবে। পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গে তোমার ইমেইলে নটিফিকেশন যাবে। নিজে পড়বে এবং ফেইসবুক সহ অন্যান্য মাধমে বন্ধুদের কাছে শেয়ার করবে। কোন বিষয়ের সাজেশন চাও তা জানাতে কমেন্ট করবে।

আরও পড়ুন:

১) জীববিজ্ঞানের শাখা 

২) জীববিজ্ঞান এসএসসি ২০২৬ 

৩) জীবকোষ ও টিস্যু 

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *