এসএসসি ২০২৬ ইতিহাস ষষ্ঠ অধ্যায় সাজেশন ১০০% কমন
এসএসসি ২০২৬ ইতিহাস ষষ্ঠ অধ্যায় সাজেশন। ইতিহাস ষষ্ঠ অধ্যায় জ্ঞানমূলক, MCQ, সৃজনশীল এর জন্য। ধারাবাহিকভাবে সকল অধ্যায়ের জ্ঞানমূলক, MCQ, সৃজনশীল দেওয়া হবে। ১০০% কমন পড়বে ইনশাআল্লাহ্। এই অধ্যায়ের নাম- মধ্যযুগের বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস (১২০৪ – ১৭৫৭ খ্রিষ্টাব্দ)
তোমাদের বোর্ড বইয়ের প্রতিটি লাইন থেকে প্রশ্ন দেওয়া হয়েছে যেগুলো নিয়মিত অধ্যয়ন করলে এমসিকিউসহ সকল প্রশ্নের উত্তর করতে পারবে ইনশাআল্লাহ্। চলো, এবার আলোচনা করা যাক।
ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ-বিন-বখতিয়ার খলজি
পরিচয় ও বংশ
- প্রশ্ন: বখতিয়ার খলজি কিসের বংশধর ছিলেন?
উত্তর: খলজি বংশের। - প্রশ্ন: বখতিয়ারের জাতিতে কী ছিল?
উত্তর: তুর্কি। - প্রশ্ন: বখতিয়ারের পেশা কী ছিল?
উত্তর: ভাগ্যান্বেষী সৈনিক। - প্রশ্ন: তিনি কিসের ওপর বিশ্বাসী ছিলেন?
উত্তর: স্বীয় কর্মশক্তি। - প্রশ্ন: তিনি কোন বছরে জীবিকার অন্বেষণে গজনিতে আসেন?
উত্তর: ১১৯৫ খ্রিষ্টাব্দে। - প্রশ্ন: গজনিতে কোন সৈন্যবাহিনীতে তিনি চাকরিপ্রার্থী হন?
উত্তর: শিহাবউদ্দিন ঘোরির সৈন্য বিভাগে। - প্রশ্ন: গজনিতে চাকরি কেন পাননি?
উত্তর: ছোট কায়, অস্বাভাবিক লম্বা হাত এবং কদাকার চেহারার কারণে। - প্রশ্ন: গজনিতে ব্যর্থ হলে বখতিয়ার কোথায় যান?
উত্তর: দিল্লি। - প্রশ্ন: দিল্লিতে কার দরবারে তিনি উপস্থিত হন?
উত্তর: সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবেকের দরবারে। - প্রশ্ন: দিল্লিতেও চাকরি পেয়েছিলেন কি?
উত্তর: না।
আরও পড়ুনঃ ইতিহাস ২য় অধ্যায় সাজেশনঃ বিশ্বসভ্যতা (মিশর, সিন্ধু, গ্রিক, রোম)
বদাউন ও অযোধ্যা
- প্রশ্ন: দিল্লি থেকে কোথায় যান বখতিয়ার?
উত্তর: বদাউন। - প্রশ্ন: বদাউনের শাসক কে ছিলেন?
উত্তর: মালিক হিজবরউদ্দিন। - প্রশ্ন: বখতিয়ারকে কী নিযুক্তি দেওয়া হয়?
উত্তর: মাসিক বেতনে সৈন্য। - প্রশ্ন: অল্প বেতনের সৈনিক পদে কি তিনি সন্তুষ্ট ছিলেন?
উত্তর: না। - প্রশ্ন: বদাউন থেকে বখতিয়ার কোথায় যান?
উত্তর: অযোধ্যা। - প্রশ্ন: অযোধ্যায় বখতিয়ারের অধীনে ছিলেন কে?
উত্তর: হুসামউদ্দিন। - প্রশ্ন: হুসামউদ্দিন বখতিয়ারকে কোন দায়িত্ব দেন?
উত্তর: পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব। - প্রশ্ন: কোন দুটি পরগনার দান পান বখতিয়ার?
উত্তর: ভাগবত ও ডিউলি। - প্রশ্ন: ভাগবত ও ডিউলি বখতিয়ারের জন্য কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলো?
উত্তর: ভবিষ্যৎ উন্নতির উৎস ও শক্তিকেন্দ্র। - প্রশ্ন: বখতিয়ার কোন অঞ্চলে আক্রমণ শুরু করেন?
উত্তর: পার্শ্ববর্তী ক্ষুদ্র হিন্দু রাজ্য।
বিহার অভিযান
- প্রশ্ন: বিহার কিসের জন্য পরিচিত?
উত্তর: বৌদ্ধ বিহারের জন্য। - প্রশ্ন: বিহারের আসল নাম কী ছিল?
উত্তর: দন্দ বিহার বা ওদন্তপুরী বিহার। - প্রশ্ন: বিহার বিজয়ের পর বখতিয়ার কোথায় যান?
উত্তর: দিল্লি। - প্রশ্ন: দিল্লি যাওয়ার উদ্দেশ্য কী ছিল?
উত্তর: সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবেকের সঙ্গে সাক্ষাৎ। - প্রশ্ন: পরের বছর বখতিয়ার কোথায় আক্রমণ করেন?
উত্তর: নবদ্বীপ বা নদীয়া। - প্রশ্ন: নদীয়ার তখন রাজা কে ছিলেন?
উত্তর: লক্ষণ সেন। - প্রশ্ন: নদীয়া ছিল কোন বাংলার রাজধানী?
উত্তর: দ্বিতীয় রাজধানী। - প্রশ্ন: বখতিয়ারের আগমনে রাজা লক্ষণ সেন কী করেছিলেন?
উত্তর: নদীয়া ত্যাগ করেননি। - প্রশ্ন: নদীয়ায় প্রবেশের জন্য প্রধান পথ কোনটি ছিল?
উত্তর: তেলিয়াগড় ও শিড়িপড়। - প্রশ্ন: বখতিয়ার কোন পথে অগ্রসর হন?
উত্তর: অরণ্যময় অঞ্চলের মধ্য দিয়ে।
নদীয়া জয়
- প্রশ্ন: নদীয়ায় বখতিয়ারের সঙ্গে কতজন সৈনিক ছিল?
উত্তর: মাত্র ১৭ বা ১৮ জন। - প্রশ্ন: নদীয়ার আক্রমণে রাজা কী করলেন?
উত্তর: প্রাসাদ খালি করে নৌকাযোগে আশ্রয় নিলেন। - প্রশ্ন: নদীয়া জয়ের তারিখ কীভাবে চিহ্নিত হয়েছে?
উত্তর: ১২০৪ খ্রিষ্টাব্দ। - প্রশ্ন: নদীয়ার আক্রমণে বখতিয়ারের সৈন্য কীভাবে প্রবেশ করেছিল?
উত্তর: খণ্ড খণ্ডভাবে অগ্রসর হয়ে। - প্রশ্ন: নদীয়ার আক্রমণে রাজপ্রাসাদের রক্ষীরা কী করেছিল?
উত্তর: নিহত বা পালিয়ে গিয়েছিল। - প্রশ্ন: নদীয়ার আক্রমণে নাগরিকদের অবস্থা কী ছিল?
উত্তর: ভীত ও সন্ত্রস্ত। - প্রশ্ন: নদীয়া জয়ের পর বখতিয়ার কোথায় অগ্রসর হন?
উত্তর: লক্ষণাবতী (গৌড়)। - প্রশ্ন: লক্ষণাবতী মুসলমান আমলে কী নামে পরিচিত?
উত্তর: লখনৌতি। - প্রশ্ন: গৌড় জয়ের পর বখতিয়ার কোথায় অগ্রসর হন?
উত্তর: বরেন্দ্র বা উত্তর বাংলা। - প্রশ্ন: বখতিয়ারের অধিপতি কতটুকু অঞ্চলকে নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন?
উত্তর: সমগ্র বাংলার পুরো অধিপত্য বিস্তার করতে পারেননি।
শাসন ও সংস্কৃতি
- প্রশ্ন: নদীয়া ও গৌড় জয়ের পর বখতিয়ার রাজ্য কেমন ছিল?
উত্তর: স্বাধীন ও সুপ্রতিষ্ঠিত। - প্রশ্ন: বখতিয়ারের মৃত্যু কখন হয়?
উত্তর: ১২০৬ খ্রিষ্টাব্দে। - প্রশ্ন: বখতিয়ারের মৃত্যুর কারণ কী হতে পারে?
উত্তর: অসুস্থতা বা আলি মর্দান দ্বারা হত্যা। - প্রশ্ন: বখতিয়ারের শাসন কত বছর স্থায়ী হয়েছিল?
উত্তর: প্রায় ৫৫০ বছর (১২০৪–১৭৬৫)। - প্রশ্ন: বখতিয়ার জয়ের পর কোন ধর্ম ও সংস্কৃতির বিকাশ ঘটেছিল?
উত্তর: ইসলাম ধর্ম ও মুসলমান সংস্কৃতি। - প্রশ্ন: বখতিয়ার কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণে সহায়তা করেছিলেন?
উত্তর: মাদ্রাসা, মক্তব, মসজিদ। - প্রশ্ন: বখতিয়ারের সৈন্যসংখ্যা কীভাবে বৃদ্ধি পায়?
উত্তর: ভাগ্যান্বেষী মুসলমান সৈন্য যোগদান করে। - প্রশ্ন: বখতিয়ার প্রথম শক্তিকেন্দ্র কোথায় ছিল?
উত্তর: ভাগবত ও ডিউলি। - প্রশ্ন: বখতিয়ারের সৈন্য সংখ্যা কত অল্পে নদীয়া জয় সম্ভব হয়েছিল?
উত্তর: ১৭–১৮ জন অশ্বারোহী। - প্রশ্ন: নদীয়ার আক্রমণে বখতিয়ারের ছদ্মবেশ কী ছিল?
উত্তর: বণিকের ছদ্মবেশ।
অভিযাত্রা ও কৌশল
- প্রশ্ন: নদীয়ার পথে তেলিয়াগড় ও শিড়িপড় কী ধরনের পথ ছিল?
উত্তর: সুরক্ষিত। - প্রশ্ন: নদীয়ার আক্রমণে রাজা লক্ষণ সেন কী করলেন?
উত্তর: আত্মরক্ষার জন্য নৌকাযোগে পালালেন। - প্রশ্ন: বখতিয়ারের ক্ষিপ্রগতি কেমন ছিল?
উত্তর: অত্যন্ত দ্রুত, মূল সৈন্যরা পিছনে রইল। - প্রশ্ন: নদীয়ার আক্রমণ কেমন পরিকল্পিত ছিল?
উত্তর: অরণ্যময় পথ দিয়ে অগ্রসর। - প্রশ্ন: নদীয়ার আক্রমণে প্রধান শহরে বখতিয়ারের দল কিভাবে বিভক্ত ছিল?
উত্তর: প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় দল। - প্রশ্ন: নদীয়া জয়ের পর গৌড় আক্রমণ কখন হল?
উত্তর: নদীয়া জয়ের পরপরই। - প্রশ্ন: বখতিয়ারের পূর্ব বাংলায় আধিপত্য কতদিন স্থায়ী ছিল?
উত্তর: সীমিত, লক্ষণ সেনের অধিকার অক্ষুণ্ণ ছিল। - প্রশ্ন: বখতিয়ারের শেষ সমর অভিযান কোনটি ছিল?
উত্তর: তিব্বত অভিযান। - প্রশ্ন: তিব্বত অভিযান সফল হয় কি?
উত্তর: না, ব্যর্থ। - প্রশ্ন: তিব্বত অভিযান ব্যর্থ হলে বখতিয়ার কোথায় ফিরে আসেন?
উত্তর: দেবকোটে।
সৈন্য ও প্রশাসন
- প্রশ্ন: বখতিয়ারের সৈন্যদলের অগ্রগতি কেমন ছিল?
উত্তর: খণ্ড খণ্ডভাবে। - প্রশ্ন: বখতিয়ারের সৈন্যদের মধ্যে কতজনই মূল বাহিনী অনুসরণ করতে পেরেছিল?
উত্তর: ১৭–১৮ জন। - প্রশ্ন: নদীয়ায় আক্রমণের সময় প্রাসাদের রক্ষীরা কী করেছিল?
উত্তর: নিহত বা পালিয়ে গেছে। - প্রশ্ন: নদীয়া জয়ের পর বখতিয়ার কাকে সাক্ষাৎ করতে যান?
উত্তর: দিল্লির সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবেক। - প্রশ্ন: নদীয়া ও গৌড় জয়ের পর বখতিয়ার কোন ধরনের প্রশাসন গড়ে তোলেন?
উত্তর: সুপ্রতিষ্ঠিত মুসলমান শাসন। - প্রশ্ন: বখতিয়ার সৈন্য কাদের দ্বারা বাড়ে?
উত্তর: ভাগ্যান্বেষী মুসলমান সৈন্য। - প্রশ্ন: নদীয়ার আক্রমণে রাজা লক্ষণ সেন কিভাবে পালিয়েছিলেন?
উত্তর: নৌকাযোগে। - প্রশ্ন: বখতিয়ারের মৃত্যু কোন বছরে?
উত্তর: ১২০৬ খ্রিষ্টাব্দ। - প্রশ্ন: বখতিয়ারের মৃত্যু কিভাবে ঘটতে পারে?
উত্তর: অসুস্থতা বা হত্যার ফলে। - প্রশ্ন: বখতিয়ারের শাসনকালে ধর্ম কোনটি প্রচারিত হয়?
উত্তর: ইসলাম ধর্ম।
ধর্ম ও সংস্কৃতি
- প্রশ্ন: বখতিয়ার কোন প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করান?
উত্তর: মাদ্রাসা ও মসজিদ। - প্রশ্ন: বখতিয়ারের আক্রমণ কৌশল কেমন ছিল?
উত্তর: চতুর, দ্রুত এবং অপ্রত্যাশিত। - প্রশ্ন: নদীয়ার আক্রমণ কিভাবে সম্ভব হয়?
উত্তর: অল্প সৈন্য ও দ্রুত গতিতে। - প্রশ্ন: বখতিয়ারের সৈন্যদের মধ্যে যোগদানের প্রধান কারক কী ছিল?
উত্তর: বখতিয়ারের বীরত্ব ও সাফল্য। - প্রশ্ন: নদীয়া জয়ের পরে গৌড় অধিকার কাকে হয়?
উত্তর: বখতিয়ার খলজি। - প্রশ্ন: নদীয়া ও গৌড় জয়ের পর পূর্ব বাংলায় কার অধিকার অক্ষুণ্ণ থাকে?
উত্তর: লক্ষণ সেনের। - প্রশ্ন: বখতিয়ারের সৈন্যসংখ্যা নদীয়ায় কতো ছিল?
উত্তর: ১৭–১৮ জন। - প্রশ্ন: নদীয়া জয়ের মাধ্যমে কোন শাসন সূচনা হয়?
উত্তর: মুসলমান শাসন। - প্রশ্ন: বখতিয়ারের মৃত্যুর পর পূর্ববঙ্গের শাসন কেমন হয়?
উত্তর: বংশধররা আরও কিছুদিন শাসন চালায়।
আরও পড়ুনঃ ইতিহাস ৪র্থ অধ্যায় সাজেশন ২০২৬
বাংলায় তুর্কি শাসন
সাধারণ পরিচয়
- প্রশ্ন: বাংলায় মুসলমান শাসনের সূচনা কে করেন?
উত্তর: বখতিয়ার খলজি। - প্রশ্ন: প্রথম পর্যায়ের শাসনকাল কত?
উত্তর: ১২০৪–১৩৩৮ খ্রিষ্টাব্দ। - প্রশ্ন: এই যুগের শাসকদের কি পুরোপুরি স্বাধীন বলা যায়?
উত্তর: না। - প্রশ্ন: শাসকদের কেউ ছিলেন কাদের সহযোদ্ধা?
উত্তর: বখতিয়ার খলজির। - প্রশ্ন: শাসকদের সবাই কার অধীনে ছিলেন?
উত্তর: দিল্লির সুলতানদের অধীনে। - প্রশ্ন: শাসকরা স্বাধীন হতে চেয়েছিলেন কি?
উত্তর: হ্যাঁ, তবে সফল হননি। - প্রশ্ন: মুসলিম শাসনের এ যুগ কেমন ছিল?
উত্তর: বিদ্রোহ-বিশৃঙ্খলায় পূর্ণ। - প্রশ্ন: জিয়াউদ্দিন বারানী বাংলাদেশের কী নামে উল্লেখ করেছেন?
উত্তর: বুলগাকপুর। - প্রশ্ন: ‘বুলগাকপুর’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: বিদ্রোহের নগরী। - প্রশ্ন: বখতিয়ার খলজির মৃত্যুর পর কী শুরু হয়?
উত্তর: সহযোদ্ধাদের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব।
খলজি সহযোদ্ধারা
- প্রশ্ন: বখতিয়ার খলজির সহযোদ্ধাদের মধ্যে প্রথম জনের নাম কী?
উত্তর: মুহম্মদ শিরান খলজি। - প্রশ্ন: সহযোদ্ধাদের মধ্যে দ্বিতীয় জনের নাম কী?
উত্তর: আলি মর্দান খলজি। - প্রশ্ন: সহযোদ্ধাদের মধ্যে তৃতীয় জনের নাম কী?
উত্তর: হুসামউদ্দিন ইওজ খলজি। - প্রশ্ন: আলি মর্দান খলজিকে কেন বন্দী করা হয়?
উত্তর: বখতিয়ার খলজির হত্যার অভিযোগে। - প্রশ্ন: মুহম্মদ শিরান খলজি কত বছর শাসন করেন?
উত্তর: এক বছর। - প্রশ্ন: শিরান খলজির পরে কে ক্ষমতা গ্রহণ করেন?
উত্তর: হুসামউদ্দিন ইওজ খলজি। - প্রশ্ন: আলি মর্দান খলজি কোথায় পালিয়ে যান?
উত্তর: দিল্লিতে। - প্রশ্ন: দিল্লির কোন সুলতানের সহযোগিতা পান আলি মর্দান খলজি?
উত্তর: কুতুবউদ্দিন। - প্রশ্ন: আলি মর্দান খলজি স্বাধীনতা ঘোষণা করেন কখন?
উত্তর: ১২১০ খ্রিষ্টাব্দে। - প্রশ্ন: আলি মর্দান খলজি নিজের নাম কী রাখেন?
উত্তর: আলাউদ্দিন আলি মদান খলজি।
শাসন ও বিদ্রোহ
- প্রশ্ন: আলাউদ্দিন আলি মদান খলজি কেমন শাসক ছিলেন?
উত্তর: খুব কঠোর। - প্রশ্ন: তাঁর শাসনের ফলে কি বৃদ্ধি পায়?
উত্তর: ক্রমে বিক্ষোভ ও বিদ্রোহ। - প্রশ্ন: আলি মর্দান খলজির বিরুদ্ধে কারা বিদ্রোহ করে?
উত্তর: খলজি মালিকরা। - প্রশ্ন: আলি মর্দান খলজির মৃত্যু কিভাবে হয়?
উত্তর: বিদ্রোহীদের হাতে নিহত হন। - প্রশ্ন: দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় আসেন কে?
উত্তর: হুসামউদ্দিন ইওজ খলজি। - প্রশ্ন: হুসামউদ্দিন ইওজ খলজি স্বাধীন সুলতান হিসেবে কবে শাসন করেন?
উত্তর: ১২১২–১২২৭ খ্রিষ্টাব্দ। - প্রশ্ন: ইওজ খলজি কত বছর বাংলার সুলতান ছিলেন?
উত্তর: প্রায় ১৫ বছর। - প্রশ্ন: বখতিয়ার খলজির পর কারা বাংলায় শাসন শুরু করেন?
উত্তর: খলজি মালিকরা। - প্রশ্ন: এই যুগে কারা প্রধান শাসনকর্তা ছিলেন?
উত্তর: বখতিয়ারের সহযোদ্ধারা। - প্রশ্ন: শাসকরা কি পুরোপুরি স্বাধীন ছিলেন?
উত্তর: না, বেশিরভাগই দিল্লির অধীনে।
আরও পড়ুনঃ এসএসসি আইসিটি সাজেশন ২০২৬ ২য় অধ্যায় MCQ ১ম অংশ
ক্ষমতার সংঘর্ষ
- প্রশ্ন: শিরান খলজি কোন ক্ষমতা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হন?
উত্তর: কিছুটা শৃঙ্খলা। - প্রশ্ন: আলি মর্দান খলজি কখন ক্ষমতায় আসেন?
উত্তর: ১২১০ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীনতা ঘোষণার পরে। - প্রশ্ন: ইওজ খলজি কার হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দেন?
উত্তর: আলি মর্দান খলজির হাতে। - প্রশ্ন: খলজি মালিকরা একত্রিত হয়ে কার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে?
উত্তর: আলি মর্দান খলজির। - প্রশ্ন: হুসামউদ্দিন ইওজ খলজি স্বাধীন সুলতান হিসেবে কী নামে পরিচিত হন?
উত্তর: গিয়াসউদ্দিন ইওজ খলজি। - প্রশ্ন: হুসামউদ্দিন ইওজ খলজির শাসনকালের সময়কাল কত?
উত্তর: ১২১২–১২২৭ খ্রিষ্টাব্দ। - প্রশ্ন: বখতিয়ার খলজির মৃত্যুর পর কোন শহরের নাম ‘বুলগাকপুর’ ছিল?
উত্তর: বাংলাদেশ। - প্রশ্ন: বুলগাকপুর নামকরণের কারণ কী?
উত্তর: বিদ্রোহ-বিশৃঙ্খলা। - প্রশ্ন: বখতিয়ারের সহযোদ্ধাদের মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় শাসনকারা কে ছিলেন?
উত্তর: হুসামউদ্দিন ইওজ খলজি। - প্রশ্ন: শিরান খলজিকে কে নির্বাচিত করেছিলেন?
উত্তর: খলজি আমির ও সৈন্যরা।
অন্যান্য তথ্য
- প্রশ্ন: আলি মর্দান খলজি কেন কঠোর শাসক হিসেবে পরিচিত?
উত্তর: ক্ষমতা রক্ষা ও কঠোর শাসন নীতির কারণে। - প্রশ্ন: ইওজ খলজির শাসনে কি স্বাধীনতা ছিল?
উত্তর: হ্যাঁ, তিনি স্বাধীন সুলতান ছিলেন। - প্রশ্ন: শিরান খলজির শাসনকালের সময়কাল কতটুকু ছিল?
উত্তর: এক বছর। - প্রশ্ন: খলজি শাসনকালে কোন ধরণের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছিল?
উত্তর: বিদ্রোহ ও বিশৃঙ্খলা। - প্রশ্ন: আলি মর্দান খলজি কোন সহযোদ্ধার সাহায্য নিয়ে ক্ষমতা পুনঃপ্রাপ্ত হন?
উত্তর: দিল্লির সুলতান কুতুবউদ্দিন। - প্রশ্ন: মুসলমান শাসনকালের প্রথম পর্যায়ের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: দিল্লির অধীনে শাসন। - প্রশ্ন: খলজি শাসকদের কেউ দিল্লির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিলেন কি?
উত্তর: হ্যাঁ। - প্রশ্ন: তাদের বিদ্রোহের ফলাফল কী?
উত্তর: ব্যর্থ। - প্রশ্ন: খলজি আমলের বাংলায় কি প্রাধান্য পেয়েছিল?
উত্তর: খলজি শাসন ও সামরিক আধিপত্য। - প্রশ্ন: খলজি শাসনের প্রথম পর্যায়ের সময়কাল কত বছর?
উত্তর: ১২০৪–১৩৩৮ খ্রিষ্টাব্দ।
আরও পড়ুনঃ এসএসসি আইসিটি সাজেশন ২০২৬: ict mcq ২য় অংশ
সুলতান গিয়াসউদ্দিন ইওজ খলজি ও তুর্কি শাসনের ইতিহাস
সাধারণ পরিচয়
- প্রশ্ন: বাংলায় মুসলমান শাসনের প্রতিষ্ঠা কে করেছিলেন?
উত্তর: বখতিয়ার খলজি। - প্রশ্ন: গিয়াসউদ্দিন ইওজ খলজি কোন খলজি মালিকদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ছিলেন?
উত্তর: হ্যাঁ। - প্রশ্ন: তিনি রাজধানী কোথা থেকে কোথায় স্থানান্তর করেন?
উত্তর: দেবকোট থেকে গৌড় বা লখনৌতিতে। - প্রশ্ন: লখনৌতির নিরাপত্তার জন্য কোথায় দুর্গ নির্মাণ করা হয়?
উত্তর: বসনকোটে। - প্রশ্ন: লখনৌতি নদীতীরের সুবিধা কী ছিল?
উত্তর: ব্যবসা-বাণিজ্যের সুবিধা। - প্রশ্ন: ইওজ খলজি কোন বাহিনীর গুরুত্ব বুঝতে পেরেছিলেন?
উত্তর: নৌবাহিনীর। - প্রশ্ন: বাংলায় নৌবাহিনীর সূচনা কে করেছিলেন?
উত্তর: গিয়াসউদ্দিন ইওজ খলজি। - প্রশ্ন: লখনৌতির রাজধানীর চারপাশে কী নির্মাণ করা হয়?
উত্তর: গভীর ও প্রশস্ত পরিখা। - প্রশ্ন: বার্ষিক বন্যার হাত থেকে রক্ষা পেতে কী কাজ করা হয়?
উত্তর: খাল খনন ও সেতু নির্মাণ। - প্রশ্ন: রাস্তা নির্মাণের উদ্দেশ্য কী ছিল?
উত্তর: সৈন্য ও পণ্য চলাচলের সুবিধা।
প্রশাসন ও শাসন
- প্রশ্ন: ইওজ খলজি রাজ্য বিস্তারের জন্য কি করেন?
উত্তর: পার্শ্ববর্তী রাজাদের নিকট কর আদায়। - প্রশ্ন: কোন রাজারা কর পাঠাতে বাধ্য হন?
উত্তর: কামরূপ, উড়িষ্যা, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গ এবং ত্রিহুত। - প্রশ্ন: স্বীকৃতিপত্র কার কাছ থেকে লাভ করেন ইওজ খলজি?
উত্তর: আব্বাসীয় খলিফা আল-নাসিরের কাছ থেকে। - প্রশ্ন: দিল্লির কোন সুলতান ইওজ খলজির অধীনে বাংলার রাজ্য বিস্তার ভালো চোখে দেখেননি?
উত্তর: ইলতুৎমিশ। - প্রশ্ন: ১২২৪ খ্রিষ্টাব্দে ইওজ খলজি কোন প্রস্তাব দেন?
উত্তর: সন্ধি প্রস্তাব। - প্রশ্ন: ইলতুৎমিশ কোন ব্যক্তিকে বিহারের শাসনকর্তা নিযুক্ত করেন?
উত্তর: মালিক আলাউদ্দিন জানি। - প্রশ্ন: ইওজ খলজি পুনরায় কী ঘোষণা করেন?
উত্তর: স্বাধীনতা। - প্রশ্ন: বিহার আক্রমণের পর আলাউদ্দিন জানি কী হয়?
উত্তর: বিতাড়িত হন। - প্রশ্ন: ইওজ খলজি নৌবাহিনী ছাড়া রাজ্য বিস্তার কল্পনা করেছিলেন কি?
উত্তর: না। - প্রশ্ন: ইওজ খলজি লখনৌতির কোন দুর্গ অধিকার করতে ব্যর্থ হন?
উত্তর: বসনকোট দুর্গ।
যুদ্ধ ও পতন
- প্রশ্ন: সুলতান ইলতুৎমিশ লখনৌতি আক্রমণের জন্য কার পুত্রকে প্রেরণ করেন?
উত্তর: নাসিরউদ্দিন মাহমুদকে। - প্রশ্ন: ইওজ খলজি আক্রমণ উপলক্ষে কত দিন প্রস্তুতি নেন?
উত্তর: প্রায় এক বছর। - প্রশ্ন: লখনৌতি আক্রমণের সময় ইওজ খলজির অবস্থা কী ছিল?
উত্তর: অল্প সংখ্যক সৈন্য নিয়ে প্রস্তুত। - প্রশ্ন: বসনকোট দুর্গ কার হাতে ছিল আক্রমণের সময়?
উত্তর: শত্রুবাহিনীর হাতে। - প্রশ্ন: ইওজ খলজি কী পরাজিত হন?
উত্তর: হ্যাঁ। - প্রশ্ন: পরাজয়ের পরে কী হয় ইওজ খলজির?
উত্তর: হত্যা করা হয়। - প্রশ্ন: ইওজ খলজির মৃত্যুর ফলে বঙ্গদেশ কী হয়?
উত্তর: দিল্লির সুলতানের অধিকারে আসে। - প্রশ্ন: কে বাংলার শাসনকর্তা হন ইওজ খলজির পরে?
উত্তর: নাসিরউদ্দিন মাহমুদ। - প্রশ্ন: ইওজ খলজি কোন শিল্পের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন?
উত্তর: শিল্প ও সাহিত্য। - প্রশ্ন: কোন মসজিদ তার পৃষ্ঠপোষকতায় নির্মিত হয়?
উত্তর: গৌড়ের জুমা মসজিদ।
আরও পড়ুনঃ এসএসসি আইসিটি সাজেশন ২০২৬ ২য় অধ্যায় MCQ
ইসলাম প্রচার ও শিক্ষা
- প্রশ্ন: মধ্য এশিয়া থেকে কে তার দরবারে আশ্রয় গ্রহণ করেন?
উত্তর: মুসলিম সুফি ও সৈয়দরা। - প্রশ্ন: সুফি ও সুধীরা বাংলায় কি কাজে সহায়ক হন?
উত্তর: ইসলাম প্রচারে। - প্রশ্ন: লখনৌতি কিসের কেন্দ্র হয়ে ওঠে?
উত্তর: মুসলমানদের শিক্ষা ও সংস্কৃতির। - প্রশ্ন: ইওজ খলজির মৃত্যুর পর বাংলা কত বছর দিল্লির প্রদেশ হিসেবে ছিল?
উত্তর: ৬০ বছর। - প্রশ্ন: এই সময় কতজন শাসক বাংলা শাসন করেন?
উত্তর: ১৫ জন। - প্রশ্ন: এই ১৫ জন শাসকের মধ্যে কয়জনকে দাস বলা হয়?
উত্তর: ১০ জন। - প্রশ্ন: দাসদের কী বলা হয়?
উত্তর: মামলুক। - প্রশ্ন: মামলুক শাসকদের বংশ কী ছিল?
উত্তর: তুর্কি। - প্রশ্ন: দিল্লিতে কেন মনোযোগ কম ছিল শাসকদের দিকে?
উত্তর: অভ্যন্তরীণ গোলযোগ চলছিল। - প্রশ্ন: তাই বাংলার শাসকরা কতটা স্বাধীনভাবে রাজ্য পরিচালনা করতেন?
উত্তর: অনেকটা স্বাধীনভাবে।
নাসিরউদ্দিন মাহমুদ
- প্রশ্ন: নাসিরউদ্দিন মাহমুদ কার পুত্র ছিলেন?
উত্তর: সুলতান ইলতুৎমিশের। - প্রশ্ন: নাসিরউদ্দিন মাহমুদ মৃত্যুর পর কে ক্ষমতায় বসেন?
উত্তর: দাওলত শাহ-বিন-মওদুদ। - প্রশ্ন: লখনৌতির প্রথম তুর্কি শাসক কে ছিলেন?
উত্তর: নাসিরউদ্দিন মাহমুদ। - প্রশ্ন: ১২৩৬ খ্রিষ্টাব্দে কি ঘটে?
উত্তর: সুলতান ইলতুৎমিশের মৃত্যু এবং দিল্লিতে গোলযোগ। - প্রশ্ন: এই সুযোগে কে ক্ষমতা দখল করেন?
উত্তর: আওর খান আইবক। - প্রশ্ন: আওর খানের পর বিহারের শাসক কে হন?
উত্তর: তুঘরল তুঘান খান। - প্রশ্ন: তুঘরল খান কত বছর শাসন করেন?
উত্তর: ১২৪৫ পর্যন্ত নয় বছর। - প্রশ্ন: তুঘরল খান পরবর্তী দুই বছরের শাসক কে ছিলেন?
উত্তর: ওমর খান। - প্রশ্ন: ১২৪৭–১২৫১ সালে বাংলা শাসন করেন কে?
উত্তর: জালালউদ্দিন মাসুদ জানি। - প্রশ্ন: মাসুদ জানি কি করতে সক্ষম হন?
উত্তর: লখনৌতিতে শান্তি ফিরিয়ে আনা।
স্বাধীনতা ঘোষণা ও বিদ্রোহ
- প্রশ্ন: মালিক ইজ্জউদ্দিন বলবন-ই-ইউজবকী কোন উপাধি নিয়ে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?
উত্তর: মুঘিসউদ্দিন। - প্রশ্ন: মুঘিসউদ্দিন কখন নিহত হন?
উত্তর: ১২৫৭ খ্রিষ্টাব্দে। - প্রশ্ন: পরবর্তী দুই বছর লখনৌতি কীভাবে শাসন করেন?
উত্তর: স্বাধীনভাবে, মালিক ইজ্জউদ্দিন। - প্রশ্ন: ১২৬৯ খ্রিষ্টাব্দে কারা প্রদেশের শাসক কে হন?
উত্তর: তাজউদ্দিন আরসালান খান। - প্রশ্ন: তাজউদ্দিন আরসালান খানের পর কারা শাসক হন?
উত্তর: তাতার খান। - প্রশ্ন: তাতার খান দিল্লির প্রতি আনুগত্য দেখিয়েছিলেন কি?
উত্তর: হ্যাঁ। - প্রশ্ন: তাতার খানের শাসনের পরে কে ক্ষমতায় বসেন?
উত্তর: অল্পদিনের জন্য শের খান। - প্রশ্ন: পরবর্তী শক্তিশালী মামলুক তুর্কি শাসক কে ছিলেন?
উত্তর: তুঘরিল। - প্রশ্ন: তুঘরিল কোন অঞ্চল অধিকারে আনেন?
উত্তর: উত্তর ও পশ্চিম বাংলা, ঢাকা ও ফরিদপুর। - প্রশ্ন: সোনারগাঁয়ের কাছে তিনি কোন দুর্গ নির্মাণ করেন?
উত্তর: নারকেল্লা।
তুঘরিল ও পরবর্তী শাসন
- প্রশ্ন: জনগণ নারকেল্লা দুর্গকে কী নামে ডাকে?
উত্তর: তুঘরিলের কেল্লা। - প্রশ্ন: তুঘরিল কোন উপাধি নিয়ে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?
উত্তর: মুঘিসউদ্দিন। - প্রশ্ন: ১২৮১ খ্রিষ্টাব্দে তুঘরিলের পরিণতি কী হয়?
উত্তর: বলবনের হাতে পরাজিত ও নিহত হন। - প্রশ্ন: তুঘরিলের পর বাংলা কত বছর দিল্লির অধীনে ছিল?
উত্তর: ছয় বছর। - প্রশ্ন: ১২৮৭ খ্রিষ্টাব্দে কে স্বাধীন সুলতান হন?
উত্তর: বুঘরা খান, নাম নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ। - প্রশ্ন: তখন দিল্লির সুলতান কে ছিলেন?
উত্তর: কায়কোবাদ। - প্রশ্ন: কায়কোবাদ মৃত্যুর পর কে শাসনভার গ্রহণ করেন?
উত্তর: রুকনউদ্দিন কায়কাউস। - প্রশ্ন: রুকনউদ্দিন কত বছর শাসন করেন?
উত্তর: ১২৯১–১৩০০ খ্রিষ্টাব্দ। - প্রশ্ন: রুকনউদ্দিনের পরে কে শাসক হন?
উত্তর: মালিক ফিরুজ ইতগিন। - প্রশ্ন: মালিক ফিরুজ ইতগিন কি নামে সুলতান হন?
উত্তর: সুলতান শামসুদ্দিন ফিরুজ শাহ।
শেষ পর্যায়
- প্রশ্ন: ফিরুজ শাহের পরে কে শাসক হন?
উত্তর: গিয়াসউদ্দিন বাহাদুর শাহ। - প্রশ্ন: গিয়াসউদ্দিন বাহাদুর শাহ পরবর্তী পরাজয় করেন কে?
উত্তর: দিল্লির সুলতান গিয়াসউদ্দিন তুঘলক। - প্রশ্ন: এরপর বাংলা কোথায় আসে?
উত্তর: ১৩৩৮ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত দিল্লির অধীনে। - প্রশ্ন: ইওজ খলজি কোন স্থাপত্যের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন?
উত্তর: জুমা মসজিদ ও অন্যান্য মসজিদ। - প্রশ্ন: ইওজ খলজি কিসের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন?
উত্তর: শিক্ষা, ধর্ম ও সংস্কৃতি। - প্রশ্ন: ইওজ খলজির আমলে কোন ধরনের লোক লখনৌতিতে আসেন?
উত্তর: সুফি ও সৈয়দরা। - প্রশ্ন: ইওজ খলজির পৃষ্ঠপোষকতা কোন অঞ্চলে ইসলাম প্রচারে সহায়ক ছিল?
উত্তর: বঙ্গদেশে। - প্রশ্ন: লখনৌতি কোন নদীর তীরে অবস্থিত ছিল?
উত্তর: লখনৌতি নদীতীরে। - প্রশ্ন: ইওজ খলজির নৌবাহিনী কোন কাজে ব্যবহৃত হয়েছিল?
উত্তর: রাজ্য সম্প্রসারণে। - প্রশ্ন: ইওজ খলজির শাসনকালে জনগণ কিভাবে উপকৃত হয়?
উত্তর: রাস্তা, সেতু, খাল নির্মাণের মাধ্যমে।
প্রশাসনিক ব্যবস্থা
- প্রশ্ন: লখনৌতির রাজধানী কোন দুর্গের মাধ্যমে সুরক্ষিত ছিল?
উত্তর: বসনকোট দুর্গ। - প্রশ্ন: ইওজ খলজি রাজ্য সম্প্রসারণের জন্য কী প্রয়োগ করেছিলেন?
উত্তর: নৌবাহিনী এবং কর আদায়। - প্রশ্ন: ইওজ খলজির পরাজয়ের ফলে কোন অঞ্চলে দিল্লির আধিপত্য স্থায়ী হয়?
উত্তর: বঙ্গদেশ। - প্রশ্ন: ইওজ খলজির মৃত্যু কখন হয়?
উত্তর: নাসিরউদ্দিন মাহমুদের আগ্রাসনের সময়। - প্রশ্ন: লখনৌতির পরবর্তী স্বাধীন শাসকরা কারা ছিলেন?
উত্তর: দাওলত শাহ, মুঘিসউদ্দিন ও তুঘরিল। - প্রশ্ন: ১২৮৭ খ্রিষ্টাব্দে কে স্বাধীন শাসক হন?
উত্তর: বুঘরা খান। - প্রশ্ন: শাসনকাল কত দীর্ঘ ছিল ইওজ খলজির?
উত্তর: ১২১২–১২২৭ খ্রিষ্টাব্দ, প্রায় ১৫ বছর। - প্রশ্ন: ইওজ খলজি কোন রাজধানী স্থানান্তরের পক্ষে ছিলেন?
উত্তর: দেবকোট থেকে লখনৌতি। - প্রশ্ন: লখনৌতি আক্রমণের সময় কোন দুর্গ অধিকার করা হয়নি?
উত্তর: বসনকোট দুর্গ। - প্রশ্ন: ইওজ খলজি কোন শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে সহায়ক ছিলেন?
উত্তর: মুসলিম শিক্ষা ও সংস্কৃতি।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- প্রশ্ন: ইওজ খলজির পৃষ্ঠপোষকতায় কোন মসজিদ নির্মিত হয়?
উত্তর: গৌড়ের জুমা মসজিদ। - প্রশ্ন: ইওজ খলজির আমলে কতজন সুফি ও সৈয়দ লখনৌতিতে আশ্রয় নেন?
উত্তর: বহু। - প্রশ্ন: বাংলার প্রথম তুর্কি শাসক কে ছিলেন?
উত্তর: নাসিরউদ্দিন মাহমুদ। - প্রশ্ন: নাসিরউদ্দিন মাহমুদ কোন সুলতানের পুত্র ছিলেন?
উত্তর: ইলতুৎমিশ। - প্রশ্ন: লখনৌতির তুর্কি শাসকরা কতটা স্বাধীন ছিলেন?
উত্তর: অনেকটা স্বাধীন। - প্রশ্ন: জালালউদ্দিন মাসুদ জানি কত বছর শাসন করেন?
উত্তর: ১২৪৭–১২৫১ খ্রিষ্টাব্দ। - প্রশ্ন: মুঘিসউদ্দিন উপাধি কোন শাসকের?
উত্তর: মালিক ইজ্জউদ্দিন বলবন-ই-ইউজবকী ও তুঘরিল। - প্রশ্ন: তুঘরিল কত বছর শাসন করেন?
উত্তর: ১২৮১ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত। - প্রশ্ন: বুঘরা খানের পুত্র কে ছিলেন?
উত্তর: রুকনউদ্দিন কায়কাউস। - প্রশ্ন: ফিরুজ শাহের পর বাংলার শাসক কে হন?
উত্তর: গিয়াসউদ্দিন বাহাদুর শাহ।
আরও পড়ুনঃ এসএসসি ২০২৬ আইসিটি ৫ম অধ্যায়
বাংলার স্বাধীন সুলতানি শাসনের ইতিহাস (১৩৩৮–১৫৩৮ খ্রিঃ
- প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি শাসন কবে শুরু হয়?
উত্তর: ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি শাসনের সূচনা করেন কে?
উত্তর: ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ। - প্রশ্ন: ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ কোন অঞ্চলের শাসক ছিলেন?
উত্তর: সোনারগাঁ। - প্রশ্ন: ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ কোন বছর থেকে সোনারগাঁ শাসন করেছিলেন?
উত্তর: ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৩৪৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত। - প্রশ্ন: ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ কোন সৈন্যদের হাতে লখনৌতির শাসনকর্তা কদর খানের পরাজয় ঘটান?
উত্তর: নিজের সৈন্যদের হাতে। - প্রশ্ন: ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ কোন গুরুত্বপূর্ণ শহর জয় করেছিলেন?
উত্তর: চট্টগ্রাম। - প্রশ্ন: ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ কোন রাস্তা নির্মাণ করেছিলেন?
উত্তর: চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত। - প্রশ্ন: ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের পুত্র কে ছিলেন?
উত্তর: ইখতিয়ার উদ্দিন গাজি শাহ। - প্রশ্ন: গাজি শাহ কত বছর শাসন করেছিলেন?
উত্তর: তিন বছর। - প্রশ্ন: ইলিয়াস শাহি বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
উত্তর: শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ। - প্রশ্ন: ইলিয়াস শাহ কোথা থেকে ক্ষমতা গ্রহণ করেছিলেন?
উত্তর: লখনৌত। - প্রশ্ন: ইলিয়াস শাহ কোন শহরকে রাজধানী করেছিলেন?
উত্তর: পাণ্ডুয়া (ফিরোজাবাদ)। - প্রশ্ন: ইলিয়াস শাহ কত সালে সোনারগাঁ জয় করেন?
উত্তর: ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে। - প্রশ্ন: ইলিয়াস শাহ কোন উপাধি গ্রহণ করেছিলেন?
উত্তর: শাহ-ই-বাঙ্গালা। - প্রশ্ন: ইলিয়াস শাহ কোন নদী থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত রাজপথ তৈরি করেছিলেন?
উত্তর: চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত। - প্রশ্ন: ইলিয়াস শাহের পুত্র কে ছিলেন?
উত্তর: সিকান্দার শাহ। - প্রশ্ন: সিকান্দার শাহ কোন দুর্গে আশ্রয় নিতেন?
উত্তর: একডালা দুর্গে। - প্রশ্ন: ইলিয়াস শাহের শাসনামলে বাংলা কিসের জন্য বিখ্যাত হয়?
উত্তর: শান্তি ও শৃঙ্খলার জন্য। - প্রশ্ন: গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ কোন বছরে শাসন শুরু করেন?
উত্তর: ১৩৯৩ খ্রিস্টাব্দে। - প্রশ্ন: আজম শাহ কোন প্রজারঞ্জক বৈশিষ্ট্যের জন্য খ্যাত ছিলেন?
উত্তর: ন্যায়পরায়ণতা। - প্রশ্ন: আজম শাহ কোন চীনা সম্রাটের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন?
উত্তর: ইয়াংলো। - প্রশ্ন: আজম শাহের আমলে কোন সাহিত্যকর্ম রচিত হয়?
উত্তর: ‘ইউসুফ জুলেখা’। - প্রশ্ন: আজম শাহ কোন ধর্মীয় সাধকের প্রতি শ্রদ্ধা দেখাতেন?
উত্তর: সুফি ফকির-দরবেশদের। - প্রশ্ন: রাজা গণেশ কোন হিন্দু অঞ্চলের ছিলেন?
উত্তর: দিনাজপুরের ভাতুলিয়া। - প্রশ্ন: রাজা গণেশ কোন সুলতানকে হত্যা করার পর ক্ষমতা নেন?
উত্তর: শিহাব উদ্দিন বায়াজিদ শাহকে। - প্রশ্ন: গণেশের ছেলে যদুর ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হয়ে কী নাম নেয়?
উত্তর: জালালউদ্দিন মাহমুদ। - প্রশ্ন: জালালউদ্দিন মাহমুদ শাহ কত সাল পর্যন্ত শাসন করেন?
উত্তর: ১৪৩১ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত। - প্রশ্ন: নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ কোন বংশের প্রতিনিধি ছিলেন?
উত্তর: ইলিয়াস শাহি। - প্রশ্ন: রুকনউদ্দিন বরবক শাহ কোন অঞ্চলের শাসক ছিলেন?
উত্তর: সাতগাঁও। - প্রশ্ন: বরবক শাহ কত বছর রাজত্ব করেন?
উত্তর: ১৪৭৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত। - প্রশ্ন: বরবক শাহ কোন ধরনের ক্রীতদাসদের সেনা ব্যবহার করতেন?
উত্তর: আবিসিনীয় ক্রীতদাস (হাবসি)। - প্রশ্ন: বরবক শাহ কোন স্থাপত্য নির্মাণ করেন?
উত্তর: দাখিল দরওয়াজা। - প্রশ্ন: ইউসুফ শাহ কত বছর শাসন করেন?
উত্তর: ১৪৭৪-১৪৮১ খ্রিস্টাব্দ। - প্রশ্ন: জালালউদ্দিন ফতেহ শাহ কোন উপাধি গ্রহণ করেন?
উত্তর: শাহজাদা। - প্রশ্ন: হাবসি শাসন কত বছর স্থায়ী হয়?
উত্তর: ৬ বছর (১৪৮৭-১৪৯৩ খ্রিস্টাব্দ)। - প্রশ্ন: হাবসি শাসনের প্রথম সুলতান কে ছিলেন?
উত্তর: শাহজাদা (বরবক শাহ)। - প্রশ্ন: হাবসি শাসন শেষে কে ক্ষমতা নেন?
উত্তর: সৈয়দ হুসেন (আলাউদ্দিন হুসেন শাহ)। - প্রশ্ন: হুসেন শাহ কত বছর শাসন করেন?
উত্তর: ১৪৯৩-১৫১৯ খ্রিস্টাব্দ। - প্রশ্ন: হুসেন শাহ কোন ধর্মীয় নেতা ও সাধকের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন?
উত্তর: সুফি সাধক কুতুব-উল-আলম। - প্রশ্ন: হুসেন শাহের সময় কোন ধর্মীয় সম্প্রদায়কে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়?
উত্তর: হিন্দু ও মুসলমান উভয়কে। - প্রশ্ন: হুসেন শাহ কোন শহরে রাজধানী স্থাপন করেন?
উত্তর: গৌড়। - প্রশ্ন: হুসেন শাহ কোন স্থাপত্য নির্মাণ করেন?
উত্তর: ছোট সোনামসজিদ। - প্রশ্ন: হুসেন শাহ কোন অঞ্চল জয় করেন?
উত্তর: কামরূপ, কামতা, উড়িষ্যা, ত্রিপুরা। - প্রশ্ন: হুসেন শাহের রাজত্বকে কি বলা হয়?
উত্তর: স্বর্ণযুগ। - প্রশ্ন: হুসেন শাহের পুত্র কে ছিলেন?
উত্তর: নুসরত শাহ। - প্রশ্ন: নুসরত শাহ কত বছর শাসন করেন?
উত্তর: ১৫১৯-১৫৩২ খ্রিস্টাব্দ। - প্রশ্ন: নুসরত শাহ কোন স্থাপত্য নির্মাণ করেন?
উত্তর: কদম রসুল ভবন। - প্রশ্ন: নুসরত শাহের আমলে কোন সাহিত্যকর্ম অনুবাদ হয়?
উত্তর: মহাভারত। - প্রশ্ন: নুসরত শাহ কত সালে নিহত হন?
উত্তর: ১৫৩২ খ্রিস্টাব্দে। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগের শেষ সুলতান কে ছিলেন?
উত্তর: নুসরত শাহ। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগের প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র কোনটি ছিল?
উত্তর: চট্টগ্রাম ও চাঁদপুর। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান ব্যবসা কোনটি ছিল?
উত্তর: বাণিজ্য ও কৃষি। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান অর্থনৈতিক সম্পদ কী ছিল?
উত্তর: ধান ও সূতি কাপড়। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে সেনাবাহিনীর প্রধান শক্তি কী ছিল?
উত্তর: হাবসি সৈন্য ও স্থানীয় সৈন্য। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে রাজধানী শহরের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী ছিল?
উত্তর: দুর্গ, কেল্লা ও বাজার। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রশাসনের প্রধান ভিত্তি কী ছিল?
উত্তর: জেলা ও মহল্লা প্রশাসন। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে কর ব্যবস্থা কেমন ছিল?
উত্তর: কৃষি ও বাণিজ্যের উপর কর ছিল। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান শাসন পদ্ধতি কী ছিল?
উত্তর: স্বৈরাচারী সুলতানি শাসন। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে ধর্মীয় নীতি কী ছিল?
উত্তর: ইসলাম ধর্মকেন্দ্রিক, কিন্তু অন্যান্য ধর্মের প্রতি সহনশীল। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগের প্রধান যুদ্ধকারীরা কারা ছিলেন?
উত্তর: স্থানীয় রাজারা, হাবসি সৈন্য ও সেনারা। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে কোন নদীর তীরে রাজধানী স্থাপন করা হয়েছিল?
উত্তর: পদ্মা ও গঙ্গা নদীর তীরে। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে শিক্ষা কোন স্থানে বেশি প্রচলিত ছিল?
উত্তর: মাদ্রাসা ও দরগাহ। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে সাহিত্য কোন ভাষায় বেশি রচিত হতো?
উত্তর: বাংলা ও পাঙ্খি। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কী ছিল?
উত্তর: মসজিদ ও দরগাহ। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে শিল্পের প্রধান শাখা কোনটি ছিল?
উত্তর: চিত্রকলা ও স্থাপত্য। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে স্থাপত্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী ছিল?
উত্তর: ইটের কাজ, গম্বুজ ও মিনার। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগের প্রধান মুদ্রা কী ছিল?
উত্তর: তাম্র ও সোনার কয়েন। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে কৃর্ষির প্রধান ফসল কী ছিল?
উত্তর: ধান ও গম। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে সড়ক ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য কী ছিল?
উত্তর: নদীপথ ও রাজপথের সংযোগ। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে বানিজ্যিক নগরী কোনগুলি ছিল?
উত্তর: চট্টগ্রাম, চাঁদপুর ও পাটলুয়া। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে সেনার প্রধান অস্ত্র কী ছিল?
উত্তর: তলোয়ার, ঢাল ও ধনুক। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান করদাতা কারা ছিলেন?
উত্তর: কৃষক ও ব্যবসায়ী। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান শিল্পের নাম কী ছিল?
উত্তর: সূতি কাপড় বোনা। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে কোন ধরনের আদালত ছিল?
উত্তর: কোর্ট ও শাসক কর্তৃক আদালত। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান আইন ও শাস্তি কী ছিল?
উত্তর: ইসলামী শাস্তি ও স্থানীয় নিয়ম। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে সামাজিক শ্রেণি বিভাজন কেমন ছিল?
উত্তর: রাজা, শাসক, সৈন্য, কৃষক ও কারিগর। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে গুরুত্বপূর্ণ বন্দরের নাম কী ছিল?
উত্তর: চট্টগ্রাম। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান বাণিজ্যিক দ্রব্য কী ছিল?
উত্তর: সূতি কাপড়, মসলা ও রঙ। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে হাবসি সৈন্যদের ভূমিকা কী ছিল?
উত্তর: সৈন্য ও প্রশাসনিক সহায়ক। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান রাস্তাঘাটের বৈশিষ্ট্য কী ছিল?
উত্তর: নদী ও স্থলপথের সংযোগ। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান রাজনৈতিক সমস্যা কী ছিল?
উত্তর: স্থানীয় রাজাদের বিদ্রোহ। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে নৌবাহিনী কতটা শক্তিশালী ছিল?
উত্তর: মাঝারি শক্তিশালী। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে হাবসি শাসনের অবদান কী ছিল?
উত্তর: সেনা শক্তি ও প্রশাসনিক দক্ষতা। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান স্থাপত্য নিদর্শন কোনটি?
উত্তর: কদম মসজিদ। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে কোন শহরে সবচেয়ে বেশি নির্মাণ করা হয়েছিল?
উত্তর: গৌড় ও চট্টগ্রাম। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান ধর্মীয় উৎসব কোনটি ছিল?
উত্তর: ঈদ ও মুল্লা-সন্তদের অনুষ্ঠান। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রথাগত পোশাক কী ছিল?
উত্তর: ধুতি, পাগড়ি ও লুঙ্গি। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান খাদ্য কী ছিল?
উত্তর: ভাত, ডাল ও সবজি। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে সামাজিক অনুষ্ঠান কোনগুলি ছিল?
উত্তর: বিবাহ, ধর্মীয় উৎসব ও দরবার সভা। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে সাহিত্যকর্মের প্রধান বিষয় কী ছিল?
উত্তর: ধর্ম, নৈতিকতা ও রাজনীতি। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে শিক্ষা কোন প্রতিষ্ঠানে দেওয়া হতো?
উত্তর: মাদ্রাসা। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে সাধারণ মানুষের জীবনধারা কেমন ছিল?
উত্তর: কৃষি ও বাণিজ্যে নির্ভরশীল। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান স্বাস্থ্যসেবা কোথায় ছিল?
উত্তর: দরগাহ ও মসজিদ সংলগ্ন। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে কৃষকদের কর কী ধরনের ছিল?
উত্তর: ধান ও জমির উপর ভিত্তিক। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান করদাতা কোন শ্রেণি?
উত্তর: কৃষক ও ব্যবসায়ী। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান স্থানীয় প্রশাসককে কী বলা হতো?
উত্তর: তানসেন বা মালিক। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান উপনিবেশিক শাসন ব্যবস্থা কেমন ছিল?
উত্তর: স্বতন্ত্র জেলা ও অঞ্চলের শাসন। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান খাদ্যদ্রব্য কী ছিল?
উত্তর: ভাত ও ডাল। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে শিল্পের মূল কেন্দ্র কোথায় ছিল?
উত্তর: চট্টগ্রাম ও গৌড়। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার মূল কারণ কী ছিল?
উত্তর: শক্তিশালী সুলতান ও প্রশাসন। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান রাজধানী শহর কোনটি ছিল?
উত্তর: গৌড়। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে ধর্মীয় সহনশীলতার উদাহরণ কী ছিল?
উত্তর: হিন্দু ও বৌদ্ধদের প্রতি আক্রমণ কম। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রাচীরযুক্ত শহরের নাম কী ছিল?
উত্তর: গৌড়। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান কর সংগ্রাহক কে ছিলেন?
উত্তর: রাজস্ব দপ্তরের কর্মকর্তা। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে কোন নদী বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল?
উত্তর: পদ্মা ও মেঘনা। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান খাদ্যদ্রব্যের মধ্যে কোনটি শীর্ষে ছিল?
উত্তর: ভাত। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান জঙ্গলের অবস্থান কোথায় ছিল?
উত্তর: চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে সৈন্যদের প্রধান উৎস কোনটি ছিল?
উত্তর: হাবসি ও স্থানীয় যুবক। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান আদালতের নাম কী ছিল?
উত্তর: কোর্ট। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে কারিগরদের প্রধান কাজ কী ছিল?
উত্তর: স্থাপত্য ও সুতির কাপড় বোনা। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রশাসনিক কেন্দ্রের নাম কী ছিল?
উত্তর: রাজশাহী ও জেলা সদর। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান বন সম্পদ কী ছিল?
উত্তর: কাঠ ও বনজ সম্পদ। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে কৃষকদের করের ধরন কী ছিল?
উত্তর: ফসল ও জমির উপর ভিত্তিক। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে বাণিজ্যের প্রধান পণ্য কী ছিল?
উত্তর: সূতি কাপড়। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে সৈন্যদের প্রধান অস্ত্র কী ছিল?
উত্তর: তলোয়ার, ঢাল ও তীর। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান কেল্লা কোথায় ছিল?
উত্তর: গৌড় ও চট্টগ্রামে। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান সেতু নির্মাণ কোথায় হয়েছিল?
উত্তর: পদ্মা নদীর ওপর। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কী ছিল?
উত্তর: মাদ্রাসা। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান শিল্প কী ছিল?
উত্তর: সুতির কাপড় ও কুশি শিল্প। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে করদাতাদের শ্রেণি কী ছিল?
উত্তর: কৃষক ও ব্যবসায়ী। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে নদী পথে বাণিজ্য কেমন ছিল?
উত্তর: প্রধান পরিবহন ব্যবস্থা ছিল। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে সরকারের প্রধান শক্তি কী ছিল?
উত্তর: সৈন্য ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে সাহিত্যকর্মের প্রধান ভাষা কী ছিল?
উত্তর: বাংলা ও পাঙ্খি। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান ধর্মীয় অনুষ্ঠান কোনটি ছিল?
উত্তর: ঈদ ও রমজান উদযাপন। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে সমাজের প্রধান স্তর কোনগুলো ছিল?
উত্তর: রাজা, শাসক, সৈন্য, কৃষক ও কারিগর। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান শিল্পশিল্পীরা কারা ছিলেন?
উত্তর: কারিগর ও হস্তশিল্পী। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে কর সংগ্রহের পদ্ধতি কী ছিল?
উত্তর: জমির আয় ও ব্যবসার ওপর ভিত্তিক। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে রাজধানী শহরের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী ছিল?
উত্তর: দুর্গ, মসজিদ ও বাজার। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান জোয়ারের প্রভাব কী ছিল?
উত্তর: বাণিজ্য ও জাহাজ চলাচলে প্রভাব ফেলতো। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে সেনাবাহিনীর প্রধান দায়িত্ব কী ছিল?
উত্তর: রাজ্য রক্ষা ও বিদ্রোহ দমন। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান স্থাপত্য নিদর্শন কোনটি?
উত্তর: কদম মসজিদ। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে বন ও জলসম্পদের ব্যবহার কেমন ছিল?
উত্তর: চাষাবাদ, নির্মাণ ও জাহাজ চলাচলে। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে শিক্ষার প্রধান লক্ষ্য কী ছিল?
উত্তর: ধর্মীয় জ্ঞান ও প্রশাসনিক দক্ষতা। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে মুদ্রার প্রধান উপাদান কী ছিল?
উত্তর: সোনা ও তাম্র। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে নদী বাণিজ্যের প্রধান শহর কোনটি ছিল?
উত্তর: চট্টগ্রাম। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কী ছিল?
উত্তর: মসজিদ ও দরগাহ। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে রাজধানীর প্রধান কার্যক্রম কী ছিল?
উত্তর: প্রশাসন, বাণিজ্য ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান পোশাকের ধরন কী ছিল?
উত্তর: ধুতি, লুঙ্গি ও পাগড়ি। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান খাদ্যদ্রব্য কোনটি ছিল?
উত্তর: ভাত ও ডাল। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে সামাজিক অনুষ্ঠান কোনগুলো ছিল?
উত্তর: বিবাহ, ধর্মীয় উৎসব ও দরবার সভা। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে হাবসি সৈন্যদের মূল ভূমিকা কী ছিল?
উত্তর: সেনা ও প্রশাসনিক সহায়ক। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান রেল বা সড়ক ব্যবস্থা কেমন ছিল?
উত্তর: নদীপথ ও স্থলপথ সংযোগ। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে সামাজিক ও অর্থনৈতিক শ্রেণি কী ছিল?
উত্তর: রাজা, শাসক, সৈন্য, কৃষক ও কারিগর। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান আদালত কিভাবে পরিচালিত হতো?
উত্তর: শাসক বা বিচারক কর্তৃক। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ কী ছিল?
উত্তর: ধান সেচ ও শুকানো। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে সাহিত্যকর্মের প্রধান বিষয় কী ছিল?
উত্তর: ধর্ম, নৈতিকতা ও রাজনীতি। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান স্বাস্থ্যসেবা কোথায় ছিল?
উত্তর: দরগাহ ও মসজিদ সংলগ্ন। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান কৃষি প্রযুক্তি কী ছিল?
উত্তর: নালা খনন ও পানি সংরক্ষণ। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র কোথায় ছিল?
উত্তর: চট্টগ্রাম ও গৌড়। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রধান কারণ কী ছিল?
উত্তর: শক্তিশালী সুলতান ও প্রশাসন। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে শাসকের প্রধান সজ্জা কী ছিল?
উত্তর: মুকুট ও গহনা। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান সৈন্যদের বেতন কী ছিল?
উত্তর: নগদ টাকা বা জমি ভাতা। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে রাজপথের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী ছিল?
উত্তর: পাথর ও কাদামাটি মিশ্রিত। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে নদীপথে চালিত প্রধান যান কোনটি ছিল?
উত্তর: নৌকা ও জাহাজ। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান খেলার ধরন কী ছিল?
উত্তর: ঘোড়দৌড় ও ধনুর্বিদ্যা। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে শাসকের প্রশাসনিক সহায়ক কে ছিলেন?
উত্তর: উপদেষ্টা ও মন্ত্রী। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান ব্যবসায়িক সামগ্রী কোনটি ছিল?
উত্তর: সোনা, মুদ্রা ও সুতির কাপড়। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে শিক্ষার প্রধান মাধ্যম কী ছিল?
উত্তর: মৌখিক শিক্ষা ও মাদ্রাসা। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান বন্দুকের ধরন কী ছিল?
উত্তর: হাত বন্দুক ও তীরন্দাজি। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান মসজিদের স্থাপত্য ধরণ কী ছিল?
উত্তর: স্তম্ভিত ও গম্বুজযুক্ত। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান নদীর তীরবর্তী শহর কোনটি ছিল?
উত্তর: চট্টগ্রাম। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে রাজ্যের প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র কোনটি ছিল?
উত্তর: বাজার ও বন্দর। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান কৃষি ধরণ কী ছিল?
উত্তর: ধান, গম ও শাকসবজি চাষ। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান সামাজিক প্রতিষ্ঠান কোনটি ছিল?
উত্তর: মসজিদ ও দরবার। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে রাজ্য রক্ষায় প্রধান কৌশল কী ছিল?
উত্তর: দুর্গ, প্রহরী ও সৈন্য মোতায়েন। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান শিল্পীর কাজ কী ছিল?
উত্তর: স্থাপত্য ও নকশাকর্ম। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান খাদ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা কী ছিল?
উত্তর: কর ও জমি ফসল। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান নৌবাহিনী কোথায় ছিল?
উত্তর: পদ্মা ও মেঘনা নদীতে। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে কর আদায়ের প্রধান পদ্ধতি কী ছিল?
উত্তর: কৃষক ও ব্যবসায়ীর থেকে সরাসরি আদায়। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে সৈন্যদের প্রধান প্রশিক্ষণ কী ছিল?
উত্তর: তলোয়ার, ধনু ও কৌশল। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে রাজধানীর প্রধান দুর্গ কোথায় ছিল?
উত্তর: গৌড়। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান ধর্মীয় অনুশীলন কী ছিল?
উত্তর: নামাজ, রোজা ও জাকাত। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে রাজস্ব প্রধান কী ছিল?
উত্তর: কৃষি ও ব্যবসা কর। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান যোদ্ধাদের পরিচয় কী ছিল?
উত্তর: হাবসি ও স্থানীয় সৈন্য। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে নদী বাণিজ্যের প্রধান পণ্য কোনটি ছিল?
উত্তর: সোনা, কাপড় ও মসলা। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান নদী সংযোগ ব্যবস্থা কী ছিল?
উত্তর: নৌকা ও সেতু। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে শাসক কাকে বিচারকের মতো কাজ করতেন?
উত্তর: রাজ্য ও প্রজার অভিযোগের ক্ষেত্রে। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান খাদ্যসংগ্রহ কীভাবে হতো?
উত্তর: কৃষক ও বাজার থেকে। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান বন সম্পদ কী ছিল?
উত্তর: কাঠ ও হরিত সম্পদ। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান বিষয় কী ছিল?
উত্তর: ধর্ম ও প্রশাসন। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান নদী পাড়ের শহর কোনটি ছিল?
উত্তর: চট্টগ্রাম। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে শাসকের প্রধান পরামর্শক কে ছিলেন?
উত্তর: মন্ত্রী ও নায়ক। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে রাজধানীর প্রধান বৈশিষ্ট্য কী ছিল?
উত্তর: দুর্গ, মসজিদ ও বাজার। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান নদী পথে পরিবহন কী ছিল?
উত্তর: নৌকা ও জাহাজ। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষার প্রধান পদ্ধতি কী ছিল?
উত্তর: আইন ও সৈন্য মোতায়েন। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান ধর্মীয় উৎসব কোনটি ছিল?
উত্তর: ঈদ। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র কোথায় ছিল?
উত্তর: চট্টগ্রাম ও গৌড়। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান খাদ্যদ্রব্যের ধরন কী ছিল?
উত্তর: ভাত, ডাল ও মাছ। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে রাজ্যের প্রধান অর্থনৈতিক শক্তি কী ছিল?
উত্তর: কৃষি ও বাণিজ্য। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান সামরিক কৌশল কী ছিল?
উত্তর: দুর্গ নির্মাণ ও সৈন্য মোতায়েন। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে রাজ্যের নিরাপত্তা কে নিশ্চিত করত?
উত্তর: সৈন্য ও প্রহরী। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান স্থাপত্য নিদর্শন কোনটি?
উত্তর: কদম মসজিদ। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে নদী সংযোগের প্রধান শহর কোনটি ছিল?
উত্তর: চট্টগ্রাম। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান পোশাকের ধরন কী ছিল?
উত্তর: লুঙ্গি, ধুতি ও পাগড়ি। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম কী ছিল?
উত্তর: মাদ্রাসা। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ কী ছিল?
উত্তর: ধান শুকানো ও পাকা করা। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে রাজ্যের প্রধান আইন প্রণেতা কে ছিলেন?
উত্তর: সুলতান। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান সৈন্যের বর্ণনা কী ছিল?
উত্তর: হাবসি ও স্থানীয়। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে প্রধান নদী বাণিজ্য কেমন ছিল?
উত্তর: প্রধান পরিবহন ছিল। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার মূল কারণ কী ছিল?
উত্তর: শক্তিশালী প্রশাসন ও শাসক।
আরও পড়ুন: SSC 2026 অর্থনীতি ২য় অধ্যায় MCQ
আফগান শাসন ও বারোভূঁইয়া
- প্রশ্ন: বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগের অবসান কখন হলো?
উত্তর: ১৫৩৮ খ্রিষ্টাব্দে। - প্রশ্ন: স্বাধীন সুলতানি যুগের পর বাংলাকে প্রথম দখল করে কোন বিদেশি শক্তি?
উত্তর: আফগানরা। - প্রশ্ন: মুঘল সম্রাট হুমায়ুন কতদিন বাংলায় ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছিলেন?
উত্তর: অল্প কিছুকাল। - প্রশ্ন: হুমায়ুনকে পরাজিত করে বাংলায় ক্ষমতা দখল করে কে?
উত্তর: শের শাহ। - প্রশ্ন: আফগানরা বাংলায় কোন দুই শাখা দিয়ে শাসন চালায়?
উত্তর: শূর আফগান ও কররানি আফগান। - প্রশ্ন: আফগানদের পরাজয়ের পর বাংলার ক্ষমতা কে গ্রহণ করে?
উত্তর: মুঘল সম্রাট আকবর। - প্রশ্ন: সম্রাট আকবর কতদিন বাংলায় প্রকৃত ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করতে পারেননি?
উত্তর: অনেক দিন। - প্রশ্ন: স্বাধীন জমিদারদের বাংলায় কী নামে পরিচিতি ছিল?
উত্তর: বারোভূঁইয়া। - প্রশ্ন: বারোভূঁইয়াদের দমন কখন সফল হয়?
উত্তর: সম্রাট জাহাঙ্গীরের সময়। - প্রশ্ন: হুমায়ুন এবং বাবর কোন যুগ থেকে বাংলাকে দখল করার চেষ্টা করছিলেন?
উত্তর: হুসেন শাহি যুগের শেষ দিক। - প্রশ্ন: শের খান শূরের পিতার নাম কী ছিল?
উত্তর: হাসান খান শূর। - প্রশ্ন: শের খান শূর কোথায় জায়গিরদার ছিল?
উত্তর: বিহারের সাসারাম। - প্রশ্ন: শের খান শূর কীভাবে শক্তি বাড়াতে থাকেন?
উত্তর: চুনার দুর্গ ও বিহার অধিকার করে। - প্রশ্ন: শের খান কতবার বাংলার রাজধানী গৌড় আক্রমণ করেন?
উত্তর: দুইবার। - প্রশ্ন: হুমায়ুন গৌড়ের প্রাসাদ দেখে কী নাম দেন?
উত্তর: জান্নাতবাদ। - প্রশ্ন: হুমায়ুনকে কোন স্থানে পরাজিত করা হয়?
উত্তর: চৌসা, বক্সার নিকট। - প্রশ্ন: হুমায়ুনকে পরাজিত করে শের খান কোন উপাধি পান?
উত্তর: শের শাহ। - প্রশ্ন: শের শাহ বাংলায় কবে দখল করেন?
উত্তর: ১৫৪০ খ্রিষ্টাব্দে। - প্রশ্ন: শের শাহ কোন মুঘল শাসনকর্তাকে পরাজিত করেন বাংলায় দখলের জন্য?
উত্তর: আলী কুলি। - প্রশ্ন: শের শাহের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্রের নাম কী ছিল?
উত্তর: জালাল খান, ইসলাম খান নামে পরিচিত। - প্রশ্ন: ইসলাম খানের রাজত্বকাল কত বছর ছিল?
উত্তর: ৮ বছর (১৫৪৫–১৫৫৩)। - প্রশ্ন: ইসলাম খানের মৃত্যুর পর বাংলায় স্বাধীন আফগান শাসক কে আসে?
উত্তর: মুহম্মদ শাহ শূর। - প্রশ্ন: মুহম্মদ শাহ শূর কোন অঞ্চলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন?
উত্তর: উত্তর ভারতে মুহম্মদ আদিল শাহ শূরের সঙ্গে। - প্রশ্ন: মুহম্মদ শাহ শূরের পরাজয়ের পর কে বাংলার শাসন নেন?
উত্তর: শাহবাজ খান নিযুক্ত হন। - প্রশ্ন: শাহবাজ খানকে পরাজিত করে কে বাংলার সিংহাসন নেন?
উত্তর: গিয়াসউদ্দিন বাহাদুর শাহ। - প্রশ্ন: হুমায়ুনের মৃত্যুর পর মুঘলরা বাংলায় কী করতে পারেননি?
উত্তর: প্রকৃত আধিপত্য প্রতিষ্ঠা। - প্রশ্ন: আকবর কবে পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধে জয়ী হন?
উত্তর: ১৫৫৬ খ্রিষ্টাব্দে। - প্রশ্ন: পানিপথের যুদ্ধে কে নিহত হন?
উত্তর: হিমু, আদিল শাহের সেনাপতি। - প্রশ্ন: গিয়াসউদ্দিন বাহাদুর শাহ কত সালে মারা যান?
উত্তর: ১৫৬০ খ্রিষ্টাব্দে। - প্রশ্ন: জালালউদ্দিন শূর কোন উপাধি নিয়ে বাংলার সিংহাসনে বসেন?
উত্তর: দ্বিতীয় গিয়াসউদ্দিন। - প্রশ্ন: কররানি বংশের প্রথম শাসক কে ছিলেন?
উত্তর: তাজ খান কররানি। - প্রশ্ন: কররানি বংশের দ্বিতীয় শাসক কে ছিলেন?
উত্তর: সুলায়মান খান কররানি। - প্রশ্ন: সুলায়মান কররানি কোথায় রাজধানী স্থানান্তর করেন?
উত্তর: তাণ্ডায়। - প্রশ্ন: দাউদ কররানি কোন উপাধি গ্রহণ করেন?
উত্তর: বাদশাহ। - প্রশ্ন: দাউদ কররানি কোন শাসকের সমকক্ষ মনে করতেন নিজেকে?
উত্তর: সম্রাট আকবর। - প্রশ্ন: মুঘলরা প্রথমে কাকে আক্রমণ করতে নির্দেশ দেন?
উত্তর: মুনিম খানকে। - প্রশ্ন: দাউদ কররানি কোথায় আশ্রয় নেন মুঘলদের আক্রমণ থেকে?
উত্তর: উড়িষ্যায়। - প্রশ্ন: মুঘলরা কোন বছরের তাণ্ডা অধিকার করেন?
উত্তর: ১৫৭৬ খ্রিষ্টাব্দে। - প্রশ্ন: মুনিম খানের মৃত্যুর পর কে বাংলার শাসন নেন?
উত্তর: খানজাহান হুসেন কুলি খান। - প্রশ্ন: বারোভূঁইয়াদের শত্রু কে ছিল?
উত্তর: মুঘল শাসকরা। - প্রশ্ন: বারোভূঁইয়াদের প্রতিরোধের কারণ কী ছিল?
উত্তর: স্বাধীনতার রক্ষা। - প্রশ্ন: ‘বারো’ শব্দের অর্থ কি?
উত্তর: নির্দিষ্ট সংখ্যা নয়, অনির্দিষ্ট জমিদার বোঝায়। - প্রশ্ন: বারোভূঁইয়াদের প্রধান সময়কাল কখন?
উত্তর: ষোলো শতকের মাঝামাঝি থেকে সতেরো শতকের মধ্যবর্তী সময়। - প্রশ্ন: আফগান শাসনের শেষ শাসক কে ছিলেন?
উত্তর: দাউদ কররানি। - প্রশ্ন: দাউদ কররানি কোন বছর মুঘলদের সঙ্গে সংঘাত শুরু করেন?
উত্তর: ১৫৭৩ খ্রিষ্টাব্দে। - প্রশ্ন: দাউদ কররানি কোথায় পালিয়ে যান?
উত্তর: উড়িষ্যায়। - প্রশ্ন: মুঘলরা তাণ্ডায় কোন শাসন প্রতিষ্ঠা করেন?
উত্তর: মুনিম খান। - প্রশ্ন: দাউদ কররানির সময় আফগানরা কেমন ছিলেন?
উত্তর: নিজেরা বিভক্ত ও দুর্বল। - প্রশ্ন: তাজ খান কররানি কোন বংশের সেনাপতি ছিলেন?
উত্তর: শের শাহের। - প্রশ্ন: কররানি বংশের শেষ শাসক কে ছিলেন?
উত্তর: দাউদ কররানি। - প্রশ্ন: শের শাহের পুত্র জালাল খান কোন নাম গ্রহণ করেন?
উত্তর: ইসলাম খান। - প্রশ্ন: ইসলাম খান কত বছর রাজত্ব করেন?
উত্তর: ৮ বছর (১৫৪৫–১৫৫৩)। - প্রশ্ন: মুহম্মদ শাহ শূর কোন রাজ্য থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?
উত্তর: বাংলা। - প্রশ্ন: মুহম্মদ শাহ শূরের উত্তরাধিকারী কে ছিলেন?
উত্তর: খিজির খান, গিয়াসউদ্দিন বাহাদুর শাহ নামে পরিচিত। - প্রশ্ন: শের শাহ শূর কোন অঞ্চলের শাসক ছিলেন?
উত্তর: বিহার ও বাংলা। - প্রশ্ন: শের শাহ শূরের মৃত্যুর পর কে বাংলার সিংহাসনে বসেন?
উত্তর: জালাল খান (ইসলাম খান)। - প্রশ্ন: শের শাহ শূরের রাজধানী কোথায় ছিল?
উত্তর: গৌড়। - প্রশ্ন: বারোভূঁইয়াদের অর্থাৎ ‘বারো’ শব্দের বিশেষ অর্থ কী?
উত্তর: অনির্দিষ্ট সংখ্যক শক্তিশালী জমিদার। - প্রশ্ন: গিয়াসউদ্দিন বাহাদুর শাহ কোন বছরের মধ্যে বাংলার শাসন নেন?
উত্তর: ১৫৫৭ খ্রিষ্টাব্দ। - প্রশ্ন: দাউদ কররানি কোন ধরনের শাসক ছিলেন?
উত্তর: অদূরদর্শী ও স্বাধীনচেতা। - প্রশ্ন: দাউদ কররানি কোন উপাধি গ্রহণ করেন?
উত্তর: বাদশাহ। - প্রশ্ন: দাউদ কররানি কোন অঞ্চলে খুতবা পাঠ করান ও মুদ্রা প্রচলন করেন?
উত্তর: বাংলায়। - প্রশ্ন: দাউদ কররানির কারণে আকবর কেমন অনুভব করতেন?
উত্তর: ক্ষুব্ধ। - প্রশ্ন: দাউদ কররানির বিরুদ্ধে প্রথম আক্রমণ করেন কে?
উত্তর: মুনিম খান। - প্রশ্ন: মুনিম খানের নেতৃত্বে বাংলায় কোন শহর অধিকার করা হয়?
উত্তর: তাণ্ডা। - প্রশ্ন: মুনিম খান কোন রোগে মারা যান?
উত্তর: প্লেগ রোগে। - প্রশ্ন: দাউদ কররানি মৃত্যুর পর বাংলা ও বিহারে কে শাসন স্থাপন করেন?
উত্তর: মুঘলরা। - প্রশ্ন: বারোভূঁইয়াদের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী ছিল?
উত্তর: স্বাধীনতা রক্ষার জন্য শক্তিশালী প্রতিরোধ। - প্রশ্ন: বারোভূঁইয়াদের সৈন্য বাহিনী কী ধরনের ছিল?
উত্তর: শক্তিশালী ও সশস্ত্র। - প্রশ্ন: বারোভূঁইয়াদের নৌবহর কি ছিল?
উত্তর: হ্যাঁ, তাদের নিজস্ব নৌবহর ছিল। - প্রশ্ন: শের শাহ কত সালে হুমায়ুনকে চূড়ান্তভাবে পরাজিত করেন?
উত্তর: ১৫৪০ খ্রিষ্টাব্দে। - প্রশ্ন: শের শাহের সাম্রাজ্যে কোন অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত ছিল?
উত্তর: চট্টগ্রাম ও সিলেট পর্যন্ত। - প্রশ্ন: শের শাহের মৃত্যু কবে হয়?
উত্তর: ১৫৫৫ খ্রিষ্টাব্দে। - প্রশ্ন: গিয়াসউদ্দিন বাহাদুর শাহ কে পরাজিত করে বাংলায় শাসন প্রতিষ্ঠা করেন?
উত্তর: শাহবাজ খান। - প্রশ্ন: জালালউদ্দিন শূর কোন শাসকের ভাই ছিলেন?
উত্তর: গিয়াসউদ্দিন বাহাদুর শাহ। - প্রশ্ন: কররানি বংশের শাসকরা মূলত কোন সেনাপতির উত্তরাধিকারী ছিলেন?
উত্তর: শের শাহের। - প্রশ্ন: তাজ খান কররানি কোন অঞ্চলে প্রাধান্য প্রতিষ্ঠা করেন?
উত্তর: দক্ষিণ বিহার। - প্রশ্ন: দাউদ কররানি তাণ্ডা ছেড়ে কোথায় আশ্রয় নেন?
উত্তর: হুগলি জেলার সপ্তগ্রামে। - প্রশ্ন: দাউদ কররানির আগে তাণ্ডার শাসক কে ছিলেন?
উত্তর: সুলায়মান কররানি। - প্রশ্ন: সুলায়মান কররানি কাদের পরামর্শে মুঘলদের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা করেন?
উত্তর: উজির লোদি খানের। - প্রশ্ন: দাউদ কররানির অধীনে কোন অঞ্চলে স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়?
উত্তর: বাংলা ও বিহার। - প্রশ্ন: দাউদ কররানি শেষ পর্যন্ত কোথায় পালিয়ে যান?
উত্তর: উড়িষ্যায়। - প্রশ্ন: বারোভূঁইয়াদের সৈন্যবাহিনী কী উদ্দেশ্যে তৈরি ছিল?
উত্তর: মুঘলদের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা ও স্বাধীনতা রক্ষা। - প্রশ্ন: বারোভূঁইয়াদের সময়কাল প্রায় কত বছর ছিল?
উত্তর: ষোলো শতকের মাঝামাঝি থেকে সতেরো শতকের মধ্যবর্তী। - প্রশ্ন: শের শাহের মৃত্যুর পর বাংলায় কে স্বাধীন সুলতান হন?
উত্তর: মুহম্মদ শাহ শূর। - প্রশ্ন: শের শাহ কতবার বাংলার রাজধানী আক্রমণ করেন?
উত্তর: দুইবার। - প্রশ্ন: হুমায়ুন কোন সময়ে গৌড়ে নামকরণ করেন জান্নাতবাদ?
উত্তর: ১৫৩৭ খ্রিষ্টাব্দে। - প্রশ্ন: শের খানের পিতার মৃত্যুতে তিনি কী পদ পান?
উত্তর: জায়গিরদার। - প্রশ্ন: শের শাহ কোন সিংহাসনের জন্য হুমায়ুনকে পরাজিত করেন?
উত্তর: দিল্লি। - প্রশ্ন: দাউদ কররানি মুঘলদের বিরুদ্ধে কতদূর স্বাধীন মনোভাব দেখান?
উত্তর: বাদশাহ উপাধি গ্রহণ ও নিজ খুতবা পাঠ করা। - প্রশ্ন: দাউদ কররানির মৃত্যুর পর মুঘলদের পদক্ষেপ কী ছিল?
উত্তর: বাংলায় পূর্ণ শাসন প্রতিষ্ঠা। - প্রশ্ন: বারোভূঁইয়াদের আত্মরক্ষা কিভাবে হত?
উত্তর: একত্র হয়ে মুঘল সেনাপতির বিরুদ্ধে লড়াই। - প্রশ্ন: শের শাহের বংশধরদের দুর্বলতার সুযোগে কে বাংলায় মুঘলদের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করেন?
উত্তর: হুমায়ুনের পুত্র আকবর। - প্রশ্ন: দাউদ কররানি কোন বছর বিহার থেকে হটিয়ে দেওয়া হয়?
উত্তর: ১৫৭৩ খ্রিষ্টাব্দে। - প্রশ্ন: বারোভূঁইয়াদের মধ্যে কতজন ছোটখাটো জমিদার ছিলেন?
উত্তর: অনেক। - প্রশ্ন: বারোভূঁইয়াদের কীভাবে শেষ পর্যন্ত মুঘলদের সঙ্গে মিলিত হওয়া হয়?
উত্তর: পরে বশ্যতা স্বীকার করে। - প্রশ্ন: দাউদ কররানি কত বছর বাংলায় শেষ আফগান শাসক হিসেবে ছিলেন?
উত্তর: প্রায় ১৫৭৩–১৫৭৬ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত। - প্রশ্ন: দাউদ কররানি কোন অঞ্চলে মুঘলদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ চালান?
উত্তর: তাণ্ডা ও উত্তরের অঞ্চল। - প্রশ্ন: দাউদ কররানি কোন অঞ্চলে আশ্রয় নেন মৃত্যুর আগে?
উত্তর: উড়িষ্যা। - প্রশ্ন: বারোভূঁইয়াদের শাসনের অবদান কী?
উত্তর: মুঘল শাসনের বিরুদ্ধে বাংলার স্বাধীনতা রক্ষা ও প্রতিরোধ।
আরও পড়ুন: SSC 2026 অর্থনীতি ৪র্থ অধ্যায় MCQ সাজেশন
বারোভূঁইয়াদের ইতিহাস
- প্রশ্ন: সম্রাট আকবর কি পুরো বাংলার ওপর অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছিলেন?
উত্তর: না। - প্রশ্ন: বড় বড় জমিদাররা মুঘলদের অধীনতা মেনে নিতেন কি?
উত্তর: না। - প্রশ্ন: জমিদাররা কতটা স্বাধীন ছিলেন?
উত্তর: নিজের জমিদারিতে সম্পূর্ণ স্বাধীন। - প্রশ্ন: বারোভূঁইয়াদের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী ছিল?
উত্তর: স্বাধীনতা রক্ষা ও শক্তিশালী সৈন্য বাহিনী ও নৌবহর। - প্রশ্ন: ‘বারো’ শব্দের অর্থ কি?
উত্তর: অনির্দিষ্ট সংখ্যক জমিদার বোঝানো। - প্রশ্ন: বারোভূঁইয়াদের আবির্ভাব কোন শতক থেকে?
উত্তর: ষোলো শতকের মাঝামাঝি। - প্রশ্ন: বারোভূঁইয়াদের সময়কাল কবে পর্যন্ত?
উত্তর: সতেরো শতকের মধ্যবর্তী সময় পর্যন্ত। - প্রশ্ন: বারোভূঁইয়াদের প্রধান নেতা কে ছিলেন প্রথমে?
উত্তর: ঈসা খান। - প্রশ্ন: ঈসা খানের পিতা কোথায় জমিদারি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন?
উত্তর: সোনারগাঁ অঞ্চলে। - প্রশ্ন: ঈসা খানের প্রধান কেন্দ্র কোথায় ছিল?
উত্তর: খিজিরপুর দুর্গ। - প্রশ্ন: দাউদ কররানির পতনের পর ঈসা খান কোথায় রাজধানী স্থাপন করেন?
উত্তর: সোনারগাঁ। - প্রশ্ন: সম্রাট আকবর কোন বছরের মধ্যে বারোভূঁইয়াদের দমন করতে মনোযোগ দেন?
উত্তর: ১৫৮৩ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৫৯৪ খ্রিষ্টাব্দ। - প্রশ্ন: বারোভূঁইয়াদের দমন করতে কোন সুবাদাররা পাঠানো হয়?
উত্তর: শাহবাজ খান, সাদিক খান, উজির খান, মানসিংহ। - প্রশ্ন: ঈসা খান কোন উপাধি গ্রহণ করেছিলেন?
উত্তর: মসনদ-ই-আলা। - প্রশ্ন: ঈসা খান কখন মারা যান?
উত্তর: ১৫৯৯ খ্রিষ্টাব্দে। - প্রশ্ন: ঈসা খানের পর কারা বারোভূঁইয়াদের নেতা হন?
উত্তর: তাঁর পুত্র মুসা খান। - প্রশ্ন: ১৬০১ খ্রিষ্টাব্দে কারা বাংলায় পুনরায় পাঠানো হয়?
উত্তর: মানসিংহ। - প্রশ্ন: মুসা খান কখন নৌযুদ্ধে পরাজিত হন?
উত্তর: ১৬০৩ খ্রিষ্টাব্দে। - প্রশ্ন: সম্রাট আকবরের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র কে সিংহাসনে আরোহণ করেন?
উত্তর: সেলিম জাহাঙ্গীর। - প্রশ্ন: ১৬০৬ খ্রিষ্টাব্দে কে বাংলার সুবাদার হন?
উত্তর: কুতুব উদ্দিন কোকা। - প্রশ্ন: কুতুব উদ্দিন কোকা কাদের হাতে প্রাণ হারান?
উত্তর: শের আফকুনের হাতে। - প্রশ্ন: জাহাঙ্গীর কুলি খান কখন মারা যান?
উত্তর: কুতুব উদ্দিন কোকা হত্যার এক বছর পর। - প্রশ্ন: ইসলাম খান কখন সুবাদার নিযুক্ত হন?
উত্তর: ১৬০৮ খ্রিষ্টাব্দে। - প্রশ্ন: ইসলাম খান কাদের দমন করেই অন্যান্য জমিদারকে বশীভূত করতে চেয়েছিলেন?
উত্তর: মুসা খান। - প্রশ্ন: ইসলাম খান বাংলার রাজধানী কোথায় স্থানান্তর করেন?
উত্তর: ঢাকায়। - প্রশ্ন: মুসা খানের ঘাঁটি কোথায় ছিল?
উত্তর: সোনারগাঁ। - প্রশ্ন: ইসলাম খান প্রথম সংঘর্ষ কবে এবং কোথায় করেন?
উত্তর: ১৬০৯ খ্রিষ্টাব্দে করতোয়া নদীর পূর্বতীরে যাত্রাপুরে। - প্রশ্ন: মুসা খান কোথায় আশ্রয় নেন?
উত্তর: ইব্রাহিমপুর দ্বীপ, মেঘনা নদীতে। - প্রশ্ন: ইসলাম খানের নেতৃত্বে কোন শহর মুঘলদের হাতে আসে?
উত্তর: সোনারগাঁ। - প্রশ্ন: ঢাকা কখন বাংলার রাজধানী হয়?
উত্তর: ১৬১০ খ্রিষ্টাব্দে। - প্রশ্ন: ঢাকার নাম সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামে কি রাখা হয়?
উত্তর: জাহাঙ্গীরনগর। - প্রশ্ন: বারোভূঁইয়াদের দমনকারীর কৃতিত্ব কার?
উত্তর: ইসলাম খান। - প্রশ্ন: ইসলাম খান কোন বছরের মধ্যে ঢাকায় প্রবেশ করেন?
উত্তর: ১৬১০ খ্রিষ্টাব্দে। - প্রশ্ন: শীতলক্ষ্যা নদীতে কোন জমিদাররা ইসলাম খানের বিরুদ্ধে নৌবহর একত্রিত করেছিল?
উত্তর: মুসা খান ও অন্যান্য জমিদার। - প্রশ্ন: ১৬১১ খ্রিষ্টাব্দে কোন নদীর পাড়ে যুদ্ধ হয়?
উত্তর: শীতলক্ষ্যা নদীর পূর্ব পাড়ে। - প্রশ্ন: কদম রসুল দুর্গ কোথায় ছিল?
উত্তর: নদীর পূর্ব পাড়ে। - প্রশ্ন: মুসা খান শেষ পর্যন্ত কোথায় আশ্রয় নেন?
উত্তর: ইব্রাহিমপুর দ্বীপ। - প্রশ্ন: মুসা খান আত্মসমর্পণের পর কী করেন?
উত্তর: সম্রাটের অনুগত জায়গিরদার হিসেবে জীবন অতিবাহিত করেন। - প্রশ্ন: মুসা খানের আত্মসমর্পণ বারোভূঁইয়াদের উপর কী প্রভাব ফেলে?
উত্তর: অন্যান্য জমিদারও মুঘলদের বশ্যতা স্বীকার করে। - প্রশ্ন: বারোভূঁইয়াদের স্বতন্ত্র নৌবহর কাদের নেতৃত্বে পরাজিত হয়?
উত্তর: ইসলাম খান। - প্রশ্ন: বারোভূঁইয়াদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য নেতা ছিলেন কে?
উত্তর: ঈসা খান, মুসা খান। - প্রশ্ন: ঈসা খানের রাজধানী কোথায় ছিল?
উত্তর: খিজিরপুর ও সোনারগাঁ। - প্রশ্ন: মানসিংহ কখন দ্বিতীয়বার বাংলায় পাঠানো হয়?
উত্তর: ১৬০১ খ্রিষ্টাব্দে। - প্রশ্ন: মুসা খান কোন বছরে নৌযুদ্ধে পরাজিত হন?
উত্তর: ১৬০৩ খ্রিষ্টাব্দে। - প্রশ্ন: ইসলামের খানের রাজধানী স্থানান্তরের কারণ কী ছিল?
উত্তর: মুসা খানের ঘাঁটি সোনারগাঁ ঢাকার নিকটে। - প্রশ্ন: ইসলাম খান কীভাবে অন্যান্য জমিদারদের আনুগত্য লাভ করেন?
উত্তর: শক্তিশালী নৌবহর ও সামরিক শক্তির মাধ্যমে। - প্রশ্ন: ঢাকার নাম কেন জাহাঙ্গীরনগর রাখা হয়?
উত্তর: সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামে। - প্রশ্ন: মুসা খান শেষ পর্যন্ত কাকে অনুগত হন?
উত্তর: মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের। - প্রশ্ন: বারোভূঁইয়াদের দমন বাংলা ইতিহাসে কোন শাসকের কৃতিত্ব?
উত্তর: সম্রাট জাহাঙ্গীর ও ইসলাম খানের। - প্রশ্ন: মুসা খানের পর কে বাংলার জমিদারদের নিয়ন্ত্রণ করেন?
উত্তর: ইসলাম খান। - প্রশ্ন: বারোভূঁইয়াদের দমন কবে সম্পন্ন হয়?
উত্তর: ১৬১১ খ্রিষ্টাব্দে। - প্রশ্ন: ইসলাম খান কোন বছর সুবাদার নিযুক্ত হন?
উত্তর: ১৬০৮ খ্রিষ্টাব্দে। - প্রশ্ন: বারোভূঁইয়াদের মধ্যে ঢাকার অংশ ছিল কোন জমিদারের অধীনে?
উত্তর: ঈসা খান। - প্রশ্ন: বারোভূঁইয়াদের নৌবহর কোথায় কার্যকর ছিল?
উত্তর: শীতলক্ষ্যা ও করতোয়া নদীতে। - প্রশ্ন: বারোভূঁইয়াদের শেষ নেতা কে ছিলেন?
উত্তর: মুসা খান। - প্রশ্ন: বারোভূঁইয়াদের দমন করা হলে বাংলা কোথায় স্থির হয়?
উত্তর: মুঘল শাসনের অধীনে। - প্রশ্ন: বারোভূঁইয়াদের মধ্যে মানসিংহের সঙ্গে যুদ্ধ কবে হয়?
উত্তর: ১৬০৩ খ্রিষ্টাব্দে। - প্রশ্ন: ইসলাম খান বারোভূঁইয়াদের মোকাবেলা করার জন্য কী গড়ে তোলেন?
উত্তর: শক্তিশালী নৌবহর। - প্রশ্ন: বারোভূঁইয়াদের দমন বাংলার ইতিহাসে কী প্রভাব ফেলেছিল?
উত্তর: মুঘল শাসন প্রতিষ্ঠা। - প্রশ্ন: ইসলাম খান কীভাবে বাংলায় স্থায়ী মুঘল শাসন প্রতিষ্ঠা করেন?
উত্তর: মুসা খান ও অন্যান্য জমিদারদের দমন করে।
মুঘল শাসন (১৫৭৬–১৭৫৭ খ্রিষ্টাব্দ
সুবাদারি ও নবাবি আমল
- প্রশ্ন: বাংলায় মুঘল শাসনের প্রধান দুই পর্ব কী?
উত্তর: সুবাদারি ও নবাবি। - প্রশ্ন: বারোভূঁইয়াদের দমন করার পর বাংলায় কী প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তর: সুবাদারি শাসন। - প্রশ্ন: মুঘল প্রদেশগুলো কী নামে পরিচিত ছিল?
উত্তর: সুবা। - প্রশ্ন: কোন প্রদেশ মুঘলদের অন্যতম সুবা ছিল?
উত্তর: বাংলা। - প্রশ্ন: সুবাদারি শাসনের স্বর্ণযুগ কখন ছিল?
উত্তর: সতেরো শতকের প্রথম দিক থেকে আঠারো শতকের শুরু পর্যন্ত। - প্রশ্ন: সম্রাট আওরঙ্গজেবের পর মুঘল শাসন কেমন হয়?
উত্তর: শক্তিহীন ও দুর্বল। - প্রশ্ন: মুঘল শাসনের দুর্বলতার সুযোগে বাংলার সুবাদাররা কী করতেন?
উত্তর: প্রায় স্বাধীনভাবে বাংলা শাসন করতেন। - প্রশ্ন: মুঘল আমলের দুর্বল শাসনের সময়কালকে কী বলা হয়?
উত্তর: নবাবি আমল। - প্রশ্ন: ইসলাম খান বাংলায় সুবাদারি শাসন কবে প্রতিষ্ঠা করেন?
উত্তর: ১৬১০ খ্রিষ্টাব্দে। - প্রশ্ন: ইসলাম খানের মৃত্যুর পর বাংলার ক্ষমতা গ্রহণ করেন কয়জন সুবাদার?
উত্তর: বেশ কয়েকজন। - প্রশ্ন: ১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দে গুরুত্বপূর্ণ সুবাদার কে ক্ষমতা গ্রহণ করেন?
উত্তর: মীর জুমলা। - প্রশ্ন: ইসলাম খান চিশতি কবে বাংলার সুবাদার ছিলেন?
উত্তর: ১৬১৭–১৬২৪ খ্রিষ্টাব্দ। - প্রশ্ন: ইব্রাহিম খান ফতেহ জঙ্গ কোন সময় বাংলার সুবাদার ছিলেন?
উত্তর: ১৬১৭–১৬২৪ খ্রিষ্টাব্দ। - প্রশ্ন: খুব অল্প সময়ের জন্য কোন সুবাদার নিযুক্ত হন?
উত্তর: দারার খান, মহব্বত খান, মুকাররম খান, ফিতাই খান। - প্রশ্ন: সম্রাট শাহজাহান বাংলার সুবাদার হিসেবে কাকে নিয়োগ করেন?
উত্তর: কাসিম খান জুয়িনী। - প্রশ্ন: কাসিম খান জুয়িনী কবে সুবাদার নিযুক্ত হন?
উত্তর: ১৬২৮ খ্রিষ্টাব্দে। - প্রশ্ন: কাসিম খান জুয়িনী কোন বিদেশি বণিকদের দমন করেন?
উত্তর: পর্তুগিজ বণিকদের। - প্রশ্ন: ইসলাম খান মাসহানি কোন সময় বাংলার সুবাদার ছিলেন?
উত্তর: ১৬৩৫–১৬৩৯ খ্রিষ্টাব্দ। - প্রশ্ন: শাহ সুজা কবে বাংলার সুবাদার হন?
উত্তর: ইসলাম খান মাসহানির পর। - প্রশ্ন: শাহ সুজার শাসনকাল মোটামুটি কেমন ছিল?
উত্তর: শান্তিপূর্ণ। - প্রশ্ন: কোন বিদেশি বণিকদের ক্ষমতা সুবাদারের কাছ থেকে বাড়তি সুবিধা পেতে শুরু করে?
উত্তর: ইংরেজরা। - প্রশ্ন: ১৬৫৭ খ্রিষ্টাব্দে সম্রাট শাহজাহান কেমন অবস্থায় পড়েন?
উত্তর: অসুস্থ। - প্রশ্ন: শাহজাহানের চার পুত্রের মধ্যে কার সঙ্গে শাহ সুজার দ্বন্দ্ব শুরু হয়?
উত্তর: আওরঙ্গজেবের সঙ্গে। - প্রশ্ন: শাহ সুজা কখন পরাজিত হন?
উত্তর: ১৬৫৯ খ্রিষ্টাব্দে। - প্রশ্ন: পরাজিত হয়ে শাহ সুজা কোথায় যান?
উত্তর: আরাকান। - প্রশ্ন: আওরঙ্গজেবের সেনাপতি কে ছিলেন?
উত্তর: মীর জুমলা। - প্রশ্ন: মীর জুমলা কখন বাংলার সুবাদার হন?
উত্তর: ১৬৬০–১৬৬৬ খ্রিষ্টাব্দ। - প্রশ্ন: মীর জুমলার সময় কুচবিহার কোথায় আসে?
উত্তর: প্রথমবার মুঘল সাম্রাজ্যের অধীনে। - প্রশ্ন: মীর জুমলা কোন রাজ্যকে মুঘল সাম্রাজ্যের সীমান্তে বর্ধিত করেন?
উত্তর: আসাম। - প্রশ্ন: মীর জুমলার সামরিক প্রতিভার প্রমাণ কোথায় দেখা যায়?
উত্তর: কুচবিহার ও আসাম অভিযানে। - প্রশ্ন: সুবাদারি শাসনের স্বর্ণযুগ কোন শতকের দিকে?
উত্তর: সতেরো শতকের প্রথম দিক। - প্রশ্ন: নবাবি আমল কোন সময় থেকে শুরু হয়?
উত্তর: আওরঙ্গজেবের পর দিল্লির দুর্বল উত্তরাধিকারীদের সময়। - প্রশ্ন: মীর জুমলার সময় বাংলা রাজধানী কোন শহর?
উত্তর: জাহাঙ্গীরনগর। - প্রশ্ন: শাহ সুজা পরাজিত হওয়ার পর কী হয়?
উত্তর: তিনি আরাকান চলে যান এবং পরে সপরিবারে নিহত হন। - প্রশ্ন: বিদেশি বণিকদের মধ্যে কোন দেশের প্রভাব বৃদ্ধি পায়?
উত্তর: ইংরেজদের। - প্রশ্ন: কাসিম খান জুয়িনীর প্রধান কাজ কী ছিল?
উত্তর: পর্তুগিজদের দমন। - প্রশ্ন: নবাবি আমল কখন শুরু হয়?
উত্তর: মুঘল শাসনের দুর্বলতার সময়। - প্রশ্ন: শাহ সুজার শাসনের সময় বিদেশি বণিকদের কার্যক্রম কেমন ছিল?
উত্তর: কিছু বাড়তি সুবিধা গ্রহণ। - প্রশ্ন: মীর জুমলার সময় কোন অঞ্চল সম্পূর্ণরূপে মুঘল সাম্রাজ্যের অধীনে আসে?
উত্তর: কুচবিহার। - প্রশ্ন: আসাম অভিযানের মাধ্যমে মীর জুমলা কোন লক্ষ্য অর্জন করেন?
উত্তর: মুঘল সাম্রাজ্যের সীমান্ত আসাম পর্যন্ত বর্ধিত করা।
শায়েস্তা খান
- প্রশ্ন: মীর জুমলার মৃত্যুর পর প্রথম অস্থায়ী সুবাদার কে ছিলেন?
উত্তর: লিলি খান। - প্রশ্ন: লিলি খানের পরে অস্থায়ী সুবাদার কে ছিলেন?
উত্তর: দাউদ খান। - প্রশ্ন: ১৬৬৪ সালে বাংলার স্থায়ী সুবাদার নিযুক্ত হন কে?
উত্তর: শায়েস্তা খান। - প্রশ্ন: শায়েস্তা খান কত বছর ক্ষমতায় ছিলেন?
উত্তর: ১৬৬৪ থেকে ১৬৮৮ সাল পর্যন্ত। - প্রশ্ন: শায়েস্তা খান কিসের জন্য সুপরিচিত ছিলেন?
উত্তর: সুদক্ষ সেনাপতি ও দূরদর্শী শাসক হিসেবে। - প্রশ্ন: শায়েস্তা খান বাংলার জনগণকে কী রক্ষা করেছিলেন?
উত্তর: মগদের উৎপাত থেকে জনমাল রক্ষা। - প্রশ্ন: শায়েস্তা খান কোন অঞ্চলে আরাকানি জলদস্যুদের উৎখাত করেন?
উত্তর: সন্দ্বীপ ও চট্টগ্রামে। - প্রশ্ন: শায়েস্তা খান কুচবিহার, কামরূপ ও ত্রিপুরা অঞ্চলে কী প্রতিষ্ঠা করেন?
উত্তর: মুঘল শাসন সুষ্ঠুভাবে। - প্রশ্ন: শায়েস্তা খানের ভয়ে আসামের রাজা কী করতে সাহস পাননি?
উত্তর: মুঘলদের বিরুদ্ধে শত্রুতা। - প্রশ্ন: শায়েস্তা খানের সাথে কোন কোম্পানির বিরোধ হয়?
উত্তর: ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি। - প্রশ্ন: শায়েস্তা খান কীভাবে ইংরেজদের প্রতিহত করেন?
উত্তর: দীর্ঘদিনের চেষ্টার পর বাংলায় থেকে বিতাড়িত করে। - প্রশ্ন: শায়েস্তা খানের পরে বাংলার সুবাদাররা কে ছিলেন?
উত্তর: খান-ই-জাহান বাহাদুর, ইব্রাহিম খান ও আজিমুদ্দিন। - প্রশ্ন: শায়েস্তা খানের সময় বাংলার ইতিহাস কেমন ছিল?
উত্তর: তেমন ঘটনাবহুল ছিল না। - প্রশ্ন: শায়েস্তা খান কোন কাজের জন্য স্মরণীয়?
উত্তর: জনহিতকর কাজ। - প্রশ্ন: শায়েস্তা খানের সময়ে কী নির্মাণ হয়েছিল?
উত্তর: অসংখ্য সরাইখানা, রাস্তা ও সেতু। - প্রশ্ন: শায়েস্তা খানের আমলে দেশের অর্থনীতি কেমন ছিল?
উত্তর: সমৃদ্ধ। - প্রশ্ন: শায়েস্তা খানের সময় বাংলায় কী উন্নতি হয়েছিল?
উত্তর: কৃষি, শিল্প ও ব্যবসায়-বাণিজ্যের। - প্রশ্ন: শায়েস্তা খান ব্যবসায়-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কী করতেন?
উত্তর: বিদেশি বণিকদের উৎসাহিত করতেন। - প্রশ্ন: শায়েস্তা খানের আমলে দ্রব্যমূল্য কেমন ছিল?
উত্তর: সস্তা, ৮ মণ চাল টাকায় পাওয়া যেত। - প্রশ্ন: শায়েস্তা খান কোন শিল্পকে বিশেষ উৎসাহিত করতেন?
উত্তর: স্থাপত্য শিল্প। - প্রশ্ন: শায়েস্তা খানের সময় ঢাকা নগরী কেমন ছিল?
উত্তর: মনোরম সাজে সজ্জিত। - প্রশ্ন: শায়েস্তা খানের আমলকে বাংলায় মুঘল স্থাপত্যের কোন যুগ বলা হয়?
উত্তর: স্বর্ণযুগ। - প্রশ্ন: শায়েস্তা খানের আমলে কোন উল্লেখযোগ্য স্থাপত্য নির্মিত হয়?
উত্তর: ছোট কাটারা, লালবাগ কেল্লা, বিবি পরির সমাধি সৌধ, হোসেনী দালান, সফি খানের মসজিদ, বুড়িগঙ্গার মসজিদ, চক মসজিদ। - প্রশ্ন: শায়েস্তা খানের শাসন কাকে সবচেয়ে বেশি স্মরণীয় রাখে?
উত্তর: ঢাকাকে। - প্রশ্ন: শায়েস্তা খান বাংলায় কী রক্ষা করেন?
উত্তর: জনমাল ও নিরাপত্তা। - প্রশ্ন: শায়েস্তা খান কোন দেশের জলদস্যুদের উৎখাত করেন?
উত্তর: আরাকান। - প্রশ্ন: শায়েস্তা খানের আমলে স্থাপত্য শিল্পের প্রধান কেন্দ্র কোথায় ছিল?
উত্তর: ঢাকা নগরী। - প্রশ্ন: শায়েস্তা খানের আমলে দেশের কোন খাত সমৃদ্ধ হয়?
উত্তর: কৃষি, শিল্প ও ব্যবসায়-বাণিজ্য। - প্রশ্ন: শায়েস্তা খানের সময় বাংলার জনকল্যাণে কী কাজ করা হয়?
উত্তর: রাস্তা, সেতু ও সরাইখানা নির্মাণ। - প্রশ্ন: শায়েস্তা খান কী কারণে সম ভারতবর্ষে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন?
উত্তর: জনকল্যাণ ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য।
নবাব মুর্শিদ কুলি খান
- প্রশ্ন: মুর্শিদ কুলি খান বাংলার ক্ষমতায় কখন আসেন?
উত্তর: ১৭০০ সালে। - প্রশ্ন: তিনি কত সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন?
উত্তর: ১৭২৭ সাল পর্যন্ত। - প্রশ্ন: মুর্শিদ কুলি খান প্রথমে কী পদে নিযুক্ত হন?
উত্তর: বাংলার দেওয়ান হিসেবে। - প্রশ্ন: দেওয়ানের কাজ কী ছিল?
উত্তর: রাজস্ব আদায় ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করা। - প্রশ্ন: মুর্শিদ কুলি খানকে বাংলার সুবাদার নিযুক্ত করেন কোন সম্রাট?
উত্তর: ফররুখ শিয়ার। - প্রশ্ন: মুর্শিদ কুলি খানের আগমনের সময় বাংলার অবস্থা কেমন ছিল?
উত্তর: রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে শোচনীয়। - প্রশ্ন: মুর্শিদ কুলি খান কীভাবে বাংলায় মুঘল শাসন পুনরুদ্ধার করেন?
উত্তর: সাহসিকতা, বিচক্ষণতা ও বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে। - প্রশ্ন: সম্রাট আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর সুবাদারগণ কেমনভাবে শাসন করতেন?
উত্তর: অনেকটা স্বাধীনভাবে। - প্রশ্ন: মুর্শিদ কুলি খান সম্রাটের প্রতি কেমন আনুগত্য দেখাতেন?
উত্তর: নামমাত্র আনুগত্য প্রকাশ করতেন। - প্রশ্ন: তিনি বার্ষিক কত টাকা রাজস্ব দিলেন?
উত্তর: ১ কোটি ৩ লক্ষ টাকা। - প্রশ্ন: মুর্শিদ কুলি খানের পরে বাংলার সিংহাসনে কে বসেন?
উত্তর: জামাতা সুজাউদ্দিন খান। - প্রশ্ন: নবাব মুর্শিদ কুলি খানের সময় বাংলার শাসন প্রায় কীভাবে হয়?
উত্তর: প্রায় স্বাধীন। - প্রশ্ন: এই সময় বাংলার সুবাকে কী বলা হতো?
উত্তর: নিজামত। - প্রশ্ন: সুবাদারের বদলে কোন পদবি ব্যবহৃত হতো?
উত্তর: নাজিম। - প্রশ্ন: নাজিম পদটি কীভাবে হয়ে পড়েছিল?
উত্তর: বংশগত। - প্রশ্ন: নাজিমরা সম্রাটের কাছ থেকে কী পেতেন?
উত্তর: শুধু একটি অনুমোদন। - প্রশ্ন: আঠারো শতকের বাংলায় মুঘল শাসনকে কী বলা হয়?
উত্তর: নিজামত বা নবাবি আমল। - প্রশ্ন: প্রায় স্বাধীন শাসকরা কী নামে পরিচিত হন?
উত্তর: নবাব। - প্রশ্ন: মুর্শিদ কুলি খানের সর্বাধিক স্মরণীয় কীর্তি কী?
উত্তর: রাজস্ব সংস্কার। - প্রশ্ন: তিনি রাজস্ব নির্ধারণ করার জন্য কী করেছিলেন?
উত্তর: ভূমি জরিপ করে রায়তদের সামর্থ্য অনুযায়ী রাজস্ব নির্ধারণ। - প্রশ্ন: রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করতে তিনি কী ব্যবস্থা নেন?
উত্তর: উপযুক্ত কর্মচারী নিযুক্ত করে উৎপাদিকা শক্তি ও বাণিজ্য করের তথ্য সংগ্রহ। - প্রশ্ন: মধ্যস্থ ব্যক্তিদের দ্বারা প্রজাদের হয়রানি কি সম্ভব ছিল?
উত্তর: না। - প্রশ্ন: মুর্শিদ কুলি খান দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য কী গুরুত্ব দেন?
উত্তর: ব্যবসায়-বাণিজ্যের প্রসার। - প্রশ্ন: তিনি কোন ব্যবসায়ীদের উৎসাহিত করতেন?
উত্তর: ইংরেজ, ফরাসি ও পারসিক ব্যবসায়ীদের। - প্রশ্ন: ব্যবসায়ীরা কীভাবে কর প্রদান করতেন?
উত্তর: নির্দিষ্ট হারে এবং কোনো অবিচার ছাড়াই। - প্রশ্ন: মুর্শিদ কুলি খানের পৃষ্ঠপোষকতার ফলে কী বৃদ্ধি পায়?
উত্তর: বাংলার ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারিত। - প্রশ্ন: কলকাতা, চুঁচুড়া ও চন্দননগর কী হিসাবে গড়ে ওঠে?
উত্তর: বিদেশি বণিকদের ব্যবসার কেন্দ্র। - প্রশ্ন: মুর্শিদ কুলি খানের সময়ে রাজস্ব ও বাণিজ্য ব্যবস্থার উদ্দেশ্য কী ছিল?
উত্তর: অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা ও প্রজাদের কল্যাণ। - প্রশ্ন: মুর্শিদ কুলি খানের নেতৃত্বে বাংলার শাসন কতটা স্বাধীন হয়ে ওঠে?
উত্তর: প্রায় সম্পূর্ণ স্বাধীন। - প্রশ্ন: মুর্শিদ কুলি খানের ব্যক্তিত্বের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী ছিল?
উত্তর: সাহসিকতা, বিচক্ষণতা ও বুদ্ধিমত্তা।
সুজাউদ্দিন খান
- প্রশ্ন: সুজাউদ্দিন খান বাংলার সুবাদার হিসেবে কখন নিযুক্ত হন?
উত্তর: ১৭২৭ সালে। - প্রশ্ন: সুজাউদ্দিন খানের নিয়োগ করেছিলেন কোন সম্রাট?
উত্তর: সম্রাট ফররুখ শিয়ার। - প্রশ্ন: সুজাউদ্দিন খানের ক্ষমতাধারী সময় কত বছর ছিল?
উত্তর: ১৭২৭ থেকে ১৭৩৯ সাল পর্যন্ত। - প্রশ্ন: সুজাউদ্দিন খানের নবাবি মর্যাদা কেমন ছিল?
উত্তর: তিনি স্বাধীন নবাবের মর্যাদা নিয়ে সিংহাসনে বসেন। - প্রশ্ন: সুজাউদ্দিন খান কোন তিন প্রদেশের নবাব ছিলেন?
উত্তর: বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা। - প্রশ্ন: সুজাউদ্দিন খান কী ধরনের শাসক ছিলেন?
উত্তর: দক্ষ শাসক। - প্রশ্ন: তিনি আত্মীয়স্বজন ও বিশ্বাসভাজনদের জন্য কী করতেন?
উত্তর: উচ্চপদ দান করতেন। - প্রশ্ন: সুজাউদ্দিন খান জমিদারদের সাথে সম্পর্ক কেমন রাখতেন?
উত্তর: সুসম্পর্ক গড়ে তুলতেন। - প্রশ্ন: সুজাউদ্দিন খানের শেষ জীবন কেমন কাটলো?
উত্তর: সুখে কাটেনি; প্রাসাদের কর্মকর্তারা তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করত। - প্রশ্ন: সুজাউদ্দিন Khan কীভাবে সংকট মোকাবিলা করতেন?
উত্তর: দক্ষ হাতে। - প্রশ্ন: সুজাউদ্দিন খানের মৃত্যুর পর বাংলার সিংহাসনে কে বসেন?
উত্তর: তাঁর পুত্র সরফরাজ খান। - প্রশ্ন: সরফরাজ খানের ক্ষমতা কেমন ছিল?
উত্তর: অযোগ্যতার কারণে দেশজুড়ে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। - প্রশ্ন: বিশৃঙ্খলার সুযোগে কে সরফরাজকে আক্রমণ করেন?
উত্তর: বিহারের নায়েব-ই-নাজিম আলিবর্দি খান। - প্রশ্ন: সরফরাজ খানের শেষ কী হয়?
উত্তর: তিনি পরাজিত ও নিহত হন। - প্রশ্ন: সুজাউদ্দিন খানের শাসনকালে প্রদেশগুলো কতটা শান্তিপূর্ণ ছিল?
উত্তর: মোটামুটি শান্তিপূর্ণ ছিল। - প্রশ্ন: সুজাউদ্দিন খান কতটা স্বাধীনভাবে শাসন করতেন?
উত্তর: অনেকটা স্বাধীনভাবে। - প্রশ্ন: তিনি কোন পাত্রের মাধ্যমে বাংলার সিংহাসনে বসেন?
উত্তর: মুর্শিদ কুলি খানের কন্যার স্বামী হিসেবে। - প্রশ্ন: সুজাউদ্দিন খানের সাথে প্রাসাদের কর্মকর্তাদের সম্পর্ক কেমন ছিল?
উত্তর: শেষ সময়ে তারা তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করত। - প্রশ্ন: সুজাউদ্দিন খানের সময়কালে দেশজুড়ে কোন সমস্যা দেখা দেয়নি?
উত্তর: শাসনের শুরুতে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ছিল। - প্রশ্ন: সরফরাজ খানের পর বাংলার রাজ্যের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে যায়?
উত্তর: আলিবর্দি খানের হাতে।
আলিবর্দি খান
- প্রশ্ন: আলিবর্দি খান বাংলায় কখন শাসন শুরু করেন?
উত্তর: ১৭৪০ খ্রিষ্টাব্দে। - প্রশ্ন: আলিবর্দি খানের শাসন কত বছর স্থায়ী হয়?
উত্তর: ১৭৪০ থেকে ১৭৫৬ সাল পর্যন্ত। - প্রশ্ন: আলিবর্দি খান বাংলার ক্ষমতা কিভাবে দখল করেছিলেন?
উত্তর: মুঘল সম্রাটের অনুমোদনের নয়, বাহুবলে। - প্রশ্ন: আলিবর্দি খানের শাসনকালে বাংলায় কেমন পরিবেশ ছিল?
উত্তর: শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। - প্রশ্ন: বর্গি বলতে কী বোঝানো হয়?
উত্তর: মারাঠি দস্যু। - প্রশ্ন: বর্গি দস্যুরা কখন বাংলার জনজীবন অতিষ্ঠ করেছিল?
উত্তর: অনেকদিন ধরে। - প্রশ্ন: আলিবর্দি খান বর্গিদের প্রতিরোধ কত বছর চালান?
উত্তর: ১০ বছর (১৭৪২–১৭৫১ খ্রিষ্টাব্দ)। - প্রশ্ন: আলিবর্দি খান কীভাবে বর্গিদের দমন করেছিলেন?
উত্তর: শক্ত হাতে। - প্রশ্ন: আলিবর্দি খানের সময় আফগান সৈন্যরা কী করেছিল?
উত্তর: বিদ্রোহ। - প্রশ্ন: আলিবর্দি খান আফগান বিদ্রোহ কিভাবে দমন করেছিলেন?
উত্তর: শক্ত হাতে। - প্রশ্ন: আলিবর্দি খানের সময় বিদেশি বণিকদের বাণিজ্য কেমন ছিল?
উত্তর: ইংরেজসহ ইউরোপীয় বণিকের বাণিজ্য বাংলার বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে। - প্রশ্ন: আলিবর্দি খান বণিকদের তৎপরতা কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করতেন?
উত্তর: শক্ত হাতে রোধ করতেন। - প্রশ্ন: আলিবর্দি খানের শাসনকালে বাংলায় নিরাপত্তা কেমন ছিল?
উত্তর: জনজীবনে শান্তি ও স্থিতিশীলতা। - প্রশ্ন: আলিবর্দি খান কোন বিদেশি শক্তির কার্যক্রম সীমিত করেছিলেন?
উত্তর: ইংরেজ বণিক ও ইউরোপীয় বণিক। - প্রশ্ন: আলিবর্দি খান কাদের বিদ্রোহ দমন করেছিলেন?
উত্তর: আফগান সৈন্যদের। - প্রশ্ন: আলিবর্দি খানের প্রাধান্য কোন ক্ষেত্রে সুপরিচিত ছিল?
উত্তর: শক্ত হাতে শাসন ও নিরাপত্তা। - প্রশ্ন: আলিবর্দি খান বাংলায় কোন মারাঠি দস্যুদের বিতাড়িত করেছেন?
উত্তর: বর্গি। - প্রশ্ন: আলিবর্দি খানের শাসনকালে বাংলার জনজীবন কেমন ছিল?
উত্তর: শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল। - প্রশ্ন: আলিবর্দি খানের শাসন কোন সালে শেষ হয়?
উত্তর: ১৭৫৬ সালে। - প্রশ্ন: আলিবর্দি খানের মৃত্যু বা শেষ সময়ের পর বাংলার ক্ষমতা কার হাতে যায়?
উত্তর: নবাব সিরাজউদ্দৌলা।
নবাব সিরাজউদ্দৌলা
- প্রশ্ন: আলিবর্দি খান কোন সন্তানের মাধ্যমে সিরাজউদ্দৌলাকে উত্তরাধিকারী মনোনীত করেন?
উত্তর: কনিষ্ঠ কন্যা আমেনা বেগম। - প্রশ্ন: সিরাজউদ্দৌলার বিপরীতে ষড়যন্ত্রকারী কে ছিলেন?
উত্তর: ঘষেটি বেগম। - প্রশ্ন: ষড়যন্ত্রে যারা সাহায্য করেছিল তাদের মধ্যে কারা ছিলেন?
উত্তর: রায়দুর্লভ, জগৎশেঠ, মীর জাফর, উমিচাঁদ, রাজবল্লভ প্রভৃতি। - প্রশ্ন: ষড়যন্ত্রকারীদের কে সমর্থন করেছিল?
উত্তর: ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ইংরেজ বণিক। - প্রশ্ন: সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে যুদ্ধ কখন হয়?
উত্তর: ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন। - প্রশ্ন: সিরাজউদ্দৌলার সাথে পলাশির যুদ্ধে কে বিশ্বাসঘাতকতা করে?
উত্তর: মীর জাফর। - প্রশ্ন: পলাশির যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় কী ফলাফল ডেকে আনে?
উত্তর: বাংলায় ইংরেজ শাসনের ভিত্তি স্থাপন। - প্রশ্ন: পলাশির যুদ্ধে বাংলার মধ্যযুগের কী অবসান ঘটে?
উত্তর: মধ্যযুগের শাসন ও স্বাধীকার। - প্রশ্ন: সিরাজউদ্দৌলা কীভাবে নবাব হয়েছিলেন?
উত্তর: আলিবর্দি খানের মনোনয়নে উত্তরাধিকারী হিসেবে। - প্রশ্ন: সিরাজউদ্দৌলার সময় বিদেশি বণিকদের ভূমিকা কী ছিল?
উত্তর: ষড়যন্ত্র ও ইংরেজ শাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক। - প্রশ্ন: পলাশির যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলার সেনাপতি কোন কাজ করেন?
উত্তর: যুদ্ধের সময় অংশগ্রহণে বিরত থাকেন। - প্রশ্ন: সিরাজউদ্দৌলা কোন নবাবি আমলকে চিহ্নিত করেন?
উত্তর: নিজস্ব স্বাধীন নবাবি আমল। - প্রশ্ন: সিরাজউদ্দৌলার পর বাংলায় রাজনৈতিক ক্ষমতা কাদের হাতে যায়?
উত্তর: ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাতে। - প্রশ্ন: সিরাজউদ্দৌলার মৃত্যুর পর বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হয়?
উত্তর: বিদেশি শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। - প্রশ্ন: সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের উদ্দেশ্য কী ছিল?
উত্তর: সিরাজউদ্দৌলাকে ক্ষমতাচ্যুত করা। - প্রশ্ন: সিরাজউদ্দৌলা কতকাল বাংলার নবাব ছিলেন?
উত্তর: ১৭৫৬–১৭৫৭ সাল পর্যন্ত। - প্রশ্ন: পলাশির যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে কীভাবে যুদ্ধ হয়?
উত্তর: অভ্যন্তরীণ বিশ্বাসঘাতকতা ও ইংরেজ সাহায্যে। - প্রশ্ন: সিরাজউদ্দৌলার মৃত্যুর মাধ্যমে কোন যুগের অবসান ঘটে?
উত্তর: বাংলার মধ্যযুগের। - প্রশ্ন: সিরাজউদ্দৌলার শাসনকালকে কিভাবে চিহ্নিত করা যায়?
উত্তর: স্বাধীন নবাবি আমল ও ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। - প্রশ্ন: পলাশির যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের মাধ্যমে কি প্রতিষ্ঠা পায়?
উত্তর: বাংলায় স্থায়ী ইংরেজ শাসন।
FAQ – আলিবর্দি খান ও নবাব সিরাজউদ্দৌলা
- প্রশ্ন: আলিবর্দি খান বাংলায় কখন শাসন শুরু করেছিলেন?
উত্তর: ১৭৪০ খ্রিষ্টাব্দে। - প্রশ্ন: আলিবর্দি খানের শাসনকালে বাংলায় কোন মারাঠি দস্যুদের দমন করা হয়েছিল?
উত্তর: বর্গি দস্যুদের। - প্রশ্ন: আলিবর্দি খানের শাসনকাল কত বছর স্থায়ী হয়?
উত্তর: ১৭৪০ থেকে ১৭৫৬ সাল পর্যন্ত। - প্রশ্ন: আলিবর্দি খান আফগান সৈন্যদের বিদ্রোহ কীভাবে দমন করেছিলেন?
উত্তর: শক্ত হাতে। - প্রশ্ন: নবাব সিরাজউদ্দৌলা কে ছিলেন আলিবর্দি খানের উত্তরাধিকারী হিসেবে মনোনীত?
উত্তর: তাঁর কনিষ্ঠ কন্যা আমেনা বেগমের পুত্র। - প্রশ্ন: সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে কে ভূমিকা নিয়েছিল?
উত্তর: ঘষেটি বেগম, রায়দুর্লভ, জগৎশেঠ, মীর জাফর, উমিচাঁদ প্রমুখ। - প্রশ্ন: পলাশির যুদ্ধ কখন সংঘটিত হয়?
উত্তর: ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন। - প্রশ্ন: পলাশির যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলা কেন পরাজিত হন?
উত্তর: মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতা ও ইংরেজদের সহায়তার কারণে। - প্রশ্ন: পলাশির যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় বাংলায় কী প্রতিষ্ঠা করে?
উত্তর: ইংরেজ শাসনের ভিত্তি। - প্রশ্ন: সিরাজউদ্দৌলার মৃত্যু কোন যুগের অবসান ঘটায়?
উত্তর: বাংলার মধ্যযুগের।
উপসংহার
পরিশেষে বলতে চাই যে, উপরের সকল প্রশ্নের উত্তরগুলো নিয়মিত চর্চা করলে SSC পরীক্ষা 2026 এ ভালো করতে পারবে ইনশাআল্লাহ্। তবে আরো ভালো ফলাফল করতে তোমার পাঠ্যবই নিয়মিত অধ্যয়ন করবে। ধারাবাহিকভাবে অন্যান্য সকল অধ্যায়ের সাজেশন দেওয়া হবে। বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের সাজেশন পেতে শিক্ষা টেক ২৪ ওয়েবসাইটটি সাবস্ক্রাইব করবে। পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গে তোমার ইমেইলে নটিফিকেশন যাবে। নিজে পড়বে এবং ফেইসবুক সহ অন্যান্য মাধমে বন্ধুদের কাছে শেয়ার করবে। কোন বিষয়ের সাজেশন চাও তা জানাতে কমেন্ট করবে।
আরও পড়ুনঃ
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আমি মোঃ আনোয়ার হোসেন, পেশায় একজন শিক্ষক এবং অনলাইন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর। নিত্য নতুন কন্টেন্ট পেতে shikkhatech24.com ওয়েবসাইটটি সাবস্ক্রাইব এবং ফেইসবুকে শেয়ার করুন।
